খুঁজুন
                               
, ,
           

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে মুক্তিযোদ্ধা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ৫:০৭ অপরাহ্ণ
জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে মুক্তিযোদ্ধা দলের শ্রদ্ধা নিবেদন

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন, মাজার জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিএনপির সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে শেরেবাংলা নগর থানাধীন জিয়া উদ্যানে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজনে এ কর্মসূচিতে সংগঠনটির সিনিয়র সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম এবং সহ-সভাপতি এম এ শহীদ বাবলুসহ শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ক্রসফায়ারের বক্তব্যে আইজিপির জবাবদিহি দাবি হাসনাতের

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
ক্রসফায়ারের বক্তব্যে আইজিপির জবাবদিহি দাবি হাসনাতের

আইজিপির ‘অনুমতি পেলে ক্রসফায়ার’ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক কমিটির শীর্ষ নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। এ বিষয়ে সরকারের কাছে কঠোর জবাবদিহি দাবি করে তিনি অভিযোগ করেছেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে পুলিশ বাহিনীকে আবারও বিতর্কিত পথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। একই সমাবেশে গুমের অভিযোগ, গ্যাস সংকট, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি, বাজারে সিন্ডিকেট এবং প্রকাশ্যে চাঁদাবাজির বিষয়েও সরকারের সমালোচনা করেন হাসনাত। আইজিপির বক্তব্যের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ার করে মানুষ মারার প্রস্তুতি থাকার যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের বক্তব্যের মাধ্যমে পুলিশ বাহিনীকে আবারও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়ে ফেলার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

হাসনাত বলেন, “যারা ক্রসফায়ার আর গুলি করে মানুষ মারার হুমকি দেয়, তারা হচ্ছে ডিবির হারুন আর বেনজীরের বংশধর। এমন বক্তব্যের পর কোনো সভ্য দেশে ওই আইজিপি স্বপদে বহাল থাকতে পারতেন না।” তিনি আরও অভিযোগ করেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর মনোবল পুনরুদ্ধার করে সাধারণ পুলিশ সদস্যরা যখন স্বাভাবিক কার্যক্রমে ফেরার চেষ্টা করছেন, তখন কয়েকজন কর্মকর্তার দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য পুরো বাহিনীর ভাবমূর্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আইজিপির বক্তব্যের বিষয়ে সরকারকে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। এ বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত না হলে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তার ভাষ্য, সরকার যদি এ বিষয়ে স্পষ্ট সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে তারা আবারও গুম, খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পথে ফিরে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করবে।তবে সমাবেশে দেওয়া এসব বক্তব্য ও অভিযোগ হাসনাত আবদুল্লাহর নিজস্ব রাজনৈতিক অবস্থান। এ বিষয়ে সরকারের বক্তব্য বা আইজিপির প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

সমাবেশে মোংলার মিরাজের সন্ধান দাবি করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কোস্টগার্ডের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ তুলে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।এ ছাড়া রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে হয়রানিমূলকভাবে আটক করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে এক নারীর দ্রুত মুক্তিও দাবি করেন তিনি। দ্রব্যমূল্য ও বাজার পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন হাসনাত। রাজধানীর মুগদা এলাকার গ্যাস সংকটের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, গ্যাসের অভাবে বাসিন্দারা রান্না করতেও সমস্যায় পড়ছেন।

তার অভিযোগ, ১ হাজার ৮০০ টাকার গ্যাস সিলিন্ডার সাধারণ মানুষকে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি টিকিয়ে রাখা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সরকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি নিয়েও ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, সরকার ১৮ মাসে দেড় কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টির কথা বলেছিল। তাঁর দাবি, ইতিমধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে—তবে তা হয়েছে মোড়ে মোড়ে প্রকাশ্য চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজির মাধ্যমে।

হাসনাত বলেন, বাংলাদেশের মানুষ চাঁদাবাজির মাধ্যমে সৃষ্ট এমন কর্মসংস্থান চায়নি। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় চাঁদাবাজি ও সিন্ডিকেট পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, এসব বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষ নিজেদের অধিকার আদায়ে রাজপথে নেমে আসবে।সমাবেশে তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মানবাধিকার, দ্রব্যমূল্য এবং জনদুর্ভোগের বিষয়গুলোতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি

মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:৩৩ অপরাহ্ণ
মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থার ঘোষণা

মানবপাচার প্রতিরোধ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর কার্যালয়ে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাকসুদা মাকসুদি সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সাক্ষাৎকালে মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ডিজিটাল জাতীয় রেফারেল মেকানিজম (এনআরএম) প্ল্যাটফর্ম এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের টেকসই পুনর্বাসনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা, পুনর্বাসন এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে সরকার জাতীয় রেফারেল মেকানিজম ও মানবপাচার প্রতিরোধ তহবিল কার্যকরভাবে পরিচালনা করছে। এ ছাড়া মানবপাচার প্রতিরোধে কাজ করা বেসরকারি সংস্থাগুলোর (এনজিও) কার্যক্রম এবং নতুন প্রকল্পের অনুমোদন দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রেও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছে বলে জানান তিনি।

বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা এবং মানবপাচারের ঘটনা প্রতিরোধেও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাইবার স্পেস ও ভুয়া অনলাইন চাকরির বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে জালিয়াতি এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত চক্রগুলোর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মানুষকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলা এবং পাচারের শিকার করার মতো অপরাধ দমনে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ বলে বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসে।

বৈঠকে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাকসুদা মাকসুদি বাংলাদেশে মানবপাচার প্রতিরোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের অংশীদারত্বের কথা তুলে ধরেন। ২০০৮ সাল থেকে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ করতে পারায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। মাকসুদা মাকসুদি মানবপাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬ এবং ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে উইনরক ইন্টারন্যাশনালের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

মানবপাচার প্রতিরোধ, অপরাধ দমন এবং পাচারের শিকার ব্যক্তিদের পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করার বিষয়েও বৈঠকে গুরুত্ব দেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও যুগ্মসচিব রেবেকা খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রকল্প পরিচালক দীপ্তা রক্ষিত ও নাসিরউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরীও বৈঠকে অংশ নেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

পুকুর দখল-ভরাট বন্ধে ৫ শহরে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক,কালের আলো
প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:১৪ অপরাহ্ণ
পুকুর দখল-ভরাট বন্ধে ৫ শহরে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ

চট্টগ্রাম, বগুড়া, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও সিলেট শহরের রেকর্ডভুক্ত পুকুরের তালিকা তিন মাসের মধ্যে হলফনামা আকারে আদালতে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে এসব শহরে পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুলসহ এ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, পাঁচ জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপারদের (এসপি) ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যবিশিষ্ট মনিটরিং কমিটি গঠন করতে হবে।

কমিটিতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের প্রতিনিধি এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি থাকবেন। রেকর্ডভুক্ত পুকুরের দখল ও ভরাট ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে কমিটিকে। এ ছাড়া চার সপ্তাহের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পুকুর দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) রোববার রিট আবেদনটি করে। সংগঠনটির পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।

পরে লিখিত বক্তব্যে মনজিল মোরসেদ জানান, আদালত চার সপ্তাহের রুল জারি করেছেন। এতে পাঁচ শহরের রেকর্ডভুক্ত পুকুর রক্ষায় প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং পুকুরগুলো কার্যকরভাবে সংরক্ষণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া জলাধার সংরক্ষণ আইন, ২০০০-এর ৬ ধারা অনুসরণ করে পুকুরের বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ব্যতিক্রম ছাড়া অন্য অবৈধ দখল ও ভরাটের ঘটনায় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ৮ ধারা অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তা-ও জানতে চেয়েছেন আদালত।সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের এসব বিষয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।

আদালতের এ আদেশের ফলে পাঁচ শহরের রেকর্ডভুক্ত পুকুর সংরক্ষণ এবং অবৈধ দখল ও ভরাট প্রতিরোধে প্রশাসনিক নজরদারি জোরদারের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি