খুঁজুন
                               
মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

বাড়তি ভাড়ায় দিশেহারা যাত্রীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ২:১৪ অপরাহ্ণ
বাড়তি ভাড়ায় দিশেহারা যাত্রীরা

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী ও ধোলাইরপাড় এলাকা এখন যেন বিশাল জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। নাড়ির টানে প্রিয়জনদের কাছে ফিরতে হাজারো মানুষ ছুটে আসছেন এই টার্মিনালগুলোতে। তবে ঘরমুখো এই মানুষের ঢল আনন্দের চেয়ে ভোগান্তিই বেশি বয়ে আনছে। অতিরিক্ত ভাড়া, তীব্র যানজট, বৃষ্টির কারণে কর্দমাক্ত পরিবেশ—সব মিলিয়ে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, রেলক্রসিং, জনপথ মোড়, যাত্রাবাড়ী চৌরাস্তা ও ধোলাইরপাড় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি সড়কে যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়। বাস কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ সারি, কেউ বসে আছেন ফুটপাতে, কেউ দাঁড়িয়ে আছেন ব্যাগ-লাগেজ নিয়ে। নির্দিষ্ট সময়েও বাস না আসায় অনেকেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করছেন।

ঈদকে কেন্দ্র করে দূরপাল্লার বাসগুলোতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ এবারও স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যাত্রীদের দাবি, অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত ভাড়ার দ্বিগুণ পর্যন্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে।

কুমিল্লাগামী যাত্রী রাহাতুল বলেন, স্বাভাবিক সময়ে ১০০-১৫০ টাকায় যাওয়া যায়। এখন ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা চাচ্ছে। বাধ্য হয়ে দিতে হচ্ছে, কারণ বিকল্প নেই।

মেডিকেল শিক্ষার্থী মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, ৫৫০ টাকার টিকিট ৭০০ টাকায় কিনতে হয়েছে। আগের দামে কোনো টিকিটই পাওয়া যাচ্ছে না। চাঁদপুরগামী কয়েকজন যাত্রী জানান, ২০০ টাকার ভাড়া বেড়ে ২৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাদের ভাষায়, ঈদ এলেই যেন ভাড়া বাড়ানো একটা নিয়ম হয়ে গেছে।

মালিকদের ব্যাখ্যা, বাস্তবে ভিন্ন চিত্র

অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ অস্বীকার করে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা বলছেন, তারা সারা বছর নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম নেন। এখন কেবল সরকারি নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে।

পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগের বিষয় এড়িয়ে গেছেন। তারা বলছেন, সারা বছর নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে কম নেওয়া হয়, এখন নির্ধারিত ভাড়াই নেওয়া হচ্ছে।

এক পরিবহন কর্মী নাম প্রকাশ না করে বলেন, সরকারি ভাড়া ২৯০ টাকা। আমরা তার কাছাকাছিই নিচ্ছি। ঈদের সময় অনেক গাড়ি খালি ফিরে আসে, সেই খরচও ধরতে হয়।

তবে যাত্রীদের অভিযোগ, এই ব্যাখ্যার আড়ালে বাস্তবে অতিরিক্ত ভাড়াই আদায় করা হচ্ছে, যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না। জনপথ মোড়ে টিকিট বিক্রেতা জসিম উদ্দিন বলেন, যাত্রীচাপ অনেক বেশি। তবে গাড়িও আছে। আমরা চেষ্টা করছি পরিস্থিতি সামাল দিতে।

দক্ষিণাঞ্চলগামী যাত্রীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। বরিশাল রুটে বাস সংকটের সুযোগে লোকাল বাসগুলোই দূরপাল্লার যাত্রী বহন করছে বাড়তি ভাড়ায়। ধোলাইরপাড়-পোস্তগোলা রুটের কিছু বাসে বরিশাল যেতে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে, যেখানে স্বাভাবিক সময়ে ভাড়া থাকে প্রায় ৫০০ টাকা।

বরিশালগামী যাত্রী আহমেদ সৈকত বলেন, ৬৫০ টাকার টিকিট এক হাজার টাকা পর্যন্ত চাচ্ছে। ঈদের বোনাস পাই, কিন্তু সেটা রাস্তাতেই শেষ হয়ে যাচ্ছে।

অন্যান্য রুটেও একই চিত্র। লক্ষ্মীপুর, নোয়াখালী ও কুমিল্লা রুটেও বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। লক্ষ্মীপুরগামী যাত্রী ওমর ফারুক বলেন, আগে ৫০০-৫৫০ টাকায় যাওয়া যেত, এখন ৭০০ টাকা দিতে হচ্ছে।

নোয়াখালীগামী রাব্বি হোসেন বলেন, পরিবার নিয়ে এসেছি। কাদা-পানি পেরিয়ে আসতেই কষ্ট হয়েছে, এখন আবার বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে। কিছু বলারও সুযোগ নেই।

শুধু দূরপাল্লার বাস নয়, স্থানীয় পরিবহনেও বেড়েছে ভাড়া। যাত্রী তাসলিমা আক্তার বলেন, অটোরিকশার ভাড়া ২০ টাকা থেকে ৩০ টাকা হয়ে গেছে। সব জায়গাতেই বাড়তি টাকা দিতে হচ্ছে। এদিকে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখাসাপেক্ষে ঈদের দিন নির্ধারণ হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে শুক্রবার, না হলে শনিবার ঈদ উদযাপিত হবে। ফলে শেষ মুহূর্তে যাত্রীচাপ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রতি বছর ঈদ এলেই একই চিত্রের পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অতিরিক্ত ভাড়া, টিকিট সংকট ও অব্যবস্থাপনার কারণে তাদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।

যাত্রীরা বলছেন, শুধু কাগজে-কলমে নয়, মাঠপর্যায়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে ঈদযাত্রা সাধারণ মানুষের জন্য আরও কষ্টকর হয়ে উঠবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

কালের আলো/এসআর/এএএন 

অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ
অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা মারার হুমকি!

দক্ষিণ ভারতীয় জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের চেন্নাইয়ের বাসভবনে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তামিলনাড়ু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে আসা একের পর এক ইমেইল বার্তায় এই হুমকি দেওয়া হয়।

ইমেইলগুলোতে দাবি করা হয়, অভিনেত্রীর বাড়িতে শক্তিশালী বোমা রাখা হয়েছে এবং যেকোনো সময় তা বিস্ফোরিত হতে পারে। খবরটি জানাজানি হওয়ার পর তৃষার ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত তৃষার চেন্নাইয়ের বাড়িতে পৌঁছায় পুলিশ ও বোম ডিসপোজাল স্কোয়াডের (বিডিডিএস) একটি বিশেষ দল। সঙ্গে নেওয়া হয় স্নিফার ডগ।

পুরো বাড়ি এবং এর আশপাশ এলাকায় কয়েক ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সেখানে কোনো সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত পুলিশ নিশ্চিত করে যে, এটি একটি ভুয়া হুমকি বা ‘হকস’ কল ছিল।

তৃষার ক্ষেত্রে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। পুলিশ রেকর্ডে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ২ অক্টোবর রাতেও ঠিক একইভাবে অভিনেত্রীর বাড়িতে বোমা হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় তল্লাশিতে কিছুই পাওয়া যায়নি।

একই অভিনেত্রীকে বারবার কেন লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ পুলিশ প্রশাসনও। কে বা কারা এই ইমেইল পাঠাচ্ছে, তাদের শনাক্ত করতে সাইবার ক্রাইম বিভাগ তদন্ত শুরু করেছে।

হুমকি এবং আতঙ্ক একদিকে থাকলেও তৃষা বর্তমানে তার ক্যারিয়ারের সুবর্ণ সময় পার করছেন। মেগাস্টার চিরঞ্জীবীর বিপরীতে ‘বিশ্বম্ভরা’ সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। বড় বাজেটের এই ফ্যান্টাসি থ্রিলার ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মাঝে রয়েছে প্রবল আগ্রহ।

কালের আলো/এসএকে

টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
টাঙ্গাইলের পথে প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন করবেন ‘কৃষক কার্ড’

পহেলা বৈশাখে কৃষকদের জন্য নতুন উদ্যোগ ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইল যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর গুলশানের বাসভবন থেকে বের হয়।

টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সদর উপজেলার সুরুজ এলাকার কৃষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেবেন তারেক রহমান।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের বিভিন্ন প্রণোদনা, ভর্তুকি ও সরকারি সহায়তা সহজভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।

সরকারের মতে, ‘কৃষক কার্ড’ চালুর মধ্য দিয়ে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। এর আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘ক্রীড়া কার্ড’ এবং খাল খনন কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যা বিভিন্ন সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

কালের আলো/এসআর/এএএন

বৈশাখী শোভাযাত্রা দেখলেন ইইউ-নরও‌য়ের রাষ্ট্রদূতসহ বিদেশি কূটনীতিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
বৈশাখী শোভাযাত্রা দেখলেন ইইউ-নরও‌য়ের রাষ্ট্রদূতসহ বিদেশি কূটনীতিকরা

বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের অন‌্যতম আকর্ষণ বৈশাখী শোভাযাত্রা উপভোগ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত বিদেশি কূটনীতিকরা। তাদের মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।

মঙ্গলবার (১৪ এ‌প্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণের সামনে দাঁ‌ড়িয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রা দেখেছেন বিদেশি কূটনীতিকরা।

ইইউর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রানসেন সস্ত্রীক এ‌সে‌ছেন বৈশাখী শোভাযাত্রা দেখ‌তে। এ ছাড়া, শোভাযাত্রা দেখ‌তে এ‌সে‌ছেন ভারত, ইউরোপ, মধ‌্যপ্রাচ‌্য ও দ‌ক্ষিণ-পূর্ব এ‌শিয়া মিশনের কয়েকজন কূটনীতিক‌। তাদের নিরাপত্তা দিচ্ছেন ঢাকা বিশ্ব‌বিদ‌্যালয় প্রশাসন।

ইইউর রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার ও নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হ্যাকন অ্যারাল্ড গুলব্রানসেনকে শোভাযাত্রা বেশ উপভোগ করতে দেখা গেছে। দুই রাষ্ট্রদূতই তাদের মোবাইল ফোনে শোভাযাযাত্রার ছ‌বি তোলাসহ সেল‌ফি‌ তুল‌ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি) বিদেশি কূটনীতিকদের দেখভালের দা‌য়িত্বে ছিলেন। তি‌নি বলেন, শোভাযাত্রা অনুষ্ঠান দেখতে বি‌ভিন্ন দেশের কূটনী‌তিকরা এসেছেন। দুইজন রাষ্ট্রদূত এসেছেন, আরও অ‌নেক মিশনের কূটনী‌তিকরা এসেছে; তা‌রা সস্ত্রীক এসেছেন।

আজ সকাল ৯টার পর ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’ বের হয়। উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রা বের হয়।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের ৩ নম্বর গেট থেকে শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ইউটার্ন নেয়। সেখান থেকে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে আবার চারুকলা অনুষদে এসে শেষ হয়।

জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কিছু ধর্মীয় গোষ্ঠী মঙ্গল শোভাযাত্রার বিরোধিতা শুরু করে।

২০২৫ সালে চারুকলার শোভাযাত্রার নাম থেকে মঙ্গল শব্দটি বাদ দেওয়া হয়। নতুন নাম হয় বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা। এবার এ শোভাযাত্রার নাম দেওয়া হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা।

বৈশাখের প্রথম প্রভাতে রমনা বটমূলে বঙ্গব্দ ১৪৩৩ কে বরণ করে নেওয়ার মধ‌্য দিয়ে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ