খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

নেপাল থেকে জামাল ভূঁইয়াদের স্বস্তির প্রত্যাবর্তনে আস্থায় বিমান বাহিনী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
নেপাল থেকে জামাল ভূঁইয়াদের স্বস্তির প্রত্যাবর্তনে আস্থায় বিমান বাহিনী

বিশেষ সংবাদদাতা, কালের আলো:

প্রীতি ম্যাচ খেলতে নেপালে গিয়ে সরকারবিরোধী আন্দোলন আর সহিংসতার মধ্যে কাঠমান্ডুতে আটকা পড়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। গত সোম (০৮ সেপ্টেম্বর) থেকে বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর)-এই তিন দিন নেপালে একপ্রকার হোটেলবন্দী ছিল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর খুলে দেওয়া হয় দেশটির বিমানবন্দর। বাংলাদেশ দল চেয়েছিল ওই রাতেই দেশে ফিরতে। ঢাকা থেকে বিশেষ ফ্লাইটের চেষ্টা চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত আর হয়নি।

অবশেষে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি পরিবহন বিমানের মাধ্যমে কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বেলা ২টা ৫৫ মিনিটে যাত্রা শুরু করেন হাভিয়ের কাবরেরা ও জামাল ভূঁইয়ারা। বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটের দিকে ঢাকার কুমির্টোলা এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম একে খন্দকারে অবতরণ করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিশেষ ফ্লাইট। যাতে জামাল ভূঁইয়া ও তার সতীর্থদের সঙ্গে দেশে ফেরেন নেপালে অবস্থান করা সাংবাদিকরাও। মোট ৫৫ সদস্যের এই বিশাল বহর ঢাকায় ফেরার পর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন সবাই। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ করে বিমান বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তাঁরা। এই ঘটনার মধ্যে দিয়ে দেশ ও জনগণের প্রয়োজনে বিমান বাহিনীর ঐতিহাসিক ভূমিকা আবারও দেদীপ্যমান হয়েছে সবার মাঝে। সঙ্কটে আবারও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী।

জানা যায়, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল গত ৩ সেপ্টেম্বর নেপালে গিয়েছিল দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে। ৬ সেপ্টেম্বর প্রথম ম্যাচ গোলশূন্য ড্র হয়। দ্বিতীয় ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল ৯ সেপ্টেম্বর। কিন্তু সোশাল মিডিয়ার ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি আর দুর্নীতির প্রতিবাদে জেন-জি আন্দোলনে সহিংসত শুরু হলে দ্বিতীয় ম্যাচ বাতিল হয়ে যায়। গত মঙ্গলবার পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে ২২ জনের মৃত্যুর পর নেপালের প্রধানমন্ত্রীসহ কয়েকজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। দেশটির পার্লামেন্ট ভবন ও মন্ত্রীদের বাড়িঘরে আগুন দেওয়া হয়। নেপালের বিভিন্ন অংশে সহিংস বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়লে কারফিউ জারি করা হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় বিমানবন্দর। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ফুটবল দল কাঠমান্ডুর হোটেলে আটকা পড়ে। ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের দিনে হামলার চেষ্টা হয়েছিল বাংলাদেশের টিম হোটেলেও। তবে হোটেল কর্তৃপক্ষ আন্দোলনকারীদের বোঝাতে সক্ষম হয়েছিল যে, সেখানে কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি নেই। তাদের ফিরিয়ে আনতে বিমানের একটি ফ্লাইট গত মঙ্গলবার কাঠমান্ডু গেলেও ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনুকূল পরিস্থিতি না থাকায় নামার অনুমতি পায়নি। পরে সেটি ঢাকায় ফিরে আসে। বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর খুলে দেওয়া হয় ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

আন্ত:বাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, কঠিন এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সদস্য ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে জরুরিভাবে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনের জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সশস্ত্র বাহিনী বিভাগকে অনুরোধ করেন। সূত্র জানায়, দলের নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দলের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সক্রিয়ভাবে কাজ করেন।

আইএসপিআর জানায়, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি পরিবহন বিমানের মাধ্যমে নেপালে আটকে পড়া সদস্যদের দেশে প্রত্যাবর্তনের জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। পরিকল্পনা মোতাবেক বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে বিমান বাহিনীর পরিবহন বিমান ঢাকা থেকে নেপালের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। এরপর সফল প্রচেষ্টার মাধ্যমে এদিন বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটের দিকে তাঁরা নিরাপদে ঢাকার কুর্মিটোলা এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম একে খন্দকারে পা রাখেন সবাই। নেপাল থেকে প্রত্যাবর্তনকারী মোট ৫৫ জন সদস্যদের মধ্যে ৩৮ জন খেলোয়াড়, কোচ, টিম অফিসিয়াল ও ডেলিগেট, ১৬ জন ক্রীড়া সাংবাদিক এবং একজন ছাত্র সমন্বয়ক ছিলেন। এর মাধ্যমে অবসান ঘটে সকল রকমের অনিশ্চয়তা ও উৎকণ্ঠার।

আইএসপিআর জানায়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অপারেশন্স ও পরিকল্পনা পরিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আলীমুল আমীন বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বিমানটি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম একে খন্দকারে পৌঁছার পর প্রেস ব্রিফিং করেন। সেখানে বক্তব্য রাখেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালও। এ সময়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আগামী দিনগুলোতে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশ ও জনগণের যে কোন প্রয়োজনে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী আত্মত্মনিয়োগের জন্য সদা অঙ্গীকারবদ্ধ বলে জানানো হয় আইএসপিআর’র সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

কালের আলো/এমএএএমকে

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন তারেক রহমান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। এর আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কালের আলো/এসআর/এএএন