ক্রম নিয়ে টানাপোড়েন শেষে তালিকায় এক নম্বরে মঈন খান
অবশেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইটে হালনাগাদ করা হয়েছে বর্তমান মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা। নতুন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে মন্ত্রীদের তালিকায় এক নম্বরে রাখা হয়েছে। আর প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় নতুন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির রয়েছেন প্রথম অবস্থানে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে মন্ত্রীদের তালিকা এবং ১১টা ১৪ মিনিটে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়। নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা শপথ নেওয়ার তিন দিন পর ওয়েবসাইটে এই পরিবর্তন আনা হলো।
তালিকার ক্রম নির্ধারণ নিয়ে জটিলতার কারণেই হালনাগাদে বিলম্ব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। ব্যক্তির জ্যেষ্ঠতা এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের গুরুত্ব ও পরিধি বিবেচনায় নিয়ে তালিকার অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।
নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া আবদুল মঈন খানকে এক নম্বরে রাখার পর অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রয়েছেন দুই নম্বরে। এরপর যথাক্রমে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, শিশু ও মহিলা বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের নাম রয়েছে।

নতুন চার মন্ত্রীর মধ্যে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান ১৪ নম্বরে, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ১৮ নম্বরে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ২৬ নম্বরে রয়েছেন। নতুন চারজনকে নিয়ে মন্ত্রিসভায় মোট মন্ত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ জনে।
অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রীদের তালিকায় এক নম্বরে স্থান পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ রয়েছেন তিন নম্বরে। নতুন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার তালিকার ২৪ নম্বরে অবস্থান করছেন।
এর আগে গত শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভায় চারজন নতুন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নেন। নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মঈন খান, রশিদুজ্জামান মিল্লাত, সাচিং প্রু জেরী ও আন্দালিভ রহমান পার্থ। আর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন হুমায়ুন কবির ও মোহাম্মদ শামীম কায়সার।

এর আগে গত ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। তার শূন্য পদে দায়িত্ব পান ড. আবদুল মঈন খান।
কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

আপনার মতামত লিখুন
Array