খুঁজুন
                               
, ,
           

ডনের রিমান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নীলা চৌধুরী

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
ডনের রিমান্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নীলা চৌধুরী

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনের চার দিনের রিমান্ড শেষ হয়েছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে ডনের জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে সন্তুষ্ট নন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাজ্য থেকে একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নীলা চৌধুরী দাবি করেন, ডনের রিমান্ড শেষে হত্যাকাণ্ড নিয়ে নতুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে বলে তিনি মনে করেন না।

তিনি বলেন, ‘রিমান্ডে নতুন কী কিছু হয়েছে? রিমান্ড শেষে বলা হলো, জড়িত পাওয়ার কথা জানা গেছে। এটা কী ধরনের অনুসন্ধান? সে তো ইমন (সালমান শাহ) হত্যার সঙ্গে যুক্ত। ডনের কাছ থেকে বের করতে হবে—কীভাবে সে ইমনকে হত্যা করেছে, কে কী স্বার্থে এই হত্যার সঙ্গে যুক্ত, সেই তথ্য।’

রিমান্ড দ্রুত শেষ করার অভিযোগ

ডনের রিমান্ড দ্রুত শেষ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন নীলা চৌধুরী। তাঁর দাবি, প্রথমে সাত দিনের রিমান্ডের কথা বলা হলেও আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছিলেন। কিন্তু চার দিন পরই ডনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

রিমান্ড শেষে ডনের আদালত থেকে বের হওয়ার ধরন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

নীলা চৌধুরীর ভাষায়, ‘ডনকে দেখে বোঝার উপায় নেই সে রিমান্ড ফেরত। রিমান্ড ফেরত কেউ ওভাবে হাঁটে না।’

ডনের অসুস্থতার বিষয়টিও উল্লেখ করেন সালমান শাহর মা। তাঁর দাবি, অসুস্থতার কারণে রিমান্ডের কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে তিনি শুনেছেন। তবে ৩০ বছর আগের এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে আসামির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য বের করা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদে থাকতে চান নীলা

ডনের রিমান্ডে কী হয়েছে, তা জানতে তদন্তসংশ্লিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলেও জানান নীলা চৌধুরী। তবে এখনো বিস্তারিত কিছু জানতে পারেননি তিনি।

তিনি বলেন, ‘কথা হয়েছে। শুধু এটাই বলেছে, আমরা রিমান্ড করছি। কিন্তু কখন কী হচ্ছে, আমাদের তো জানা উচিত। এত বছর পর যদি এমন রিমান্ড হয়, সেটা আমাকে কখনোই সন্তুষ্ট করবে না। আমি এই রিমান্ডে সন্তুষ্ট নই।’

তদন্তের প্রয়োজনে ডনের জিজ্ঞাসাবাদের সময় বাদী হিসেবে উপস্থিত থাকার আগ্রহও প্রকাশ করেন নীলা চৌধুরী। প্রয়োজনে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হওয়ার কথাও জানান তিনি।

তাঁর ভাষায়, ‘ডন খুনি, আমরা রিমান্ডের মাধ্যমে সব জানতে চাই, সে কী বলেছে। কর্মকর্তারা তদন্তের প্রয়োজনে চাইলে, সেখানে আমরা বাদী হিসেবে থাকব। আমার ভাইকে ডনের মুখোমুখি বসিয়ে দিক। আমিও ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থাকব। তাহলে তো আরও ভালো।’

অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় প্রশ্ন

সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন ছাড়াও আরও কয়েকজনের সম্পৃক্ততার কথা শুরু থেকেই বলে আসছেন নীলা চৌধুরী। কিন্তু এখন পর্যন্ত ডন ছাড়া অন্য কাউকে গ্রেপ্তার না করায়ও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে, এই মামলায় এখনো ডন ছাড়া অন্য কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারল না। এটা বিশ্বাসযোগ্য কোনো কথা বলে আমার মনে হয় না। আমরা আশা করেছিলাম পরে আরও আসামি ধরা পড়বে। সেটাও হলো না।’

ডনের রিমান্ড, অসুস্থতা এবং রিমান্ড শেষে তাঁর স্বাভাবিকভাবে বের হয়ে আসার বিষয়গুলো নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নীলা চৌধুরী।

তিনি বলেন, ‘ডনকে রিমান্ডে নেওয়া, অসুস্থতা, গতকাল রিমান্ড শেষে উৎফুল্লভাবে হেঁটে যাওয়া—সবই ফানি মনে হচ্ছে। মানুষ একটি সত্যের বিচার চায়। আশা করছি, কর্তৃপক্ষ সেদিকে নজর দেবে।’

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গত ৬ সেপ্টেম্বর ডনকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলেও চার দিনের রিমান্ড শেষে বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সূত্র: এনএটি

কালের আলো/এসএ

হোটেল-রেস্তোরাঁর জন্য ডলার রাখার নতুন সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৪১ অপরাহ্ণ
হোটেল-রেস্তোরাঁর জন্য ডলার রাখার নতুন সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ নিজেদের বৈদেশিক মুদ্রা (এফসি) হিসাবে রাখতে পারবেন ব্যবসায়ীরা। হোটেল, রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, শপিংমলসহ বিদেশি পর্যটকদের পণ্য ও সেবা দেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য এ সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকে পাঠিয়েছে।

সার্কুলার অনুযায়ী, আন্তর্জাতিকভাবে ইস্যু করা কার্ড ও অন্যান্য অনুমোদিত পেমেন্ট পদ্ধতিতে বিদেশি পর্যটকদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ ব্যাংকগুলো অ্যাকোয়ারিং সেবার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে দেবে। এর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের নামে খোলা বৈদেশিক মুদ্রার হিসাবে রাখা যাবে। বাকি অর্থ বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করতে হবে।

এফসি হিসাবে রাখা বৈদেশিক মুদ্রা চলতি লেনদেনসংক্রান্ত বৈধ বৈদেশিক মুদ্রার দায় পরিশোধে ব্যবহার করা যাবে। এর মধ্যে আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধও অন্তর্ভুক্ত। এ ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর জারি করা এফইপিডি-১ সার্কুলার নং ৪০-এর নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, প্রযোজ্য কর ও ভ্যাট কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার বিষয়টি ব্যাংকগুলোকে নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক কার্ড ও অনুমোদিত অন্যান্য পেমেন্ট পদ্ধতিতে অর্থ গ্রহণের উপযুক্ত ব্যবস্থা রেখেছে কি না, তা যাচাই করতে হবে।

এ ছাড়া গ্রাহক পরিচিতি (কেওয়াইসি), অর্থ পাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল/সিএফটি) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রতিবেদন দাখিলের নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসংক্রান্ত গাইডলাইন্স, ২০১৮-এর ত্রয়োদশ অধ্যায়ের ৩ নম্বর অনুচ্ছেদে আগে কেবল ডিপ্লোম্যাটিক বন্ডেড ওয়্যারহাউস বা শুল্কমুক্ত দোকানের নামে বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব খোলার সুযোগ ছিল। নতুন সার্কুলারের মাধ্যমে এ সুবিধা আরও বিস্তৃত করা হলো।

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি 

অক্টোবরে ২৪ দিনে প্রবাসী আয় ২৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ
অক্টোবরে ২৪ দিনে প্রবাসী আয় ২৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা

চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ২৪ দিনে দেশে ২১৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ডলার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা হিসাবে এর পরিমাণ প্রায় ২৬ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

রোববার (২৫ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে এ তথ্য জানানো হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০০ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই হিসাবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৭ শতাংশ।

অর্থবছরের শুরু থেকেও রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ১ হাজার ৭২ কোটি ৯০ লাখ ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৯৫৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরু থেকে প্রবাসী আয়ে বছরওয়ারি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। রেমিট্যান্সের এই প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ও রিজার্ভের জন্য সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

কালের আলো/এসকে/এমএসআইপি 

শখের গাছেই বদলে গেল জীবন, মাসে লাখ লাখ টাকা আয় তানজিলার

মাদারীপুর সংবাদদাতা,কালের আলো
প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৯ অপরাহ্ণ
শখের গাছেই বদলে গেল জীবন, মাসে লাখ লাখ টাকা আয় তানজিলার

শখ করে ঘরের বারান্দায় গড়ে তুলেছিলেন ইনডোর প্ল্যান্টের ছোট্ট বাগান। সেই শখই একসময় হয়ে ওঠে জীবিকার উৎস। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে নিজের পরিশ্রম ও পরিবারের সহযোগিতায় গড়ে তুলেছেন ইনডোর প্ল্যান্টের বাগান ‘ওয়ান্ডার গার্ডেন বিডি’। বর্তমানে এ বাগান থেকে মাসে প্রায় দুই লাখ টাকা আয় করছেন মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার নারী উদ্যোক্তা তানজিলা আখি। কোনো কোনো মাসে তাঁর আয় তিন থেকে চার লাখ টাকায়ও পৌঁছায়।

তানজিলা একসময় ঢাকায় চাকরি করতেন। ২০১৯ সালের দিকে একটি ডিজাইনার হাউসে কাজ করার সময় গাছের প্রতি ভালোবাসা থেকে ঘরের বারান্দায় ইনডোর প্ল্যান্টের বাগান গড়ে তোলেন। তখন শখের বশে গাছ সংগ্রহ ও পরিচর্যা করলেও ভবিষ্যতে এই উদ্যোগ যে তাঁর পেশা হয়ে উঠবে, তা ভাবেননি।

২০২০ সালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয় তাঁকে। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন সেই সময়ে বারান্দার গাছগুলো হয়ে ওঠে তাঁর সঙ্গী। গাছের পরিচর্যা করতে গিয়ে প্রকৃতির প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হয়। বাড়তে থাকে বিভিন্ন জাতের গাছ সংগ্রহের আগ্রহ।

একপর্যায়ে চাকরি ছেড়ে নিজের সংগ্রহের গাছগুলো নিয়ে স্বামীর কর্মস্থল নরসিংদীতে চলে যান তানজিলা। সেখানে নতুন করে বাগান গড়ে তোলেন। ধীরে ধীরে শখের বাগানকে ব্যবসায় রূপ দেন। শুরু করেন গাছের চারা বিক্রি এবং বিভিন্ন বৃক্ষমেলায় ইনডোর প্ল্যান্টের স্টল দেওয়া।

তবে ব্যবসার পথ সহজ ছিল না। ২০২৪ সালে নরসিংদীতে ভাড়া বাসায় থাকার সময় বাগান নিয়ে প্রতিবেশীদের আপত্তির মুখে পড়েন তিনি। একপর্যায়ে সব গাছ নিয়ে শিবচরে ফিরে আসেন। নতুন করে শুরু করতে হয় সবকিছু।

পরিবারের সহযোগিতায় শিবচরে নিজেদের আট শতাংশ জমিতে গড়ে তোলেন ‘ওয়ান্ডার গার্ডেন বিডি’। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে গাছের সংগ্রহ, ক্রেতার আগ্রহ এবং ব্যবসার পরিধি।

বাগানে এক হাজারের বেশি প্রজাতির গাছ

বর্তমানে তানজিলার বাগানে রয়েছে ফিলোডেনড্রন, মনস্টেরা, অ্যাগলোনিমা, সিঙ্গোনিয়াম, থাই লিলি, অর্কিড, ফিটোনিয়া, পারলার পাম, বেগোনিয়া ও পথোসসহ বিভিন্ন ধরনের ইনডোর প্ল্যান্ট। তাঁর দাবি, বাগানে এক হাজারের বেশি প্রজাতির গাছ রয়েছে। এসব গাছের চারার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৫ লাখ টাকা।

বর্তমানে তাঁর এই উদ্যোগে কাজ করছেন দুজন কর্মচারী। বাগানকে আরও বড় করার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।

নিজের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প বলতে গিয়ে তানজিলা আখি বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর গাছের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও গভীর হয়। সেখান থেকেই গাছ সংগ্রহ শুরু করেন। ধীরে ধীরে গড়ে তোলেন ‘ওয়ান্ডার গার্ডেন বিডি’। ব্যবসা শুরু করার পর নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হলেও সেগুলো অতিক্রম করে এখন মাসে দুই লাখ টাকার বেশি আয় করছেন। আগামী মাস থেকে আরও একটি বাগান শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

তানজিলার উদ্যোগে গর্বিত এলাকাবাসী

তানজিলার এই উদ্যোগে গর্বিত স্থানীয় বাসিন্দারাও। প্রতিবেশী মিলন বলেন, একজন নারী নিজের পরিশ্রমে এত সুন্দর একটি বাগান গড়ে তুলেছেন, যা এলাকাবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তাঁর মতে, বাগানটি অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করতে পারে।

আরেক প্রতিবেশী সাজ্জাদ হোসেন খান বলেন, শিবচরের মতো এলাকায় এমন পরিবেশবান্ধব নার্সারি দেখে তিনি আনন্দিত। নতুন ও পুরোনো উদ্যোক্তাদের এ ধরনের উদ্যোগে উৎসাহ দেওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামান খান বলেন, কৃষি ও নার্সারিভিত্তিক উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। এ ধরনের উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দিয়ে পাশে থাকবে কৃষি বিভাগ।

বারান্দার ছোট্ট বাগান থেকে বাণিজ্যিক নার্সারি গড়ে তোলা তানজিলা আখির এই উদ্যোগ দেখিয়েছে, ব্যক্তিগত শখও পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে আয়ের উৎস হয়ে উঠতে পারে। নিজের বাগানকে আরও বড় করার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন এই নারী উদ্যোক্তা।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি