খুঁজুন
                               
, ,
           

সুযোগ বেড়েছে, তবু কেন পিছিয়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
সুযোগ বেড়েছে, তবু কেন পিছিয়ে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট?

একসময় বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটারদের অবহেলার কথা উঠলেই সামনে আসত নানা সীমাবদ্ধতার ছবি। ম্যাচের সংখ্যা কম, নিয়মিত ক্যাম্পের অভাব, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা নেই, বেতন-ভাতা নিয়েও ছিল অভিযোগ। এসব নিয়ে আলোচনা হয়েছে বছরের পর বছর।

তবে সেই পরিস্থিতি এখন অনেকটাই বদলেছে। বেড়েছে সুযোগ-সুবিধা, ম্যাচের সংখ্যা, নিয়মিত হচ্ছে ক্যাম্প। আর্থিক দিক থেকেও আগের তুলনায় উন্নতি হয়েছে। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্সে সেই অগ্রগতির প্রতিফলন কতটা দেখা যাচ্ছে—এ প্রশ্নই এখন বড় হয়ে উঠেছে।

সম্প্রতি নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হারের পর আবারও সামনে এসেছে একই প্রশ্ন—সুযোগ-সুবিধা বাড়ার সঙ্গে বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের মানও কি প্রত্যাশিত হারে বাড়ছে?

সেমিফাইনালেও মিলল না সাফল্য

এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ভারত ১৪৯ রান সংগ্রহ করে। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থামে প্রায় ১১০ রানের কাছাকাছি। ফলে ৪০ রানের ব্যবধানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় বাংলাদেশ।

সেমিফাইনালে ওঠা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক অর্জন। কিন্তু শক্তিশালী দলের বিপক্ষে ম্যাচের ফল এবং পারফরম্যান্সের ধরনই দলের প্রকৃত অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

গ্রুপ পর্বে তুলনামূলক দুর্বল প্রতিপক্ষকে হারিয়ে এগিয়ে গেলেও ভারতসহ শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে বারবার আটকে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটিতেও সেই সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট হয়েছে।

ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বড় ঘাটতি

বাংলাদেশের সমস্যাটা অবশ্য শুধু একটি বিভাগে সীমাবদ্ধ নয়। ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই উন্নতির সুযোগ রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে ব্যাটিংয়ের ধীরগতি।

আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুত রান তোলাই সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি। সেখানে দীর্ঘ সময় কম স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করলে বড় সংগ্রহ গড়া কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশও বারবার এই সমস্যায় পড়ছে।

১০০-১১০ রানের মতো স্কোর নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে শক্তিশালী দলের বিপক্ষে লড়াই করা কঠিন। তাই ব্যাটিংয়ের ধরন, রান তোলার মানসিকতা এবং ম্যাচের পরিস্থিতি অনুযায়ী গতি বাড়ানোর সক্ষমতা নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।

নেতৃত্ব ও ব্যাটিং নিয়েও প্রশ্ন

অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। দলের জন্য তার অবদানও কম নয়। তবে বর্তমান টি-টোয়েন্টির দ্রুতগতির ক্রিকেটে তার ব্যাটিংয়ের স্ট্রাইক রেট নিয়েও আলোচনা প্রয়োজন।

শুধু একজন খেলোয়াড় নয়, দলের একাধিক ব্যাটারের স্ট্রাইক রেট যদি দীর্ঘ সময় ৭০-৮০-এর আশপাশে থাকে, তাহলে বড় দলের বিপক্ষে ম্যাচ জেতা কঠিন হয়ে পড়ে।

দল নির্বাচনে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বর্তমান টি-টোয়েন্টির চাহিদা অনুযায়ী আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে পারেন—এমন খেলোয়াড়দের সুযোগ দেওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে।

শুধু সুযোগ নয়, দরকার তার প্রতিফলন

বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটে সুযোগ-সুবিধা বাড়া অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু সুযোগ পাওয়ার পর সেই সুযোগকে পারফরম্যান্সে রূপান্তর করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের গতি প্রতিনিয়ত বাড়ছে। সেই সঙ্গে তাল মেলাতে হলে ব্যাটিংয়ের আগ্রাসন, ফিল্ডিংয়ের মান, বোলিংয়ের বৈচিত্র্য এবং ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা—সব ক্ষেত্রেই উন্নতি প্রয়োজন।

এশিয়া কাপে সেমিফাইনালে ওঠা তাই একদিকে যেমন আশার খবর, অন্যদিকে ভারতের বিপক্ষে হারটি বাংলাদেশের নারী ক্রিকেটের সামনে থাকা ঘাটতিগুলোও নতুন করে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে।

কালের আলো/এসএ

এলপি গ্যাসে কারচুপি, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৫২ পূর্বাহ্ণ
এলপি গ্যাসে কারচুপি, ১০২ প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সরকার নির্ধারিত দামে এলপি গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে দেশব্যাপী বিশেষ তদারকি অভিযান চালিয়েছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রাজধানীসহ ৩০ জেলায় পরিচালিত এ অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে ১০২টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১০ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, অধিদপ্তরের ৪৪টি দল একযোগে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে পণ্যের মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও প্রদান, সঠিক ওজন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে এলপি গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়। নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি ঠেকানো এবং গ্যাস সিলিন্ডারের অতিরিক্ত দাম আদায় বন্ধ করাই ছিল অভিযানের উদ্দেশ্য।

সাভারের আমতলা ও কুটুরিয়া বাজারের দুটি এলপি গ্যাস ডিলার পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়। এ সময় হাজী আব্দুর রহমান এন্টারপ্রাইজকে ১০ হাজার টাকা এবং ইকবাল এন্টারপ্রাইজকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

অধিদপ্তর জানায়, প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে যথাযথভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ না করা, প্রদর্শিত মূল্যতালিকার চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি এবং বিশেষ পাইপের মাধ্যমে গ্যাস স্থানান্তর করে ওজনে কারচুপির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযানে কারচুপিতে ব্যবহৃত বিশেষ পাইপ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সিল-স্টিকারও জব্দ করা হয়।

এর মধ্যে সরবরাহ সংকটের কারণে অক্টোবর মাসে এলপি গ্যাসের দামও বাড়িয়েছে সরকার। রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করে। সেপ্টেম্বরে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৮৫ টাকা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ভোক্তাদের পণ্য কেনার আগে মূল্যতালিকা যাচাই, সঠিক ওজন নিশ্চিত করা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য, উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। গ্যাস সিলিন্ডার কেনার সময় ওজন, সিল ও দৃশ্যমান ত্রুটি পরীক্ষা এবং ক্রয়ের রশিদ বা ভাউচার সংগ্রহেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কোনো অনিয়ম বা প্রতারণার শিকার হলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে অভিযোগ জানাতে বলা হয়েছে।

বাজারে শৃঙ্খলা, ন্যায্যমূল্য ও পণ্যের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করতে এ ধরনের তদারকি অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে অধিদপ্তর।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

বাংলা কিউআরের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ব্যাংকিংয়ের হিসাব

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ণ
বাংলা কিউআরের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে ব্যাংকিংয়ের হিসাব

দেশে ব্যাংকিং সেবার ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। ব্যাংকের শাখা কিংবা ওয়েবসাইটের পরিবর্তে স্মার্টফোনের অ্যাপ ব্যবহার করেই এখন ব্যাংকিংয়ের বড় অংশের কাজ সারছেন গ্রাহকরা। এ পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে আন্তঃব্যাংক ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা বাংলা কিউআর।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই শেষে দেশে ব্যাংকিং অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার ছাড়িয়েছে। এক বছর আগে, গত বছরের আগস্টে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ৭১ লাখ ৬৬ হাজার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ব্যবহারকারী বেড়েছে প্রায় ১ কোটি ৩৮ লাখ, যা প্রায় তিন গুণ।

২০২৩ সালে আন্তঃব্যাংক কোডভিত্তিক লেনদেনের জন্য বাংলা কিউআর চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে সব প্রতিষ্ঠানের কোডভিত্তিক লেনদেন বাংলা কিউআরের মাধ্যমে করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) অ্যাপ ব্যবহার করে একই কিউআর কোড স্ক্যানের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধের সুযোগ তৈরি হয়েছে।

বাংলা কিউআরের ফলে নির্দিষ্ট কোনো ব্যাংকের গ্রাহককে শুধু সেই ব্যাংকের মাধ্যমেই লেনদেন করতে হচ্ছে না। যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএস অ্যাপ ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধ করা যাচ্ছে। এতে সাধারণ গ্রাহকের পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের মধ্যেও কিউআরভিত্তিক লেনদেনের আগ্রহ বাড়ছে।

অ্যাপ ব্যবহারকারীর পাশাপাশি লেনদেনের পরিমাণও বেড়েছে। গত জুলাইয়ে ব্যাংকিং অ্যাপের মাধ্যমে ১ লাখ ৭৪ হাজার ১২৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এক বছর আগে, গত আগস্টে এই পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৩০৪ কোটি টাকা। অবশ্য একক মাস হিসেবে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছিল গত জুনে—১ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৯ কোটি টাকা।

অন্যদিকে কমছে ব্রাউজারভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের ব্যবহার। গত জুলাই শেষে ব্যাংকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেবা নেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ২৪ লাখ ৮৯ হাজার। বিপরীতে অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি।

অ্যাপ ও ব্রাউজার মিলিয়ে গত জুলাই শেষে মোট ইন্টারনেট ব্যাংকিং ব্যবহারকারী দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৩৪ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি। গত বছরের আগস্টে এই সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৬৭ হাজার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলেন, একসময় অ্যাপভিত্তিক লেনদেনকে মূলত এমএফএসের সঙ্গে সম্পর্কিত মনে করা হতো। বাংলা কিউআর চালুর পর ব্যাংকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এর গুরুত্ব বুঝতে শুরু করেছে। যেসব ব্যাংকের নিজস্ব অ্যাপ ছিল না, তাদেরও এ ব্যবস্থায় যুক্ত হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ফলে বাংলা কিউআর এখন শুধু একটি পেমেন্ট ব্যবস্থা নয়; এটি ব্যাংকের ডিজিটাল সেবা, অ্যাপ ব্যবহার এবং গ্রাহকের দৈনন্দিন আর্থিক কর্মকাণ্ডের মধ্যে যোগসূত্র তৈরি করছে।

ব্যাংকিং অ্যাপের ব্যবহার বৃদ্ধির এই প্রবণতা ইঙ্গিত দিচ্ছে, গ্রাহকদের ব্যাংকিং অভ্যাসে বড় পরিবর্তন এসেছে। ভবিষ্যতে বাংলা কিউআর ও অ্যাপভিত্তিক সেবা আরও বিস্তৃত হলে স্মার্টফোনই হয়ে উঠতে পারে দৈনন্দিন ব্যাংকিংয়ের প্রধান মাধ্যম।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

জরুরি সংকেতের পর নিখোঁজ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, মিলল ধ্বংসাবশেষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
জরুরি সংকেতের পর নিখোঁজ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, মিলল ধ্বংসাবশেষ

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের ন্যান্টাকেট দ্বীপের উপকূলে আটলান্টিক মহাসাগরে নিখোঁজ একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেছে মার্কিন কোস্ট গার্ড। তবে বিমানটিতে থাকা ছয় আরোহীর এখনো কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

মার্কিন কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার ভোরে ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) তাদের জানায়, সি-জিআরজেপি টেইল নম্বরের একটি গালফস্ট্রিম জি১০০ বিমানের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এরপর ন্যান্টাকেটের আশপাশের বিশাল সমুদ্র এলাকায় ব্যাপক অনুসন্ধান শুরু করা হয়।

কয়েক ঘণ্টার অভিযানের পর বিমানটির সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ধ্বংসাবশেষের এলাকা শনাক্ত করা হয়। কানাডাভিত্তিক ল্যাটিটিউড এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পরিচালিত বিমানটিতে চারজন ক্রু ও দুজন যাত্রী ছিলেন।

কোম্পানির মুখপাত্র ক্ল্যারেন্স টোগেরেটজ জানিয়েছেন, আরোহীদের মধ্যে ছিলেন দুজন পাইলট, দুজন চিকিৎসাকর্মী, একজন রোগী ও রোগীর পরিবারের একজন সদস্য। চার ক্রু কানাডার নাগরিক এবং দুই যাত্রী বারমুডার নাগরিক।

প্রাথমিক ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, নিখোঁজ হওয়ার আগে বিমানটি প্রায় ২৪ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ছিল। পরে অল্প সময়ের মধ্যে এটি ১০ থেকে ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় নেমে আসে। যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কিছুক্ষণ আগে পাইলট জরুরি পরিস্থিতির কথা জানিয়েছিলেন।

নিখোঁজ ছয় আরোহীর সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। কোস্ট গার্ডের বিমান, হেলিকপ্টার ও নৌযান দিয়ে সমুদ্রে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। কানাডার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষও এ অভিযানে মার্কিন কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করছে।

সূত্র: এনডিটিভি 

কালের আলো/এএইচ/এমএসআইপি