খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

দুর্যোগে সহানুভূতি, সাহসিকতা ও সক্ষমতার দৃষ্টান্ত সশস্ত্র বাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১০:০৬ অপরাহ্ণ
দুর্যোগে সহানুভূতি, সাহসিকতা ও সক্ষমতার দৃষ্টান্ত সশস্ত্র বাহিনী

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":[],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":false,"containsFTESticker":false}

এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান, অ্যাকটিং এডিটর:

ভারত থেকে নেমে আসা ঢলে হঠাৎ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ১১টি জেলার বাসিন্দাদের ওপর নেমে আসে বন্যা নামের দুর্বিষহ এক যন্ত্রণা। বানের পানিতে ডুবে যায় বাড়িঘর, পাড়া, গ্রাম ও ইউনিয়ন। পড়তে হয় ভয়ানক এক পরিস্থিতিতে। পানির তোড় ভাসিয়ে নিয়ে যায় সব স্বপ্ন-সাধ। স্বজন হারানোর কান্না আর আহাজারি; শুধুই বাঁচার আকুতি। জীবন বাঁচাতে হাজার হাজার মানুষ বাড়ির ছাদে, টিনের চালে আশ্রয় নেন। খাদ্য, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, ওষুধ, বিশ্রাম, কাপড়ের অভাবে সেখানকার জনজীবনে নেমে আসে মানবিক বিপর্যয়। এমন বিপর্যয়ে পড়া বাসিন্দাদের উদ্ধারে, জীবন রক্ষায় কোমর বেঁধে নেমে পড়ে দেশপ্রেমিক সশস্ত্র বাহিনী। ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে উদ্ধার, ত্রাণ তৎপরতা ও পুনর্বাসনে সামনের কাতারে এসে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

      দুর্যোগে জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার নাম সশস্ত্র বাহিনী
  • সৌহার্দ্য, চিন্তাশীলতা আর ন্যায়বোধকে দেদীপ্যমান করেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা
  • মানবিক প্রাণের মোহনায় ঝরঝরে ছন্দের উদার মনোভাব হয়ে ওঠে উজ্জীবিত জীবনের সঞ্জীবনী
  • দুর্যোগ অতিক্রম করে কার্যকর অবদান রেখেছেন জীবনের বুনিয়াদ অব্যাহত রাখতে
  • প্রমাণ করেছেন শান্তিতে-সমরে সবখানেই তাঁরা অনন্য

কারও চোখে ছিল না ঘুম। সবার মাঝে এক চিন্তা-কীভাবে বানভাসি মানুষকে বন্যার কবল থেকে রক্ষা করা যায়। জেগে উঠে বাংলাদেশ। মানবিকতার অনন্য নজির, অভূতপূর্ব ঐক্য ছড়িয়ে পড়ে দিকে দিকে। দেশপ্রেম আর সর্বজনীন কল্যাণবোধের মানবিক গুণে উদ্ভাসিত হয়ে সৌহার্দ্য, সহানুভূতি, চিন্তাশীলতা আর ন্যায়বোধকে দেদীপ্যমান করেন সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। কেবলমাত্র বস্তুগত সহায়তা নয়, এক অনন্য আন্তরিক-মানবিক সংযোগও তৈরি করেন তাঁরা। দায়িত্ব-কর্তব্যের দৃঢ় বন্ধনে শুধু মানুষের প্রয়োজনে একজন মানুষ হিসেবে বাড়িয়ে দেয় গভীর সহানুভূতির হাত। দুর্দশাগ্রস্ত মানুষকে নিরাপদে উদ্ধারের পাশাপাশি অভুক্ত মানুষের আহারের বন্দোবস্ত কিংবা বেঁচে থাকা মানুষকে সান্ত্বনা সবই ছিল তাদের প্রাত্যহিক দিনলিপিতে। সহমর্মিতা, মানবিক প্রাণের মোহনায় ঝরঝরে ছন্দের উদার মনোভাব হয়ে ওঠে উজ্জীবিত জীবনের সঞ্জীবনী। হাতে হাত মিলিয়ে তাদের প্রগাঢ় আন্তরিকতা-সহযোগিতায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে রক্ষা পেয়েছে অনেক প্রাণ। মানব মানসে জুগিয়েছেন অনি:শেষ প্রেরণা।

ঐক্যই দুর্যোগ-দুর্বিপাক থেকে বিপদগ্রস্ত মানুষকে উদ্ধারের প্রধান শক্তি। দুর্যোগ–দুঃসময়ে ঐক্যবদ্ধভাবে বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়ানোর মহৎ গুণটি দেশপ্রমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী রপ্ত করেছেন নিজেদের পথচলার শুরুতেই। দুর্যোগে জীবনবাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়া, সহানুভূতি ও সাহসিকতার নিদর্শন অতীতেও দেখেছেন সবাই। দেশ বহুবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়েছে। প্রতিবারই বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে। সিডর, আইলা থেকে শুরু করে করোনা, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, অগ্নিকাণ্ড কিংবা ভবনধস এমনকি মহামারির সময় সর্বস্তরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সাধ্যানুযায়ী মানবিক কাজে সক্রিয় থেকেছেন। জনগণের পাশে থেকে সবাই মিলে দুর্যোগ অতিক্রম করে কার্যকর অবদান রেখেছেন জীবনের বুনিয়াদ অব্যাহত রাখতে। হয়ে ওঠেছেন দুর্যোগে জনগণের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার নাম।

বন্যার দগদগে ক্ষত নিজের দৃষ্টিতে অবলোকন করতে মানবিকতার চিরায়ত দর্শন আর মূল্যবোধের অনুশীলনে জনসাধারণের সঙ্গে নিজ বাহিনীর সদস্যদের ঐক্যের ঐকতান রচনা করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বন্যার্ত এলাকায় তাঁর সুদীপ্ত পদচারণা, আবেগ-অনুভূতির দ্যোতক বানভাসীদের হৃদয়ের উন্মুক্ত আঙিনাকে স্পর্শ করে গভীরভাবে। একাধিকবার তিনি দুর্গত এলাকায় ছুটে গিয়ে সরাসরি তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি উদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছেন। নেতৃত্বের সৌকর্যে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিয়েছেন নিজ বাহিনীর সদস্যদের। পরিচালনা করেছেন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প।

একইভাবে বানভাসীদের পাশে দাঁড়িয়ে দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধের অনবদ্য মেলবন্ধনে হৃদয় দিয়ে হৃদয় ছোঁয়ার চেষ্টা করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন। মানবিক মূল্যবোধের জ্যোতির্ময়তায় তাঁরা নিজ নিজ বাহিনীর উদ্যোগে বিতরণ করেছেন খাবার, কাপড় ও শিশু খাদ্য। একাধিকবার বন্যার্তদের দুয়ারে ছুটে গিয়ে তাদের খোঁজ খবর নিয়েছেন। হাতে তুলে দিয়েছেন ত্রাণ। বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে করেছেন মেডিকেল ক্যাম্প। আশ্বাস দিয়েছেন পুনর্বাসনেরও।

গত শনিবার (৩১ আগস্ট) আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী উদ্ধার, ত্রাণ কার্যক্রম ও চিকিৎসা সেবা ত্বরান্বিত করতে ক্যাম্পের সংখ্যা বাড়িয়ে বর্তমানে বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর ৩০টি, নৌবাহিনীর ২টি, বিমান বাহিনী ১টি এবং কোস্ট গার্ডের ২টিসহ সর্বমোট ৩৫টি ক্যাম্প মোতায়েন রয়েছে। পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর বর্তমানে ২ হাজার ৭৭৮ জন সদস্য, ৯৮টি বোট ও ৯টি হেলিকপ্টার এর মাধ্যমে উদ্ধার, ত্রাণ কার্যক্রম ও চিকিৎসা সেবা প্রদান করছে। পরদিন রবিবার (০১ সেপ্টেম্বর) আইএসপিআর জানায়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ৩টি ফিল্ড হাসপাতাল ও ১৯টি মেডিকেল টিম, ১টি সেনা ক্লিনিক বন্যা দুর্গতদের নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় (০১ সেপ্টেম্বর) সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম, ফিল্ড হাসপাতাল ও সেনা ক্লিনিক এর মাধ্যমে ৯ হাজার ৮৫৭ জনকে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ওইদিন ৪৮ জন বন্যাদুর্গত ব্যক্তিকে উদ্ধার, ৫২ হাজার ৫১৫ প্যাকেট খাদ্য সামগ্রী এবং ৪৫০ জনকে রান্না করা খাবার বন্যার্তদের মাঝে বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ২০ হাজার পিস পোশাক ও ৮ কার্টুন ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। এসময় সশস্ত্র বাহিনী ১০টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে বন্যা কবলিত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। আইএসপিআর বলছে, ওইদিন পর্যন্ত সশস্ত্র বাহিনীর মেডিকেল টিমগুলো বন্যাদুর্গত এলাকায় ৪২ হাজার ১১৩ জনকে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছে। অন্যদিকে, বিজিবি সদর দপ্তর জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এখন পর্যন্ত বন্যাদুর্গত এলাকার ২ হাজার ৯১৪ জনকে উদ্ধার; ৬৩ হাজার ৭১৪টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেছে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদান করা হয়েছে ২৩ হাজার ৩১১ জন রোগীকে।

সশস্ত্র বাহিনী দেশের গর্ব ও জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর গৌরব শুধুমাত্র স্বাধীনতা যুদ্ধের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। স্বাধীনতা পরবর্তী সময় দেশেও সমানভাবে অবদান রেখে চলেছেন। আন্তর্জাতিক বিশ্বে তাদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা বাংলাদেশকেই সম্মানিত করেছে। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করে শুধু সেসব দেশে শান্তি ফিরিয়েই আনেনি, আর্থসামাজিক ক্ষেত্রসহ পুনর্বাসন ক্ষেত্রে এনেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সদা প্রস্তুত রেখেছেন নিজেদের। পরিবর্তিত বিশ্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার সঙ্গে তাল মিলিয়ে শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতা, উৎকর্ষ সাধনের দিকে নিবিড়ভাবে মনোনিবেশ করেছেন। প্রমাণ করেছেন শান্তিতে-সমরে সবখানেই তাঁরা অনন্য।

কালের আলো/এমএএএমকে

শোক কাটিয়ে শুটিংয়ে রাহুল পত্মী প্রিয়াঙ্কা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ণ
শোক কাটিয়ে শুটিংয়ে রাহুল পত্মী প্রিয়াঙ্কা

ওপার বাংলার অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জির আকস্মিক মৃত্যুর শোক কাটিয়ে কাজে ফিরেছেন তার স্ত্রী, অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) তিনি পরিচালক শমীক রায়চৌধুরীর নতুন ওয়েব সিরিজ ‘তারকাটা’-র শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন। বেহালার কাছাকাছি একটি লোকেশনে সিরিজটির দৃশ্যধারণ চলছে।

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, প্রিয়াঙ্কা এই সিরিজের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন এবং তার বিপরীতে রয়েছেন অভিনেতা বিক্রম চ্যাটার্জি। সিরিজটির মাত্র কয়েক দিনের শুটিং বাকি রয়েছে।

শুক্রবারের শুটিংয়ে প্রিয়াঙ্কা অংশ নিলেও আগামী দিনগুলোর শিডিউলে থাকবেন কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচালক শমীক রায়চৌধুরী শুটিং শুরুর বিষয়টি নিশ্চিত করলেও বর্তমানে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকায় বিস্তারিত কিছু জানাননি। প্রিয়াঙ্কার পাশাপাশি এদিন দেবেশ রায়চৌধুরী ও আয়ুশ দাসও শুটিংয়ে অংশ নেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি উড়িষ্যার তালসারিতে একটি ধারাবাহিকের আউটডোর শুটিং চলাকালে অভিনেতা রাহুলের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় প্রিয়াঙ্কা কলকাতা ও তালসারি উভয় জায়গাতেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

গত কয়েক দিন নিজেকে সামলে নেওয়ার জন্য সময় নিলেও বৃহস্পতিবার সামাজিক মাধ্যমে একটি বার্তা শেয়ার করেন তিনি। সেখানে তিনি রাহুলের অকাল প্রয়াণকে শুধু শোকের স্মৃতি হিসেবে না রেখে একে বড় কোনো পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখার আহ্বান জানান।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ণ
দুই বিভাগে বৃষ্টির আভাস

দেশের দুই বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একইসঙ্গে দেশের অন্যত্র রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান আবহাওয়াবিদ ড. মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে।

আরও বলা হয়, সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

দ্বিতীয় দিন, শনিবার (১১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এদিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রংপুরের ডিমলায় ৩১ মিলিমিটার। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা খুলনার যশোরে ৩৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা সিলেটে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় জানানো হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডা. শফিকুরকে সালাহউদ্দিন

আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাসের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাসের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বিল পাস হয়ে যাওয়ার পর যদি বলেন আমি কিছু বুঝিলাম না। যদি আপত্তি দিতে হতো তা উত্থাপনের পর, তারপরে সেকেন্ড রিডিংয়ে বিবেচনার সময়।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকেলে জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ধন্যবাদ জানাই বিরোধীদলীয় নেতাকে, সব বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যকে; আপনারা যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন। ‘হ্যাঁ’ও বুঝে দিয়েছেন, ‘না’ও বুঝে দিয়েছেন। এই অপরিসীম সহযোগিতার জন্য সরকারি দলের পক্ষ থেকে আপনাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, কার্য উপদেষ্টা কমিটি এসব কর্ম নির্ধারণ করছে। বিশেষ কমিটি যেটা আপনি (স্পিকার) করে দিয়েছেন এই আইনগুলো পর্যালোচনা করার জন্য সংসদে বিশেষ এই কমিটিতে আমাদের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদিন সভাপতি ছিলেন। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকজন সদস্য ছিলেন। আইনমন্ত্রীসহ সবাই এটা আলোচনা পর্যালোচনা করে যেসব অধ্যাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে পাস করার জন্য সিদ্ধান্ত হয় তার মধ্যে এই বিলটাও ছিল।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থবিলসহ আরও কিছু বিলে নোট অব ডিসেন্ট ছিল, আলোচনার দাবি রেখেছিলেন বিরোধীদলীয় সদস্য- সেটি এরই মধ্যে আপনি দুই মিনিটের জায়গায় ১০ মিনিট ১৫ মিনিট, যেভাবে আপনি উপযুক্ত মনে করেছেন আলোচনার জন্য দিয়েছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন