খুঁজুন
                               
, ,
           

মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণ: ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর শপথ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
মন্ত্রিসভায় সম্প্রসারণ: ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর শপথ

সরকার গঠনের ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল এনেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর অংশ হিসেবে নতুন করে চারজন মন্ত্রী ও দুইজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া চারজন হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ, বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এবং জামালপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

শপথ নিলেও নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের দফতর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বণ্টন করা হয়নি। তবে ড. মঈন খান স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য মন্ত্রণালয়, সাচিং প্রু জেরী পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া হুমায়ুন কবিরকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির বিপুল বিজয়ের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। ওইদিন প্রধানমন্ত্রী ছাড়া ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন।

পরবর্তীতে মন্ত্রিসভায় কয়েকটি পদ শূন্য হয়। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর পদটিও শূন্য হয়। এসব শূন্যতা পূরণ এবং মন্ত্রিসভায় সমন্বয় আনতেই নতুন করে চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীকে যুক্ত করা হয়েছে।

নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের দায়িত্ব বণ্টনের পর মন্ত্রিসভার কার্যক্রমে আরও গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্ট মহলে আশা করা হচ্ছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

গুলশান ও বনানী থানার ওসি পদে রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২২ অপরাহ্ণ
গুলশান ও বনানী থানার ওসি পদে রদবদল

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান মডেল থানা ও বনানী থানায় নতুন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদায়ন করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ পদায়নের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির আবু জায়েদ মো. নাজমুন নুরকে গুলশান মডেল থানার ওসি এবং মো. সালাউদ্দিনকে বনানী থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

একই আদেশে বনানী থানার বর্তমান ওসি মো. ফরিদুল ইসলামকে গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগে বদলি করা হয়েছে।

এর আগে গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মিছিলের ঘটনায় গুলশান মডেল থানার তৎকালীন ওসি মো. দাউদ হোসেনকে ক্লোজড করা হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি 

‘স্টপ দ্য গেম’: ইসরায়েলের বিপক্ষে না খেলতে আইরিশ ফুটবলারদের প্রতি আহ্বান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
‘স্টপ দ্য গেম’: ইসরায়েলের বিপক্ষে না খেলতে আইরিশ ফুটবলারদের প্রতি আহ্বান

ইসরায়েলের বিপক্ষে আসন্ন দুটি ম্যাচ বয়কট করতে আয়ারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ১৬০-এর বেশি ক্রীড়াবিদ। ‘আইরিশ স্পোর্ট ফর প্যালেস্টাইন’ নামের একটি গোষ্ঠীর উদ্যোগে প্রকাশিত খোলা চিঠিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা ১৬০-এর বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরপেক্ষ ভেন্যুতে দুই ম্যাচ

২০২৬–২৭ উয়েফা নেশন্স লিগে ২৭ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলবে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড। এরপর ৪ অক্টোবর দুই দল আবার মুখোমুখি হবে। উয়েফার সূচি অনুযায়ী প্রথম ম্যাচে ইসরায়েল ‘হোম’ দল এবং দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ‘হোম’ দল। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের মধ্যে ম্যাচ দুটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

‘খেলা বন্ধ করার সুযোগ এখনো আছে’

খোলা চিঠিতে বলা হয়েছে, ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (এফএআই), উয়েফা এবং আইরিশ সরকারের আরও আগেই ম্যাচ দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। তবে এখনো খেলোয়াড়দের সামনে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন স্বাক্ষরকারীরা।

চিঠিতে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলা হয়েছে, তারা যেন দুই ম্যাচেই অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্বাক্ষরকারীদের ভাষ্য, খেলাধুলা ঐক্য, ন্যায়সংগত আচরণ ও সমতার বার্তা তুলে ধরার একটি মাধ্যম হতে পারে।

যাঁরা সই করেছেন

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অলিম্পিয়ান কিয়ারা ম্যাগিন, সাবেক আইরিশ ফুটবলার লুইস কুইন, সাবেক রাগবি খেলোয়াড় টনি ওয়ার্ড, বক্সার টাইরন ম্যাককেনা ও এরিক ডোনোভান। গেইলিক ফুটবলের পরিচিত মুখ প্যাড্রেইগ ও’হোরা, জো ব্রলি, কলম ও’রুর্ক, মাইকেল দারাহ ম্যাকঅলি, ফিলি ম্যাকমাহন, ভ্যালেরি মালকাহি ও রেনা বাকলিও এতে সই করেছেন।

টনি ওয়ার্ড এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার তৎকালীন বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আইরিশ রাগবি দলের সফর বয়কট করেছিলেন। কয়েকজন স্বাক্ষরকারী চলতি বছরও ইসরায়েলের বিপক্ষে নিজেদের সংশ্লিষ্ট ম্যাচে অংশ নেননি।

কোচের মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক

ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আয়ারল্যান্ডের কোচ হেইমির হালগ্রিমসনের সাম্প্রতিক মন্তব্যও আলোচনায় এসেছে। ম্যাচে মনোযোগ ধরে রাখার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা গণহত্যার সঙ্গে খেলছি না, গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি। আমরা ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলছি, ইসরায়েলের সঙ্গে নয়।’

হালগ্রিমসনের মন্তব্যের পর ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সমালোচনা করে। সংস্থাটি তাঁকে ‘অজ্ঞতা, ভণ্ডামি ও বোকামি’র অভিযোগে আক্রমণ করেছে।

ম্যাচ বাতিলের চাপ এফএআইয়ের ওপরও

এদিকে এফএআই জানিয়েছে, তারা একতরফাভাবে ম্যাচ বাতিল করতে চায়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে উয়েফার কাছে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এফএআইয়ের প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংস্থাটি কঠিন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এর আগে এফএআইয়ের সাধারণ সভাতেও ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে উয়েফা প্রতিযোগিতা থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট হয়েছিল।

এরই মধ্যে আয়ারল্যান্ড দলের হোটেলের বাইরে ম্যাচ বয়কটের দাবিতে বিক্ষোভও হয়েছে। তবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ও ৪ অক্টোবর দুই ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

গাজা যুদ্ধ ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়। হতাহতের সংখ্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ইসরায়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এবং তাদের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে।

এই রাজনৈতিক ও মানবিক বিতর্কের মধ্যেই এবার ইসরায়েলের বিপক্ষে মাঠে নামা নিয়ে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় ফুটবল দলকে ঘিরে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

সুপার এল নিনো: বাড়বে তীব্র গরম, মৃত্যুর শঙ্কা ৪ লাখ ৫১ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১২ অপরাহ্ণ
সুপার এল নিনো: বাড়বে তীব্র গরম, মৃত্যুর শঙ্কা ৪ লাখ ৫১ হাজার

চলতি বছরের ‘সুপার এল নিনো’র প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অতিরিক্ত তীব্র গরমে আগামী ছয় মাসে ৪ লাখ ৫১ হাজার মানুষের অতিরিক্ত মৃত্যু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের গবেষকেরা এ পূর্বাভাস দিয়েছেন। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত সময়ে এই অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

গবেষণা অনুযায়ী, স্বাভাবিক বছরের তুলনায় এ সময়ে অতিরিক্ত তীব্র গরমের দিনের সংখ্যা ৪৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। ফলে বিভিন্ন দেশে তাপজনিত অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে নাইজেরিয়া

গবেষকদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত অতিরিক্ত তাপজনিত মৃত্যুর দিক থেকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে নাইজেরিয়া। দেশটিতে প্রায় ৩১ হাজার ৪০০ অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরপর রয়েছে ইন্দোনেশিয়া ও সুদান—যেখানে যথাক্রমে ১৯ হাজার ৩০০ এবং ১৭ হাজার ৬০০ অতিরিক্ত মৃত্যুর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের নাইজেরিয়া, সুদান, নাইজার ও চাদে অতিরিক্ত তাপের কারণে ছয় মাসে প্রায় ৬৬ হাজার ৮০০ মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ায় সম্মিলিতভাবে আরও প্রায় ১৯ হাজার ৪০০ অতিরিক্ত মৃত্যুর আশঙ্কা রয়েছে।

ভারত-পাকিস্তানেও বাড়তে পারে ঝুঁকি

গবেষকেরা বলছেন, এল নিনো ২০২৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হলে অতিরিক্ত মৃত্যুর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে উত্তর গোলার্ধে ভারত ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলোতে গ্রীষ্মকালে তাপজনিত মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাব চলতি বছরের এল নিনোকে ভবিষ্যতের সম্ভাব্য জলবায়ুর একটি আগাম চিত্র হিসেবে বর্ণনা করেছে। গবেষকদের মতে, বর্তমানে যে ধরনের তাপমাত্রা দেখা যাচ্ছে, কয়েক দশকের মধ্যে তা স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পরিণত হতে পারে।

গবেষকেরা উচ্চঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে তাপপ্রবাহ মোকাবিলায় জরুরি প্রস্তুতি ও সাড়াদান ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।

ক্লাইমেট ইমপ্যাক্ট ল্যাবের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর অর্থনীতিবিদ মাইকেল গ্রিনস্টোন বলেন, গবেষণার ফলাফলের মাধ্যমে নীতিনির্ধারকেরা বুঝতে পারবেন কোন কোন এলাকায় এখনই জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে আগামী কয়েক মাসে হাজার হাজার মানুষের জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।

কালের আলো/এমএসআইপি