খুঁজুন
                               
, ,
           

সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সুইজারল্যান্ডের ম্যাচ ছড়ালো রোমাঞ্চ ও নাটকীয়তা। সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচে হট ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল সুইসরা। শুরুতেই গোল করে এগিয়েও গিয়েছিল লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। লিওনেল মেসির কর্ণার কিক থেকে দুর্দান্ত এক হেডারে জালের ঠিকানা খুঁজে নিয়ে ম্যাচের ১০ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার। এরপর প্রথমার্ধে না পারলেও দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় ফেরে ইউরোপিয়ানরা। গোলের পর দশ জনের দলে পরিণত হলেও নির্ধারিত ৯০ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ের ৯ মিনিটে তিনবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আর জালের দেখা পেতে দেননি গ্রানিত শাকারা। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের মুহূর্মুহু আক্রমণ সামলে ম্যাচ টাইব্রেকারে নেওয়ার আভাস দিচ্ছিল সুইসরা। তবে ১১ তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেজের দুর্দান্ত এক শটে লিড পায় স্কালোনির শিষ্যরা। পরে আরও এক গোল করেন লাউতারো মার্তিনেজ। এ দুজনের গোলের শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানের জয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করেছেন মেসিরা।

কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে সুইসদের বিপক্ষে ম্যাচের শুরু থেকেই গোছানো ফুটবল খেলছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। এরই ধারাবাহিকতায় শুরুতেই গোলের দেখা পায় আর্জেন্টিনা।  সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচের ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দিয়েছেন ম্যাক আলিস্টার। মেসির কর্নার থেকে পাওয়া বলকে হেডে জালের ঠিকানা দেখান এই লিভারপুল মিডফিল্ডার।

এদিকে শুরতেই গোল হজম করে পিছিয়ে পড়া সুইসরা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে লড়াই করেছে। তবে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ড এবং রক্ষণভাগ সুইজারল্যান্ডের আক্রমণ সফল হতে দেয়নি।

ফলে প্রথমার্ধে বল দখলে এগিয়ে থাকলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজের খুব বেশি পরীক্ষা নিতে পারেনি সুইসরা। বল দখলে বেশ এগিয়ে থাকলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে গোলের লক্ষ্যে কেবল ১টিই শট নিতে পেরেছে সুইসরা। বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে সেসব কাজে লাগাতে পারেনি ইউরোপিয়ান দলটি।

এদিকে দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর পর সমতায় ফিরতে আবার মরিয়া লড়াই শুরু করে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৫০ মিনিটে দারুণ এক সুযোগও পেয়েছিল দলটি। কিন্তু লিসান্দ্রো মার্তিনেজের দারুণ ডিফেন্ডিং এবং নিজেদের ফিনিশিং ব্যর্থতায় গোলটি পায়নি সুইসরা।

এরপর ৬৭ মিনিটে গোলের খাতা খোলে সুইসরা। রুণ এক আক্রমণে গোল করে সুইজারল্যান্ডকে সমতায় ফিরিয়েছেন ড্যান এনদোয়ে। দলীয় আক্রমণে রিকার্দো রদ্রিগেজের পাস থেকে গোলটি করেন এনদোয়ে। তবে সমতায় ফেরার পরই দুঃসংবাদ পায় ইউরোপিয়ান দলটি।

৭২ মিনিটে ডাইভ দিয়ে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর লাল কার্ড দেখেন ব্রিল এমবোলো। এর ফলে তাঁকে ফাউলের অভিযোগে লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে দেখানো হলুদ কার্ডটি বাতিল হয়ে যায়।

এদিকে প্রতিপক্ষ দশজনের দলে পরিণত হওয়ার পর সুইসদের উপর ম্যাচের নির্ধারিত ৯০ মিনিটের বাকি সময়টা একের পর এক আক্রমণ চালিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। তবে জমাট রক্ষণে গোলের দেখা পায়নি লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা। শেষ পর্যন্ত তাই ম্যাচটি গড়ায় অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে।

অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের প্রথমার্ধেও সুইজারল্যান্ডের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ শাণিয়েছেন মেসিরা। তবে কোনোভাবেই সুইস রক্ষণ ভেঙে গোলের দেখা পাচ্ছিল না দলটি। তবে দ্বিতীয়ার্ধে ডেডলক ভাঙেন আলভারেজ। লোপেজের পাস থেকে বল পেয়ে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে জালের দেখা খুঁজে নেন আর্জেন্টাইন এই স্ট্রাইকার। লিড নেওয়ার পর অতিরিক্ত সময়ের যোগ করা সময়ে আরও এক গোল করেন মার্তিনেজ। এই গোলে ৩-১ ব্যবধানের জয়ে সেমিফাইনালে খেলা নিশ্চিত করে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

কালের আলো/এসআর/এএএন

আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ অপরাহ্ণ
আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গেলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খুলনায় ছিনতাইকারীদের হামলায় গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলমকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসময় তিনি আহত পুলিশ কর্মকর্তার সর্বোচ্চ উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত এভারকেয়ার হাসপাতালে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

হাসপাতালে গিয়ে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী। এ সময় আহত পুলিশ কর্মকর্তার শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন তিনি।

শাহ আলমের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেন তিনি।

এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার বিষয়ে আহত পুলিশ কর্মকর্তা ও তার পরিবারকে আশ্বস্ত করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসময় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে খুলনা জেলার এ-সার্কেলে কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) শাহ আলম বিশেষ অভিযান শেষে রিকশায় করে পুলিশ ক্লাবে ফিরছিলেন। পথে খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে তিনজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। এ সময় তারা টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং ধারালো চাপাতি দিয়ে তার দুই হাতের কবজির ওপর গুরুতর জখম করে। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এ ঘটনায় খুলনা থানায় মামলা হয়েছে। এরই মধ্যে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

খেলাধুলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ
খেলাধুলার উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: রাজশাহী জেলা প্রশাসক

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সঙ্গে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন নবগঠিত রাজশাহী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ ও সদস্যরা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নবগঠিত কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক বলেন, কমিটি গঠন করে বসে থাকলে চলবে না। সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে খেলাধুলার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন ইভেন্টে ছেলে-মেয়েদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও খেলাধুলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। সম্মিলিত উদ্যোগ ও ধারাবাহিক কার্যক্রমের মাধ্যমেই কমিটির সাফল্য অর্জন সম্ভব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি মোছাঃ রোকসানা বেগম, সাধারণ সম্পাদক আলফাতুন নেছা পুতুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা শাপলা হোসেন, কোষাধ্যক্ষ মোছাঃ নার্গিস খাতুন এবং সদস্য মোছাঃ আশা মনি, মোছাঃ সুরাইয়া খাতুন ও আফরোজা আক্তার হাসি।

শুভেচ্ছা বিনিময়কালে নবগঠিত কমিটির সদস্যরা জেলার খেলাধুলার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্য নিলাম-ধ্বংসে এনবিআরের বড় উদ্যোগ

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:২২ অপরাহ্ণ
বন্দরে পড়ে থাকা পণ্য নিলাম-ধ্বংসে এনবিআরের বড় উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য ও খালাস না হওয়া পণ্যের জট নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। বন্দরের অভ্যন্তরে অবিন্যস্ত অবস্থায় পড়ে থাকা এসব পণ্যের বিস্তারিত তালিকা তৈরি, নিলাম এবং প্রয়োজনে ধ্বংসের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ২০ জন কাস্টমস কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সংস্থাটির প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে এসব কর্মকর্তা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালন করবেন। পণ্যগুলোর ইনভেন্টরি বা মজুত তালিকা তৈরির কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের এ দায়িত্বে রাখা হবে।

বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের তালিকা তৈরিতে বিশেষ উদ্যোগ

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা এবং আমদানির পর খালাস না হওয়া পণ্য বন্দরের জায়গা দখল করে রাখে। এসব পণ্যের মধ্যে নিলামযোগ্য পণ্যও রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে পণ্য জমে থাকায় সেগুলোর সঠিক হিসাব, সংরক্ষণ, নিলাম এবং ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ পরিস্থিতিতে নিলামযোগ্য ও খালাস না হওয়া পণ্যের বিস্তারিত তালিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে এনবিআর। এ জন্য দেশের বিভিন্ন কাস্টমস হাউস, ভ্যাট কমিশনারেট ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে ২০ জন কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

তাঁদের মূল দায়িত্ব হবে বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের ইনভেন্টরি কার্যক্রম সম্পন্ন করা। এর মাধ্যমে কোন পণ্য নিলামযোগ্য, কোনগুলো খালাস হয়নি এবং কোন পণ্যের বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নির্ধারণের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

১৫ অক্টোবর থেকে দায়িত্ব পালন করবেন কর্মকর্তারা

এনবিআরের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ১৫ অক্টোবর থেকে ইনভেন্টরি কার্যক্রম চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসে দায়িত্ব পালন করবেন। দেশের বিভিন্ন দপ্তর থেকে তাঁদের সাময়িকভাবে সংযুক্ত করা হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ভ্যাট কমিশনারেটের মো. শাহজাহান সরকার ও মুহাম্মদ মোশাররফ হোসাইন; গাজীপুরের মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন ও মো. বিল্লাল হোসেন; ঢাকা দক্ষিণের মো. বেলাল উদ্দিন ও ফজলুল হক; ঢাকা উত্তরের উত্তম কুমার দাস ও মাহমুদুল হাসান।

এ ছাড়া ঢাকা পূর্বের মো. হেদায়েতুল ইসলাম চৌধুরী; ঢাকা পশ্চিমের মো. রোমেল তালুকদার ও সুমনা দেবনাথ; চট্টগ্রাম ভ্যাট কমিশনারেটের ইফতেখার আহমেদ ও মো. আসিফ ইকবাল রাজু; এবং কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কাজী নাইম উদ্দীনকে এ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

তালিকায় আরও রয়েছেন কুমিল্লার মোছা. উম্মে সালমা ও অম্বিকা রানী, কমলাপুর আইসিডি কাস্টম হাউসের মো. তৌহিদুর রহমান, বেনাপোল কাস্টম হাউসের শংকেরালীঘ দেব এবং ঢাকা বন্ড কমিশনারেটের দক্ষিণ ও উত্তর অংশের সত্যজিৎ সরকার ও মো. শাহিনুর আলম।

নিলাম ও ধ্বংসের মাধ্যমে পণ্যের জট নিরসনের লক্ষ্য

এনবিআরের উদ্যোগের পরবর্তী ধাপে তালিকাভুক্ত পণ্যের ধরন ও অবস্থা অনুযায়ী নিলাম অথবা ধ্বংসের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। যেসব পণ্য নিলামযোগ্য, সেগুলো নিলামের আওতায় আনার মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ের সুযোগ তৈরি হতে পারে। অন্যদিকে, নিলামের অনুপযোগী বা বিধি অনুযায়ী ধ্বংস করা প্রয়োজন—এমন পণ্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দীর্ঘদিন ধরে বন্দরে পড়ে থাকা পণ্যের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে বন্দরের অভ্যন্তরে জায়গার ব্যবহার আরও কার্যকর হতে পারে। পাশাপাশি নতুন আমদানি পণ্যের কনটেইনার ব্যবস্থাপনা ও খালাস কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রাজস্ব আদায় বাড়ানো ও কনটেইনার জট কমানোর প্রত্যাশা

দ্রুত ইনভেন্টরি সম্পন্ন করে নিলাম ও ধ্বংসের কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া গেলে চট্টগ্রাম বন্দরে জমে থাকা কনটেইনারের জট কমতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিলামযোগ্য পণ্য বিক্রির মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব আদায় বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এ উদ্যোগের বাস্তব সুফল নির্ভর করবে পণ্যের তালিকা তৈরির কাজ কত দ্রুত শেষ হয়, নিলামপ্রক্রিয়া কতটা কার্যকরভাবে সম্পন্ন করা যায় এবং দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা পণ্য অপসারণে কী পরিমাণ অগ্রগতি অর্জিত হয়, তার ওপর।

কালের আলো/এএএন/এমএসআইপি