খুঁজুন
                               
, ,
           

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ-ইইউ আলোচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬, ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ
দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের উপায় নিয়ে বাংলাদেশ-ইইউ আলোচনা

বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন উপায় নিয়ে আলোচনা করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরামের (এআরএফ) বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিবিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি এবং ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কালাসের সঙ্গে এ বৈঠক করেন।

বৈঠকে উভয় পক্ষ, বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করেন।

তারা জাতিসংঘের সংস্কার নিয়েও আলোচনা করেন এবং সমসাময়িক বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন।

এছাড়া বাংলাদেশে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপরও উভয় পক্ষ গুরুত্বারোপ করে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডিআইজির বাসায় মাদকের পার্টি, পরিচয় দেখবে না সরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৩০ অপরাহ্ণ
ডিআইজির বাসায় মাদকের পার্টি, পরিচয় দেখবে না সরকার

রাজধানীর ভাটারায় পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহিরের মালিকানাধীন বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযানে ৮৪ জন আটকের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় বিবেচনা না করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, অতিরিক্ত ডিআইজিকে ইতিমধ্যে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান মন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রম শুরু হবে। এ ক্ষেত্রে আইনানুগ সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।তিনি বলেন, “এখানে কার কী পরিচয়, সেটা আমরা দেখব না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বক্তব্যে ঘটনাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির পুলিশ সদর দপ্তরের মেইনটেন্যান্স অ্যান্ড রিপেয়ার শাখায় কর্মরত ছিলেন। তাঁর মালিকানাধীন বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ৮৪ জনকে আটকের ঘটনার পর তাঁকে ওই দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহারের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যক্রমও শুরু করা হবে। তবে বিভাগীয় তদন্তে কী তথ্য উঠে আসে এবং তাঁর বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তা পরবর্তী প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করবে। এর আগে গত সোমবার মধ্যরাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি দল ভাটারা থানার পুলিশ হাউজিং-১ আবাসিক এলাকার তিনতলা একটি বাড়িতে অভিযান চালায়। ডিবি পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, বাড়িটিতে অবৈধভাবে মাদক সেবন ও ডিজে পার্টির আয়োজন চলছিল।

অভিযানে বাড়িটি থেকে গাঁজা, ইয়াবা, মদ এবং ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় মোট ৮৪ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে ২৬ জন নারী। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত ডিআইজি আব্দুল্লাহ আল জহির অনলাইনের মাধ্যমে বাড়িটি ভাড়া দিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ভাড়াটেরা বাড়িটি মাদকসংক্রান্ত কাজে ব্যবহার করতেন।

বাড়িটি ভাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়া, সেখানে কীভাবে মাদক সেবন ও ডিজে পার্টির আয়োজন করা হচ্ছিল এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়ার কথা। ঘটনাটি ঘিরে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়ির ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের জবাবদিহির বিষয়টি সামনে এসেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয় বিবেচনা না করে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। তবে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তের ফলাফল ও আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য এই বক্তব্যে জানানো হয়নি। বিভাগীয় কার্যক্রম এবং মাদকবিরোধী মামলার অগ্রগতির ওপরই পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

বিজয়-রাশমিকার দাম্পত্যে ফাটল, নাকি নিছক গুঞ্জন?

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:২৭ অপরাহ্ণ
বিজয়-রাশমিকার দাম্পত্যে ফাটল, নাকি নিছক গুঞ্জন?

দক্ষিণী চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় তারকা জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানাকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। ইনস্টাগ্রামে বিজয় তাঁর স্ত্রী রাশমিকাকে আনফলো করেছেন—এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়তেই তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন অনেকে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই আলোচনার পেছনে রয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি।

বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম ঘিরে যত আলোচনা
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনে দাবি করা হয়, বিজয় দেবরাকোন্ডা নাকি ইনস্টাগ্রামে রাশমিকা মান্দানাকে আনফলো করে দিয়েছেন। বিষয়টি সামনে আসার পর অনুরাগীদের মধ্যে প্রশ্ন ওঠে, বিয়ের পর এই তারকা দম্পতির সম্পর্কে কোনো দূরত্ব তৈরি হয়েছে কি না।

তবে বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়িং তালিকা যাচাই করে দেখা যায়, তিনি কাউকেই অনুসরণ করেন না। তাঁর ফলোয়িং সংখ্যা শূন্য হওয়ায় সেখানে রাশমিকাও নেই। ফলে রাশমিকাকে আলাদাভাবে আনফলো করার যে দাবি ছড়িয়েছে, তার পক্ষে কোনো ভিত্তি পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, রাশমিকা এখনো ইনস্টাগ্রামে বিজয়কে অনুসরণ করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই বিজয়ের ফলোয়িং তালিকায় রাশমিকার নাম না থাকাকে তাঁদের সম্পর্কের অবনতির প্রমাণ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

দাম্পত্য কলহের খবর নিশ্চিত নয়
বিজয় ও রাশমিকার সম্পর্ক নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ নতুন নয়। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা হয়ে আসছে। বিয়ের পরও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের নিয়ে বিভিন্ন গুঞ্জন ছড়াচ্ছে।

তবে এই মুহূর্তে তাঁদের মধ্যে কোনো দাম্পত্য কলহ বা সম্পর্কের টানাপোড়েনের খবর সংশ্লিষ্ট তারকাদের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। ইনস্টাগ্রামে কাউকে অনুসরণ করা বা না করার বিষয়টি ব্যক্তিগত পছন্দের অংশও হতে পারে। তাই শুধু ফলোয়িং তালিকা দেখে কোনো তারকা দম্পতির সম্পর্ক নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।

‘কফি উইথ করণ’-এ প্রেমের গল্প
সম্প্রতি জনপ্রিয় চ্যাট শো ‘কফি উইথ করণ সিজন ৯’-এ হাজির হয়ে নিজেদের প্রেম ও বিয়ের নানা গল্প ভাগ করে নিয়েছেন বিজয় ও রাশমিকা। সেখানে বিজয় জানান, রাশমিকাকে ইতালিতে নিয়ে গিয়ে প্রস্তাব দেওয়ার ইচ্ছা ছিল তাঁর। কিন্তু পছন্দমতো আংটি না পাওয়ায় সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

শেষ পর্যন্ত বিয়ের আগে সংগীতের অনুষ্ঠানে রাশমিকাকে প্রস্তাব দেন বিজয়। তাঁর ইচ্ছা ছিল, জীবনের বিশেষ এই মুহূর্তের অনুভূতি থেকে যেন রাশমিকা বঞ্চিত না হন। তাঁদের প্রেমের এই গল্প অনুরাগীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে।

দীর্ঘদিনের সম্পর্কের পর বিয়ে
২০১৮ সালে প্রথমবার একসঙ্গে কাজ করার পর থেকেই বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানাকে ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন শুরু হয়। দীর্ঘদিন তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা থাকলেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁরা বরাবরই সতর্ক ছিলেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে উদয়পুরের একটি রাজপ্রাসাদে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিয়ে করেন এই তারকা জুটি। দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে পরিণয়ে রূপ দেওয়ার পর তাঁদের নিয়ে ভক্তদের আগ্রহ আরও বেড়েছে।

সব মিলিয়ে, বিজয়ের ইনস্টাগ্রাম ফলোয়িং তালিকা ঘিরে তৈরি হওয়া আলোচনা আপাতত ভুল বোঝাবুঝির ফল বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তাঁদের দাম্পত্যে সমস্যা চলছে—এমন দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য সামনে আসেনি।

কালের আলো/এসএ/এমএস

 

তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন ফারুকী

বিনোদন প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:১৪ অপরাহ্ণ
তিশার সঙ্গে বিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুললেন ফারুকী

নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ও অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশার দাম্পত্য জীবনে টানাপোড়েন চলছে—সম্প্রতি এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এমনকি এই তারকা দম্পতি আলাদা থাকছেন বলেও দাবি করা হয়। তবে এসব আলোচনাকে মিথ্যা প্রচারণা ও ব্যক্তিগত আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন ফারুকী। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জল্পনা না বাড়িয়ে তাঁর নতুন কাজ নিয়ে আলোচনা করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

‘মিথ্যা নিউজে ঘটনা সত্য হয় না’
দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জন প্রসঙ্গে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, তাঁকে ঘিরে নানা ধরনের অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ ছড়ানোর ঘটনা আগেও ঘটেছে। বর্তমানে বিষয়টি ব্যক্তিগত আক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে মনে করছেন তিনি।

ফারুকীর ভাষ্য, এসব মিথ্যা সংবাদ নিয়ে কথা বললে সেগুলোকে আরও প্রশ্রয় দেওয়া হয়। তাই এ বিষয়ে তিনি কিংবা তিশা কেউই কোনো মন্তব্য করতে চান না। বরং তাঁরা নিজেদের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চান।

নির্মাতার এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চলমান জল্পনা-কল্পনায় সাড়া না দেওয়ার অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে। তবে দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া দাবিগুলোর পক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে দেশে ফেরেন ফারুকী
ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলোচনা চললেও কাজের ক্ষেত্রে ব্যস্ত সময় পার করছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। গত ১০ অক্টোবর দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠিত বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসরের আমন্ত্রণে দেশটিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে অংশগ্রহণ শেষে ১৭ অক্টোবর দেশে ফেরেন এই নির্মাতা।

বুসানে যাওয়ার আগে একটি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের কাজ শেষ করেছিলেন ফারুকী। দেশে ফিরে আবারও বিজ্ঞাপন নির্মাণে যুক্ত হন তিনি। বর্তমানে তিনটি বিজ্ঞাপনচিত্রের কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন নির্মাতা। এর মধ্যে একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের দৃশ্যধারণ করা হয়েছে ঢাকা, ময়মনসিংহ ও দক্ষিণ কোরিয়ায়। প্রকল্পটির শুটিং ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

নতুন সিনেমার নাম ‘টু হেল, উইথ লাভ’
বিজ্ঞাপনচিত্রের পাশাপাশি নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য নিয়েও কাজ করছেন ফারুকী। আসন্ন সিনেমার গল্প সম্পর্কে তিনি জানিয়েছেন, এটি প্রেম ও বন্ধুত্বের পরিচিত ধারণার বাইরের এক অনুভূতিকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে।

নির্মাতার ভাষায়, গল্পটি নতুন দিনের প্রেমের গল্প হতে পারে। আবার প্রেম ও বন্ধুত্বের মাঝখানে থাকা এমন এক সম্পর্কের কথাও বলা যায়, যার জন্য প্রচলিত কোনো সংজ্ঞা খুঁজে পাওয়া কঠিন। আপাতত সিনেমাটির নাম রাখা হয়েছে ‘টু হেল, উইথ লাভ’। ফারুকী বলেন, এটি প্রেমের বর্ধিত মানচিত্রের গল্প। তাঁর এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, সম্পর্কের প্রচলিত সংজ্ঞা ও আবেগের জটিলতা সিনেমাটির গল্পে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

রাজনীতি নয়, হৃদয়ভাঙার গল্প
নতুন সিনেমার গল্পের ধরন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে ফারুকী জানিয়েছেন, ছবিটিকে রাজনৈতিক ব্যঙ্গাত্মক সিনেমা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। অতীতে তিনি ব্যঙ্গাত্মক কাজ করায় অনেকে হয়তো নতুন সিনেমার বিষয়বস্তু নিয়েও তেমন ধারণা করতে পারেন।

তবে নির্মাতার বক্তব্য অনুযায়ী, ‘টু হেল, উইথ লাভ’ মূলত হৃদয়ভাঙার একটি গল্প। অর্থাৎ রাজনৈতিক বা সামাজিক ব্যঙ্গের পরিবর্তে ব্যক্তিগত সম্পর্ক, আবেগ ও মানসিক টানাপোড়েন এখানে গুরুত্ব পেতে পারে। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লেখার কাজ চলছে। কবে নাগাদ এর শুটিং শুরু হবে কিংবা কারা অভিনয় করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাননি নির্মাতা।

নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত তিশাও
অন্যদিকে, অভিনেত্রী নুসরাত ইমরোজ তিশাও নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাঁর রয়েছে ‘ফুলস্ক্রিন’ নামে একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। গত ২৮ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠানটির ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে আরশ খান ও প্রিয়ন্তী উর্বি অভিনীত একটি নাটক।

ফারুকী ও তিশার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা চললেও দুজনের কাজের ব্যস্ততা থেমে নেই। ফারুকী নতুন সিনেমার চিত্রনাট্য ও বিজ্ঞাপনচিত্র নিয়ে কাজ করছেন, অন্যদিকে তিশা যুক্ত রয়েছেন প্রযোজনাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে।

সব মিলিয়ে, দাম্পত্য জীবনে ফাটল ধরার গুঞ্জনকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজেদের কাজেই মনোযোগী থাকার কথা জানিয়েছেন ফারুকী। তাঁর বক্তব্য, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অনুমাননির্ভর আলোচনা না বাড়িয়ে বরং নতুন কাজের খবর সামনে আনা উচিত।

কালের আলো/এসএ/এমএস