খুঁজুন
                               
, ,
           

মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩১ অপরাহ্ণ
মোদির বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা আটক 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি থেকে লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস সংসদ সদস্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটের দিকে পুলিশ রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবসহ অন্যান্য নেতাদের ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সঙ্গে রাহুলসহ কংগ্রেস নেতাদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদের আটক করে এবং একটি বাসে করে তুলে নিয়ে যায়।

রাহুল গান্ধীকে যখন পুলিশ সদস্যরা ধরে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখন তার নাক থেকে রক্ত বের হতে দেখা গেছে।

এরআগে মেডিকেল প্রবেশিকা পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং গতকাল সোমবার ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ আন্দোলনে দিল্লি পুলিশের দমনপীড়নের প্রতিবাদে দিল্লির লোক কল্যাণ মার্গের সামনে বিক্ষোভে যোগ দেন কংগ্রেস নেতা রাহুল, প্রিয়াঙ্কা এবং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেসহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।

এসময় তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করেন।

কংগ্রেস নেতারা অভিযোগ করেছেন, সরকার সংসদে বা রাজপথে কোথাও শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া অন্যায়ের বিষয়ে আলোচনা করতে দিচ্ছে না, যার কারণে তারা এই নজিরবিহীন আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন।

এদিকে বিকালে বিজেপি সরকারের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং বিক্ষোভস্থলে এসে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বলে আন্দোলন প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। তবে দাবি পূরণ না হওয়ায় পর্যন্ত বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন রাহুল গান্ধী। এরপরেই পুলিশ রাহুল-প্রিয়াঙ্কাসহ বেশ কয়েকজন নেতাকে আটক করে।

ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার দাবি করেছে, এই ধরনের বিক্ষোভ প্রধানমন্ত্রী মোদির নিরাপত্তাকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

প্রসঙ্গত, ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা নিট (এনইইটি)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে আন্দোলন শুরু করে তরুণদের প্লাটফর্ম ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীদের কাছে প্রশ্ন বিক্রি হওয়ায় লাখো শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

তাদের ভারতে প্রায় ২০ লাখ পরীক্ষার্থী মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার মেডিকেল আসনের জন্য প্রতিযোগিতা করেন। অনেক পরিবার সন্তানদের কোচিং করাতে সঞ্চয় ব্যয় করে বা ঋণ নেয়। প্রশ্নফাঁসের কারণে অনেক শিক্ষার্থীকে পুনরায় পরীক্ষা দিতে হয়েছে। এ ঘটনায় হতাশ হয়ে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কয়েক ডজন শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে দেশজুড়ে জনসমর্থন গড়ে তোলে সিজেপি।

জুনের শুরুতে দিল্লিতে প্রথম বড় কর্মসূচি পালন করে সিজেপি। মাসের শেষ দিকে দ্বিতীয় দফায় বিক্ষোভ শুরু করে তারা। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়। এই কর্মসূচিতে যোগ দেন লাদাখের প্রকৌশলী ও শিক্ষা অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে অনশন শুরু করেন এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তা চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

দুই সপ্তাহের বেশি সময় অনশন চলার পর ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আদালত তার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দেন। পরে অনশনের ২০তম দিনে দিল্লি পুলিশ তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পুলিশ এটিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পদক্ষেপ বললেও একে বেআইনি আটক বলে দাবি করে ‘চলো সংসদ’ নামে লংমার্চ কর্মসূচির ডাক দেয় সিজেপি।

সোমবার (২০ জুলাই) সিজেপির ডাকে হাজারো মানুষ মধ্য দিল্লিতে জড়ো হন। আগের রাত থেকেই অনেক আন্দোলনকারী অবস্থান নেন। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রশ্নপত্র ফাঁসে ক্ষতিগ্রস্তদের অভিভাবকেরাও বিক্ষোভে অংশ নেন।

তবে দিল্লি পুলিশ সংসদমুখী পদযাত্রার অনুমতি না দিয়ে বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেড বসায় এবং কিছু এলাকায় ইন্টারনেট সেবা সীমিত করে।

এরপরও দুপুরের আগেই ২০ হাজারের বেশি মানুষ বিক্ষোভস্থলে জড়ো হন। দুপুরে বিক্ষোভকারীরা পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে। এতে সংঘর্ষ বাধলে শতাধিক বিক্ষোভকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।

সূত্র: এনডিটিভি

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

জাপানে প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ
জাপানে প্রধানমন্ত্রী, গুরুত্ব পাবে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিও পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্থানীয় সময় সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৯টায় টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

এর আগে রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত এ সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, দেশটির বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে।

সফরে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ গুরুত্ব পাবে

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সফরের দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক রহমান।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর করা, জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রবেশাধিকার বাড়ানো এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এ ছাড়া বাংলাদেশে জাপানি শিল্পকারখানা স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।

সফরকালে কৃষি, মৎস্য, মানবসম্পদ উন্নয়ন, কারিগরি দক্ষতা, বেসামরিক বিমান চলাচল, পরিবেশ সংরক্ষণ ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার আধুনিকায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তিন থেকে চারটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জ্বালানি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং ডিজিটাল রূপান্তর নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জাপানের ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে বৈঠক

সফরকালে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ফোরামে মূল বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং জাপান এক্সটার্নাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের কর্মসূচি রয়েছে। জাপানের বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গেও মতবিনিময় করবেন তিনি।

এ ছাড়া সফরের অংশ হিসেবে চিবা অঞ্চলের একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র, পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউনিক্লোর সদর দপ্তর এবং নাগোয়ার টয়োটা কারখানা পরিদর্শনের কথা রয়েছে।

এসব পরিদর্শনের মাধ্যমে জাপানের শিল্পপ্রযুক্তি, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন খাত সম্পর্কে অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি দুই দেশের বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টা, সরকারি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাসহ ১৫ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

এ ছাড়া প্রতিনিধি দলে রয়েছেন বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মুস্তাকুর রহমান, পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতারা।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা

স্বাধীনতার পর থেকেই জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বাংলাদেশের মেট্রোরেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে জাপানের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরের মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও রপ্তানি সম্প্রসারণে নতুন সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:৪৮ পূর্বাহ্ণ
চার দিনের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান যাচ্ছেন আমজনতার তারেক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চার দিনের সরকারি জাপান সফরে সফরসঙ্গী হচ্ছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত তিনি জাপানে অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাপান সফরে যাওয়ার বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন আমজনতার সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আজ জাপান যাচ্ছি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে। ভালোবাসা সবাইকে।’

পোস্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে তোলা একটি ছবিও শেয়ার করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২৪ পূর্বাহ্ণ
জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে চার দিনের সরকারি সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সফরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জাপানের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে টোকিওর নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের এ সফরে জাপানের সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

সফরসূচি অনুযায়ী, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক, জাপানি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও জ্বালানি অবকাঠামো পরিদর্শনের কর্মসূচি রয়েছে তারেক রহমানের। এসব কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

বিশেষ করে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়গুলো সফরে গুরুত্ব পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাপানের অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরে দুই দেশের সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করা এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। বিশেষ করে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প খাত সম্প্রসারণে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা রয়েছে।

চার দিনের সফর শেষে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ