খুঁজুন
                               
বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ২ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে সচিব পদে পদোন্নতির স্বপ্নভঙ্গ

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ণ
চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে সচিব পদে পদোন্নতির স্বপ্নভঙ্গ

সবার আশা থাকে প্রশাসনের সর্বোচ্চ পদ সচিব হওয়া। গত অন্তর্বর্তী সরকারের পর বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়েও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বন্ধ হয়নি। সচিব পর্যায়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ এখন বাড়তে থাকায় অনেকেরই সচিব পদে পদোন্নতি কেবল স্বপ্নই থেকে গেছে।

জানা যায়, বিএনপি দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তবর্তী সরকারের আমলে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া একাধিক সচিবের নিয়োগ বাতিল করে। এমনকি এক দিনে ৯ সচিবের চুক্তি বাতিল করা হয়। চুক্তি বাতিল করা সচিবরা হলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য মোখলেস উর রহমান, এস এম আকমল হোসেন, কাইয়ুম আরা বেগম, বিশ্বব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক শরীফা খান, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মো. সাইদুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক (সিনিয়র সচিব) সিদ্দিক জোবায়ের, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউসুফ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মমতাজ আহমেদ।

জনপ্রশাসন কর্মকর্তাদের প্রত্যাশা ছিল সচিবের এ শূন্য পদগুলো পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হবে। একই সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া অন্যদেরও পর্যায়ক্রমে সরিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু তা না করে চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তারা মন্ত্রিপরিষদ, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্রসহ গুরুত্বপুর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।

সূত্র জানায়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সচিব ও সচিব পদমর্যাদার গ্রেড-১ পদসহ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে ছিলেন ৭৯ জন কর্মকর্তা। সম্প্রতি বেশ কয়েকজনের চুক্তি বাতিল হওয়ায় এ সংখ্যা ৬৬-তে নেমে এসেছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব হিসেবে সাবেক কর্মকর্তা এবিএম আব্দুস সাত্তার এবং স্বরাষ্ট্র সচিব পদে মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়। গত ৩ মার্চ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার ও কৃষি মন্ত্রণালয়ে এক বছরের চুক্তিতে চারজনকে সচিব নিয়োগ দেওয়া  হয়েছে। মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, আব্দুল খালেককে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মো. শহীদুল হাসানকে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং আর রফিকুল আই চৌধুরীকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া ১ মার্চ মুনশি আলাউদ্দিন আল আজাদকে এক বছরের চুক্তিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নিয়োগ দেয় সরকার। চুক্তিতে নিয়োগ এই কর্মকর্তারা প্রশাসন থেকে বিদায় নিয়েছেন ১৭ থেকে ২০ বছর আগে এবং তাদের বয়স ৬৫ থেকে ৭৫ বছর।

সূত্র জানায়, বিএনপি সরকার এখনও সচিব পর্যায়ে কোনো নিয়মিত কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেয়নি। কর্মকর্তাদের অনেকেই বলছেন যে, যারা চুক্তিভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছেন তারা মূলধারার জনপ্রশাসন থেকে দীর্ঘ ১০ থেকে ২০ বছর বিচ্ছিন্ন ছিলেন, ফলে তারা প্রশাসনের বর্তমান গতিশীলতার সঙ্গে অপরিচিত। প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানান, অন্তবর্তী সরকার আমলের চুক্তি বাতিল করে নতুন করে ফের ঢালাওভাবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ ও পদোন্নতি দেওয়া হলে প্রশাসনে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পদ ছাড়া ঢালাও পদোন্নতির কারণে জনপ্রশাসনে যেখানে নিয়মিত কর্মকর্তারা পদ পাচ্ছেন না সেখানে কয়েক বছর আগে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তাদের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের কারণে সংকট আরও বাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন পদোন্নতি প্রত্যাশী কর্মকর্তারা। এ ছাড়া নিয়মিত কর্মকর্তা থাকার পরও চুক্তিতে সচিবসহ গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়ায় বছরে তাদের বেতন-ভাতা বাবদ সরকারের অতিরিক্ত কোটি কোটি টাকা ব্যয় হবে।

সাবেক সচিব এ কে এম আবদুল আউয়াল মজুমদার বলেন, সরকার যদি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিতে চায়, তা হলে একটা ফর্মুলা তৈরি করে সে অনুযায়ী দিতে পারে। নিয়োগ ও পদোন্নতির ক্ষেত্রে দলীয় বা পছন্দের লোকের পরিবর্তে ওই পদের জন্য কতটা যোগ্য সেটিই বিবেচনা করা জরুরি। ভালো কর্মকর্তা এবং বর্তমান সরকারের প্রতি সমর্থন, সততা-দক্ষতা, সিদ্ধান্ত দেওয়ার সক্ষমতা আছে এমন ব্যক্তিদের নিয়ে আসা উচিত। যোগ্য কর্মকর্তা নয় অথচ বিভিন্নজনের পরিচয়ে কাউকে নিয়ে আসা কোনোভাবেই ঠিক হবে না।

কালের আলো/এম/এএইচ

বাজারে চলছে অস্থিরতা

বিশেষ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:০০ পূর্বাহ্ণ
বাজারে চলছে অস্থিরতা

বাজারে নিতপণ্যের দাম এখন ঊর্ধ্বমুখী। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলে সরকার রেশনিং আরোপ করেছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের কারণে চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে গ্রামে বাড়তি দামে তেল বিক্রি হচ্ছে। এতে ট্রাক ভাড়া আগের তুলনায় ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য পরিবহণ খাতেও খরচ বেড়েছে।

রাজধানীর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা। যা এক মাস আগেও ১৮০ টাকা ছিল। প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৪০ টাকা। যা এক মাস আগে ৩২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা কেজি। আগে ছিল ৭৫০ টাকা। এদিকে ভোজ্যতেলের বাজারেও চলছে অস্থিরতা। আরেক দফা মূল্য বাড়াতে বাজার থেকে উধাও হয়েছে বোতলজাত সয়াবিন তেল। পাশাপাশি সংকট দেখিয়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ২১০-২২০ টাকা। যা এক মাস আগে ১৮৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বেড়েছে চিনির দামও। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা। যা ঈদের আগে ১০০ টাকা ছিল।

বাংলাদেশ পাইকারি ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, যুদ্ধের কারণে ভোজ্যতেল আমদানিতে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্ববাজারে দাম বেড়েছে। এতে আমদানিকারকদের ব্যয় বেড়েছে। তাই দেশের বাজারেও দাম বাড়াতে হবে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৫৮ টাকায়। বিআর-২৮ জাতের মাঝারি দানার চাল ৬৮ টাকা, সরু চালের মধ্যে মিনিকেট চাল ৮৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে দাম না বাড়লেও প্রতি কেজি সরু মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, মাঝারি দানার মসুর ডাল ১২০-১৩০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

নয়াবাজারের ব্যবসায়ী মো. আকবর বলেন, পরিবহণ ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় সবজি থেকে শুরু করে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে কিছু পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছেন। জ্বালানি পরিস্থিতির জন্য পণ্যের দাম যেটুকু বাড়ার কথা তার তুলনায় বেশি দাম নেওয়ায় সাধারণ মানুষ বিড়ম্বনায় পড়েছেন।

কেজিপ্রতি ৮০ টাকার নিচে মিলছে না কোনো সবজি। মাসের ব্যবধানে কেজিতে ২০-৩০ টাকা বেড়েছে। গোল বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি। এক মাস আগে ছিল ৮০-৯০ টাকা। পটোল বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি। যা আগে ৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, বরবটি ৮০-৯০, ঢ্যাঁড়শ ৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম ৩ দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কম ছিল। মূলত ট্রাক ভাড়া বাড়ার কারণে সবজির দাম বেড়েছে।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া এলাকার বাসিন্দা মো. মাসুম বলেন, আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করে মাসে ৪০ হাজার টাকা বেতন পাই। মা-বাবা, স্ত্রী ও এক ছেলে নিয়ে আমার সংসার। সেখান আমিসহ তাদের খাবার জোগাড় করতে মাসে ৫০ কেজির এক বস্তা চাল ৪ হাজার, ৫ লিটার তেল ৮৫০, বাসা ভাড়া ১২ হাজার, সবজি, মাছ, ব্রয়লার মুরগিসহ তরকারি রান্নার উপকরণ কিনতে ৮ হাজার, গ্যাস সিলিন্ডার ২০০০, সাবান-ডিটারজেন্ট ও শ্যাম্পু ৫০০, মুদি বাজার আরও ২ হাজার, বিদ্যুৎ বিল ১০০০ ও মোবাইল টকটাইমে খরচ হয় ৫০০ টাকা।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহসভাপতি এসএম নাজের হোসাইন বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহণ ব্যয় বাড়ার প্রভাব সরাসরি পণ্যের দামে পড়ছে। পাশাপাশি বাজার সিন্ডিকেটের কারণে ভোজ্যতেলসহ একাধিক পণ্যের দাম বেড়েছে। তাই বাজারে কঠোরভাবে তদারকি দরকার।

কালের আলো/এম/এএইচ

বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৫২ পূর্বাহ্ণ
বার্সাকে বিদায় করে ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিতে আতলেতিকো

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার-ফাইনালের ফিরতি লেগে ২-১ গোলে জিতেও শেষ পর্যন্ত বিদায় নিতে হয়েছে বার্সেলোনাকে। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে সেমি-ফাইনালে উঠেছে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

মঙ্গলবার রাতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে শুরুতেই আধিপত্য দেখায় বার্সেলোনা। চতুর্থ মিনিটে লামিনে ইয়ামাল এবং ২৪তম মিনিটে ফেররান তোরেসের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় তারা, ফলে দুই লেগ মিলিয়ে সমতা ফেরে। তবে ৩১তম মিনিটে আদেমোলা লুকমান গোল করে আতলেতিকোকে আবারও ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে নেন, যা শেষ পর্যন্ত নির্ণায়ক হয়ে ওঠে।

পুরো ম্যাচে প্রায় ৭১ শতাংশ বল দখলে রেখে বার্সেলোনা আক্রমণ চালালেও দুই দলই নেয় ১৫টি করে শট; লক্ষ্যে ছিল বার্সেলোনার ৮টি ও আতলেতিকোর ৫টি। বারবার সুযোগ তৈরি করেও গোল বাড়াতে পারেনি কাতালানরা, বিপরীতে গোলরক্ষক হুয়ান মুসোর দৃঢ়তায় টিকে থাকে স্বাগতিকরা।

ম্যাচের শেষ দিকে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বার্সেলোনার জন্য। ৭৭তম মিনিটে এরিক গার্সি‌য়া লাল কার্ড দেখলে যোগ করা সময়সহ শেষ ১৯ মিনিট ১০ জন নিয়ে খেলতে হয় তাদের। প্রথম লেগেও তারা খেলেছিল ১০ জনে।

শেষদিকে রবার্ট লেভানদোভস্কি ও রোনাল্ড আরাওহো সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারেননি। ফলে ২-১ ব্যবধানে জিতেও হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা।

অন্যদিকে প্রায় ৯ বছর পর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালে উঠেই উল্লাসে মাতে আতলেতিকো মাদ্রিদ।

কালের আলো/এসএকে

৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিচ্ছে স্পেন, বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের উচ্ছ্বাস

ইউরোপে যখন অভিবাসননীতি নিয়ে কড়াকড়ি চলছে তখন ব্যতিক্রমী এক সিদ্ধান্ত নিলো স্পেন। প্রায় ৫ লাখ অবৈধ অভিবাসীকে বৈধতা দিতে যাচ্ছে দেশটি। অর্থনীতি, জনসংখ্যা আর বাস্তবতার যুক্তি তুলে ধরে এই উদ্যোগকে ন্যায়ের পদক্ষেপ বলছে স্পেন সরকার।

এদিকে স্পেনের এমন সিদ্ধান্তের পর বার্সেলোনায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উদযাপনের দৃশ্য দেখা গেছে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, এ ঘোষণার পর উল্লাসে ফেটে পড়েছেন তারা। এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে স্পেন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

এই সুবিধা পেতে আবেদনকারীদের অন্তত পাঁচ মাস স্পেনে বসবাসের প্রমাণ এবং পরিচ্ছন্ন অপরাধমুক্ত রেকর্ড দেখাতে হবে। আগামী ১৬ এপ্রিল থেকে জুন মাসের শেষ পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হবে। অনুমোদন পেলে তারা কাজের সুযোগ, সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর এবং সরকারি স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আসবেন।

সরকার বলছে, এই অভিবাসীরাই স্পেনের অর্থনীতি ও জনসেবার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন। জনসংখ্যার বার্ধক্য মোকাবিলা এবং শ্রমঘাটতি পূরণে তাদের বৈধতা দেওয়া জরুরি। অতীতে স্পেনের নাগরিকদের বিদেশে কাজের জন্য পাড়ি জমানোর ইতিহাসও এই সিদ্ধান্তের নৈতিক ভিত্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ।

তবে দেশটির বিরোধী দল পিপলস পার্টি এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বলছে, সরকারের এমন উদ্যোগ অবৈধ অভিবাসনকে উৎসাহিত করবে এবং নতুন করে আরও মানুষের আগমন বাড়াতে পারে।

যদিও ক্যাথলিক চার্চসহ কিছু মহল এই উদ্যোগকে সমর্থন জানিয়েছে। ইউরোপজুড়ে কড়াকড়ির প্রবণতার বিপরীতে স্পেনের এই পদক্ষেপ নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

কালের আলো/এসাআর/এএএন