খুঁজুন
                               
, ,
           

এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেকেই ইস্ট বেঙ্গলের কাছে হার রাজশাহী স্টারসের

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১২ অপরাহ্ণ
এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেকেই ইস্ট বেঙ্গলের কাছে হার রাজশাহী স্টারসের

বল দখলে এগিয়ে ছিল রাজশাহী স্টারস। কিন্তু ফুটবলে শুধু বলের দখলই ম্যাচের ফল নির্ধারণ করে না, প্রয়োজন গোল করা। সেই কাজটিই নিখুঁতভাবে করেছে কলকাতার ইস্ট বেঙ্গল। এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগে অভিষেক ম্যাচেই বড় হার দেখেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী স্টারস। মালয়েশিয়ার লিকাস স্টেডিয়ামে আজ ইস্ট বেঙ্গলের কাছে ৪-০ গোলে হেরেছে তারা।

ম্যাচে গোলমুখে ১০টি শট নিয়েছিল রাজশাহী। এর মধ্যে পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। কিন্তু কোনোটিই ইস্ট বেঙ্গলের গোলকিপারকে পরাস্ত করার মতো ধারালো ছিল না। বিপরীতে শুরু থেকেই রাজশাহীর রক্ষণে চাপ তৈরি করে কলকাতার দলটি। তাদের নেওয়া ১৫টি শটের ছয়টি ছিল লক্ষ্যে।

টুর্নামেন্ট শুরুর আগে রাজশাহী স্টারসের কোচ গোলাম রব্বানী ও অধিনায়ক শিউলি আজিম দুজনই বলেছিলেন, ইস্ট বেঙ্গলের বিপক্ষেই হবে দলের আসল পরীক্ষা। মাঠের লড়াইয়েও সেটিই প্রমাণিত হয়েছে।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ইস্ট বেঙ্গল। নবম মিনিটেই গোল করে কলকাতার দলটিকে এগিয়ে দেন ঘানাইয়ান ফরোয়ার্ড অলিভিয়া আনোকিয়ে।

২৬ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আস্তাম ওরাওঁ। এরপর ৩৮ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের তৃতীয় গোলটি করেন অলিভিয়া। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ৩-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে রাজশাহী।

বিরতির পর ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে বাংলাদেশের দলটি। আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ মুহূর্তে গিয়ে ধার হারিয়েছে তাদের প্রচেষ্টা।

অন্যদিকে ইস্ট বেঙ্গল নিজেদের আক্রমণ অব্যাহত রাখে। একের পর এক আক্রমণে রাজশাহীর রক্ষণকে ব্যস্ত রাখার পর ম্যাচের শেষ দিকে চতুর্থ গোলটিও আদায় করে নেয় কলকাতার দলটি। গোলটি করেন সৌম্যা গুগুলোথ।

শেষ পর্যন্ত ৪-০ গোলের বড় জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইস্ট বেঙ্গল।

এবারের এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগ বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য ঐতিহাসিক। টুর্নামেন্টের প্রথম দুই আসরে বাংলাদেশ থেকে কোনো ক্লাব অংশ নেয়নি। তৃতীয় আসরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রথমবারের মতো এশিয়ার ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ের এই প্রতিযোগিতায় খেলছে রাজশাহী স্টারস।

অভিষেকটা অবশ্য স্মরণীয় হয়নি। তবে গ্রুপ পর্বে এখনো দুটি ম্যাচ বাকি।

‘এ’ গ্রুপে রাজশাহীর অন্য দুই প্রতিপক্ষ গুয়ামের রোভার্স এফসি ও স্বাগতিক মালয়েশিয়ার সাবাহ এফসি। আগামী ২০ আগস্ট একই লিকাস স্টেডিয়ামে সাবাহ এফসির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে রাজশাহী।

ইস্ট বেঙ্গলের কাছে বড় ব্যবধানে হারের হতাশা কাটিয়ে সেই ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য থাকবে গোলাম রব্বানীর দলের। প্রথম ম্যাচে গোলের সুযোগ তৈরি করেও তা কাজে লাগাতে না পারার ভুল শুধরে দ্বিতীয় ম্যাচে ফল পাওয়াই এখন রাজশাহীর প্রধান চ্যালেঞ্জ।

কালের আলো/এসএ

প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২১ অপরাহ্ণ
প্রীতিলতার আত্মাহুতি দিবসে ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের বীরকন্যা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের আত্মাহুতি দিবস উপলক্ষে মঞ্চনাটক ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিশেষ প্রদর্শনী, সংগীতানুষ্ঠান ও শিশুদের আঁকা ছবি নিয়ে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে নাট্যদল ঢাকা পদাতিক।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর বেইলি রোডে বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহীম মিলনায়তনে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হবে। ইতিহাস ও ঐতিহ্য পরিষদ এবং সাংস্কৃতিক বিদ্যালয় তপোবনের সহযোগিতায় আয়োজন করা হচ্ছে এই বিশেষ অনুষ্ঠান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে তপোবনের শিল্পীরা জাগরণমূলক দলীয় সংগীত পরিবেশন করবেন। মিলনায়তনের প্রবেশপথে প্রদর্শিত হবে ঢাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আঁকা প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ, জালালাবাদ পাহাড় ও ধলঘাট খণ্ডযুদ্ধের ছবি। পাশাপাশি এসব যুদ্ধে শহীদ বিপ্লবীদের প্রতিকৃতি এবং ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর বিভিন্ন প্রদর্শনীর প্রামাণ্যচিত্রও দেখানো হবে।

অতিথিদের বক্তব্যের পর শুরু হবে নাটকটির বিশেষ মঞ্চায়ন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

ঢাকা পদাতিকের ৩৮তম প্রযোজনা ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’। মঙ্গলবার নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন হবে। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী মাস্টারদা সূর্যসেনের প্রহসনমূলক বিচার ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাটকটি নির্মিত।

নাটকটির রচনা ও মূল নির্দেশনা দিয়েছেন একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যজন মাসুম আজিজ। তাঁর মৃত্যুর পর নবনির্দেশনার দায়িত্ব পালন করছেন অভিনেতা ও নির্দেশক নাদের চৌধুরী। তিনি নাটকটিতে মাস্টারদা সূর্যসেনের চরিত্রেও অভিনয় করছেন।

নাদের চৌধুরী বলেন, ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’ ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের ইতিহাসভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ নাটক। ইতিহাসভিত্তিক এই নাটক বর্তমান প্রজন্মের অবশ্যই দেখা উচিত।’

প্রায় ৪০টি চরিত্র নিয়ে নির্মিত নাটকটির গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছেন সূর্যসেন, কল্পনা দত্ত, তারকেশ্বর দস্তিদার, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, অম্বিকা চক্রবর্তী ও নির্মল সেন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করছেন নাদের চৌধুরী, মাহবুবা হক কুমকুম, মনজুরুল ইসলাম নান্টু, সাবিহা জামান, মামুন উর রশিদ, শ্যামল হাসানসহ আরও অনেকে।

নাটকটির আলোক পরিকল্পনায় রয়েছেন জাকারিয়া কিরণ এবং সংগীত পরিচালনা করেছেন আবুল বাশার সোহেল। মঞ্চ ব্যবস্থাপনায় আছেন শ্যামল হাসান।

২০১৮ সালের ১৮ জানুয়ারি ‘ট্রায়াল অব সূর্যসেন’-এর উদ্বোধনী প্রদর্শনী হয়। এরপর দেশ-বিদেশে একাধিক মঞ্চায়ন হয়েছে নাটকটির। ভারতের দিল্লিতেও নাটকটির দুটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম আগামী তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করা হবে। এ জন্য ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো নথিগুলো আর্কাইভে নেওয়া হবে। ডি-নথির মাস্টার ট্রেনারদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন।

কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএ

জবিতে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’, সম্মাননা পেলেন ৩৪ শিক্ষক

কাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
জবিতে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’, সম্মাননা পেলেন ৩৪ শিক্ষক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের এসব শিক্ষক গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার অর্জন করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা আরও বাড়ানোরও আহ্বান জানান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

সভাপতির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ দিতে পেরে তারা আনন্দিত ও গর্বিত। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে গবেষণার পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

একই সঙ্গে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মতো অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান উপাচার্য।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং গবেষণায় আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পুরস্কারপ্রাপ্ত ৩৪ শিক্ষকের মধ্যে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একজন এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একজন রয়েছেন।

গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএ