খুঁজুন
                               
, ,
           

সেপ্টেম্বরে নবম পে স্কেলের গেজেট!

কালের আলো রিপোর্ট
প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৫:৩১ অপরাহ্ণ
সেপ্টেম্বরে নবম পে স্কেলের গেজেট!

বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশকে ঘিরে আবারও আশার আলো দেখছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। জুলাইয়ে গেজেট প্রকাশের আলোচনা থাকলেও নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। এবার সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা—এই কয়েকটি বিষয় নিয়ে পর্যালোচনার কারণেই প্রক্রিয়াটি প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা দীর্ঘ হয়েছে। তবে এসব জটিলতা দ্রুত নিষ্পত্তি করে সেপ্টেম্বরের শুরুতেই পে স্কেলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় উপস্থাপনের প্রস্তুতি চলছে।

  • জুলাইয়ের বিলম্ব কাটিয়ে সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি

  • অক্টোবর থেকে নতুন বেতন, কার্যকর ধরা হবে ১ জুলাই—তিন মাসের বকেয়া সমন্বয়ের পরিকল্পনা

মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর প্রস্তাবটি আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠানো হবে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলেই সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে গেজেট প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে।

জুলাইয়ের আশা, সেপ্টেম্বরে নতুন লক্ষ্য
নবম পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর হওয়ার আলোচনা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি।

এবার সেপ্টেম্বরকে চূড়ান্ত সময়সীমা হিসেবে সামনে রেখে কাজ এগোচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়ে গেজেট প্রকাশ না হলে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন করে হতাশা তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে। কারণ পে স্কেল শুধু বেতন বৃদ্ধির বিষয় নয়; এর সঙ্গে যুক্ত থাকে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা, উৎসব ভাতা, অবসর-সুবিধাসহ সরকারি চাকরিজীবীদের সামগ্রিক আর্থিক কাঠামো। ফলে নতুন বেতন কাঠামোর প্রতিটি সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে লাখো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অর্থনীতিতে।

অক্টোবর থেকে নতুন বেতন, কার্যকর ১ জুলাই
সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল অক্টোবর থেকে বাস্তবে কার্যকর করার প্রস্তুতি রয়েছে। তবে বেতন কাঠামোটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হতে পারে। এর অর্থ, জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে। পরে ওই তিন মাসের বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের ব্যবস্থা করা হতে পারে।

এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে অথবা সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বকেয়া অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হবে। তবে বকেয়া কীভাবে এবং কত ধাপে দেওয়া হবে, সেটিই হবে পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

অর্থের সংস্থান নিয়ে সরকারের ভাবনা
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হচ্ছে অর্থের সংস্থান। বেতন-ভাতা বাড়ানোর ফলে সরকারের রাজস্ব ব্যয়ের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ তৈরি হতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। তবে এটি কবে থেকে এবং কত ধাপে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের পরই চূড়ান্ত ঘোষণা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, নতুন পে স্কেলের অর্থের সংস্থান করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন হলে ঋণ নেওয়ার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এ বক্তব্য থেকে স্পষ্ট, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকার শুধু রাজস্ব আয় বাড়ানোর ওপর নির্ভর করছে না; প্রয়োজন হলে ঘাটতি অর্থায়নের পথও খোলা রাখছে।

বেতন বাড়বে কত, সেটিই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন
গেজেট প্রকাশের সময়সূচি নিয়ে আলোচনা যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে বেশি আগ্রহ বেতন কতটা বাড়বে তা নিয়ে। নতুন পে স্কেলে বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন কী হারে বাড়বে, সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান কতটা পরিবর্তিত হবে এবং ভাতাগুলো কীভাবে পুনর্নির্ধারণ করা হবে—এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির চাপের মধ্যে সরকারি চাকরিজীবীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় তারা বাস্তবসম্মত বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশা করছেন। অন্যদিকে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বেতন বাড়ানোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দীর্ঘমেয়াদে এই অতিরিক্ত ব্যয় বহন করা। অর্থাৎ, নতুন পে স্কেলে শুধু বেতন বৃদ্ধির হার নয়, সরকারের আর্থিক সক্ষমতাও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে উঠেছে।

জুডিশিয়াল সার্ভিসের সঙ্গে সমন্বয়েও জটিলতা
নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নে জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয়ের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন ক্যাডার ও সার্ভিসের মধ্যে বেতন কাঠামোর ভারসাম্য বজায় রাখা না গেলে নতুন করে অসন্তোষ তৈরি হতে পারে। ফলে একদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রত্যাশা, অন্যদিকে বিভিন্ন সার্ভিসের মধ্যে সামঞ্জস্য এবং সরকারের অর্থনৈতিক সক্ষমতা—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে বিবেচনা করেই চূড়ান্ত।

কালের আলো/এএএন/এমডিএইচ

পাঁচ দিনেই কোটি পার, ‘আপন পর’-এ তৌসিফের অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
পাঁচ দিনেই কোটি পার, ‘আপন পর’-এ তৌসিফের অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক

পারিবারিক সংকট, মা-ছেলের সম্পর্কের টানাপোড়েন, প্রেম, বাস্তবতা ও আত্মত্যাগ—এই আবেগগুলোকে কেন্দ্র করে নির্মিত নাটক ‘আপন পর’ প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে রিফাত চরিত্রে তৌসিফ মাহবুবের অভিনয় প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

নাটকটি মুক্তির মাত্র পাঁচ দিনেই এক কোটি দর্শকসংখ্যা পার করেছে। পাশাপাশি ইউটিউবে নাটকটিতে লাইক পড়েছে ৯০ হাজারের বেশি এবং জমা হয়েছে প্রায় চার হাজার মন্তব্য।

মায়ের ভালোবাসার জন্য আত্মত্যাগ

‘আপন পর’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে রিফাতকে ঘিরে। ছোটবেলা থেকেই মায়ের তীব্র অভাববোধ তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। সৎমায়ের কাছ থেকে নিজের মায়ের মতো ভালোবাসা ও সমাদর পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও গভীর হয়।

মায়ের ‘আপন’ ছেলে হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়ায় একসময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে রিফাত। এরপর মায়ের একটি চাওয়া পূরণ করতে গিয়ে নিজের জীবনের বড় একটি ত্যাগ স্বীকার করে সে। সেই আত্মত্যাগই নাটকের আবেগের মূল জায়গা।

রিফাতের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজরী বরকতুল্লাহ। দীর্ঘদিন পর তাঁকে পর্দায় দেখে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন তাঁর ভক্তরা।

নতুন জুটিতে তৌসিফ-সাদনিমা

নাটকটিতে তৌসিফ মাহবুবের বিপরীতে প্রথমবার অভিনয় করেছেন সাদনিমা বিনতে নোমান। নতুন এই জুটিকেও পছন্দ করেছেন দর্শকেরা। দুজনের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁদের পর্দার রসায়ন নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য দেখা গেছে।

তৌসিফের আবেগঘন অভিনয় বিশেষভাবে দর্শকদের নজর কেড়েছে। ইউটিউবের মন্তব্যে কেউ লিখেছেন, নাটকটি ছয়বার দেখেছেন এবং রিফাত চরিত্রে তৌসিফের অভিনয় দুর্দান্ত লেগেছে। আবার কেউ কেউ বাবা-মায়ের কবরের পাশে রিফাতের কান্নার দৃশ্যের কথা উল্লেখ করে নিজেদের আবেগের কথা জানিয়েছেন।

এক দর্শকের ভাষ্য, মায়ের ভালোবাসা না পাওয়ার কষ্ট নাটকটিতে খুব আবেগপূর্ণভাবে উঠে এসেছে। আরেকজনের মতে, মায়ের সামান্য ভালোবাসা পাওয়ার জন্য একজন সন্তান কতটা ত্যাগ করতে পারে, নাটকটি সেটিই তুলে ধরেছে।

গল্পে সাড়া, অভিনয়েও প্রশংসা

দর্শকদের মন্তব্যে নাটকের গল্প নিয়েও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। অনেকেই পারিবারিক সম্পর্ক, মায়ের ভালোবাসা এবং আত্মত্যাগের বিষয়গুলো নিজেদের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন।

মেসবাহউদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে ‘আপন পর’ পরিচালনা করেছেন রুবেল হাসান। নাটকটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ‘আদরে আস্তিন’ শিরোনামের গান। মাহবুব রহমানের কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন মার্সেল। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন কণা ও রিয়াদ।

মুক্তির মাত্র পাঁচ দিনে কোটি দর্শকের মাইলফলক পেরিয়ে ‘আপন পর’ এখন অনলাইন নাটকের দর্শকদের আলোচনায় থাকা একটি কাজ। বিশেষ করে রিফাত চরিত্রে তৌসিফ মাহবুবের অভিনয়ই নাটকটির সাড়া পাওয়ার অন্যতম আলোচিত দিক হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

মেসির বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন দি মারিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
মেসির বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন দি মারিয়া

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের আবেগে ভাসিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ডায়েরির তিনটি ছেঁড়া পাতা ও একটি কলমের ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক জানিয়েছিলেন নিজের বিদায়ের কথা। তবে মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ হয়েছিলেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা।

বিশেষ করে ঘরের মাঠে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে বিদায় জানাতে না পারার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সমালোচনাও করেন অনেকে। পরে অবশ্য মেসির জন্য বিদায়ী ম্যাচের আয়োজন করেছে এএফএ।

আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলবেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসি। তাঁর বিদায়ী ম্যাচে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সব সদস্যকে পরিবারসহ উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছে এএফএ।

মেসির বিদায়ী ম্যাচে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক সতীর্থ আনহেল দি মারিয়া থাকবেন না—এটা যেন ভাবাই কঠিন। তবে মাঠে নেমে নয়, গ্যালারিতে বসেই প্রিয় বন্ধুর শেষ ম্যাচ দেখবেন আর্জেন্টিনার সাবেক এই উইঙ্গার।

দি মারিয়া নিজেই জানিয়েছেন, মেসির শেষ ম্যাচটি সামনে থেকে দেখার জন্য তিনি স্টেডিয়ামে থাকবেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে তো স্টেডিয়ামে যেতেই হবে, তাই না? সামনে থেকে শেষ ম্যাচটা তো দেখতেই হবে। ৫ তারিখ ব্যানফিল্ডের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচ আছে, তাই বুয়েনস এইরেসেই থেকে যাব। হাতের কাছেই যেহেতু, নিশ্চিতভাবেই গ্যালারিতে থাকব।’

মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা দল কল্পনা করাও কঠিন বলে মনে করেন দি মারিয়া। দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও বন্ধুকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘লিওকে ছাড়া আর্জেন্টিনার দল কল্পনা করা কতটা কঠিন, তাই না? এতগুলো বছর ধরে ও আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনার মানুষ এবং পুরো বিশ্বকে যা উপহার দিয়েছে—তার পর ওকে ছাড়া দলকে মেনে নেওয়া সহজ হবে না।’

তবে বিদায়ের মুহূর্তটি আবেগে ভেসে যাওয়ার বদলে উপভোগ করতে চান দি মারিয়া। তাঁর ভাষায়, ‘তবে আমরা সবাই ওর এই শেষ দিনটি দারুণভাবে উপভোগ করব।’

আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির বিদায়ী ম্যাচকে ঘিরে তাই তৈরি হয়েছে বাড়তি আবেগ। বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থদের উপস্থিতির পাশাপাশি গ্যালারিতে থাকবেন দি মারিয়ার মতো দীর্ঘদিনের বন্ধু—যা মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়কে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পারে।

কালের আলো/এসএ

শিল্পকলার মহাপরিচালক পদে এবার রেজাউদ্দিন স্টালিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
শিল্পকলার মহাপরিচালক পদে এবার রেজাউদ্দিন স্টালিন

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে গত কয়েক বছরে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ থেকে শুরু করে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্ব—বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ব্যক্তিকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর নাট্যনির্দেশক ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ জামিল আহমেদকে দুই বছরের জন্য শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সময়ে পুনর্গঠন করা হয় একাডেমির পরিষদ।

তবে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন সৈয়দ জামিল আহমেদ। এরপর ৪ মার্চ ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেনকে।

প্রায় ছয় মাস পর ওয়ারেছ হোসেনকে সরিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল ফয়েজকে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি প্রায় এক সপ্তাহ দায়িত্ব পালন করেন।

এরপরই শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান রেজাউদ্দিন স্টালিন। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ এই পদে একাধিকবার পরিবর্তন আসে।

কালের আলো/এমএসআইপি