খুঁজুন
                               
, ,
           

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন সংসদ সদস্যরা

দীর্ঘ প্রায় ৩৫ বছর পর দ্বিতীয়বারের মতো দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে আজ। জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টার পর ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এই তিন ঘণ্টায় ৩৪৮ জন সংসদ সদস্য ভোট দেবেন।

এবার রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল অলি আহমদ। সংসদের চট্টগ্রাম-৪ আসনটি শূন্য থাকায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য। অসুস্থতার কারণে ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের বাইরে থাকায় তিনি রাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচনে বিজয়ী হতে প্রয়োজন হবে ১৭৫ ভোট। সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দেওয়ার সুযোগ না থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিজয় প্রায় নিশ্চিত। তিনি নির্বাচিত হলে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হবেন।

সংসদ সদস্য হওয়ায় রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিজেও ভোট দিতে পারবেন। তবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে তার সংসদ সদস্য পদ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হবে। একই সঙ্গে মন্ত্রী পদ থেকেও তার পদত্যাগ হবে।

অন্যদিকে সংসদ সদস্য না হওয়ায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ ভোট দিতে পারবেন না।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সংসদ কক্ষে চারটি ব্যালট বাক্স রাখা হয়েছে। সংসদ সদস্যরা প্রকাশ্যে ভোট দেবেন। ব্যালটে ভোটারের নাম এবং তিনি কোন প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন, তা উল্লেখ থাকবে।

ভোটগ্রহণের আগে সংসদ কক্ষে স্পিকারের আসনের সামনে নির্ধারিত স্থানে বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশনাররা, নির্বাচন কমিশন সচিব ও সংসদ সচিবালয়ের সচিব। সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ আসনে বসে ভোট দিচ্ছেন। নির্বাচনে সহায়তার জন্য নির্বাচন কমিশন থেকে ২০ জন কর্মকর্তার তালিকাও সংসদ সচিবালয়ে পাঠানো হয়।

১৯৯১ সালের পর এবারই প্রথম রাষ্ট্রপতি পদে ভোটাভুটি হচ্ছে। এর আগে প্রায় সব নির্বাচনেই ক্ষমতাসীন দলের মনোনীত প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। সর্বশেষ ১৯৯১ সালে ভোটে বিএনপির প্রার্থী আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

এবারের নির্বাচনে বিএনপি জোটের প্রায় ২৫০ জন সংসদ সদস্য ভোটার রয়েছেন। দলীয় সংসদ সদস্য না হওয়ায় আট স্বতন্ত্র এমপি দুই প্রার্থীর যেকোনো একজনকে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। এরই মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে স্বতন্ত্র এমপিদের কাছে ভোট চাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

তবে অসুস্থতার কারণে দেশের বাইরে থাকায় ভোট দিতে পারবেন না বলে স্পিকারকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।

ভোটের জন্য সংসদ সদস্যদের দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে প্রবেশ করতে হবে। ভোট দেওয়ার সময় সংসদ সচিবালয়ের সরবরাহ করা পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে নাম ও বিভক্তি নম্বর মুদ্রিত ব্যালট সংগ্রহ করে নির্ধারিত নিয়মে ভোট দিতে হবে।

গত ২৪ জুলাই দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর ৬ আগস্ট শূন্য পদে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে বাড়তি গুনতে হবে ৪৩ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৩১ অপরাহ্ণ
ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে বাড়তি গুনতে হবে ৪৩ টাকা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনের বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে ২৫৩ কিলোমিটার দূরত্বের ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে একজন যাত্রীকে আগের চেয়ে ৪৩ টাকা বেশি ভাড়া দিতে হবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) পরিবহন মালিকদের সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ বিষয়ে আজই সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানা গেছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দূরপাল্লা, নগর ও রাজধানীর বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১৭ পয়সা করে বাড়বে। অর্থাৎ বিদ্যমান ভাড়ার সঙ্গে নির্ধারিত দূরত্ব অনুযায়ী অতিরিক্ত ১৭ পয়সা যোগ হবে।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস জানান, সরকারি হিসাবে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর কথা ছিল। তবে জনস্বার্থ বিবেচনায় ৩ পয়সা কমিয়ে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, পরিবহন মালিকরা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে চুক্তি করবেন। মহানগর ও জেলা পর্যায়ের সব ধরনের পরিবহনে নির্ধারিত হারে ভাড়া বাড়বে।
এর আগে সোমবার বিআরটিএ দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিলোমিটারে ২০ পয়সা এবং নগর পরিবহনে ১৮ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল।

গত এপ্রিল মাসে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানোর পর বাসভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। সর্বশেষ ভাড়া সমন্বয়ের আগে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে বাসের ভাড়া ছিল প্রতি কিলোমিটারে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং মিনিবাসে ২ টাকা ৪২ পয়সা।

বর্তমানে দূরপাল্লার ৫২ আসনের বাসে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ২৩ পয়সা। তবে বিভিন্ন রুটে আসনসংখ্যা কমিয়ে ৪০ বা তারও নিচে নামিয়ে তুলনামূলক আরামদায়ক বাস চালানো হচ্ছে। এসব বাসে নির্ধারিত হারের চেয়ে বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে দূরপাল্লা ও নগর পরিবহনের ভাড়া আবারও সমন্বয় করা হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

মাঠ থেকে বাজার—স্টেভিয়ায় নতুন সম্ভাবনা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
মাঠ থেকে বাজার—স্টেভিয়ায়  নতুন সম্ভাবনা

চিনির বিকল্প খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে স্টেভিয়াকে ঘিরে। চিনির তুলনায় বহুগুণ মিষ্টি অথচ ক্যালরিমুক্ত এই উদ্ভিদের ব্যবহার দেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে। একই সঙ্গে লাভের সম্ভাবনা দেখে কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন চাষে। এখন প্রয়োজন উৎপাদনের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারব্যবস্থাকে যুক্ত করা। সেটি সম্ভব হলে স্টেভিয়া শুধু বিকল্প মিষ্টিকারক নয়, হয়ে উঠতে পারে মূল্যসংযোজিত একটি নতুন কৃষিপণ্যের ভিত্তি।

  • চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে চাষও
  • টিস্যুকালচারে চারা উৎপাদন
  • তৈরি হচ্ছে প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো

মাঠে বাড়ছে আগ্রহ
তুলসীর মতো দেখতে স্টেভিয়ার উৎপত্তি দক্ষিণ আমেরিকার প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিল অঞ্চলে। বাংলাদেশে এর চাষের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। পরে থাইল্যান্ড থেকে উন্নত চারা এনে টিস্যুকালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন ও বাজারজাতের পথ তৈরি হয়।

এখন রাজশাহী, পাবনা ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে স্টেভিয়া চাষ হচ্ছে। বিএসআরআই ও বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টার টিস্যুকালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করছে। মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারও সম্প্রতি এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। ফলে কৃষকের হাতে মানসম্মত চারা পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ছে।

বিএসআরআইর কর্মকর্তাদের হিসাবে, স্টেভিয়া চাষে ব্যয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। একবার রোপণের পর কয়েক বছর পর্যন্ত পাতা সংগ্রহ করা যায়—এটিও কৃষকের কাছে ফসলটির আকর্ষণ বাড়াচ্ছে।

চিনির বিকল্পে নতুন বাজার
স্টেভিয়ার মূল শক্তি এর মিষ্টতার ঘনত্ব। এর পাতা চিনির চেয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ গুণ এবং নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টিকারক কয়েক শ গুণ বেশি মিষ্টি হতে পারে। ফলে অল্প পরিমাণেই কাঙ্ক্ষিত মিষ্টতা পাওয়া যায়।

চা, কফি ও শরবতের মতো দৈনন্দিন পানীয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ও বিকল্প মিষ্টিকারক তৈরিতে স্টেভিয়া ব্যবহার করা যায়। বাজারে ইতিমধ্যে স্টেভিয়াভিত্তিক বিকল্প চিনির পণ্যও রয়েছে। প্রাকৃতিক উৎসের মিষ্টিকারক হিসেবে এসব পণ্যের প্রতি ভোক্তার আগ্রহও তৈরি হচ্ছে।

কৃষক থেকে শিল্পে যাওয়ার সুযোগ
স্টেভিয়ার সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা শুধু পাতায় নয়, পাতার পরবর্তী মূল্য সংযোজনের জায়গায়। বর্তমানে অনেক কৃষক পাতা শুকিয়ে সরাসরি বিক্রি করছেন। এতে বাজার থাকলেও উৎপাদনের পুরো অর্থনৈতিক মূল্য কৃষকের হাতে আসে না।

পাতা থেকে নির্যাস, গুঁড়া, ট্যাবলেট বা খাদ্যশিল্পে ব্যবহারের উপযোগী উপাদান তৈরি করা গেলে একই জমি থেকে পাওয়া কাঁচামালের মূল্য অনেক বাড়তে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বিপণনের নতুন কর্মসংস্থান।

এই জায়গাটিতেই এগিয়ে আসছে সরকারি গবেষণা ও সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানগুলো। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিএসআরআই ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর স্টেভিয়া নিয়ে কাজ করছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি নিষ্কাশন প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে কাঁচা পাতার বাজার থেকে শিল্পভিত্তিক বাণিজ্যের দিকে যাওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হবে।

চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে সম্ভাবনা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, জাপান, চীন, থাইল্যান্ড ও ভারতে স্টেভিয়ার ব্যবহার রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের বড় জনগোষ্ঠীর মধ্যে চিনি কমানোর প্রবণতা এবং ডায়াবেটিসের উচ্চ হার বিকল্প মিষ্টিকারকের বাজারকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।

তবে সম্ভাবনাকে বাস্তব বাজারে রূপ দিতে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য চাহিদা-তথ্য, মাননিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি পাতা ব্যবহারের বদলে পরীক্ষিত ও মানসম্মত প্রক্রিয়াজাত পণ্য তৈরির দিকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

নতুন কৃষিপণ্যের পথে স্টেভিয়া
লালমনিরহাটের পাটগ্রামের চাষি মো. আব্দুল আলিম তিন বছর ধরে স্টেভিয়া চাষ করছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা, বাজারে চাহিদা থাকলেও এখনো মূলত শুকনো পাতা হিসেবেই বিক্রি করতে হচ্ছে। বাণিজ্যিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতের সুযোগ তৈরি হলে কৃষকের আয় আরও বাড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বিএসআরআই মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদও চাষিদের বাড়তে থাকা আগ্রহকে সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, গবেষণায় নতুন অগ্রগতি এলে স্টেভিয়ার বাজার দ্রুত বিস্তৃত হতে পারে।

ফলে স্টেভিয়াকে ঘিরে সম্ভাবনাটি কেবল চিনির বিকল্প তৈরিতে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষকের জমি, গবেষণাগারের প্রযুক্তি, প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও ভোক্তার চাহিদা—এই চারটি স্তরকে একসূত্রে আনা গেলে স্টেভিয়া হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন মূল্যসংযোজনের গল্প। এখন চ্যালেঞ্জ একটাই—সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত শিল্পে রূপ দেওয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ

পুলিশে বড় রদবদল, বদলি ২২ এসপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
পুলিশে বড় রদবদল, বদলি ২২ এসপি

নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজবাড়ী ও মেহেরপুর জেলায় নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসপি পদমর্যাদার আরও ১৮ কর্মকর্তাকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।

চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নেত্রকোনা জেলার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে র‍্যাবের (এসআরবি) মো. বদরুদ্দোজা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি মু. জালাল উদ্দিন ফাহিম, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার হিসেবে র‍্যাবের মীর মনির হোসেন এবং মেহেরপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি আলী হায়দার চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নেত্রকোনার বর্তমান পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামকে সিআইডিতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফকে এসবিতে, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদকে হাইওয়ে পুলিশে এবং মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়কে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে।

বিভিন্ন ইউনিটে আরও বদলি

লিয়েন শেষে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করা মো. নূরুল আমীন হাওলাদারকে পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিআইডির ফাতিহা ইয়াসমিনকে এপিবিএনে, মোনালিসা বেগমকে রংপুর পিটিসিতে, মো. জাহিদুল ইসলামকে রাজশাহী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে এবং পুলিশ সদর দপ্তরের মো. আবু হাসানকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

পুলিশ টেলিকমের মুহাম্মদ রহমত উল্লাহকে ঢাকার পুলিশ টেলিকমে, মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকীকে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এপিবিএন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে এবং এসবির আমীনুল ইসলামকে রাঙামাটির বেতবুনিয়া পিএসটিএসে বদলি করা হয়েছে।

রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের মো. নাছির উদ্দিন যুবায়ের ও শাহরিয়ার বিন সালেহকে যথাক্রমে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশে বদলি করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের মো. সাজ্জাদুর রহমান রাসেলকে বরিশালের বিএমপিতে এবং খুলনা কেএমপির মেরিনা আক্তারকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া গাজীপুর জিএমপির মোহাম্মদ মহিউল ইসলামকে সিআইডিতে এবং মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আহমেদকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ডিআইজি ও দুই অতিরিক্ত এসপিও বদলি

একই আদেশে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি তোফায়েল আহম্মেদকে বরিশালের বিএমপিতে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শারমিন আক্তারকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে এবং সিআইডির আসমা আখতারকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি