খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
           

ফুটপাত উদ্ধার অভিযান নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে : ডিআইজি ট্রাফিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৬ অপরাহ্ণ
ফুটপাত উদ্ধার অভিযান নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে : ডিআইজি ট্রাফিক

রাজধানীর ফুটপাত উদ্ধার অভিযান নিয়মিত মনিটরিং করতে হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা এটাকে অস্বীকার করি না যে, আমরা একদিকে পরিষ্কার করি তারা আবার এখানে বসে। আমরা এটা শুরু করলাম, আমরা এটা রেগুলার মনিটর করার চেষ্টা করবো।

বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে ধোলাইখাল এলাকায় ফুটপাত উদ্ধার অভিযান পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি।

ডিআইজি ট্রাফিক বলেন, একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে যে আমাদের জনবল সম্পদ কম আছে এবং এটা আমরা প্রতিনিয়ত সবসময় পারবো না। এটা যদি মানুষ সচেতন না হয়, যদি লোকাল কমিউনিটি আমাদেরকে হেল্প না করে তাহলে শুধু একাই এই কাজটা আমাদের পক্ষে করা সম্ভব না। তবে আমরা এটা ধরে রাখার চেষ্টা করবো।

তিনি বলেন, এখানে সবাই ব্যবসায়ী। ব্যবসা কিন্তু একটা দেশের অর্থনীতির জন্য একেবারে অপরিহার্য। সুতরাং তারা তো ব্যবসা করবেই। তবে আপনি ব্যবসা বাণিজ্য যা-ই করেন না কেন, মানুষের দুর্ভোগ বা হয়রানি সৃষ্টি আপনারা করতে পারেন না। আমাদের এই অভিযান চলতেই থাকবে। আমরা আজ সতর্ক না, অ্যাকশনেই নেমেছি। আপনারা দেখছেন যে আমরা অনেকগুলো মাল বাজেয়াপ্ত করেছি।

আনিছুর রহমান বলেন, আমাদের সঙ্গে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন এবং আমাদের সঙ্গে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটও আছেন। আমরা এই মালগুলো বাজেয়াপ্ত করেছি। ম্যাজিস্ট্রেটরা আইনগতভাবে যেটা হয় তারা ডিসপোজাল করবেন। তারা থানায় যাবেন। এই মালগুলোর ব্যাপারে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, শুধু আজকে না, আমাদের এই অভিযান আগামী ২, ৩ ও ৫ তারিখ চলবে। ঢাকা শহরের মূল যে পয়েন্টগুলো আছে, যেগুলো সত্যিকার অর্থে লোকজনকে বেশি ডিস্টার্ব করে, সেই প্রধান প্রধান জায়গাগুলোতে আমরা কাজ করব এবং এটা আমাদের একটা চলমান অভিযান।

এর আগে বেলা ১১টায় ফুটপাত উদ্ধারে মহানগরীর ধোলাইখাল এলাকায় সড়কের পাশে বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান বা দোকানের অংশ অপসারণে অভিযান শুরু করেছে ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ডিএমপির স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান।

তখন ধোলাইখাল মোড়ে এসে দেখা যায়, বিভিন্ন মোটর গ্যারেজের সামনে ত্রিপল টানিয়ে রাখা হয়েছে। ফুটপাত দখল করে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সামগ্রী। ফুটপাতের উপরেও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি টের পেয়ে তড়িঘড়ি করে এসব খুলে রাখার চেষ্টা করেন সেখানকার ব্যবসায়ীরা। ম্যাজিস্ট্রেট সেসব সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং দ্রুত ফুটপাত পরিষ্কার করতে বলেন।

এছাড়া একটি গাড়ি রাস্তায় রেখে ঠিক করার অপরাধে সেই গাড়িটিকে ডাম্পিং করার নির্দেশ দেন। অতিরিক্ত জিনিসপত্র জব্দ করার নির্দেশও দেন তিনি।

এই প্রতিবেদন লেখার (দুপুর একটা) সময় অভিযান চলমান রয়েছে। অভিযানে পুলিশের ফর্কলিফট, একটি পিক-আপসহ অন্যান্য যানবাহন রয়েছে।

এসময় লালবাগ ডিসি ট্রাফিক মফিজুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত আছেন।

কালের আলো/এসএকে

‘সরকারের ৬০ দিনের বড় সাফল্য, জনগণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখেছেন’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:২৩ অপরাহ্ণ
‘সরকারের ৬০ দিনের বড় সাফল্য, জনগণ প্রধানমন্ত্রীর ওপর আস্থা রেখেছেন’

গত দুই মাসে সরকারের বড় সাফল্য অর্জিত হয়েছে এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। সরকারের গত ৬০ দিনের সাফল্যের সাতটি দিক তুলে ধরতে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সালেহ শিবলী বলেন, আমাদের কাছে মনে হয়েছে গত দুই মাসে সরকারের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। বিশেষ করে আমরা দেখেছি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনগণের মাঝে থাকছেন এবং সাধারণ মানুষের মতো চলাফেরা করছেন। তিনি অতিরিক্ত নিরাপত্তার ওপর নির্ভর করছেন না।

প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তার প্রত্যেকটি বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, দেশ সেবা করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনকল্যাণমূলক কাজ এগিয়ে নিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সিনিয়র সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি: স্পিকার

ভোলা প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:৪৬ অপরাহ্ণ
এমন কোনো লোভ ছিল না, যা শেখ হাসিনা আমাকে দেখাননি: স্পিকার

‘এমন কোনো লোভ ছিল না, যা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (ভারতে পলাতক) আমাকে দেখাননি। আমি যদি তার কথা শুনতাম, তাহলে তার পরেই আমার অবস্থান হতো’ বলে মন্তব্য করেছেন-জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে ভোলার সার্কিট হাউসে জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি বলেছি, আমার বয়স ৮০ বছর হয়ে গেছে এখন আর এগুলো করার সময় নেই।

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘জেনারেল জিয়াউর রহমানের অধীনে আমি যুদ্ধ করেছি এবং বেগম জিয়া আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। আমি জেনারেল জিয়া ও বেগম জিয়ার প্রতি সব সময় অনুগত ছিলাম। আমি এই দলের (বিএনপি) অনেক সিনিয়র ছিলাম। কিন্তু সবাই আমাকে ক্রস করে ওপরে চলে গেছে এবং আমার আগে স্থায়ী কমিটির সদস্য হয়েছে।’

স্পিকার বলেন, ‘একমাত্র ড. মোশাররফ হোসেন ছাড়া সবার সিনিয়র ছিলাম আমি। তা-ও স্থায়ী কমিটিতে স্থান হয়নি। আমি এগুলো নিয়ে কখনো মাথা ঘামাইনি। আমার নজর ছিল এলাকা থেকে জনগণ যাতে ভোট দেয়, আমি যেন জাতীয় সংসদে যেতে পারি। এবারও ভোট দেওয়ার পর লোকজন আশা করেছিল আমি যেন একটা প্ল্যাগ নিয়ে আসতে পারি। আল্লাহর রহমতে দুই দুইটা প্ল্যাগ নিয়ে এসেছি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন বলেন, ‘আমি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের কাছে। তার সঙ্গে আমি জীবনে কথা বলেছি দুই দিন। এ ছাড়া কোনো দিন টেলিফোন হয়নি, দেখাও হয়নি, কথাও হয়নি। কিন্তু তিনি আমাকে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ পদে অভিহিত করেছেন। এ জন্য আমি তার কাছে ও আমার দল বিএনপির কাছে খুবই কৃতজ্ঞ।’

মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমানের সভাপতিত্বে জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর, পুলিশ সুপার মো. শহীদুল্লাহ কাওছার, জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. রাইসুল আলমসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/ এএএন

 

রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩৬ অপরাহ্ণ
রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান রাখাইন রাজ্যেই নিহিত এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে শুধু মানবিক সহায়তার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আরও সক্রিয় ও ফলপ্রসূ ভূমিকা নিতে হবে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তুরস্কে চলমান আন্তালিয়া ডিপ্লোম্যাসি ফোরামে প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য প্রদানকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের জন্য আন্তর্জাতিক দাতা সহায়তা কমে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি এই প্রেক্ষাপটে অর্থায়ন বৃদ্ধি, রাখাইনে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।
তিনি জানান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মি—উভয় পক্ষই তাঁকে স্বাগত জানিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা সংকট একটি সমাধানযোগ্য সমস্যা—তবে এর জন্য প্রয়োজন সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ ও ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহযোগিতা।
কালের আলো/এসআর/ এএএন