খুঁজুন
                               
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৪ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

পদ্মার পাড়ে ক্যাডেটদের মিলনমেলায় উচ্ছ্বল তারুণ্যভরা দিন, ক্যাডেটদের সার্বিক সফলতা কামনা সেনাপ্রধানের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ১০:১০ অপরাহ্ণ
পদ্মার পাড়ে ক্যাডেটদের মিলনমেলায় উচ্ছ্বল তারুণ্যভরা দিন, ক্যাডেটদের সার্বিক সফলতা কামনা সেনাপ্রধানের

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

‘পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায়/ও সেই চোখে দেখা, প্রাণের কথা, সে কি ভোলা যায়।/আয় আর একটিবার আয় রে সখা, প্রাণের মাঝে আয়।/মোরা সুখে দুখের কথা কব, প্রাণ জুড়াবে তায়।’ রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের অঙ্গনজুড়ে শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) যেন সবার হৃদয়ে হৃদয়ে নীরবে বেজেছে কবি গুরুর গানের এই কথাগুলো। রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেটদের সংগঠন ‘ওল্ড রাজশাহী ক্যাডেটস অ্যাসোসিয়েশান’ (অরকা) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ১৪তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে সাবেক ক্যাডেটরা যেন হারিয়ে গিয়েছিলেন পুরনো দিনের স্মৃতিতে। এই উৎসব ঘিরে সবুজ চত্বরে বসে নবীন-প্রবীণের মিলনমেলা। কয়েক মুহুর্তের জন্য সবাই যেন ফিরে যান উচ্ছ্বল তারুণ্যভরা সোনালী দিনে। যেখানে মরচে ধরেনি বন্ধুতায়। জীবনের এই সময়টিতে বন্ধুতার বন্ধন ঝালিয়ে নিলেন আরও একবার।

ক্যাডেট কলেজের প্রাঙ্গনের এপাশ-ওপাশে প্রাক্তনদের কণ্ঠ থেকে ভেসে আসছিল অজস্র আবেগি সংলাপ। যেদিকেই চোখ যায় সেদিকেই ভিড়-বুনো উল্লাস। ক্যাডেট জীবনের স্বর্ণময় দিনগুলোর স্মৃতি রোমন্থনে হাতে হাত আর বুকে বুক মিলিয়ে করেছেন কুশলবিনিময়। সেকেন্ডেরও ভগ্নাংশে চলছে ক্লিক ক্লিক, দেদারসে উঠছে সেলফি-ছবি। ফেলে আসা ক্লাসরুম, শিক্ষক আর হারিয়ে যাওয়া বন্ধুরা মিলে হুড়মুড়িয়ে বইতে থাকে গল্পের স্রোত।

‘ওল্ড রাজশাহী ক্যাডেটস অ্যাসোসিয়েশান’ (অরকা) আয়োজিত পুনর্মিলনী উৎসব যেন সূত্রপাত করে কার্যত এক মহামিলনের। যেখানে আবেগ-বাস্তবতার সিক্যুয়েন্সে সাবেক ও বর্তমান ক্যাডেটদের সামনে এগিয়ে চলার শক্তি আরও দ্বিগুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বর্ণাঢ্য পুনর্মিলনী প্যারেডের সালাম গ্রহণ করেন। পরে প্রধান অতিথি হিসেবে প্যারেডে অংশগ্রহণকারী বর্তমান ও প্রাক্তন ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন।

অসংখ্য মেধাবী তরুণকে জাতি গঠনে সুনিপুণ কারিগর হিসেবে তৈরি করেছে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ। এই ক্যাডেট কলেজের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান নিজেদের মধ্যে ঐক্য ও ভাতৃত্ববোধ তৈরি করবে বলে মনে করেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। একুশের চেতনা বুকে লালন করে মাতৃভাষায় আবেগ উচ্ছ্বসিত প্রাণে গৌরব ও আত্মত্যাগের ভাষার মাসে সেনাপ্রধান শ্রদ্ধাবনতচিত্তে স্মরণ করেন ভাষা শহীদদের। গভীর শ্রদ্ধায় তিনি স্মরণ করেন ৩০ লাখ শহীদকে যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি দেশ ও জাতি গঠনে ক্যাডেটদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। ক্যাডেটদের সার্বিক সফলতা ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন। তাদের দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করতেও অনুরোধ জানান।

দেশ-বিদেশে আলো ছড়াচ্ছেন রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। তাঁরা দেশপ্রেমিক সামরিক বাহিনীসহ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে জাতির উন্নয়নে রেখে চলেছেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান। ক্যাডেট জীবনে অসামান্য সৃজনশীল এক সময় পার করেছেন তাঁরা। অরকা’র আয়োজনে পুনর্মিলনীতে যোগ দিয়ে তাঁরা দেখিয়ে দিলেন বয়স যত বাড়ে, তাদের তারুণ্য তত বাড়ছে। যৌবনের শক্তি, কাজের প্রেরণা ধরে রেখে প্রচলিত ধারণাকে ম্লান করে দিতে চান তাঁরা। নিজেদের মধ্যকার মৈত্রী ও সম্প্রীতিকে আরও সুসংহত করতে চান। ফলত ঐক্য আর ভাতৃত্বের নতুন বন্ধনে আবদ্ধ করেছেন নিজেদের। অনেকেই অনেক সহপাঠী হারিয়েছেন। জীবনের শেষ প্রান্তে এসে কার কখন ডাক আসে ঠিক নেই। এমন একটি পর্যায়ে এই সম্মিলন প্রত্যেকের কাছে সঞ্জীবনীর মতো, বলছিলেন সাবেক ক্যাডেটদের কেউ কেউ।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, ‘ওল্ড রাজশাহী ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন’ (ওআরসিএ) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী জমকালো ১৪তম পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান রাজশাহী ক্যাডেট কলেজে এসে পৌঁছালে ক্যাডেট কলেজ পরিচালনা পরিষদের সভাপতি ও সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল (এজি) মেজর জেনারেল মো. মাসুদুর রহমান, কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবদুল কবীর ও ‘ওল্ড রাজশাহী ক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন’র সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর কবীর তালুকদার এবং অন্যান্য অতিথিরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। অনুষ্ঠানে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন ক্যাডেট, স্থানীয় ফরমেশনের ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা, স্থানীয় বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং ক্যাডেটরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএএএমকে

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১০ অপরাহ্ণ
সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎ শুরু শুক্রবার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার আগামীকাল শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ তথ্য জানান বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রিজভী বলেন, শুক্রবার পাঁচটি বিভাগের মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। পরদিন শনিবারও দলীয় ফরম গ্রহণকারীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, শুক্রবার রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল, ফরিদপুর ও খুলনা বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। শনিবার চট্টগ্রাম, সিলেট, কুমিল্লা, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের প্রার্থীদের সাক্ষাৎকার বিকেল তিনটায় অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি আরও জানান, সাক্ষাৎকার কার্যক্রমে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সভাপতিত্ব করবেন। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অতীতে নির্যাতনের শিকার, মিথ্যা মামলার আসামি এবং রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় নারী নেত্রীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতা ও যোগাযোগ দক্ষতাও বিবেচনায় রাখা হবে।

দলীয় সূত্র জানায়, সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মোট ১ হাজার ২৫টি ফরম বিক্রি হয়েছে। প্রতিটি ফরমের মূল্য ছিল ২ হাজার টাকা। ফরম জমা দেওয়ার সময় প্রত্যেক প্রার্থীকে ৫০ হাজার টাকা জামানত দিতে হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের তফসিল অনুযায়ী, সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২১ এপ্রিল। যাচাই-বাছাই হবে ২২ ও ২৩ এপ্রিল। আপিল গ্রহণ করা হবে ২৬ এপ্রিল এবং নিষ্পত্তি হবে ২৭ ও ২৮ এপ্রিল। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ২৯ এপ্রিল এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি। দলীয় বণ্টন অনুযায়ী বিএনপি জোটের জন্য ৩৬টি, জামায়াতে ইসলামীসহ তাদের জোটের জন্য ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ণ
আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন সেনাপ্রধান

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। গতকাল বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম সংলগ্ন এলাকায় নির্মিতব্য এই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, এমপি-এর ‘সবার জন্য ক্রীড়া’ এই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সুদূরপ্রসারী বিশেষ পরিকল্পনাকে সামনে রেখে দেশের ক্রীড়া উন্নয়নে কার্যকর অবদান রাখার লক্ষ্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সার্বিক সহযোগিতায় একটি আধুনিক ও সমন্বিত ক্রীড়া অবকাঠামো হিসেবে আর্মি স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কমপ্লেক্সে আন্তর্জাতিক মানের দুটি ইনডোর স্টেডিয়াম, একটি স্পোর্টস একাডেমি এবং জিমনেসিয়ামসহ উন্নত স্পোর্টস সায়েন্স সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এতে ফিজিওলজি, বায়োমেকানিক্স, নিউট্রিশন ও স্পোর্টস মেডিসিন সংক্রান্ত বিশেষায়িত সেকশন স্থাপন করা হবে। এর ফলে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের খেলোয়াড়গণ আধুনিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক সুবিধা গ্রহণের সুযোগ পাবে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে নির্মিতব্য এ ধরনের আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভিত্তিপ্রস্তর অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, সেনাবাহিনী ও বিভিন্ন জাতীয় দলের খেলোয়াড়বৃন্দ এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এম/এএইচ

সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ণ
সরকারের সমালোচনা করে ঢাবি ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরকারের সমালোচনা করে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ শোভন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) এক ফেসবুক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

সেখানে তিনি লিখেন, রাষ্ট্র আজ এক গভীর সংকটের ক্রান্তিলগ্নে দাঁড়িয়ে। সাম্যবাদী বিপ্লবের মহান আদর্শকে ধারণ করে ছাত্র–জনতা–সিপাহীর ঐক্যবদ্ধ শক্তিতে ২১ দিনের পাল্টাপাল্টি প্রতিরোধ যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত ৫ আগস্ট, তার চেতনা আজ উপেক্ষিত, তার অঙ্গীকার পদদলিত। ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থের অন্ধ প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বাসঘাতকতার কালো ছায়ায় সহস্র শহীদের আত্মত্যাগ আজও ন্যায্য মর্যাদা পায়নি, এ জাতির জন্য এক গভীর লজ্জা ও বেদনার ইতিহাস।

পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, সেই দুর্দিনে আমরা মাথা নত করিনি। মহান আল্লাহর ওপর অটল ভরসা ও অদম্য সাহসে আমরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম বলেই জাতি রক্ষা পেয়েছিল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত থেকে। নতুবা প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ পরিণত হতো এক রক্তাক্ত বিপর্যয়ের প্রান্তরে। অথচ আজও একটি আধুনিক, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্র বিনির্মাণের স্বপ্ন অপূর্ণ রয়ে গেছে, এ এক নির্মম বাস্তবতা।

তিনি আরও লিখেন, চলমান জাতীয় দুর্যোগের প্রেক্ষাপট মোকাবিলায় সম্পূর্ণভাবে কপটতার আশ্রয় নেওয়া দুর্বল সরকার ও দলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল) প্রতি সমর্থন প্রত্যাহার করে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি। আমার এক দশকের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ কোনো প্রাপ্তির প্রত্যাশায় ছিল না; বরং তা ছিল আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জন ও গণমানুষের আত্মমর্যাদা রক্ষার লড়াই অতপর; নিপীড়িত দেশমাতা মরহুমা বেগম জিয়ার প্রতি নৈতিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু বর্তমানে দলটির নীতি ও কার্যক্রমের সঙ্গে একজন আদর্শনিষ্ঠ মানুষ হিসেবে আমার পথচলা আর সম্ভব নয়।

ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, স্মরণ রাখা আবশ্যক—রাষ্ট্রই সর্বোচ্চ, দল তার একটি উপাদান মাত্র। রাষ্ট্রের স্বার্থ, ন্যায় ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস চলতে পারে না, হবেও না। অতএব, জাতির স্বাধীনতা, মর্যাদা ও ন্যায়ের প্রশ্নে যদি পুনরায় সংগ্রাম অনিবার্য হয়, তবে দেশমাতৃকার সম্মান রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে আমরা প্রস্তুত থাকবো। অন্যায়ের সামনে নতজানু নয়, প্রয়োজনে শাহাদাতই হবে আমাদের চূড়ান্ত অঙ্গীকার। বাংলাদেশ চিরজীবী হউক।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ