খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিট আগেই শেষ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চের টিকিট আগেই শেষ

ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে আগাম টিকিট বিক্রি নির্ধারিত দিনের কয়েক দিনের মধ্যেই শেষ হয়েছে। বাস কাউন্টার সংশ্লিষ্টদের দাবি, তারা গত ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে আগাম বাসের টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। তিন ফেব্রুয়ারি কয়েকদিনের মধ্যে সকল টিকিট বিক্রি শেষ হয়েছে। ফলে আগাম টিকিট বিক্রির জন্য তাদেরকে এখন আর কোনো কষ্ট করতে হচ্ছে না। আগামী ১৭, ১৮ ও ১৯ মার্চ তারিখের কোনো টিকিট নেই। এই তারিখগুলোয় কাউন্টারগুলোতে কোনো টিকিট মিলছে না।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানীর গাবতলী আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালের আশপাশে থাকা বিভিন্ন দুরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতে খোঁজ নিয়ে এমন তথ্য জানা গেছে।

শ্যামলী পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার আসাদ জানান, এবার গত তিন মার্চ থেকে তারা আগাম টিকেট বিক্রি শুরু করেছেন। টিকিট বিক্রির নির্ধারিত তারিখের দুই দিনের মধ্যে তাদের টিকেট শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধুমাত্র আজ থেকে আগামী ১৫ তারিখের টিকেট পাওয়া যাচ্ছে তবুও অল্প কিছু।

কেন এত দ্রুত সময়ে টিকিট শেষ হলো জানতে চাইলে তিনি জানান, তাদের অধিকাংশ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়। প্রতিবছর এমন ঘটনা ঘটে। এ বছরও অনলাইনে অধিকাংশ টিকিট বিক্রি হয়েছে।

তার মতে, অনলাইনে টিকেট বিক্রির সুবিধার কারণে এখন আর যাত্রীদের কাউন্টারে আসতে হয় না। কাউন্টারে না এসে যাত্রীরা টিকিট পেয়ে যাচ্ছেন। শুধুমাত্র তাদেরকে প্রিন্ট করে বের করতে হয়। সেই কপি অথবা মোবাইলে সফট কপি দেখালেই তারা টিকেট দিয়ে দেন।

গাবতলীতে থাকা হানিফ পরিবহনের যে কয়টি কাউন্টার রয়েছে তার মধ্যে একটি কাউন্টারের কর্মী সোহান বলেন, আমাদের কাছে এখন আর আগামী ১৬ মাস থেকে ১৯ পর্যন্ত কোনো টিকেট পাবেন না। এখনই অনেক চাপ। কেউ টিকিট চাইলে দুই একটি থাকলেও সেটি আমরা পিছনের দিকে সিট দিচ্ছি।

গাবতলীতে থাকা দূরপাল্লার অধিকাংশ বাস কাউন্টারগুলো এখন ফাঁকা। অথচ অন্যদিন অন্য বছরগুলোতে আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা আসা মাত্র কন্ট্রোলগুলোর সামনে লাইন ধরে যায়। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে সেই দৃশ্য আর দেখা যাচ্ছে না। এবারও এমন ঘটনা ঘটেছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, ঢাকায় এখন বিভিন্ন জায়গায় পরিবহনগুলোর টিকিট কাউন্টার হয়েছে। ফলে সেগুলো থেকে আরেক কাউন্টারের টিকিট সহজে কাটা যাচ্ছে। এসব কারণে যাত্রীদের এখন ভোগান্তি কমেছে বলে মনে করেন তারা।

আগাম টিকেটের জন্য এসেছিলেন সোহেল রানা। তিনি যাবেন উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড়ে। আগামী ১৭ তারিখের টিকিট খুঁজছিলেন। কিন্তু পেলেন না।

গাবতলীতে থাকা বিভিন্ন রুটের বাস কাউন্টারের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার আগাম টিকিট বিক্রির ঘোষণা আসা মাত্র অধিকাংশ যাত্রী অনলাইনে এবং দিনের যেকোনো সময় এসে টিকিট কেটে নিয়ে গেছেন। ফলে তাদের আর ভোগান্তি হচ্ছে না।

তার আরো বলছেন, তিন দিন তাদের ব্যবসা খুব জমবে। ঈদের আগের তিন দিন যে টিকিট বিক্রি হয়েছে সেই পরিবহনগুলোতে বাড়তি টিকিট বিক্রির কোনো সুযোগ নেই। তবে তারা বাড়তি যাত্রীর চাপ সামলাতে বাস সার্ভিস বাড়ানোর চিন্তা করছেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধনী মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী

কৃষক কার্ডের উদ্বোধনের জন্য টাঙ্গাইল পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সড়কপথে তিনি শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান। পরে সকাল ১১টা ২২ মিনিটে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণের মঞ্চে ওঠেন।

কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন। এসময় ১৫ জনকে কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড বিতরণ করবেন ও গাছের চারা তুলে দিবেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯টি উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করবেন৷

কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন- মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু।

প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।

এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বইছে উৎসবের আমেজ বইছে। এছাড়াও কৃষকরাও আনন্দিত। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে মঞ্চ প্রস্তুত ও স্টেডিয়ামে সৌন্দর্যসহ বিভিন্ন সংস্কার করা হয়েছে।

কালের আলো/এসআর/এএএন

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন তারেক রহমান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। এর আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কালের আলো/এসআর/এএএন