খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

আশা জাগানিয়া সীমান্ত সম্মেলনে শান্তির সুবাতাস সীমান্তে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২, ৯:৫০ অপরাহ্ণ
আশা জাগানিয়া সীমান্ত সম্মেলনে শান্তির সুবাতাস সীমান্তে

এম. আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর, কালের আলো:

মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত সীমানা পেরিয়ে আতঙ্ক ছড়াতে শুরু করে বাংলাদেশের ভেতর। ঘটে যায় প্রাণহানিও। মাস কয়েক মর্টার শেল-গোলাবারুদ এসে পড়ার পাশাপাশি সীমান্তঘেঁষে উড়তে দেখা যায় মিয়ানমারের যুদ্ধবিমানও। এসব ঘটনায় কড়া ভাষায় কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানায় ঢাকা। সীমান্তরক্ষী পর্যায়ে কঠোর বার্তা জানায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।দু:খ প্রকাশ করে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি)। কিন্তু সীমান্ত আর জিরো লাইনের মানুষের আতঙ্ক কাটেনি তখনও।

বাংলাদেশও কোন উসকানি বা ফাঁদে পা না দিয়ে আলাপ-আলোচনাতেই গুরুত্ব দেয়। অনেকটাই ‘পয়েন্ট অব নো রিটার্ন’ পরিস্থিতির মোড় ঘুরে যায় মিয়ানমারের রাজধানী ‘নেপিতো’তে অনুষ্ঠিত বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) ৫ দিনব্যাপী অষ্টম সীমান্ত সম্মেলনে। সম্মেলনের আগেভাগেই শান্তি ফিরে আসে আগের মতোন। পুরোদমেই স্বস্তি ফিরতে শুরু করে সীমান্তবাসীর মনে।

দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নীতি নির্ধারক পর্যায়ে ৫ দিনের টানা বৈঠক নিজেদের মধ্যকার নিরঙ্কুশ আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীতিতে সীমান্তে শান্তি রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগে একীভূত হয়ে কাজ করতে উচ্চারিত হয়েছে দৃঢ় অঙ্গীকার। উপলব্ধির জাগৃতিতে বিজিবি-বিজিপির বন্ধুতার সুসম্পর্কের ঐকান্তিক নিষ্ঠা ও আকাঙ্ক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ বাড়িয়ে সীমান্তে শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে প্রভাবকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় দুই বছর দশ মাস পর অনুষ্ঠিত এবারের সীমান্ত সম্মেলন।

পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সুচিন্তিত মতামত ভাগাভাগি, সীমান্ত সুরক্ষায় দৃঢ়চিত্ত মনোভাবের বহি:প্রকাশ ও লক্ষ্যপূরণে সমর্পিতচিত্তে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ থাকার নীতিতে অটল থেকে সীমান্ত ব্যবস্থাপনাকে মসৃণ ও নিরাপদ করতে সমস্যার উৎসে গিয়ে সমাধানে ব্রতী বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ’র নেতৃত্বাধীন ১০ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সত্য-সুন্দর ধ্বনিতে উচ্চকিত করেন দেশপ্রেমের অগ্রণী অবস্থান ও বন্ধুত্বের স্বর্ণালী সংযোগ সূত্র।

বিজিবি মহাপরিচালক আলোচনার টেবিলে দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গেই মিয়ানমারের নিয়ম ভেঙে আকাশসীমা অতিক্রমের বিষয়টি উপস্থাপন করেছেন। এমন ঘটনায় সীমান্ত এলাকায় স্থানীয়ভাবে শঙ্কা বা সংশয় তৈরি হয়। আর সেটি সীমান্তে শান্তির জন্য বাধা হিসেবেই মোটা দাগে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। গভীর চিন্তা ও বোধের বিন্যাসে ইতিবাচকতার অভিমুখে সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘যদি ড্রোন, হেলিকপ্টার উড্ডয়নের প্রয়োজন হয়, যেন আমাদের তা অবগত করা হয়। আমরা যেন লক্ষ্য রাখতে পারি সীমান্ত অতিক্রমের বিষয় ঘটে কি না। তারা (বিজিপি) আশ্বস্ত করেছেন তথ্য শেয়ার করবেন এবং এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে ঘটবে না।’

শুধু তাই নয় বিজিবির অব্যাহত প্রয়াসেই সীমান্ত শান্ত রয়েছে- অর্জনের আলোকমালায় যুক্ত হয়েছে মিয়ানমারের ইতিবাচক সাড়া ও কার্যকর পদক্ষেপের এই বিষয়টিও। ফলত মঙ্গলবারের (২৯ নভেম্বর) সংবাদ সম্মেলনে বিজিবি সদর দপ্তরে বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদের তাৎপর্যপূর্ণ উচ্চারণ- ‘আমার যেটা মনে হয় এই বিষয়ে তারা যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ কারণেই পরবর্তীতে কিন্তু আমরা এ ধরনের ঘটনা পাইনি বা গোলা পতনের কোন ঘটনা ঘটেনি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছে ভবিষ্যতেও তাদের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে সীমান্তে পরিস্থিতি কোন ধরণের অবনতি যেন না হয়, এই বিষয়ে তারা খেয়াল রাখবেন।’

সামনে এগিয়ে চলার পেশাগত উচ্চাশার তুঙ্গ-তরঙ্গে চেতনা ও বিবেকের পাটাতনে দায়বদ্ধ থেকেই বিজিবিপ্রধান বলেছেন, ‘আমি আশা করি, এই সম্মেলনে গৃহীত ১২ টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কার্যকরী বাস্তবায়ন বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি আরও সুসংহত হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত অপরাধ কমিয়ে আনার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখবে। এর পাশাপাশি দুই বাহিনীর মধ্যে বিভিন্নস্তরে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এই সম্মেলন একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলেও আমি মনে করি।’

৫ দিনের সীমান্ত সম্মেলনে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে ইতিবাচক আশ্বাস মিলেছে বলে পরশুর সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন বিজিবি ডিজি মেজর জেনারেল সাকিল আহমেদ। জানিয়েছেন, আগের তুলনায় রাখাইনের পরিস্থিতি ভালো। এটা রোহিঙ্গাদের ফেরতের জন্য ইতিবাচক।’

সীমান্তে অপরাধের লাগাম টেনে ধরতেও ঐক্যমতে পৌঁছেছে বিজিবি-বিজিপি। সম্মেলনে আন্তঃসীমান্ত অপরাধী চক্রের কর্মকাণ্ড প্রতিরোধের বিষয়টিও দায়িত্বশীলতার দীপ্ত শপথে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ, ইয়াবা ও ক্রিস্টাল মেথ আইসসহ অন্যান্য মাদক ও মানব পাচার রোধের বিষয়ে আলোচনা হয়। সীমান্তের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো, সীমান্ত সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান, যৌথ টহল পরিচালনা, রিজিয়ন ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে নিয়মিত সমন্বয় সভা, পতাকা বৈঠক আয়োজনের বিষয়েও ঠাঁই পেয়েছে। এছাড়াও সীমান্তে আটক, সাজাভোগকারী উভয় দেশের নাগরিকদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তন বিষয়েও ফলপ্রসু
আলোচনা হয়েছে।

যৌথ টহল আর আশ্বাস-প্রতিশ্রুতির বৃত্তে আটকে নেই। এবারের সীমান্ত সম্মেলনে এই বিষয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দৃঢ়তার সঙ্গেই বিজিবি ডিজি বলেছেন, ‘সীমান্তে যৌথ টহলের বিষয়ে আশ্বাস নয়, সিদ্ধান্ত হয়েছে। যা শিগগিরই শুরু হবে। আমি চাই এটাকে চলমান রাখা গেলে গ্রাউন্ড লেভেলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমি বিশ্বাস করি যোগাযোগ বাড়ানো গেলে এটি সম্ভব হবে, জোর দিয়ে বলছি আমি বাড়াবো।’

কালের আলো/এমএএএমকে

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন 

ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘অবরোধের নামে জলদস্যুতা ও সামুদ্রিক চুরি চালিয়ে যাচ্ছে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতদিন না ইরান থেকে জাহাজগুলো স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাতায়াতের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, ততদিন হরমুজ প্রণালির অবস্থা কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আগের মতোই থাকবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।’

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।

এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। যার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তেহরান নৌপথটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে আঘাত হানার সক্ষমতা ও ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিকে বিপন্ন করেছে।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে দীর্ঘ প্রায় ছয় সপ্তাহ পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল ইরান। ওই দিন বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ঘোষণায় জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকাকালে প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় মাত্র এক দিনের মাথায় ফের বন্ধ করে দিলো তেহরান।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে হজযাত্রীদের সেবা ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতে গভীর রাতে পরিদর্শনে গিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ধর্মমন্ত্রী হজক্যাম্পে প্রবেশ করেন। তিনি হজযাত্রীদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর ডেস্কে যান এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন। মন্ত্রী ইমিগ্রেশন এরিয়ায় গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হজক্যাম্পের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে জানতে চান।

হজযাত্রীদের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি। শেষে মন্ত্রী ডরমিটরিতে যান এবং সেখানে অবস্থানকারী হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ডরমিটরির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কেও জানতে চান মন্ত্রী।

হজক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা ধর্মমন্ত্রীর এরূপ নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রমে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া করেন।

সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। এটি মাথায় রাখতে হবে এবং তাদের সঙ্গে সেভাবে আচরণ করতে হবে। হজযাত্রীরা যেন কোনো কষ্ট না পান সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী রাত সোয়া একটার দিকে হজক্যাম্প ত্যাগ করেন।

কালের আলো/এসএকে