খুঁজুন
                               
শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২৮ চৈত্র, ১৪৩২
           

জ্বালা‌নিতে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ খরচের কথা আইএমএফকে জা‌নিয়েছে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ২:৩১ অপরাহ্ণ
জ্বালা‌নিতে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ খরচের কথা আইএমএফকে জা‌নিয়েছে বাংলাদেশ

মধ্যপ্রা‌চ্যের চলমান সংক‌টের ম‌ধ্যে দে‌শের জ্বালা‌নি আমদা‌নি‌তে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ খরচ হ‌বে, তা আইএমএফকে জা‌নি‌য়ে‌ছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতি‌নি‌ধিদ‌লের স‌ঙ্গে বৈঠ‌কের পর সাংবা‌দিক‌দের এক প্রশ্নের জবা‌বে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের নেতৃ‌ত্বে এক‌টি প্রতি‌নি‌ধিদল শুরু‌তে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প‌রে অর্থমন্ত্রীর স‌ঙ্গে বৈঠ‌কে ব‌সেন আইএমএফের প্রতি‌নি‌ধিদল।

মধ্যপ্রা‌চ্যের চলমান প‌রি‌স্থি‌তির কার‌ণে জ্বালা‌নি আমদা‌নি‌তে অ‌তি‌রিক্ত অর্থ যা‌বে। সরকার সে‌টি দে‌বে কি না, জান‌তে চাওয়া হয় অর্থমন্ত্রীর কা‌ছে। জবা‌বে তি‌নি ব‌লেন, সেটাও আলোচনার ম‌ধ্যে এ‌সে‌ছে। আমরা স্প্রিং মি‌টিং‌য়ে ওয়া‌শিংটন যা‌চ্ছি, সেখা‌নে বিস্তা‌রিত আলোচনা হ‌বে।

যুদ্ধ প্রেক্ষাপ‌টে আইএমএফ কো‌নো পরামর্শ দি‌য়ে‌ছে কিনা-জান‌তে চাই‌লে আমির খসরু বলেন, যু‌দ্ধের প্রেক্ষাপট আছে। ব্যাংকিং সেক্ট‌রের চ্যালেঞ্জ আছে, শেয়ার বাজা‌রে চ্যালেঞ্জ আছে। ট্যাক্স ও জি‌ডি‌পির ব্যাপার আছে। সরকা‌রের মাত্র এক মাস হ‌য়ে‌ছে। এরম‌ধ্যে রমজান মাস ছিল। এরম‌ধ্যে যুদ্ধ শুরু হ‌য়ে‌ছে। এ রকম প‌রি‌স্থি‌তির ম‌ধ্যে জ্বালা‌নি সংকট সত্ত্বেও প‌রিবহ‌নে কো‌নো সমস্যা হয়নি। ঈ‌দের সময় সবাই বা‌ড়ি‌তে যে‌তে পে‌রে‌ছে, ভাড়া বাড়েনি; দ্রব্যমূল্য স্থি‌তিশীল ছিল। এবার গা‌র্মে‌ন্টে‌সে অ‌স্থিরতা ছিল না। এটা হ‌য়ে‌ছে আমা‌দের অর্থ‌নৈ‌তিক ব্যবস্থাপনার কার‌ণে।

অর্থমন্ত্রী ব‌লেন, আমরা স‌ঠিক সম‌য়ে সিদ্ধান্তগু‌লো নি‌য়ে‌ছি ব‌লে এসব সুফল পাওয়া গে‌ছে। আমরা চেষ্টা ক‌রে যা‌চ্ছি। কিন্তু সরকার‌তো একা পার‌বে না। সবাইকে সহ‌যো‌গিতা কর‌তে দেশবাসীর কা‌ছে আহ্বান করব। সবাই‌কে সহানুভূ‌তিশীল হ‌তে হ‌বে, সংযমের ম‌ধ্যে আস‌তে। যে‌হেতু যু‌দ্ধে সরকা‌রের কো‌নো হাত নেই, যুদ্ধ হ‌চ্ছে অন্য জায়গায়। আমরা হ‌চ্ছে এটার ভুক্ত‌ভোগী। এজন্য আমা‌দের‌কে একটু সংয‌মের দি‌কে যে‌তে হ‌বে, সরকার‌কে সহ‌যো‌গিতা কর‌তে হ‌বে।

আইএমএফের ঋণ ছা‌ড় নি‌য়ে মন্ত্রী জানান, ওটা জুলাই‌তে আলাপ হ‌বে। পরে রি‌ভিউ জুলাই‌তে হ‌বে। এ‌প্রিলে ওয়া‌শিংট‌নে মি‌টিং আছে, সেখা‌নে আমরা এগু‌লো নি‌য়ে আলোচনা করব।

ঋণ কর্মসূচি আদায়ের প্রস‌ঙ্গে তি‌নি জানান, ওটা চল‌ছে। আলাপ-আলোচনা চল‌ছে। আইএমএফের যে শর্ত সেগু‌লো আমরা আলোচনা ক‌রে‌ছি। যতটুকু সম্ভব বাংলা‌দে‌শের অর্থ‌নৈ‌তিক প্রেক্ষাপ‌টে যেগু‌লো এখন সম্ভব নয় সেগু‌লো ক্রমান্ব‌য়ে কর‌তে হ‌বে। একস‌ঙ্গে সব করা যা‌বে না। কারণ, অর্থনী‌তি যে জায়গায় দাঁ‌ড়ি‌য়ে আছে সেখা‌ন থে‌কে উত্তরণ কর‌তে গে‌লে আমা‌দের‌কে আমা‌দের ম‌তো ক‌রে চিন্তা কর‌তে হ‌বে।

অর্থমন্ত্রী ব‌লেন, আইএমএফের স‌ঙ্গে আমা‌দের বেশ ক‌য়েক বছর ধ‌রে প্রোগ্রাম চল‌ছে। অতী‌তের সরকা‌রগু‌লো অর্থনী‌তি‌কে যেখা‌নে রে‌খে গে‌ছেন, তা থে‌কে উত্তর‌ণে আমা‌দের অ‌নেকগু‌লো সংস্কার দরকার। ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছে। শেয়ার বাজার খুব খারাপ অবস্থায় আছে। ট্যাক্স ও জি‌ডি‌পির অবস্থা খুবই ক‌ঠিন। এগু‌লো থে‌কে উত্তর‌ণে আমরা এ‌কের পর এক পদ‌ক্ষেপ নি‌য়ে যা‌চ্ছি।

আমির খসরু ব‌লেন, উন্নয়ন প্রকল্প যেগু‌লো আছে সেগু‌লো থম‌কে গে‌ছে। অন্তর্বর্তী সরকা‌রের সময় অ‌নেক কিছু থম‌কে গে‌ছে, সেগু‌লো‌কে রিভাইব কর‌তে হ‌বে। আর এগু‌লো রিভাইব কর‌তে গে‌লে আমা‌দের অর্থনী‌তি‌কে একটা জায়গায় নি‌তে হ‌বে। অর্থনী‌তি‌কে একটা জায়গায় নেওয়ার জন্য এরইম‌ধ্যে আমরা কিছু পদ‌ক্ষেপ নি‌য়ে‌ছি, আরও কিছু পদ‌ক্ষেপ নি‌তে হ‌বে। আমরা যে পদ‌ক্ষেপগু‌লো সেটার প্রতিফলন বাজেটে দেখ‌তে পা‌বেন।

কালের আলো/এসএকে

পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৭ অপরাহ্ণ
পরিবর্তন নেই বাংলাদেশের স্কোয়াডে, যে ব্যাখ্যা দিলেন নির্বাচকরা

মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। একই দল নিয়েই নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে নামতে যাচ্ছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। আজ (শনিবার) বিসিবির নবগঠিত নির্বাচক প্যানেল প্রথম দুই ওয়ানডের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে। অপরিবর্তিত স্কোয়াড নিয়ে তাদের ব্যাখ্যা– দলে ডাক পাওয়া ক্রিকেটারদের আরও সুযোগ দিতে চান।

মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার সুমন বলেন, ‘আমরা যখন দলটা দেখেছি, মনে হয়েছে সর্বশেষ সিরিজ তো সফল ছিল। বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলেছে এবং সেখানে কিছু খেলোয়াড় হয়তো সুযোগ পায়নি একাদশে। কিছু খেলোয়াড় নতুন এসেছে। আমাদের নীতি হলো, যখন কেউ আসবে, তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতে হবে। যারা খেলেছে তারা খারাপ খেলেনি। আমরা সুযোগ দেওয়ায় বিশ্বাস করতে চাই, সে কারণে আমরা এই সিরিজে দল পরিবর্তন করিনি।’

এক বছর পরই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ। এর আগে বড় পরিবর্তন নয়, ম্যাচ জেতার দিকেই মূল নজর নির্বাচকদের। দুটো বিষয়কে প্রাধান্য দেওয়ার কথা জানিয়ে প্রধান নির্বাচক জানান, ‘আমরা বিশ্বকাপের আগে কোনও বড় পরিবর্তন করতে চাই না। যদি কাউকে দেখতে হয়, তবে আগামী ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে দেখে নেব। বাংলাদেশ দলের প্রথম প্রাধান্য হলো ম্যাচ জেতা। জেতার জন্য আমরা সেরা দলটাই বানাব। এর মধ্যে আমরা বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজাচ্ছি। তবে জেতার মানসিকতা ত্যাগ করে নয়।’

এ ছাড়া পেসার ও বিভিন্ন পজিশনের ব্যাটারদের রোটেশন নীতি নিয়ে বাশার বলেন, ‘পেস বোলিং ডিপার্টমেন্টে আমাদের অনেক অপশন আছে। এখানে রোটেশন করলে আমরা খুব একটা কিছু মিস করছি না। ইনজুরি ম্যানেজমেন্টের জন্য আমরা পেসারদের রোটেট করে খেলাব। কিন্তু টপ অর্ডার এবং মিডল অর্ডারে আমাদের সেটেল হওয়া দরকার। সেখানে আমাদের কাজ করার আছে।’

প্রসঙ্গত, আগামী ১৭ এপ্রিল সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড। ২০ এপ্রিল দ্বিতীয় ম্যাচ, প্রথম দুই ওয়ানডে হবে মিরপুর শের-ই বাংলায়। এরপর তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে (২৩ এপ্রিল) খেলতে দুই দল চট্টগ্রামে উড়াল দেবে। ৫০ ওভারের ম্যাচগুলো শুরু হবে বেলা ১১টায়।

কালের আলো/এসএকে

১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৭ অপরাহ্ণ
১০০ টাকার নিচে নেই সবজি, পাতে কমছে স্বাদ

এক হাতে বাজারের ব্যাগ, আরেক হাতে হিসাব। প্রতিদিনের এই ছোট্ট লড়াইয়ে যেন হার মানছেন সাধারণ মানুষ। সবজির বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়ে অস্বস্তির এক চিত্র। ৮০ থেকে ১০০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। প্রয়োজন থাকলেও সাধ্যের সীমা টেনে ধরছে হাত। অনেকেই এখন কেজির বদলে কিনছেন আড়াইশ গ্রাম। এভাবেই সামলাচ্ছেন সংসার।

জ্বালানি সংকটে পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ ঘাটতির কারণে সবজির দাম বেড়েছে বলে দাবি করছেন বিক্রেতারা। অন্যদিকে দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের টিকে থাকা দায় হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর মহাখালী, রামপুরাসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ সবজিই ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। ৮০ টাকার নিচে রয়েছে মাত্র দু-একটি সবজি। গোল ও লম্বা দুই ধরনের বেগুনই কেজিপ্রতি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা একদিন আগেও ছিল ১০০ টাকা। পটলের কেজি ২০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়।

করলা ১০০-১২০, বরবটি ৮০-৯০, ঢেঁড়শ ৭০-৮০, চিচিঙ্গা ৮০-৯০, ধুন্দল ৬০-৮০, শিম ৮০-৯০, টমেটো ৫০, পেঁপে ৪০-৫০ ও লাউ ৮০-১০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এসব সবজির দাম দু’তিন দিন আগেও কেজিপ্রতি ২০-৩০ টাকা কমে কেনা যেত। তবে সবচেয়ে দামি সবজি এখন কাঁকরোল। প্রতি কেজি কাঁকরোল কিনতে ক্রেতাদের ১৬০-১৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। তবে কেজিপ্রতি আলুর দাম এখনও ২৫-৩০ টাকা।

মহাখালী সবজির বাজারে কথা হয় বখতিয়ার শিকদারের সঙ্গে। তিনি একটি বেসরকারি অফিসে পিয়ন হিসেবে কাজ করেন। বিভিন্ন সবজি কেনার ইচ্ছা থাকলেও দাম বাড়ায় আধা কেজি বেগুন ও আলু কিনেই বাসায় ফিরতে হচ্ছে তাকে। তার দাবি, সরকার যদি কিছু নিয়ন্ত্রণ করত, তাহলে নিম্নআয়ের মানুষের উপকার হতো।

তিনি বলেন, মাছ-মাংসের পরিবর্তে আগে সবজি খেয়ে চাহিদা মেটাতাম। এখন সেটাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজিই পাওয়া যায় না। স্বাদ জাগলেও আয়ের সঙ্গে কুলাতে না পেরে কোনোভাবে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতে হয়। আজ শুধু বেগুন আর আলু কিনেছি। ঘরে থাকা ডিম দিয়ে এসব রান্না হবে।

বখতিয়ার আরও বলেন, ঈদের পরও বেগুনের কেজি ৪০-৬০ টাকা ছিল। এখন দ্বিগুণেরও বেশি। আগে এক কেজি কিনলেও এখন আধা কেজি বা আড়াইশ গ্রাম করে কিনতে হয়। পটল, করলার দামও বেশি। খেতে হয় বলেই সবজি কিনছি, না হলে অনেক সময় না খেয়ে থাকতে হতো।

অনেকটাই বখতিয়ারের সুরে কথা বলেন বেসরকারি চাকরিজীবী আরিফ হোসেন। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করেন তিনি। দাম বেশি হওয়ায় করলা আধা কেজি, ঢেঁড়শ আড়াইশ গ্রাম, শিম আধা কেজি ও পটল আড়াইশ গ্রাম কিনেছেন। এসব সবজির দাম কম থাকলে এক কেজি করেই কিনতেন বলে জানান তিনি। তার মতে, আগে একজন মানুষ ২০০ গ্রাম খেলে এখন ১০০ গ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।

জোয়ার সাহারা কাঁচাবাজারের বিক্রেতা মাহফুজার রহমান সিয়াম বলেন, দাম বাড়ার কারণ আমরাও স্পষ্ট করে বলতে পারি না। পাইকারি বাজারে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে বলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে। যে টাকা নিয়ে আমরা মালামাল কিনতে যাই, তার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে। গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় সবকিছুর দাম বেড়েছে। সরবরাহ কম বা সংকটের কারণেই এমনটি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকটের কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে পাশাপাশি নতুন সবজির সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে। এসব কারণে পাইকাররা বেশি দামে সবজি বিক্রি করছেন। ফলে খুচরা পর্যায়েও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

কালের আলো/এসএকে

রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ অপরাহ্ণ
রেশম গোটা দেশের সম্পদ, আমাদের ঐতিহ্য: পাটপ্রতিমন্ত্রী

পাট ও বস্ত্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম বলেছেন, রেশম শুধু রাজশাহীর সম্পদ নয়, এটি গোটা বাংলাদেশের সম্পদ। রেশম আমাদের ঐতিহ্য। এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

১৯৭৭ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান রেশম বোর্ড স্থাপন করেন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, রাজশাহী সিল্কের উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণে প্রধান উপদেষ্টা নির্দেশনা দিয়েছেন। রাজশাহী সিল্ক কীভাবে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করা যায়, সে বিষয়ে কাজ চলছে। গবেষণার মাধ্যমে তুঁতের ফলন বৃদ্ধি, তুঁত গাছের উন্নয়ন, রেশম সুতার উন্নয়ন তথা রাজশাহী সিল্কের সার্বিক ঐতিহ্য বৃদ্ধি ও পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে কাজ করা হবে।

এ জন্য স্টেকহোল্ডারদের মূল্যবান পরামর্শ নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, রেশম সুতার উৎপাদন বৃদ্ধিতে কারখানাগুলোতে বন্ধ পড়ে থাকা লুমগুলো চালুর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিদর্শনকালে এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি।

পরে প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড আয়োজিত স্টেকহোল্ডারদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। ‘সিল্কের উন্নয়ন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক এই মতবিনিময় সভাটি বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. তৌফিক আল মাহমুদ। তিনি প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে মন্ত্রী ও সচিবের কাছে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

কালের আলো/এসএকে