খুঁজুন
                               
শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

মধ্যাহ্নভোজের দাওয়াত দিলেন চিফ হুইপ, মেন্যুতে থাকবে ‘তিমি ও হাঙর’

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
মধ্যাহ্নভোজের দাওয়াত দিলেন চিফ হুইপ, মেন্যুতে থাকবে ‘তিমি ও হাঙর’

মধ্যাহ্নভোজের খাবারের মেনুতে হাঙর ও তিমি থাকবে। এমন কথা শুনে জাতীয় সংসদ চলাকালীন হাসির রোল পড়ে গেল। এই মেনুতে মধ্যাহ্নভোজের দাওয়াত দেন সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বেলা ১১টা ৫৩ মিনিটে সংসদ অধিবেশন চলাকালীন সময়ে এ ঘটনা ঘটে।

চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলাম সংসদ সদস্যদের একসাথে নামাজ আদায় ও আপ্যায়নে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান। তিনি মধ্যাহ্নভোজের দাওয়াত দিলে সংসদ সদস্যরা খাবারের মেন্যু জানতে চান। তখন তিনি মজা করে ‘তিমি ও হাঙর’ পরিবেশনের কথা বললে অধিবেশনে হাসির রোল পড়ে যায়।

দাওয়াতের এক পর্যায়ে আপ্যায়নের তালিকায় কী থাকছে এমন প্রশ্নের জবাবে রসিকতা করে চিফ হুইপ বলেন, ‘ভাই আপ্যায়নে সবই হয়। সদস্যবৃন্দ, আপনাদের জন্য সাগর থেকে তিনটি তিমি মাছ নিয়ে এসেছি এবং আরও দুটি হাঙর আসছে, ইনশাআল্লাহ।’ তার এই মন্তব্যে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাসির রোল পড়ে।

এই বক্তব্যে আগে তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্য করে চিফ হুইপ বলেন, ‘আপনারা সবাই অবগত আছেন যে জুমার নামাজের পর আমাদের একটু মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা আছে। যেহেতু আমরা বিকেলে আবারও সেশন করব, তাই সবাইকে সংসদ সদস্য ভবনে (এলডি হল) দাওয়াত করছি। নামাজের পর আমরা সবাই সেখানে যাব, ইনশাআল্লাহ।’ এসময় তিনি স্পিকারকেও বিশেষভাবে এই মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আরব আমিরাত সফরে মোদি, তেল-গ্যাসের চুক্তি সই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
আরব আমিরাত সফরে মোদি, তেল-গ্যাসের চুক্তি সই

বহু-রাষ্ট্রীয় কূটনৈতিক সফরের প্রথম গন্তব্যস্থল হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছেছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতোমধ্যে দেশটির প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি। যেখানে ৫ বিলিয়ন ডলারের একটি বিনিয়োগ প্যাকেজ এবং বেশ কয়েকটি জ্বালানি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দুই দেশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, শুক্রবার (১৫ মে) দুপুরে আবুধাবি বিমানবন্দরে অবতরণ করে মোদিকে বহনকারী বিমান। এসময় বিমানবন্দরে শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান তাকে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা জানান। এরপর দুই নেতা ভারত-সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে ধারাবাহিক বিস্তারিত আলোচনায় বসেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচ্যসূচির একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল জ্বালানি নিরাপত্তা। সেখানেই ইন্ডিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভস লিমিটেড (আইএসপিআরএল) এবং আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির (এডিএনওসি) মধ্যে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে চুক্তি হয়েছে, যার মাধ্যমে ভারতের কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে আমিরাতের অংশগ্রহণ ৩০ মিলিয়ন ব্যারেলে উন্নীত হবে।

এছাড়াও এই সংকটের সময় ভারতের বাজারে অপরিশোধিত তেল, এলএনজি এবং এলপিজি সরবরাহসহ ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তায় দেশটির গ্যাস রিজার্ভ স্থাপনের বিষয়ে পারস্পরিক সমঝোতা হয়েছে।

অন্যদিকে ভারতের অবকাঠামো ও আর্থিক খাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন সংস্থা ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। এরমধ্যে এমিরেটস এনবিডি ব্যাংক ভারতের আরবিএল ব্যাংকে ৩ বিলিয়ন ডলার, আবুধাবি ইনভেস্টমেন্ট অথরিটি (এডিআইএ) ভারতের ন্যাশনাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (এনআইআইএফ)-এর অগ্রাধিকারমূলক অবকাঠামো প্রকল্পে ১ বিলিয়ন ডলার এবং ইন্টারন্যাশনাল হোল্ডিং কোম্পানি ভারতের সম্মান ক্যাপিটালে ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।

মোদির এই সফরে ভারত ও আমিরাতের মধ্যে একটি কৌশলগত প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের কাঠামো স্বাক্ষরিত হয়। এই কাঠামোর অধীনে দুই প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা আরও গভীর করতে উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তিতে সহযোগিতা, প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়া এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সাইবার প্রতিরক্ষা, ও নিরাপদ যোগাযোগ এবং তথ্য বিনিময় শক্তিশালী করতে সম্মত হয়েছে।

প্রতিরক্ষা ও প্রতিরক্ষা খাতের বাইরেও এই সফরে আরও বেশ কয়েকটি খাতে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এরমধ্যে গুজরাটের ভাদিনারে একটি জাহাজ মেরামত ক্লাস্টার গড়ে তোলার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে আমিরাত।

প্রসঙ্গত, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে আগেই জানানো হয়েছিল, ইরানে যুদ্ধের জেরে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা ও জ্বালানি সঙ্কট এবং ভেঙে পড়া পণ্য সরবরাহ নিয়ে পাঁচ দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা করবেন মোদি। শুক্রবার তার ছয় দিনের বিদেশ সফরের সূচনা হয় আমিরাত দিয়ে। এরপর ইউরোপের চার দেশ— নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, সুইডেন এবং ইতালিতে যাওয়ার কথা রয়েছে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

নানা জাতির বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার না করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ
নানা জাতির বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার না করার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের ভাষা, ধর্ম, লিঙ্গ ও জাতিসত্তার বৈচিত্র্যকে বিভাজনের হাতিয়ার নয়, বরং জাতীয় সম্পদে রূপান্তর করতে হবে।

শুক্রবার (১৫ মে) বিকালে রাজধানীর পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে সিএইচটি ওয়েলফেয়ার সোসাইটি আয়োজিত ‘বিজু, বৈসুক, সাংগ্রাই, বিষু ও চাংক্রান পুনর্মিলনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক উৎসব’-এ তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ একটি দেহের মতো। এই দেহের প্রতিটি অংশ যেমন অপরিহার্য, তেমনি দেশের প্রতিটি জাতিসত্তা, ধর্মীয় ও ভাষাগত গোষ্ঠীও বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর জাতীয় পরিচয়ের প্রশ্নে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’-এর ধারণার মাধ্যমে তার সমাধান দিয়েছিলেন। এই দর্শনের ভিত্তিতে ভাষা, বর্ণ, ধর্ম বা জাতিসত্তা নির্বিশেষে সব নাগরিক সমান মর্যাদার অধিকারী বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পর জাতির উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে পাহাড়ি ও সমতলের জনগণকে সমান নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সরকার ভবিষ্যতেও সমঅধিকারভিত্তিক রাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যে সমাজ যত বেশি বৈচিত্র্য ধারণ করতে পারে, সেই সমাজ তত বেশি শক্তিশালী হয়। উদাহরণ হিসেবে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, বিভিন্ন ভাষা, বর্ণ ও সংস্কৃতির মানুষের সহাবস্থান দেশটিকে শক্তিশালী করেছে।

তিনি আরও বলেন, যারা বৈচিত্র্যকে বিভাজনের পথে নিতে চায়, তারা দেশবিরোধী। আর যারা দেশের প্রতিটি জাতিসত্তা ও সম্প্রদায়কে সম্মান করতে চায়, তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ সুষম ও সমতাভিত্তিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, বিশেষ করে খেয়াং, বম ও চাক সম্প্রদায়ের মানুষকে দেশের মূলধারার উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, মাধবী মার্মা এবং প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক মেজর (অব.) তপন বিকাশ চাকমা।

কালের আলো/এম/এএইচ

তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশ নিরাপদ: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিটি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। বিগত নির্বাচনে জণগনের প্রতি বিএনপির দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে সরকার।

তারেক রহমানের প্রতি আস্থা রাখুন, যে কোনো সুখে-দুঃখে জনগণের পাশে থাকবেন তিনি। তারেক রহমানের ছায়ায় বাংলাদেশের জনগণ নিরাপদ থাকবে।

শুক্রবার (১৫ মে) সন্ধ্যায় ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আরও বলেন, বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ যেন ব্যক্তিগত লাভের জন্য অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে।

দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রেখে জনগণের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কর্তৃক গৃহিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে নেতাকর্মীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে নান্দাইলের উন্নয়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, নান্দাইলে কোন মাদক, চাঁদাবাজ, জুয়ারি, জুলুমবাজ, অত্যাচারী ও ভূমিদস্যুর স্থান হবে না। নান্দাইলকে একটি আধুনিক ও উন্নত মডেল উপজেলা ও শান্তির নীড়ে পরিণত করা হবে, ইনশাল্লাহ।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী নান্দাইল হেডকোয়াটার থেকে বাকচান্দা জিসি সড়ক উদ্ভোধন করেন।

এ সময় নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফাতেমা জান্নাত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলামসহ নান্দাইল উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতারা এবং স্থানীয় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন