খুঁজুন
                               
, ,
           

ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

কুষ্টিয়া প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬, ৪:২৬ অপরাহ্ণ
ইবির ৪৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নৈরাজ্য ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তদন্তে কমিটি

দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল শিক্ষক নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পক্ষে গোপনে সংগঠিত হয়ে দেশব্যাপী নৈরাজ্যের প্রস্তুতি ও রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছেন এমন অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন।

কমিটিকে আগামী ১২ আগস্টের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগে ইবির ৪৪ জন শিক্ষকের নাম এসেছে।

গত বুধবার (৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে কমিটি গঠনের বিষয়টি জানানো হয়।

প্রশাসনের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রকাশিত প্রতিবেদনের সত্যতা যাচাই, অভিযোগে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের শনাক্ত, প্রয়োজনীয় সুপারিশ এবং পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে কমিটি কাজ করবে।

কমিটির প্রধান করা হয়েছে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান (আল-হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ), অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম (আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ) এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যানেল আইনজীবী ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. সাদাত হোসেন।

সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক ইসরাফিল হক।

অফিস আদেশে অভিযোগে জড়িত শিক্ষকদের চিহ্নিত করে করণীয় নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় সুপারিশ এবং প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লিখিত অভিযোগের বাস্তবতা অনুসন্ধানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ নামে টেলিগ্রামভিত্তিক একটি গোপন গ্রুপের মাধ্যমে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

এ নেটওয়ার্কের অন্যতম সমন্বয়কারী হিসেবে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. এম অহিদুজ্জামানকে সভাপতি এবং ড. মাহবুবর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, টেলিগ্রাম গ্রুপটির ২৮ পৃষ্ঠার স্ক্রিনশট থেকে ৪০৩ জন শিক্ষকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। আরও কয়েকজন সদস্য সাংকেতিক নাম ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করতেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষকের নাম এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছেন ড. মাহবুবর রহমান, কে এম শরফ উদ্দিন, শারমিন সুলতানা, অধ্যাপক ড. আলমগীর হোসেন ভূঁইয়া, অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপক ড. সেলিনা নাসরিন, ড. মিজানুর রহমান, নাসিরুল হক, শফিকুল ইসলাম, ড. আজরান আজমী, অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, জয়, ড. তহিদুর রহমান, অঞ্জন কুমার রায়, অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন, আলতাফ রাসেল, মিনহাজুল হক, ড. আসাদুজ্জামান, আফরোজা সাথী ও অধ্যাপক ড. মাহবুব শুভ।

প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, তালিকাভুক্ত কয়েকজন শিক্ষক সাংকেতিক পরিচয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, তালিকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন উপাচার্য, দুজন উপ-উপাচার্য, দুজন ট্রেজারার এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা ও শিক্ষকের নাম রয়েছে।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯২ জন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ জন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪ জন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪২ জন, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৮ জন এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯ জন শিক্ষক এ গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বরং বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত, বয়কট বা প্রশাসনিক বৈষম্যের শিকার শিক্ষকদের সাংবিধানিক অধিকার, মর্যাদা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত একটি অরাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম।

তিনি দাবি করেন, সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেই করা হয়েছে। তাই এটিকে রাজনৈতিক রং দেওয়ার সুযোগ নেই।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘পূর্ববর্তী প্রশাসনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি মন্তব্য করতে চান না। তবে নিষিদ্ধ ঘোষিত কোনো রাজনৈতিক দল বা তাদের আদর্শিক অনুসারীরা নতুন করে সংগঠিত হওয়ার চেষ্টা করলে এবং তার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, তদন্ত কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের ভূমিকা, প্রকাশিত তথ্য-উপাত্ত ও সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

সেই সুপারিশের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তী প্রশাসনিক ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

কালের আলো/জেএন/এমএসআইপি

যে পেস জুটির সামনে নব্বইয়ের দশকে কাঁপতেন ব্যাটাররা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
যে পেস জুটির সামনে নব্বইয়ের দশকে কাঁপতেন ব্যাটাররা

ক্রিকেট ইতিহাসে দুর্দান্ত পেস বোলিং জুটির অভাব নেই। তবে ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসের নাম উচ্চারিত হয় আলাদা আবহে। পাকিস্তানের এই দুই কিংবদন্তি শুধু গতি দিয়ে নয়, সুইং, রিভার্স সুইং ও নিখুঁত ইয়র্কারের সমন্বয়ে নব্বইয়ের দশকে ব্যাটারদের সামনে তৈরি করেছিলেন কঠিন এক পরীক্ষা।

একসঙ্গে দুই প্রান্ত থেকে তাঁদের আক্রমণ সামলানো ছিল ব্যাটারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কারণেই ‘টু ডব্লিউস’ নামে পরিচিত এই জুটি আজও ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত পেস জুটি।

দুই প্রান্ত থেকে ভিন্ন আক্রমণ

ওয়াসিম ছিলেন বাঁহাতি পেসার, আর ওয়াকার ডানহাতি। ফলে দুজনের বোলিংয়ের অ্যাঙ্গেল ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।

এক প্রান্ত থেকে বাঁহাতি অ্যাঙ্গেলে বল সুইং করাতেন ওয়াসিম। অন্য প্রান্তে ওয়াকার গতি ও মুভমেন্ট দিয়ে ব্যাটারকে চাপে রাখতেন। এই বৈচিত্র্যই তাঁদের জুটিকে আরও কার্যকর করে তুলেছিল।

আইসিসির হল অব ফেমে ওয়াসিমকে সুইং ও সিম বোলিংয়ের অন্যতম সেরা কারিগর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে ওয়াকার পরিচিত ছিলেন রিভার্স সুইং এবং ইন-সুইং ইয়র্কারের দক্ষ কারিগর হিসেবে।

রিভার্স সুইংয়ে আলাদা পরিচয়

ওয়াসিম-ওয়াকারের বোলিংয়ের অন্যতম বড় অস্ত্র ছিল রিভার্স সুইং। পুরোনো বলকে বাতাসে অস্বাভাবিকভাবে দুই দিকে মুভ করিয়ে ব্যাটারকে বিভ্রান্ত করার কৌশলে দুজনই ছিলেন দক্ষ।

বিশেষ করে ওয়াকারের দ্রুতগতির ইয়র্কার ছিল ব্যাটারদের জন্য বড় হুমকি। রিভার্স সুইংয়ের সঙ্গে তাঁর ইন-সুইং ইয়র্কারের সমন্বয় তাঁকে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম ভয়ংকর পেসারে পরিণত করেছিল।

ওয়াসিমের দক্ষতা ছিল আরও বহুমাত্রিক। একই ধরনের অ্যাকশন থেকে বল দুই দিকে সুইং করাতে পারতেন তিনি। পাশাপাশি উচ্চ গতির ইয়র্কারেও ছিলেন কার্যকর।

সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসার কোর্টনি ওয়ালশও ওয়াসিমকে তাঁর সময়ের অন্যতম বিধ্বংসী বাঁহাতি পেসার হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর সুইং, ইয়র্কার ও রিভার্স সুইংয়ের দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে বিভিন্ন আলোচনায়।

পরিসংখ্যানেও বড় অর্জন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়াসিম আকরামের পরিসংখ্যানও তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়। টেস্টে ১০৪ ম্যাচে তাঁর উইকেট ৪১৪টি। ওয়ানডেতে ৩৫৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৫০২ উইকেট।

অন্যদিকে ওয়াকার ইউনিস ৮৭ টেস্টে নিয়েছেন ৩৭৩ উইকেট। ওয়ানডেতে ২৬২ ম্যাচে তাঁর শিকার ৪১৬ উইকেট।

আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে দুজনের উইকেট যোগ করলে সংখ্যাটি ৯০০ ছাড়িয়ে যায়। তবে তাঁদের প্রভাব শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা কঠিন।

শুধু গতি নয়, ছিল বুদ্ধির খেলাও

ওয়াসিম ও ওয়াকারের বিশেষত্ব শুধু বলের গতি কিংবা সুইংয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। ব্যাটারের দুর্বলতা বুঝে লাইন, লেংথ ও মুভমেন্ট পরিবর্তন করতেও তাঁরা ছিলেন দক্ষ।

নতুন বলে সুইং, পুরোনো বলে রিভার্স সুইং এবং ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইয়র্কার—একটি স্পেলের মধ্যেই আক্রমণের ধরন বদলে দিতে পারতেন তাঁরা।

ফলে তাঁদের বিপক্ষে ব্যাট করা শুধু শারীরিক চ্যালেঞ্জ ছিল না, ছিল মানসিক পরীক্ষাও। ব্যাটারকে একই সঙ্গে গতি, সুইং ও বলের অনিশ্চিত মুভমেন্ট সামলাতে হতো।

কেন আজও আলাদা

আধুনিক ক্রিকেটে প্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রশিক্ষণের কারণে পেস বোলিংয়ের ধরন অনেক বদলে গেছে। কিন্তু ওয়াসিম-ওয়াকারের জুটির বিশেষত্ব ছিল তাঁদের পারস্পরিক পরিপূরকতা।

একজন বাঁহাতি, অন্যজন ডানহাতি। একজন সুইংয়ে দুর্দান্ত, অন্যজন রিভার্স সুইং ও ইয়র্কারে ভয়ংকর। দুজনের অস্ত্রভাণ্ডার একে অপরকে আরও কার্যকর করে তুলেছিল।

তাই শুধু উইকেটের সংখ্যা দিয়ে ‘টু ডব্লিউস’-এর প্রভাব বোঝা কঠিন। ব্যাটারের ওপর টানা চাপ তৈরি করা এবং দুই প্রান্ত থেকে ভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়াই ছিল তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ক্রিকেট ইতিহাসে সেই কারণেই ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসের জুটি পেস বোলিংয়ের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।

কালের আলো/এসএ

ফিফা এসিয়ান কাপের আগে পূর্ণ স্কোয়াড পেল বাংলাদেশ

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫২ অপরাহ্ণ
ফিফা এসিয়ান কাপের আগে পূর্ণ স্কোয়াড পেল বাংলাদেশ

ফিফা এসিয়ান কাপে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ম্যাচ খেলবে আর দুই দিন পর। এর আগে গতকাল ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় দলের অনুশীলনে যোগ দিয়েছেন কানাডাপ্রবাসী মিডফিল্ডার শমিত সোম। তাঁর যোগদানে অনুশীলনে প্রথমবারের মতো ২৩ সদস্যের পুরো স্কোয়াডকে একসঙ্গে পেয়েছেন হেড কোচ টমাস ডুলি।

ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিতে গত ২০ সেপ্টেম্বর জাকার্তায় পৌঁছায় বাংলাদেশ দল। এরপর দলের সঙ্গে যোগ দেন হামজা চৌধুরী। গতকাল ফারহান আলী ওয়াহিদ ও শমিত সোমও দলের সঙ্গে যোগ দেন।

ভিসা জটিলতার কারণে শুরুতে দলের সঙ্গে যেতে পারেননি মিডফিল্ডার মো. সোহেল রানা। সেই জটিলতা কাটিয়ে তিনিও পৌঁছে গেছেন জাকার্তায়। তাঁর যোগদানে বাংলাদেশের মাঝমাঠ আরও শক্তিশালী হয়েছে।

পুরো দল পেয়ে খুশি ডুলি

২৩ সদস্যের পুরো দলকে একসঙ্গে অনুশীলনে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন টমাস ডুলি। তিনি বলেন, সবাই উপস্থিত থাকায় এখন পুরোপুরি অনুশীলন করা সম্ভব হচ্ছে।

ডুলির ভাষায়, জাকার্তার মাঠ ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাও ভালো। টার্ফে অনুশীলনের অভিজ্ঞতা উপভোগ করেছেন খেলোয়াড়েরা। অনুশীলন সেশনে দলের খেলোয়াড়দের এনার্জিও ভালো ছিল বলে জানিয়েছেন কোচ।

প্রস্তুতির জন্য সময় কম

তবে পুরো স্কোয়াড হাতে পেলেও প্রথম ম্যাচের আগে প্রস্তুতির জন্য খুব বেশি সময় পাচ্ছে না বাংলাদেশ। বিশেষ করে দলে নতুন কয়েকজন খেলোয়াড় থাকায় তাঁদের দ্রুত নিজেদের মধ্যে মানিয়ে নেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন ডুলি।

কোচ বলেন, পুরো স্কোয়াড নিয়ে প্রথম ম্যাচের প্রস্তুতির জন্য তাঁদের হাতে মাত্র দুই থেকে তিন দিন সময় রয়েছে। দলের কয়েকজন নতুন খেলোয়াড় আগে শমিত, হামজা ও ফাহাদের সঙ্গে খেলেননি। তাই দ্রুত পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

মোরসালিনের চোট নিয়ে অপেক্ষা

এদিকে শেখ মোরসালিনের চোট নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে। তাঁর পায়ের কাফ মাসলে এখনো সমস্যা আছে বলে জানিয়েছেন ডুলি।

মোরসালিনের স্ক্যান রিপোর্ট পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে দল। রিপোর্ট পাওয়ার পর তাঁর অনুশীলনে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল থেকেই তিনি অনুশীলনে ফিরতে পারেন বলে আশা করছেন কোচ।

প্রথম ম্যাচের আগে পূর্ণ স্কোয়াড পাওয়ার স্বস্তি এলেও অল্প সময়ে নতুন ও পুরোনো খেলোয়াড়দের সমন্বয় করেই মাঠে নামতে হবে বাংলাদেশকে।

কালের আলো/এসএ

ডিজেল-জেট এ-১এর দরপত্র বাতিল, কাতার থেকে আসছে দুই কার্গো এলএনজি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৫০ অপরাহ্ণ
ডিজেল-জেট এ-১এর দরপত্র বাতিল, কাতার থেকে আসছে দুই কার্গো এলএনজি

সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ মেয়াদে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে ডিজেল (গ্যাস অয়েল) ও জেট এ-১ জ্বালানি আমদানির চলমান প্রক্রিয়া বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মেয়াদের জন্য চারটি প্যাকেজে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান করেছিল। তবে কৌশলগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ওই পুরো দরপত্র প্রক্রিয়া বাতিলের সুপারিশ অনুমোদন করা হয়েছে।

কাতার থেকে আসছে দুই কার্গো

দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসির কাছ থেকে জিটুজি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় অতিরিক্ত দুই কার্গো এলএনজি আমদানির প্রস্তাবও বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম কার্গো এলএনজি আগামী ৬ নভেম্বর এবং দ্বিতীয় কার্গোটি ২২ নভেম্বর দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম জেএমকে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ০.০২ মার্কিন ডলার কম রাখা হয়েছে।

সার্বিক মূল্যায়নের পর কাতার এনার্জি ট্রেডিং এলএলসিকে এলএনজি সরবরাহের জন্য সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

কালের আলো/এমএসআইপি