খুঁজুন
                               
, ,
           

গ্যাস সংকটে উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে পোশাক কারখানায়

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ
গ্যাস সংকটে উৎপাদন সক্ষমতা কমেছে পোশাক কারখানায়

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ভাসমান দুই এলএনজি টার্মিনালের একটিতে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে কারখানাগুলোতে গ্যাসের সরবরাহ ৪০ শতাংশের নিচে নামার কথা বলছেন কারখানার উদ্যোক্তারা। এতে উৎপাদন সক্ষমতাও ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমে যাওয়ার কথা বলছেন তারা। বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেন, অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ কারখানায় এখন সংকট দেখা দিয়েছে। এই খাতকে আগে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তার কথায়, ‘গ্যাসনির্ভর কোনো দেশেই এরকম বিপর্যয় হয় না। থাইল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ভিয়েতনামসহ আর কোনো দেশেতো গ্যাস সরবরাহে সমস্যা হয় না। আমরাওতো টাকা দিয়ে গ্যাস কিনি, আমাদের গ্যাস পেতে এত সমস্যা কেন হবে। আমাদের একেক সময়ে একেকটি হচ্ছে। কিন্তু সবশেষে আমরা ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। এখন তো কারখানাকে সচল রেখে অন্যান্য খাতে বিদ্যুৎ দেওয়া উচিত ছিল।’

গ্যাস সংকটে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) অধীনে অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে খুব একটা সমস্যা না হলেও ইপিজেডের বাইরে থাকা কারখানাগুলো বেশি সমস্যায় পড়ার কথা বলছেন ডেনিম এক্সপার্ট লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল। চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় কর্ণফুলী ইপিজেড এলাকায় কারখানা থাকায় আগের মতই গ্যাস সরবরাহ থাকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘ইপিজেডের বাইরে থাকা কারখানা বিশেষ করে গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জে যাদের কারখানা আছে, তারাই সমস্যায় পড়ছে সবচেয়ে বেশি।’

এভিটেক্স অ্যাপারেলসের গাজীপুরের ভবানীপুর কারখানায় গ্যাসের সরবরাহ কমে ৪০ শতাংশের নিচে নামার তথ্য দিয়েছেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, ‘গ্যাস সংকট তো আগে থেকেই ছিল। চাহিদার মত তো পাওয়া যায়নি। এখন তা আরো বেড়েছে। উৎপাদন সক্ষমতা ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশে নেমেছে। তাই কারখানায় ওভারটাইম করাতে হচ্ছে প্রতিদিনই, এভাবে তো খরচ বাড়ছে।’

বিটিএমএ রাসেলের দাবি, সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বস্ত্র খাত। নারায়ণগঞ্জের কারখানাগুলোর কোনো কোনোটি চাহিদার বিপরীতে ৩৫ শতাংশ গ্যাস পাচ্ছে পাইপলাইনে। কয়েকটির সক্ষমতা ৪০ শতাংশে নেমেছে। আমরাতো পোশাক কারখানায় সরবরাহ দেই। তাদের চাহিদা মেটানো যাচ্ছে না। ওভারটাইম বিল দিতে হচ্ছে কর্মীদের। যে কাজ ৮ ঘণ্টায় হত, এখন তা ১২ থেকে ১৬ ঘণ্টা লাগছে করতে।’

তৈরি পোশাক খাত বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের মেরুদণ্ড। এর আগে বছরজুড়ে গ্যাসসহ নানা সংকটের মধ্যে গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খাতটি ১ দশমিক ৬৪ শতাংশ ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি দেখেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই নতুন করে গ্যাস সংকট দেখা দেওয়ায় সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা বলছেন কারখানা মালিকরা। বিদ্যুতের পর সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহার হয় শিল্পকারখানায়।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) তথ্য অনুযায়ী, দৈনিক গ্যাস চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। গত কয়েক বছর থেকে দিনে সরবরাহ করা হচ্ছে গড়ে ২৭০ কোটি ঘনফুট। অগ্নিদুর্ঘটনায় এলএনজির একটি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ কমে ২১৫ কোটি ঘনফুটের নিচে নেমে এসেছে।

কালের আলো/এম/এএইচ

সুই-সুতায় ৩৫ বছরের জীবন, স্বপনের সংসারে এখনো অভাব

বাগেরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
সুই-সুতায় ৩৫ বছরের জীবন, স্বপনের সংসারে এখনো অভাব

সংসারের প্রয়োজন মেটাতে বয়সের ভারও থামাতে পারেনি স্বপন সরদারকে। জীবনের প্রায় ৩৫ বছর ধরে মানুষের ছেঁড়া জুতা সেলাই করে জীবিকা চালিয়ে আসছেন তিনি। বয়স বেড়ে যাওয়ায় শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। তবুও সংসারের হাল ধরতে প্রতিদিন পুরোনো জায়গায় বসে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেন তিনি।

বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছোট্ট পরিসরে বসে কাজ করেন স্বপন। সামনে থাকে জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম, হাতে সুই-সুতা। কেউ ছেঁড়া জুতা নিয়ে এলে যত্ন করে তা মেরামত করেন। বিনিময়ে কখনো কয়েক দশক, কখনো বা কয়েকশ টাকা আয় হয়। এই সামান্য আয় দিয়েই চলে তার সংসার।

স্বপনের পরিবার জানায়, বয়সের কারণে এখন তার পক্ষে ভারী কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। অথচ সংসারের প্রয়োজন মেটাতে তাকে কাজ করতেই হচ্ছে। পরিবারের একজন সন্তান বেকার থাকায় আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

দোকানদার সজিব সাহা বলেন, বাসস্ট্যান্ডে এ ধরনের ছোট কাজ করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের আয় খুবই কম। স্বপনের মতো একজন বয়স্ক মানুষ এত বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন—বিষয়টি সত্যিই কষ্টের।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্বপনকে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা অন্য কোনো সহায়তার আওতায় আনা গেলে তাদের কষ্ট কিছুটা কমতে পারে।

প্রতিদিনের মতো আজও হয়তো স্বপন বসবেন তার পুরোনো জায়গায়। সামনে থাকবে জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম, হাতে থাকবে সুই-সুতা। কারও ছেঁড়া জুতা জোড়া লাগাতে লাগাতে হয়তো আবারও আয় হবে সামান্য কিছু টাকা।

এভাবেই ৩৫ বছর ধরে মানুষের পায়ের জুতা ঠিক করতে করতে নিজের সংসারের ভাঙাচোরা অবস্থাও সামলানোর চেষ্টা করছেন স্বপন সরদার। বয়সের ভার, কমে যাওয়া আয় আর বেকার সন্তানের চাপ—সব মিলিয়ে তার প্রতিটি দিনই যেন নতুন এক সংগ্রামের গল্প।

কালের আলো/এমএসআইপি 

চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি

বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর রোববার রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

সত্তরের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন মিঠু মুখার্জি। অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন ও পর্দায় তাঁর উপস্থিতি সে সময় দর্শকের মধ্যে আলাদা সাড়া ফেলেছিল। তবে ক্যারিয়ারের পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র ও জনসম্মুখ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী।

‘শেষ পর্ব’ দিয়ে অভিষেক

১৯৭২ সালে চিত্ত বসু পরিচালিত ‘শেষ পর্ব’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিঠু মুখার্জির। এরপর দীনেন গুপ্ত পরিচালিত ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

‘মর্জিনা আবদুল্লা’র সাফল্যের পর বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন মিঠু। সত্তরের দশকে একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন সে সময়ের পরিচিত অভিনেত্রীদের একজন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য বাংলা সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘নিশিকন্যা’, ‘মৌচাক’ ও ‘স্বয়ংসিদ্ধা’। এসব সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে প্রশংসা পেয়েছিল।

হিন্দি সিনেমাতেও অভিনয়

বাংলা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি হিন্দি সিনেমাতেও কাজ করেছেন মিঠু মুখার্জি। দুলাল গুহ পরিচালিত ‘খান দোস্ত’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়। পরে বাসু চ্যাটার্জির ‘সফেদ ঝুট’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

এ ছাড়া তাঁর অভিনীত হিন্দি সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘দিল্লাগি’ এবং ‘দো লড়কে দোনো কড়কে’।

দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় ফেরা

একসময় অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখার্জি। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯০ সালে চন্দ্রা বারোট পরিচালিত ‘আশ্রিতা’ সিনেমার মাধ্যমে আবার বড় পর্দায় ফেরেন তিনি। তবে এরপর আর নিয়মিত অভিনয়ে দেখা যায়নি তাঁকে।

দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও সত্তরের দশকের বাংলা সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে মিঠু মুখার্জির নাম জড়িয়ে আছে। তাঁর অভিনীত চরিত্র ও সিনেমাগুলো এখনো দর্শকের স্মৃতিতে জায়গা করে আছে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

কালের আলো/এসএ

পদ্মায় ইলিশের সংকট, বিপাকে হাজারো জেলে পরিবার

মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২০ অপরাহ্ণ
পদ্মায় ইলিশের সংকট, বিপাকে হাজারো জেলে পরিবার

মানিকগঞ্জের পদ্মায় জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাচ্ছেন না জেলেরা। মাছের সংকটে নৌকা ও জাল নিয়ে নদীতে গিয়ে খরচও উঠছে না অনেকের। ফলে বাধ্য হয়ে কেউ কৃষিকাজে যুক্ত হচ্ছেন, আবার কেউ নৌকা-জাল বিক্রি করে রিকশা চালানোসহ বিকল্প পেশা বেছে নিচ্ছেন।

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ পদ্মা ও যমুনার ওপর নির্ভরশীল। এসব এলাকার জেলেদের জীবিকার অন্যতম প্রধান উৎস ছিল পদ্মার ইলিশ। তবে কয়েক বছর ধরে নদীতে ইলিশের পরিমাণ কমে যাওয়ায় সংকটে পড়েছেন তারা।

মৎস্য অধিদপ্তরের ‘ইয়ারবুক অব ফিশারিজ স্ট্যাটিস্টিকস অব বাংলাদেশ’-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে লোয়ার পদ্মায় ইলিশ আহরণ হয়েছিল ১ হাজার ১৫৯ মেট্রিক টন। ২০২১-২২ অর্থবছরে তা কমে হয় ১ হাজার ১১৭ মেট্রিক টন। ২০২২-২৩ অর্থবছরে সামান্য বেড়ে ১ হাজার ১২২ মেট্রিক টন হলেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তা নেমে আসে ১ হাজার ৯০ মেট্রিক টনে। সর্বশেষ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আহরণ আরও কমে দাঁড়ায় মাত্র ৬২২ মেট্রিক টনে।

অর্থাৎ চার বছরের ব্যবধানে লোয়ার পদ্মায় ইলিশ আহরণ কমেছে ৫৩৭ মেট্রিক টন বা প্রায় ৪৬ শতাংশ। শুধু ২০২৩-২৪ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যেই আহরণ কমেছে ৪৬৮ মেট্রিক টন।

হরিরামপুরের বাহিরচর গ্রামের জেলে ফারুক হোসেন ব্যাপারী বলেন, শুধু মাছ ধরে এখন আর সংসার চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই মাছ ধরার পাশাপাশি কৃষিকাজ করতে হচ্ছে। তাঁর মতে, নদীর আগের গভীরতা না থাকায় মাছও কমে গেছে।

ভেলাবাদ গ্রামের জেলে লালন মোল্লার ভাষ্য, নদীর নাব্যতা কমে যাওয়ার পাশাপাশি যান্ত্রিক নৌযান ও জাহাজের শব্দের কারণেও ইলিশের বিচরণ কমেছে। আর জীবিকার সংকটে দড়িকান্দি গ্রামের নিবন্ধিত জেলে লিটন নৌকা-জাল বিক্রি করে রিকশা চালানো শুরু করেছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নদীর ভৌগোলিক ও পরিবেশগত পরিবর্তন ইলিশের বিচরণে প্রভাব ফেলছে। পলি জমে ডুবোচর ও চর সৃষ্টি হওয়া, পানির লবণাক্ততা ও প্রবাহের পরিবর্তন, বৃষ্টিপাতের ধরনে পরিবর্তন, বর্জ্যে পানিদূষণ এবং নদীর খাদ্যচক্র নষ্ট হওয়ায় ইলিশের স্বাভাবিক বিচরণ ও প্রজনন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এ ছাড়া কারেন্ট জাল ও ক্ষতিকর চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহারে জাটকা ও মা ইলিশ নিধনও ইলিশের প্রজননচক্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা মৎস্য কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ইলিশ সুরক্ষায় মানিকগঞ্জে ২৬২টি অভিযান ও ৭৫টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। এসব অভিযানে ৩ মেট্রিক টন ইলিশ ও ২ লাখ ২৯ হাজার মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০৯টি মামলা, ৭০ জনকে কারাদণ্ড এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

হরিরামপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নূরুল ইকরাম বলেন, নদীতে চর জেগে ওঠা, জলযান চলাচল, দূষণ ও অবৈধ জালের ব্যবহার ইলিশের বিচরণে বাধা সৃষ্টি করছে। অবৈধভাবে ইলিশ শিকারকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।

মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, নাব্যতা সংকট, দূষণ ও অসচেতনতার কারণে পদ্মা-যমুনায় ইলিশের আকাল দেখা দিয়েছে। ইলিশের প্রজনন ও বিচরণ সুরক্ষায় সরকারি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি