খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

এমআইএসটিতে জাতীয় প্রযুক্তি উৎসবে সাড়া, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশে উচ্ছ্বসিত তারুণ্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ মার্চ, ২০২৫, ৯:১৮ অপরাহ্ণ
এমআইএসটিতে জাতীয় প্রযুক্তি উৎসবে সাড়া, সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশে উচ্ছ্বসিত তারুণ্য

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রযুক্তি খাত বদলে যাচ্ছে দ্রুত গতিতে। এতে পরিবর্তন ও অগ্রগতি হচ্ছে আরও ত্বরান্বিত। অবারিত প্রযুক্তির যুগে তুমুল প্রতিযোগিতায় বেড়ে উঠছেন এখনকার তরুণেরা। তথ্যপ্রযুক্তি খাতের পেশাদার মাত্রই জানেন প্রযুক্তি ও যুগের সঙ্গে তাল মেলাতে ক্রমাগত শিখতে হবে তাদেরও। উদীয়মান প্রযুক্তি এবং সর্বশেষ ট্রেন্ডগুলোর সঙ্গে থাকতে হবে হালনাগাদ। স্বপ্নপূরণের লড়াইয়ে শুধু শিক্ষাগত যোগ্যতা নয় যোগাযোগ ও প্রযুক্তি দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী ক্ষমতা, সংবেদনশীলতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণে আত্মবিশ্বাস, নিজেকে উপস্থাপনের সক্ষমতা এবং ইতিবাচক মানসিকতা অপরিহার্য। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে এসবের নেই কোনো বিকল্প।

ফলত চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের অগ্রযাত্রাকে ত্বরান্বিত করা, উদ্ভাবনী নকশা ও প্রযুক্তিকে তুলে ধরা এবং শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব বিকাশে উৎসাহিত করতে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) আয়োজন করেছে দু’দিনব্যাপী জাতীয় প্রযুক্তি উৎসবের। যার নাম দেওয়া হয়েছে-ইনভেনশাস ৪.১। এমআইএসটি ইনোভেশন ক্লাবের (এমআইসি) উদ্যোগে এবং গবেষণা ও উন্নয়ন শাখা’র তত্ত্বাবধানে আয়োজিত এই উৎসবে দেশের মোট ৩৭টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছেন। এর মাধ্যমে দেশের প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীরা নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের সুযোগ পাচ্ছেন। দু’দিনের এই আয়োজন তাদের মাঝে ফেলেছে ব্যাপক সাড়া। সময়ের সঙ্গে অগ্রসরমান আধুনিক বিশ্বে যে কোনো ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের প্রতি নতুন প্রজন্মের আগ্রহ ও প্রতিশ্রুতিকেই প্রতিফলিত করেছে প্রযুক্তিপ্রেমীদের এই উৎসব।

বিশ্ব যখন নতুন নতুন প্রযুক্তি আবিষ্কার আর তাঁর ব্যবহার নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশের তারুণ্য হাত গুটিয়ে বসে নেই। তাঁরাও প্রযুক্তির উৎকর্ষে নিজেদের ঝালাই করে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ প্রবাহের মাধ্যমে ক্রমেই উজ্জ্বল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি)। এমআইএসটি’র কমান্ড্যান্ট মেজর জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ নবতর কার্যক্ষেত্র আর উন্নততর প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণে উৎসাহিত করছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি সচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি নানা রকম উদ্ভাবনী কাজে যুগিয়ে চলেছেন অনুপ্রেরণা।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এমআইএসটি) আয়োজিত দু’দিনব্যাপী জাতীয় প্রযুক্তি উৎসবে দু’দিনে মোট চারটি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এগুলো হচ্ছে- হ্যাকাথন, লিড দি ফিউচার, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন কম্পিটিশন ও প্রোজেক্ট শোকেসিং। উৎসবের প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হ্যাকাথন-এ ২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭২ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেছেন। এখানে তাঁরা বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমস্যা সমাধানে নিজেদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রদর্শন করেছেন।

শনিবার (০৮ মার্চ) উৎসবের দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হবে লিড দি ফিউচার, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন কম্পিটিশন ও প্রোজেক্ট শোকেসিং। এর মধ্যে লিড দি ফিউচার প্রতিযোগিতায় ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫৩ জন প্রতিযোগী, ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন কম্পিটিশন-এ ৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮ জন প্রতিযোগী ও প্রোজেক্ট শোকেসিং-এ ১৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৮ জন প্রতিযোগী অংশ নেবেন। তরুণ উদ্ভাবকদের জন্য প্রযুক্তির জগতে নতুন দ্বার উন্মোচনের প্রত্যয়ে আয়োজিত ‘ইনভেনশাস ৪.১’ ২০২৫ নতুন প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের এক অনন্য মঞ্চ হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে এমআইএসটি।

কালের আলো/এমএএএমকে

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন 

ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩১ অপরাহ্ণ
ফের হরমুজ বন্ধ করল ইরান

পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘোষণা দিয়েছে দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

আইআরজিসির যৌথ সামরিক কমান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে যাওয়ায় হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ‘আবার আগের অবস্থায় ফিরে গেছে’।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ‘অবরোধের নামে জলদস্যুতা ও সামুদ্রিক চুরি চালিয়ে যাচ্ছে’।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই কারণে হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আবার আগের অবস্থায় ফিরে এসেছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এখন সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।’

এতে বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যতদিন না ইরান থেকে জাহাজগুলো স্বাভাবিকভাবে তাদের গন্তব্যে যাতায়াতের পূর্ণ স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিচ্ছে, ততদিন হরমুজ প্রণালির অবস্থা কঠোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং আগের মতোই থাকবে।’

এর কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ অব্যাহত রাখলে হরমুজ প্রণালি আবারও বন্ধ করে দেওয়া হবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, ‘অবরোধ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি খোলা থাকবে না। এই জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল ইরানের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করবে।’

বিশ্বব্যাপী নৌপরিবহণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এলএনজি পরিবহন করা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের প্রেক্ষিতে পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি বন্ধ করে দিয়েছিল ইরান।

এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। যার প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। কিন্তু শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। তেহরান নৌপথটি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি পুরো অঞ্চলজুড়ে অত্যাবশ্যকীয় অবকাঠামোতে আঘাত হানার সক্ষমতা ও ইচ্ছা উভয়ই প্রদর্শন করেছে, যা উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল ও গ্যাসভিত্তিক অর্থনীতিকে বিপন্ন করেছে।

লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে দীর্ঘ প্রায় ছয় সপ্তাহ পর শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) হরমুজ প্রণালি খুলে দিয়েছিল ইরান। ওই দিন বিকেলে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এক ঘোষণায় জানান, যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকাকালে প্রণালি দিয়ে সব বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল উন্মুক্ত থাকবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ অব্যাহত থাকায় মাত্র এক দিনের মাথায় ফের বন্ধ করে দিলো তেহরান।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:২৩ অপরাহ্ণ
গভীর রাতে হজক্যাম্পে ধর্মমন্ত্রী, খোঁজ নিলেন সেবার মান ও ব্যবস্থাপনার

রাজধানীর আশকোনা হজক্যাম্পে হজযাত্রীদের সেবা ও কার্যক্রম সরাসরি তদারকি করতে গভীর রাতে পরিদর্শনে গিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ।

শুক্রবার রাত সাড়ে ১২টায় ধর্মমন্ত্রী হজক্যাম্পে প্রবেশ করেন। তিনি হজযাত্রীদের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান ও সংস্থাগুলোর ডেস্কে যান এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নেন। মন্ত্রী ইমিগ্রেশন এরিয়ায় গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হজক্যাম্পের সেবা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের কাছ থেকে জানতে চান।

হজযাত্রীদের শারীরিক অবস্থার বিষয়েও খোঁজখবর নেন তিনি। শেষে মন্ত্রী ডরমিটরিতে যান এবং সেখানে অবস্থানকারী হজযাত্রীদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। ডরমিটরির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কেও জানতে চান মন্ত্রী।

হজক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তারা ধর্মমন্ত্রীর এরূপ নিবিড় মনিটরিং কার্যক্রমে বিস্ময় প্রকাশ করেন এবং তার জন্য দোয়া করেন।

সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে ধর্মমন্ত্রী বলেন, হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। এটি মাথায় রাখতে হবে এবং তাদের সঙ্গে সেভাবে আচরণ করতে হবে। হজযাত্রীরা যেন কোনো কষ্ট না পান সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী রাত সোয়া একটার দিকে হজক্যাম্প ত্যাগ করেন।

কালের আলো/এসএকে