খুঁজুন
                               
রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
           

উপজেলা পরিষদে এমপিদের অফিস হলে ‘দ্বৈত নেতৃত্ব’ সৃষ্টি হবে: বিআইপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:১৭ অপরাহ্ণ
উপজেলা পরিষদে এমপিদের অফিস হলে ‘দ্বৈত নেতৃত্ব’ সৃষ্টি হবে: বিআইপি

উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যদের অফিস হলে ‘দ্বৈত নেতৃত্ব’ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন পরিকল্পনাবিদরা। এতে উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা, বিলম্ব ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছেন তারা।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বাংলামটরস্থ প্ল্যানার্স টাওয়ারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) ‘উপজেলা পরিষদে এমপি অফিস: বিকেন্দ্রীকরণ না কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ?’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনের মূল প্রবন্ধে ইনস্টিটিউটের সহ-সভাপতি পরিকল্পনাবিদ শেখ মুহম্মদ মেহেদী আহসান বলেন, ‘অতীত অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখতে পাই সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় আইনসভা ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে সীমারেখা অস্পষ্ট হয়ে ওঠে। এরফলে জবাবদিহিতা দুর্বল হওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পরে এবং স্থানীয় সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।’

তিনি বলেন, ‘ভিন্ন রাজনৈতিক দলের যেমন, সরকারদলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য বা বিরোধীদলীয় উপজেলা চেয়ারম্যান ও সরকারদলীয় সংসদ সদস্য উপস্থিতিতে স্থানীয় শাসন ব্যবস্থায় ‘দ্বৈত নেতৃত্ব’ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা উন্নয়ন কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতা, বিলম্ব ও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে এবং বঞ্চিত হন সাধারণ জনগন। তবে শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও সাংবিধানিক সীমারেখা অনুসরণ করা হলে এই অবস্থান কার্যকর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতেও সহায়ক হতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সংসদ সদস্যের মূল কাজ আইন প্রণয়ন করা, অন্যদিকে স্থানীয় সরকারের কাজ হচ্ছে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দেওয়া– এই দুইয়ের স্পষ্টত সীমারেখা থাকা জরুরি। বর্তমান বাস্তবতায় উপজেলা পর্যায়ে পেশাজীবী পরিকল্পনাবিদ নিয়োগ করার মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের কাঠামোকে সুদৃঢ় করা সম্ভব। কারণ উপজেলা পর্যায়ে সমন্বিত ও বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনার অভাবই উন্নয়নের প্রধান বাধা। একজন পেশাজীবী পরিকল্পনাবিদের মাধ্যমে ভূমি ব্যবহার, অবকাঠামো, পরিবেশ ও নগর-গ্রাম সংযোগকে সমন্বিত কাঠামোর মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব।’

বিআইপির সাধারণ সম্পাদক পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক মু. মোসলেহ উদ্দীন হাসান বলেন, ‘স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে উপজেলা, জেলা ও পৌরপরিষদের দায়িত্ব ও কার্যপরিধি সম্পর্কে সবার সুস্পষ্ট ধারণা থাকা জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘নিরাপদ নগর, ফুটপাত সংকট, মানসম্মত গণপরিবহন, জলাবদ্ধতা ও অপরিকল্পিত উন্নয়নসহ স্থানীয় সমস্যাগুলোর সমাধান স্থানীয় সরকারের কার্যকর ভূমিকার ওপর নির্ভরশীল।’

স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও ক্ষমতায়নের আহ্বান জানান এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ‘লোকাল পার্লামেন্ট’ গঠনের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে বিভাগের সংসদ সদস্য এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে সমস্যা ও সমাধান উপস্থাপন করতে পারবেন।’

প্রশ্নের উত্তরে মোসলেহ উদ্দীন বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের মাঝে একটি ক্ষমতার টানাপোড়ন লক্ষ করা যায়, এখন উপজেলা পরিষদে এমপির কার্যালয় স্থাপন করা হলে এই সংকট আরও বৃদ্ধি পাবে।’

সংবাদ সম্মেলনে বিআইপির পক্ষ থেকে বেশকিছু সুপারিশ করা হয়। এগুলো-

১. এমপি’র অফিস থাকতে পারে- কিন্তু স্থানীয় সরকারের ভেতরে নয়।

২. প্রয়োজনে এমপিদের জন্য স্বতন্ত্র কনস্টিটুয়েন্সি অফিস (উপজেলা/জেলা পর্যায়ে) স্থাপন করা যেতে পারে– তবে প্রাথমিকভাবে ভার্চুয়াল প্লাটফরম স্থাপন করা যেতে পারে। এমপি’র ভূমিকা নীতিনির্ধারণ ও নজরদারিতে সীমাবদ্ধ রাখা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় সরকারের ওপর কেন্দ্রীয় বা রাজনৈতিক প্রভাব প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ না করা।

৩. স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় এমপি’র সরাসরি সিদ্ধান্তগ্রহণ ভূমিকায় না থাকা।

৪. এমপি-উপজেলা চেয়ারম্যান-প্রশাসনের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় কাঠামো তৈরি করা।

৫. এমপিদের জন্য নির্দিষ্ট জনসেবা প্ল্যাটফর্ম চালু করা।

এছাড়াও সংসদ সম্মেলনে শক্তিশালী ও কার্যকর উপজেলা পরিষদ গঠন এবং পরিকল্পিত উন্নয়ন বিষয়ক কিছু সুপারিশ করা হয়। এগুলো হলো-

১. অবিলম্বে স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের নেতৃতে উপজেলার পরিচালন নিশ্চিত করা।

২. উপজেলা পরিষদকে প্রকৃত স্থানীয় শাসন কর্তৃপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপজেলা পরিষদের পূর্ণ ক্ষমতা নিশ্চিত করা।

৩. উপজেলা পর্যায়ে পেশাদার পরিকল্পনাবিদ নিয়োগ।

৪. উপজেলা সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনা বাধ্যতামূলক করা এবং সে মোতাবেক সকল উন্নয়ন কর্মসূচি গ্রহণ করা।

৫. দেশের প্রতিটি ইঞ্চি ভূমির পরিকল্পিত ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্যে উপজেলা সমন্বিত স্থানিক পরিকল্পনার আওতায় ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা এবং সে মতাবেক ইমারত নির্মাণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা।

৬. উপজেলা পরিকল্পনাকে জেলা ও জাতীয় পরিকল্পনার সাথে সংযুক্ত করা এবং সারাদেশকে বিআইপি প্রস্তাবিত তিন স্তরভিত্তিক পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনার আওতায় নিয়ে আসা।

৭. উপজেলা পরিষদের স্বতন্ত্র বাজেট ও আর্থিক স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা, স্থানীয় পর্যায়ে রাজস্ব আহরণের ক্ষমতা বৃদ্ধি।

৮. কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ হ্রাস, ইউএনও’র ভূমিকা সমন্বয়ে সীমাবদ্ধ রাখা।

৯. নাগরিক অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিতা ব্যবস্থা চালু করা।

১০. রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনি ইশতেহার গুলোতে স্থানীয় সরকার বিষয়ক অংশগুলোকে একীভূতকরণ করা।

১১. স্থানীয় সরকার কমিশন ২০২৫ এর রিপোর্ট পুনঃমূল্যায়নের জন্যে একটা সর্বদলীয় সংসদীয় কমিটি গঠন এবং এই কমিতিতে পরিকল্পনাবিদসহ বিভিন্ন পেশাজীবী এবং বিষয়ভিত্তিক এক্সপার্ট অন্তর্ভুক্ত করা এবং স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নের জন্যে প্রয়োজনীয় নীতি বাস্তবায়নের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করা।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

রোববার (১৭ মে) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাম্বাসেডর ব্রেক সাঈদ আল-সামিখ উপস্থিত ছিলেন।

এরআগে দুইদিনের সফরে ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন কাতারের শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন সামিখ আল মাররি।

প্রবাসী কল্যাণ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাতারের শ্রমমন্ত্রী মাররির বিশেষ সখ্যতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্যে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন তিনি।

সফরকালে আল মাররি অন্যান্য উচ্চপদস্থ নেতা এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া, একটি যৌথ কমিটি বৈঠকও অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে শ্রম, জনশক্তি এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা ও কাতারে অবস্থানরত বাংলাদেশি কমিউনিটির স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি আলোচনার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ণ
ঢাকায় চালু হচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি,’ ফোনে জানানো যাবে অভিযোগ

সেবাগ্রহীতাদের ভোগান্তি লাঘব এবং প্রশাসনের কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ঢাকা জেলা প্রশাসনে চালু হতে যাচ্ছে ‘হ্যালো ডিসি’ নামের নতুন একটি সেবা। এটির মাধ্যমে ঢাকা জেলার যেকোনো নাগরিক সরাসরি জেলা প্রশাসনে ফোন করে তাঁদের অভাব-অভিযোগ, তথ্য ও মতামত জানাতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে ঢাকা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা জানান ঢাকার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ফরিদা খানম।

ফরিদা খানম বলেন, আমরা ‘হ্যালো ডিসি’ নামে একটি সেবা চালু করতে যাচ্ছি, যেখানে প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ তাঁদের অভাব-অভিযোগ জানাতে পারবেন। আমরা জেলা প্রশাসন থেকে গণশুনানি করে থাকি। এর বাইরেও সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এই ‘হ্যালো ডিসি’ সেবা চালু থাকবে। এতে নাগরিকেরা সহজেই তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এ ছাড়া জেলা প্রশাসন নিয়ে কোনো পরামর্শ থাকলেও তা জানাতে পারবেন। শিগগিরই এ বিষয়ে আমরা বিস্তারিত তুলে ধরব।

অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির আশ্বাস দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম আরও বলেন, বর্তমানে অনলাইন জুয়ার প্রকোপ দেখা যাচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম যেন কোনো সংকটে না পড়ে, সে জন্য মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে আমরা জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে চাই। বিভিন্ন সেলিব্রিটিকে দিয়ে জনসচেতনতামূলক কনটেন্ট তৈরি ও প্রচারে ঢাকা জেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেবে।

‘গণমাধ্যমকর্মীবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভা’ শীর্ষক এই আয়োজনে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে জেলা প্রশাসক বলেন, সাংবাদিকেরা হলেন সমাজের আয়না। আপনাদের লেখনীর মাধ্যমেই সমাজের প্রকৃত চিত্র ও সাধারণ মানুষের চাওয়া-পাওয়া আমাদের সামনে উঠে আসে। ঢাকা জেলা প্রশাসনের কোনো দপ্তরে যদি কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হন বা অফিসে কোনো ধরনের অনিয়ম আপনাদের চোখে পড়ে, তবে তা নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে বস্তুনিষ্ঠতার সঙ্গে তুলে ধরবেন।

মতবিনিময় সভায় ঢাকা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শামীমা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) মো. মাহাবুব উল্লাহ মজুমদার এবং তেজগাঁও সার্কেলের সার্কেল অফিসার ও সিনিয়র সহকারী সচিব তরিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া ঢাকা জেলার বিভিন্ন উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাও (ইউএনও) এই মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে সাভারের ইউএনও মো. সাইফুল ইসলাম, ধামরাইয়ের ইউএনও মো. আল মামুন, কেরানীগঞ্জের ইউএনও মো. উমর ফারুক এবং নবাবগঞ্জের ইউএনও দিলরুবা ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া মতবিনিময় সভায় কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির (সিআরইউ) সভাপতি লিটন মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মামুন খান, সহসভাপতি এমরুল হাসান বাপ্পী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা, অর্থ সম্পাদক নাইমুর রহমান নাবিল, দপ্তর সম্পাদক মহিউদ্দিন খান রিফাত, প্রচার সম্পাদক রকি আহমেদ, কার্যনির্বাহী সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসআর/এএএন

ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
ঢাকায় বাসার বেজমেন্টে মিললো ৭ টুকরা মরদেহ, মোড়ানো ছিল পলিথিনে

রাজধানীর মুগদায় বাসার বেজমেন্টে সাত টুকরা করা একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। অজ্ঞাতপরিচয় এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহটি পলিথিনে মোড়ানো ছিল।

পুলিশ রোববার (১৭ মে) মান্ডা এলাকার আব্দুল করিম রোডের ২৬০/১ নম্বর ভবন শাহনাজ ভিলা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

মুগদা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু রায়হান বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে মান্ডার আব্দুল করিম রোডের শাহনাজ ভিলা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির পঁচাগলা ও পলিথিনে মোড়ানো মরদেহ দুপুর দেড়টার দিকে উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।’

এসআই রায়হান জানান, নিহত ব্যক্তির গলার নিচ থেকে পেট পর্যন্ত চিরে দেওয়া এবং দুই হাত ও দুই পা বিচ্ছিন্ন করা। ডিএনএ নমুনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় তার পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

কালের আলো/এসআইপি