খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

স্বপ্নের পূর্ণতায় মাতৃভূমি রক্ষার শপথ নবীন সৈনিকদের, ধৈর্য্য আর ত্যাগে অর্জিত বিরল সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার উপদেশ সিজিএস’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪, ১০:৫৪ অপরাহ্ণ
স্বপ্নের পূর্ণতায় মাতৃভূমি রক্ষার শপথ নবীন সৈনিকদের, ধৈর্য্য আর ত্যাগে অর্জিত বিরল সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার উপদেশ সিজিএস’র

কালের আলো রিপোর্ট:

দীর্ঘ ৯ মাসের কঠোর প্রশিক্ষণ শেষে স্বপ্নের পূর্ণতার অপার আনন্দ নবীন সৈনিকদের হৃদয়ে। মেধার সঙ্গে নিরলস শ্রম, কঠোর অভিনিবেশ আর অসামান্য পেশাদারিত্বের মাধ্যমে প্রত্যেকে গড়ে তুলেছেন নিজেকে। স্বভাবতই নির্মল আনন্দে উদ্ভাসিত হওয়ার মুহুর্ত। আত্নজের বিজয় কেতনের সুখ আবেশ যেন ছুঁয়ে যায় অভিভাবকদেরও। দেশপ্রেমী বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভবিষ্যতের আলোকবর্তিকাদের স্বপ্নকে যেন এদিন আরও স্বার্থক ও মহিমান্বিত করলেন সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। উপদেশ দিলেন দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম, ধৈর্য্য এবং ত্যাগে অর্জিত এই বিরল সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে নতুন করে আরও দৃঢ় প্রত্যয়ী হওয়ার। নিজের প্রজ্ঞা আর দূরদৃষ্টিতে সততা, নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও দেশপ্রেমের মন্ত্র তিনি গেঁথে দিলেন নতুন সেনাদের মস্তিষ্কে।

অনন্য এক মিলনমেলায় আনন্দের অবগাহনে তাঁর প্রিয় টাইগারসদের উদ্দেশ্যে আলোর দিশারি হয়েই বলে চললেন-‘আজকের দিনটি তোমাদের প্রত্যেকের জীবনে একটি বিশেষ দিন। আজ তোমাদের ওপর অর্পিত হলো দেশমাতৃকার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষার পবিত্র দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে মনেপ্রাণে তোমরা সদা প্রস্তুত এবং সতর্ক থাকবে। সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন তোমাদের সহায় হোন এবং অর্পিত দায়িত্ব পালনে তোমাদেরকে শক্তি প্রদান করেন।’

মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) চট্টগ্রাম সেনানিবাসের দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারে (ইবিআরসি) অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের রিক্রুট ব্যাচ-২০২৪ এর সেনাবাহিনী প্রধান কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে নিজের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে পেশাদারিত্বের নির্যাসে দূরদৃষ্টির পরিচয়বহ ও দিকনির্দেশনামূলক এক দীর্ঘ বক্তব্যই উপস্থাপন করলেন তিনি। মহান মুক্তিযুদ্ধে নিজ বাহিনীর অবিস্মরণীয় ভূমিকা, দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল এবং বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানসহ অনেক জানা ও অজানা শহীদদের বীরত্ব ইতিহাস, সৈনিক জীবনের সাফল্যের পরতে পরতে নৈতিক মূল্যবোধের অপরিহার্যতা সবকিছুই তুলে আনলেন নির্মোহ যুক্তিতে। কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করলেন, গ্রহণ করলেন অভিবাদনও। আশা প্রকাশ করলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নতুন সৈনিকরা অতীতের মতো দেশপ্রেম ও পেশাগত দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে লড়ে যাবেন।

জানা যায়, ৯ মাসের কঠোর অনুশীলনের পর ১ হাজার ৩৮১ জন নবীন সৈনিক এদিন শপথ নিয়েছেন। এতে রিক্রুটদের ৬টি কন্টিনজেন্ট অংশগ্রহণ করেন। শ্রেষ্ঠ রিক্রুটসহ অন্যদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম। দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবগাঁথা উপস্থাপন করে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই রেজিমেন্টের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল এবং বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানসহ অসংখ্য জানা ও অজানা শহীদদের বীরত্ব ইতিহাস অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল, যা তোমাদের ভবিষ্যতের দীপ্ত চেতনায় অনুপ্রাণিত করবে।’

পদাতিক পরিবারের নবীন সদস্যদের সেনাবাহিনীতে গর্বিত সদস্য হিসেবে অন্তর্ভূক্তিতে স্বাগত জানান সেনাবাহিনীর এই তিন তারকা জেনারেল। তিনি বলেন, ‘কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা ও পারদর্শিতার এই স্বীকৃতি তোমরা আজ পেয়েছো। যা সকল দেশপ্রেমিকের জন্য চিরকাক্সিক্ষত এবং দুর্লভ সম্মান। আমি আশা করি আজকের এই নবীন সদস্যরা দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম, ধৈর্য্য এবং ত্যাগে অর্জিত এই বিরল সম্মান অক্ষুণ্ন রাখার জন্য নতুন করে দৃঢ় প্রত্যয়ী থাকবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যে বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হলে, বাহিনীর সঙ্গে সুসর্ম্পক স্থাপিত হলো তা সত্যিই গর্বের বিষয়, যা মনেপ্রাণে ধারণ করবে।’

‘একটি বলিষ্ঠ এবং দক্ষ সেনাবাহিনী গড়ে তোলার জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলো সৎ চরিত্র, মানসিক দৃঢ়তা, কঠোর অধ্যাবসায়, শৃঙ্খলাবোধ এবং সঠিক নেতৃত্ব। সৈনিক জীবনের সাফল্যের মূলে রয়েছে নৈতিক মূল্যবোধ, আনুগত্য, শৃঙ্খলা এবং নিরলস প্রশিক্ষণ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তোমরা এই গুণসমূহ অনুশীলন এবং অনুসরণ করে চলবে। ধর্মীয় এবং মানবিক মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকলে তোমরা সত্যিকারের মানুষ হয়ে দেশের সেবা করতে পারবে। আমন্ত্রিত অতিথিদেরকে তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করে আজকের এই প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি থাকার জন্য তাদেরকে বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। বিশেষ করে আগত নবীন সৈনিকদের পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতি আমাদের অনুষ্ঠানকে করেছে মহিমান্বিত’- যোগ করেন সিজিএস।

তিনি নবীন সৈনিকদের ভবিষ্যৎ কর্মজীবন সুন্দর, উজ্জ্বল এবং অর্থবহ হোক এমন প্রত্যাশা করে বলেন, ‘ভবিষ্যতে নিজেকে আদর্শ ও নির্ভীক সৈনিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে তোমরা জীবনে স্বার্থক হও এই প্রত্যাশাই করছি। পরিশেষে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামগ্রিক উত্তরোত্তর সফলতা এবং অগ্রগতি কামনা করছি। দি ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরব, সুনাম এবং সম্মান উত্তরোত্তর বৃদ্ধি এবং সকলের সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করছি।’

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম অঞ্চলের উর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তা, জেসিও, অন্যান্য পদবীর সৈনিক ও প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী রিক্রুটদের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থেকে মনোজ্ঞ কুচকাওয়াজ উপভোগ করেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন 

ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘অবরোধের নামে জলদস্যুতা ও সামুদ্রিক চুরি চালিয়ে যাচ্ছে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতদিন না ইরান থেকে জাহাজগুলো স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাতায়াতের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, ততদিন হরমুজ প্রণালির অবস্থা কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আগের মতোই থাকবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।’

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।

এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। যার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তেহরান নৌপথটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে আঘাত হানার সক্ষমতা ও ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিকে বিপন্ন করেছে।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে দীর্ঘ প্রায় ছয় সপ্তাহ পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল ইরান। ওই দিন বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ঘোষণায় জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকাকালে প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় মাত্র এক দিনের মাথায় ফের বন্ধ করে দিলো তেহরান।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে হজযাত্রীদের সেবা ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতে গভীর রাতে পরিদর্শনে গিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ধর্মমন্ত্রী হজক্যাম্পে প্রবেশ করেন। তিনি হজযাত্রীদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর ডেস্কে যান এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন। মন্ত্রী ইমিগ্রেশন এরিয়ায় গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হজক্যাম্পের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে জানতে চান।

হজযাত্রীদের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি। শেষে মন্ত্রী ডরমিটরিতে যান এবং সেখানে অবস্থানকারী হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ডরমিটরির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কেও জানতে চান মন্ত্রী।

হজক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা ধর্মমন্ত্রীর এরূপ নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রমে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া করেন।

সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। এটি মাথায় রাখতে হবে এবং তাদের সঙ্গে সেভাবে আচরণ করতে হবে। হজযাত্রীরা যেন কোনো কষ্ট না পান সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী রাত সোয়া একটার দিকে হজক্যাম্প ত্যাগ করেন।

কালের আলো/এসএকে