খুঁজুন
                               
, ,
           

তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা জাতীয় স্বার্থমুখী হতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ণ
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা জাতীয় স্বার্থমুখী হতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের স্পৃহা শুধু ব্যক্তিগত কর্মসংস্থান বা চাকরি পাওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; তাদের দক্ষতা, জ্ঞান ও মেধাকে জাতীয় স্বার্থ ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ফ্রম স্কিল টু অপরচুনিটি’ শীর্ষক চাকরি মেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে এবং বেসরকারি সহযোগিতা সংস্থা চোরগউসান ফর চিলড্রেন ও এডুকো’র সহায়তায় এ মেলার আয়োজন করা হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে একইসঙ্গে মনে রাখতে হবে, শুধু বিদ্যমান চাকরির জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করাই যথেষ্ট নয়; নতুন চাকরি সৃষ্টি এবং চাকরির বাজার সম্প্রসারণের বিষয়টিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, ‘জব ক্রিয়েশন’, ‘জব এক্সটেনশন’ বা ‘জব মার্কেট এক্সপানশন’- যে নামেই বলা হোক, এর মূল ভিত্তি অর্থনীতি, শিল্পনীতি ও উৎপাদননীতি। আর এসব নীতির সঙ্গে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও নীতিনির্ধারণ সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই, কর্মসংস্থানের সমস্যার সমাধান করতে হলে শুধু দক্ষতা উন্নয়নের দিকে তাকালে হবে না; চাকরির বাজারের ‘সুইচ’ কোথায়, সেটিও বুঝতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী এসময় তরুণদের নিজেদের দক্ষতা ও সক্ষমতাকে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করার মানসিকতা তৈরির উপর জোর দেন।

এ প্রসঙ্গে তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে জ্ঞান ও প্রযুক্তি নিয়ে এসে বাংলাদেশের জনশক্তিকে আধুনিক পোশাকশিল্পের দক্ষতার সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়ার উদাহরণ দেন। তিনি বলেন, সেসময় উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ, ব্যাংকঋণ, বিদেশি জ্ঞান ও প্রযুক্তির সঙ্গে সংযোগ এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তার মাধ্যমে একটি নতুন শিল্পখাতের ভিত্তি তৈরি করা হয়।

মন্ত্রী আরও বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়কের এ ধরনের নীতিগত সহায়তার সুফল শুধু একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা পুরো অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলে।

তিনি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান দুটি উৎস পণ্য রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, সীমিত ভৌগোলিক পরিসরে বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির জন্য নতুন নতুন শিল্প ও উৎপাদন খাত গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই।

মন্ত্রী চাকরিপ্রার্থী তরুণদের নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ার পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি, সমাজ, রাজনীতি ও জাতীয় স্বার্থ সম্পর্কে ধারণা রাখার পরামর্শ দেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এই বেসিক পিকচার যদি একজন তরুণের মাথায় না থাকে, তাহলে সে হয়তো চাকরি পাবে; কিন্তু তার সেই দক্ষতা ও সম্ভাবনা জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত নাও হতে পারে।’

তিনি তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানভিত্তিক কারিকুলাম তৈরির সময় তাদের নৈতিকতা, দর্শন এবং বিদ্যমান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা সম্পর্কেও ধারণা দেওয়ার জন্য জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও আয়োজক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।

তথ্যমন্ত্রী তরুণদের দক্ষ কর্মী হিসেবে তৈরির পাশাপাশি তাদের দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের দক্ষতা উন্নয়নকে জাতীয় স্বার্থমুখী করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে একদিকে যেমন দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে, অন্যদিকে অর্থনীতি, শিল্প ও উৎপাদনের নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি করে চাকরির বাজারকে সম্প্রসারণ করতে হবে।

তথ্যমন্ত্রী তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে রাষ্ট্র, উদ্যোক্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও নীতিনির্ধারকদের সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এডুকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল হামিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী ও ইএসডিও’র নির্বাহী পরিচালক ড. মো. শহিদ উজ জামান।

কালের আলো/এম/এএইচ

দফায় দফায় মেয়াদ বাড়লেও শেষ হয়নি খাল সৌন্দর্যবর্ধন

মানিকগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১০ অপরাহ্ণ
দফায় দফায় মেয়াদ বাড়লেও শেষ হয়নি খাল সৌন্দর্যবর্ধন

মানিকগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালের সৌন্দর্যবর্ধন ও সংস্কারকাজ শুরু হয়েছে প্রায় চার বছর আগে। কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানো হলেও এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি কাজ। এর মধ্যে স্থানীয়দের অভিযোগ, পুনরায় শুরু হওয়া কাজে জোড়াতালি দেওয়া হচ্ছে এবং নিম্নমানের ব্লক ব্যবহার করা হচ্ছে।

সর্বশেষ প্রকল্পের কাজ শেষ করার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল গত বছরের ১০ জুন। তবে ওই সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর প্রকল্পের ঠিকাদার কাজ ফেলে চলে যান। পরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলে আবার কাজ শুরু হয়।

মানিকগঞ্জ পৌরসভার গঙ্গাধরপট্টি এলাকার বাসিন্দা তারিকুল হাসান বলেন, খালের দুই পাশের বাসাবাড়ি ও হোটেল-রেস্টুরেন্টের ময়লা-আবর্জনা খালে ফেলা হচ্ছে। এতে নোংরা পানি জমে মশার উৎপত্তি হচ্ছে। নানা ধরনের রোগজীবাণু ছড়ানোর পাশাপাশি নগরবাসীর স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে।

তিনি বলেন, কয়েকবার সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তেমন সুফল পাওয়া যায়নি। প্রায় চার বছর আগে নতুন করে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শুরু হলেও এখনো তা পুরোপুরি শেষ হয়নি।

খালপাড়ের ব্যবসায়ী মো. রাব্বি হোসেন বলেন, জেলা শহরের এই খালে দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারকাজ চলছে। কিন্তু এখনো খালের কোনো সৌন্দর্য ফিরে আসেনি। বছরের পর বছর সরকারের অর্থ ব্যয় হলেও প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাচ্ছে না।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) মানিকগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস বলেন, মানিকগঞ্জ শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত খালটি শহরের ঐতিহ্যের অংশ। একসময় সারা বছর খালে পানি থাকত, নৌকা চলত। এখন দখল, দূষণ ও ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, কয়েক দফায় কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার পরও পৌর কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে হয়নি। বর্তমান সৌন্দর্যবর্ধন কাজ নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সরকারের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে খালের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

তবে মানিকগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, খালের শোভাবর্ধন প্রকল্পের দুটি স্থানে দেওয়া বাঁধ দ্রুত অপসারণ করা হবে। এতে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরে আসবে।

তিনি জানান, প্রকল্পের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ বাড়ানো মেয়াদও শেষ হয়েছে। বর্তমানে প্রকল্পের প্রায় ৯৬ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার শৈল্পিক কারিগর বাবুই পাখি

সখিপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ণ
হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার শৈল্পিক কারিগর বাবুই পাখি

কীটনাশকের অতিরিক্ত ব্যবহার, খাদ্য ও কীট-পতঙ্গের সংকট এবং অনিয়মিত আবহাওয়ার কারণে দিন দিন কমে যাচ্ছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বাবুই পাখি। একই সঙ্গে তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় পাখিগুলোর নিরাপদ আবাসস্থলও সংকুচিত হচ্ছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে বাবুই পাখির স্বাভাবিক প্রজনন প্রক্রিয়া।

একসময় গ্রামের তালগাছে সারি সারি বাবুই পাখির বাসা দেখা গেলেও বর্তমানে সেই দৃশ্য অনেকটাই হারিয়ে গেছে। পাখির কিচিরমিচির শব্দে মুখরিত গ্রামীণ পরিবেশও এখন অনেকটাই নীরব।

স্থানীয় বাসিন্দা নিরাঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘ছোটবেলায় আমাদের গ্রামের তালগাছে শত শত বাবুই পাখির বাসা ঝুলতে দেখেছি। পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনে দৌড়ে তালগাছের নিচে চলে যেতাম। সেই সময়ের শান্তিময় পরিবেশ মন-প্রাণ জুড়িয়ে দিত। এখন দিন দিন তালগাছ কমে যাওয়ায় বাবুই পাখিও খুব কম দেখা যায়। ছোটবেলার সেই স্মৃতিগুলো এখনো ভুলতে পারিনি।’

তিনি বলেন, চোখ বন্ধ করলেই হৃদয়ের আয়নায় তালগাছে ঝুলে থাকা বাবুই পাখির বাসা ও পাখিগুলোর দৃশ্য ভেসে ওঠে।

সখীপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এসএম শওকত আলী বলেন, বাবুই পাখি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায় না, ফসলের ক্ষতিকারক পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের পরম বন্ধুর ভূমিকা পালন করে। শৈল্পিক কৌশলে বাসা তৈরি করে বাবুই পাখি প্রকৃতির এক অনন্য শিল্পকর্মও তুলে ধরে।

তিনি আরও বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য ও সৌন্দর্য রক্ষায় বেশি বেশি তালগাছ রোপণ করা প্রয়োজন। নতুন করে তালগাছ লাগানো হলে বাবুই পাখির আবাসস্থল তৈরির সুযোগ বাড়বে। প্রকৃতির এই শৈল্পিক কারিগরকে রক্ষা করা গেলে আগামী প্রজন্মও বাবুই পাখি ও তাদের দৃষ্টিনন্দন বাসা সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা অডিটে ওসমানীর স্কোর ৯৮ শতাংশ

সিলেট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা অডিটে ওসমানীর স্কোর ৯৮ শতাংশ

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ডে বড় সাফল্য পেয়েছে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। যুক্তরাজ্যের সর্বশেষ নিরাপত্তা অডিটে ৯৮ শতাংশ স্কোর করেছে বিমানবন্দরটি। একই মূল্যায়নে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পেয়েছে ৯৪ শতাংশ। ফলে নিরাপত্তা অডিটে শাহজালালের চেয়ে ৪ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে ওসমানী।

যুক্তরাজ্যের ডিপার্টমেন্ট ফর ট্রান্সপোর্টের (ডিএফটি) এই মূল্যায়নে যুক্তরাজ্যগামী যাত্রী ও কার্গোর নিরাপত্তাব্যবস্থা যাচাই করা হয়।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, শুধু চলতি বছরের মূল্যায়নেই নয়, গত এক বছরের ব্যবধানেও ওসমানী বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। ২০২৫ সালে বিমানবন্দরটির নিরাপত্তা অডিট স্কোর ছিল ৯৪ শতাংশ। এক বছরের ব্যবধানে তা বেড়ে হয়েছে ৯৮ শতাংশ।

অন্যদিকে ২০২৫ সালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্কোর ছিল ৯৩ শতাংশ। এবার সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৪ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরে ওসমানীর স্কোর বেড়েছে ৪ শতাংশ পয়েন্ট, যেখানে শাহজালালের বেড়েছে ১ শতাংশ পয়েন্ট।

যেসব ক্ষেত্রে নজর

ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমেদ বলেন, তল্লাশি ও স্ক্যানিং থেকে শুরু করে লাগেজ, কার্গো ও মেইল নিরাপত্তায় আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিমানবন্দরে প্রবেশ ও চলাচল নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব পালন এবং নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত কার্যক্রমের কারণেই এই সাফল্য এসেছে। অর্জনটি অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের। ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান বজায় রেখে ওসমানী বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও উন্নত করার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কার্গো নিরাপত্তায় শতভাগ কমপ্লায়েন্স

এদিকে কার্গো নিরাপত্তাতেও বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক ফল এসেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, কার্গো-সংক্রান্ত অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থার ‘অ্যাডিশনাল মেজারস অ্যাসেসমেন্টে’ শতভাগ কমপ্লায়েন্স অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

কর্তৃপক্ষের মতে, যাত্রী, কার্গো ও মেইল পরিবহনে নির্ধারিত নিরাপত্তাব্যবস্থা বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রমের প্রতিফলন এই অর্জন। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণে এ সাফল্য দেশের বিমানবন্দরগুলোর নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নতির বিষয়টি তুলে ধরেছে।

কালের আলো/এমএসআইপি