খুঁজুন
                               
, ,
           

ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রাজশাহী

রাজশাহী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু ঝুঁকিতে রাজশাহী

রাজশাহীতে প্রতিবছর বর্ষাকাল এলেই বাড়ে ডেঙ্গুর ঝুঁকি। এছাড়াও বেড়ে যায় এডিস মশার বংশবৃদ্ধি। রাজশাহী মহানগরীর কিছু এলাকায় এডিস মশার প্রজনন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।  এছাড়াও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সংখ্যাও বেড়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উদ্যোগে গেল ৩ থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত রাজশাহী নগরীর পাঁচটি এলাকায় কীটতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনা করা হয়। জরিপে ৭৫টি বাড়ির মধ্যে ২৪টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। বাড়ির সূচক দাঁড়িয়েছে ৩২ শতাংশ। এছাড়াও পরীক্ষা করা ৬৮টি পানি ধারণকারী পাত্রের মধ্যে ৪৬টিতে মশার লার্ভার উপস্থিতি পাওয়া গেছে। পাত্রের সূচক দাঁড়িয়েছে ৬৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

ব্রেটো সূচক একটি পরিমাপ পদ্ধতি। যার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় এডিস মশার লার্ভার উপস্থিতি ও ঘনত্ব নির্ণয় করা হয়। সাধারণত একশোটি বাড়ি বা পাত্র পরীক্ষা করে যতগুলো পাত্রে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তার সংখ্যা হিসাব করে এই সূচক বের করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুসারে, ব্রেটো সূচক ২০ এর বেশি হলে ডেঙ্গু সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি থাকে ওই এলাকায়। এবং মশা নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দেশ দেয় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এডিস মশা আক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু ভাইরাস ছড়ায়।

রাজশাহী মহানগরীর কাজিহাটা, চণ্ডিপুর, উপরভদ্রা, নামোভদ্রা এবং হাজরাপুকুর এলাকায় এই জরিপ চালানো হয়। এসব এলাকায় ব্রেটো সূচকের মান ছিল ৬১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী, ডেঙ্গুর ঝুঁকি নির্দেশক মাত্রার তিন গুণেরও বেশি। ব্রেটো সূচক পরিদর্শনকৃত প্রতি ১০০টি বাড়ির মধ্যে মশা প্রজননের উপযোগী পাত্রের সংখ্যা পরিমাপ করে।

জরিপে মশার প্রজননস্থলগুলো থেকে ৬৮৫টি মশার লার্ভা সংগ্রহ করেছে। এর মধ্যে ৫০৫টি ছিল এডিস অ্যালবোপিকটাস, ৮৬টি এডিস ইজিপ্টি এবং ৯৪টি অন্যান্য প্রজাতির মশা। প্রজননের উৎসগুলোর মধ্যে ছিল ফুলদানি, প্লাস্টিক ও সিরামিকের টব, মাটি ও টিনের পাত্র, কাঁচা নারকেল, সিমেন্টের টব, ড্রাম, জলমগ্ন মেঝে, রঙের বালতি এবং প্লাস্টিকের বালতি।

এর আগে গেল মে মাসে জরিপ করা হয়েছিল। মে মাসের ওই জরিপে দেখা গেছে, ৭৫টি বাড়ির মধ্যে ১৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। বাড়ির সূচক দাঁড়িয়েছে ২০ শতাংশ। পরীক্ষা করা ৫২টি জল রাখার পাত্রের মধ্যে ২৩টিতেই লার্ভা পাওয়া গেছে। পাত্রের সূচক দাঁড়িয়েছে ৪৪.২৩ শতাংশ। এর ব্রেটো সূচক ছিল ৩০ দশমিক ৬৬ শতাংশ। ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকির জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্ধারিত সীমা ২০-এর চেয়ে ইতোমধ্যেই বেশি। সর্বশেষ ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ যা মে মাসের পরিসংখ্যানের প্রায় দ্বিগুণ। একই সঙ্গে  বাড়ি এবং কন্টেইনার সূচক উভয়ই বৃদ্ধি পেয়েছে।

জেলা কীটতত্ত্ববিদ উম্মে হাবিবা বলেন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বছরের পর বছর ধরে নগরীর মশার লার্ভা ও পূর্ণাঙ্গ মশা বৃদ্ধি লক্ষ্য করে আসছেন। পানি ধরে রাখতে সক্ষম বিভিন্ন ধরনের সাধারণ গৃহস্থালি সামগ্রীতে লার্ভা পাওয়া গেছে।

এদিকে, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, , চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ১৩ জুন একজন ছিল। ৩০ জুলাই তা বেড়ে নয়জনে দাঁড়িয়েছে। আগস্ট মাসে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ৬ আগস্ট রোগী ভর্তি ছিল ১৩ জন, ৮  আগস্ট ২৩ জন,  ৯ আগস্ট ২৬ জন এবং ১০ই আগস্ট ৩০ জন। ১১ ই আগস্ট হাসপাতালে একজন ডেঙ্গু রোগী মারা যান। ১৪ আগস্ট আটজন নতুন রোগী ভর্তি হন এবং ছয়জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও শনিবার (১৫ আগস্ট) ৯ জন নতুন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী ভর্তি হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) ৭ জন রোগী ভর্তি আছেন। সুস্থ হয়েছেন আরও ১৩ জন। ২৭ জন রোগী বর্তমানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে।

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের ইনচার্জ ডা. তানজিলুল বারি বলেন, বছরের এই সময়ে সাধারণত ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ে। এ বছরও হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে এ পর্যন্ত পরিস্থিতিটি অস্বাভাবিক নয়।

২০২৫ সালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক জরিপে রাজশাহী নগরীর পাঁচটি ওয়ার্ডের ৫৭ দশমিক ৩৩ শতাংশ বাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। একই জরিপে দেখা যায়, রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯৭ শতাংশ ডেঙ্গু রোগী স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছিলেন। যা স্থানীয় পর্যায়ে সংক্রমণের ইঙ্গিত দেয়।

রাসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার বলেন, ডেঙ্গু পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না। তবে আমরা প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা অব্যাহত রেখেছি। প্রতি ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্ন অভিযান চালানো হচ্ছে। এছাড়াও মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

নতুন রূপে রাশমিকা, ‘মাইসা’র টিজারে ভয়ংকর অ্যাকশন

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
নতুন রূপে রাশমিকা, ‘মাইসা’র টিজারে ভয়ংকর অ্যাকশন

দক্ষিণি অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দান্নাকে সাধারণত রোমান্টিক ও বাণিজ্যিক ঘরানার সিনেমাতেই বেশি দেখা যায়। তবে নতুন সিনেমা ‘মাইসা’র টিজারে একেবারেই ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছেন তিনি। হাতে কাস্তে, প্রতিপক্ষের সঙ্গে তুমুল লড়াই, মোটরসাইকেল চালানো কিংবা পানির নিচে অ্যাকশন—সব মিলিয়ে টিজারে নতুন এক রাশমিকাকেই দেখা গেছে।

রোববার সন্ধ্যায় প্রকাশিত হয়েছে ‘মাইসা’র প্রথম টিজার। নবাগত পরিচালক রবীন্দ্র পুল্লে পরিচালিত সিনেমাটিতে রাশমিকাকে দেখা যাবে গোণ্ড জনগোষ্ঠীর এক তরুণীর চরিত্রে। জীবনের নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও যে নারী হার মানতে নারাজ এবং নিজের অস্তিত্বের জন্য লড়াই করে এগিয়ে যান, টিজারে সেই চরিত্রেরই ইঙ্গিত মিলেছে।

হতাশা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো

টিজারের শুরুতেই রাশমিকার চরিত্রকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ক্লান্ত, আমি থেমে গেছি, আমি হেরে গেছি।’ এরপরই বদলে যায় দৃশ্যপট। হতাশা পেছনে ফেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ান তিনি।

এরপর একের পর এক অ্যাকশন দৃশ্যে দেখা যায় তাঁকে। হাতে কাস্তে নিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছেন, মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন, আবার পানির নিচেও একাধিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই করছেন। টিজারের বেশ কিছু দৃশ্যে তাঁর চরিত্রের শারীরিক সক্ষমতা ও দৃঢ়তার আভাস পাওয়া গেছে।

গ্ল্যামারনির্ভর উপস্থাপনার বদলে ‘মাইসা’য় রাশমিকাকে দেখা গেছে অনেক বেশি মাটির কাছাকাছি ও কঠিন এক চরিত্রে। টিজার প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অভিনেত্রীর নতুন অবতার নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

অ্যাকশনের জন্য কঠোর প্রস্তুতি

‘মাইসা’র চরিত্রের জন্য রাশমিকাকে শারীরিকভাবে কঠোর প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। শুটিংয়ের সময় গুরুতর চোটও পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, একটি গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিংয়ের সময় তাঁর টেনডন—পেশিকে হাড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখা টিস্যু—ছিঁড়ে যায়।

চোটটি বেশ যন্ত্রণাদায়ক হলেও কাজ থামাননি অভিনেত্রী। প্রকাশিত টিজারে তাঁর অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতেই সেই প্রস্তুতির ছাপ দেখা যাচ্ছে।

টিজারের প্রতিক্রিয়ায় দর্শকদের অনেকেই রাশমিকার অ্যাকশন অবতারের প্রশংসা করেছেন। ইউটিউবে এক দর্শক মন্তব্য করেছেন, নারীকেন্দ্রিক সিনেমায় এমন উপস্থাপনাই প্রত্যাশিত। আরেকজনের মতে, এই সিনেমায় রাশমিকাকে গ্ল্যামারের চেয়ে অভিনয় ও চরিত্রের শক্তির ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তারকাবহুল অভিনয়শিল্পী

‘মাইসা’য় রাশমিকার সঙ্গে অভিনয় করেছেন ঈশ্বরী রাও, গুরু সোমসুন্দরম, রাও রমেশ, রাহুল রবীন্দ্রন, সামুথিরাকানি, শিবা কন্দুকুরি, কার্তিক রঞ্জিনি, তারক পন্নাপ্পা ও নিধি সিং।

সিনেমাটি আগামী ২৭ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা রয়েছে। তেলেগু, হিন্দি, তামিল, কন্নড় ও মালয়ালম—পাঁচ ভাষায় মুক্তি পাবে ‘মাইসা’।

রাশমিকাকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে ‘ককটেল ২’ সিনেমায়। ১৯ জুন মুক্তি পাওয়া হিন্দি রোমান্টিক কমেডি-ড্রামাটিতে তাঁর সহশিল্পী ছিলেন শহীদ কাপুর ও কৃতি শ্যানন।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

কালের আলো/এসএ

আড়ংয়ে বড় নিয়োগ, সেলস অ্যাসোসিয়েট পদে ৫০০ জন

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৩ অপরাহ্ণ
আড়ংয়ে বড় নিয়োগ, সেলস অ্যাসোসিয়েট পদে ৫০০ জন

ব্র্যাকের লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড Aarong বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির ‘সেলস অ্যাসোসিয়েট’ পদে মোট ৫০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

একনজরে নিয়োগ

  • প্রতিষ্ঠানের নাম: আড়ং
  • পদের নাম: সেলস অ্যাসোসিয়েট
  • পদসংখ্যা: ৫০০
  • বেতন: ১০,০০০–১২,০০০ টাকা মাসিক
  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান
  • অভিজ্ঞতা: সর্বোচ্চ ১ বছর
  • বয়স: ১৮–৩২ বছর
  • আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৬

কর্মস্থল

বরিশাল, বগুড়া, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, কুমিল্লা, ঢাকা (সাভার), দিনাজপুর, ফরিদপুর, ফেনী, যশোর সদর, খুলনা, কুষ্টিয়া, নোয়াখালী, রাজশাহী ও রংপুরে নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রার্থীর যোগ্যতা

প্রার্থীকে পণ্যের বৈশিষ্ট্য, সুবিধা ও যত্ন নেওয়ার নিয়ম সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। পাশাপাশি ইনভেন্টরি গণনা ও ট্র্যাকিং এবং গ্রাহককে পণ্য নির্বাচনে সহায়তা ও বিক্রয় কৌশল সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে।

দায়িত্ব

নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রধান কাজের মধ্যে থাকবে গ্রাহকদের অভ্যর্থনা জানানো, তাঁদের প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য নির্বাচনে সহায়তা করা এবং পণ্যের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে তথ্য দেওয়া। এ ছাড়া পয়েন্ট অব সেলস (POS) সিস্টেমে লেনদেন সম্পন্ন করা, গ্রাহকের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া, সমস্যা সমাধান, বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দলের সঙ্গে সমন্বয় এবং ব্যাক-স্টোর পরিচালনার দায়িত্ব পালন করতে হবে।

যেভাবে আবেদন

আগ্রহী প্রার্থীদের আড়ংয়ের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও আবেদন পেজে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়: ২০ অক্টোবর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ

বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১০ অপরাহ্ণ
বেকারত্ব দূর করতে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি

দেশের বেকারত্ব হ্রাসে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার প্রসারে অধিকতর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

এ সময় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বৈশ্বিক অগ্রযাত্রার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে শিক্ষার্থীদের একাধিক ভাষায় দক্ষতা অর্জন প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে তিনি তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য (চ্যান্সেলর) হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান।

রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সংশ্লিষ্ট সচিবগণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ও ট্রেজারার উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ