খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

সুপারশপে পলিথিন নিষিদ্ধের ইতিবাচক উদ্যোগে সাড়া

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:৩৮ অপরাহ্ণ
সুপারশপে পলিথিন নিষিদ্ধের ইতিবাচক উদ্যোগে সাড়া

মো.শামসুল আলম খান, কালের আলো:

দেশের সুপারশপগুলোতে অবশেষে বন্ধ হয়েছে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার। বিকল্প হিসেবে সব সুপারশপ বা এর সামনে ক্রেতাদের কেনার জন্য পাট ও কাপড়ের ব্যাগ রাখার নির্দেশ দিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর। ইতোমধ্যেই এসব ব্যাগের ব্যবহারও শুরু হয়েছে। পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধে খুশি ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়েই। রাজধানীর আগোরা সুপারশপের স্টোর ম্যানেজার মো. আমিনুল ইসলাম বলছিলেন ঠিক সেই কথাই- ‘পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার উদ্যোগটি প্রশংসনীয়। এটি আরও অনেক আগে করা দরকার ছিল।’

মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) থেকে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এদিন বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকায় দুটি সুপারশপ পরিদর্শন করেন। প্রথমে তিনি ছুটে যান সাতমসজিদ রোডে অবস্থিত আগোরা সুপারশপে। সেখানে যেতেই দেখা মিলেছে সুতা দিয়ে তৈরি ব্যাগ গ্রাহকদের জন্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। সাইজ অনুযায়ী প্রতিটি ব্যাগের মূল্য রাখা হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা। এ সময় উপদেষ্টা শপ ঘুরে ক্রেতাদের সঙ্গে ওয়ান টু ওয়ান কথা বলেন। পরিবেশবান্ধব ব্যাগের ব্যবহারের ইতিবাচক দিক তুলে ধরেন। পাশাপাশি তিনি এই উদ্যোগ সম্পর্কে ক্রেতাদের মনোভাব জানতে চান। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান ক্রেতারা।

এর আগে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা গত ৯ সেপ্টেম্বর সুপারশপগুলোতে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানান। নতুন এই উদ্যোগকে সফল করতে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। প্রাথমিকভাবে পলিথিনের শপিং ব্যাগ এবং পলিপ্রপাইলিন শপিং ব্যাগের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫-এর বিধান অনুসারে আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০২ সালের ১ মার্চ সরকার বাংলাদেশে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সে সময় শর্তসাপেক্ষে সব রকমের পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, বিক্রি, মজুদ ও বিতরণ নিষিদ্ধ করে পরিবেশ অধিদপ্তর। কিন্তু কাগজে-কলমে এটি বাস্তবায়িত হয়নি।

পরিবেশ অধিদপ্তর বলছে, পাট মন্ত্রণালয় সব সুপারশপের সঙ্গে সভা করে পাটের শপিং ব্যাগের সরবরাহ নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে সব কাঁচাবাজারেও পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ হচ্ছে। একই সঙ্গে পলিথিন উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধেও অভিযান চালানো হবে ওই সময় থেকে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, পলিথিন নিষিদ্ধের আইন প্রণয়নের ২২ বছর হলেও এতো বছর পলিথিনের ব্যবহার বন্ধ হয়নি। আইন প্রয়োগ করা হয়নি। এখন যেহেতু নির্দেশনা আসছে, তাই সুপারশপগুলোতে পলিথিনের পর্যাপ্ত বিকল্প রাখতে হবে। ব্যাগের সর্বোচ্চ সাপ্লাই থাকতে হবে, না হলে মানুষকে ব্যাগ ব্যবহারে বাধ্য করা যাবে না।

আগোরা সুপারশপ পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যতদিন পুরোপুরিভাবে পলিথিনের শপিং ব্যাগ উৎপাদন বন্ধ না হয়, ততদিন পর্যন্ত অভিযান চলবে।’ তিনি বলেন, ‘একটা বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞার বাস্তব প্রয়োগ শুরু করেছি। একবার বছর দুয়েকের জন্য প্রয়োগ হয়েছিল। মার্কেট মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পলিথিন প্রায় উঠে গিয়েছিল। তারপর আর মনিটরিং ছিল না, এটা আবার ফেরত এসেছে।’ উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘সুপার শপের মালিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা খুশি মনে পাটের ব্যাগের ব্যবহার করতে রাজি হয়েছেন। কারণ পলিথিনের বিপদটা তারা বোঝেন। নিজেদের সন্তানদের জন্য এটা একটা ভালো কাজ।’

বেসরকারি উন্নয়ন ও গবেষণা চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী এম জাকির হোসেন খান এই উদ্যোগ সফলে সুপারশপ স্টোরগুলোতে পর্যাপ্ত ব্যাগ আছে কী না এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরকে তদারকি করতে জোর দিয়েছেন। ব্যাগের দাম কম নাকি বেশি সেটাও দেখতে বলেছেন। তিনি বলেন, ‘এক্ষেত্রে তরুণদের মনিটরিংয়ে রাখা যায়। ব্যাগ ব্যবহার মানুষের অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। যারা বাজারে জুট ব্যাগ তৈরি করবে, তাদের প্রথম দিকে ট্যাক্সমুক্ত রাখতে হবে।’

এদিকে, পরে উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের মীনা বাজারের আউটলেট পরিদর্শন করেন। মীনা বাজারের বিভিন্ন সেকশন ঘুরে দেখেন তিনি। মীনা বাজারে চার ধরনের পাটের ব্যাগ ক্রেতাদের জন্য রাখা হয়েছে। এসব ব্যাগের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে সাইজ ভেদে ১৩ থেকে ১৯ টাকা। এছাড়া মাছ-মাংস দেওয়া হচ্ছে কাগজের প্যাকেটে। মীনা বাজার ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেনাকাটা করছেন এবং নতুন এই ব্যবস্থা সম্পর্কে কৌতূহল প্রকাশ করছেন। মীনা বাজারের নিয়মিত ক্রেতা শায়লা আক্তার জানান, ‘সরকারের এই উদ্যোগ বেশ ভালো। দেশের বাইরেও এ রকম ব্যবস্থা দেখেছি।’

মীনা বাজার পরিদর্শন শেষে উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশের আইনে পলিথিনের উৎপাদন, বিপণন ও ক্রয় একেবারে নিষিদ্ধ। কিন্তু এটা কেউ মানে না। অন্যান্য দেশের দিকে তাকালে দেখবেন, পলিথিনের ব্যাগকে সবার আগে টার্গেট করে বাজার থেকে সরানো হয়েছে। আমাদের দেশে সবার আগে আইন করে নিষিদ্ধ করা হলেও বাস্তবায়ন করা হয়নি। এখানে আমরা সুপারশপ দিয়ে বাস্তবায়ন শুরু করলাম।’

জানতে চাইলে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (এসডো) মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন বলেন, ‘পলিথিনের আইন প্রয়োগ করতে ২২ বছর লেগেছে। মূলত প্রশাসনের রাজনৈতিক সদিচ্ছা ছিল না, ফলে আইন প্রয়োগ হয়নি। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে।’ মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষ অভ্যাসের দাস, তাদের সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। সুপারশপ থেকে যারা কেনাকাটা করে তাদের ব্যাগ কেনার সামর্থ্য রয়েছে। খোলাবাজারে ব্যাগের দাম নিয়ে সমস্যা হতে পারে। তবে আমরা চেষ্টা করছি ক্রেতার নাগালের মধ্যে রাখার জন্য। আশা করি ব্যাগ ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে।’

কালের আলো/এমএসএকে/এমএএএমকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন তারেক রহমান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। এর আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কালের আলো/এসআর/এএএন