খুঁজুন
                               
, ,
           

সরকারকে দোষ দিই না, ব্যয়ের চাপে বিপর্যস্ত: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা
প্রকাশিত: রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৮ পূর্বাহ্ণ
সরকারকে দোষ দিই না, ব্যয়ের চাপে বিপর্যস্ত: রুমিন ফারহানা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য তিনি সরকারকে দোষ দেন না। নানা ধরনের ব্যয় সামলাতে গিয়ে সরকার চাপের মধ্যে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার অরুয়াইল ও পাকশিমুল ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, একদিকে সরকারকে ঋণ পরিশোধ করতে হচ্ছে, অন্যদিকে বেশি দামে তেল, ডিজেল ও গ্যাস আমদানি করতে হচ্ছে। এসব কারণে সরকারের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

জনগণের জন্য কাজ করার কথা

রুমিন ফারহানা বলেন, তার কয়েক লাখ কর্মী রয়েছেন, যাদের তিনি আত্মীয়ের মতো মনে করেন। মানুষের জন্য কাজ করাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, আল্লাহ যদি পোড়া বাজেটও তার হাতে দিতেন, তাহলে তিনি সেটিকে সোনা দিয়ে মুড়িয়ে দিতেন।

তিনি আরও বলেন, জনগণ ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করার সুযোগ আল্লাহ তাকে দিয়েছেন। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন।

দীর্ঘদিন এলাকায় তাকে দেখা না গেলে নেতাকর্মীদের মোবাইল ফোনের দিকে চোখ রাখার আহ্বান জানান রুমিন ফারহানা। তার ভাষ্য, মোবাইলের দিকে চোখ রাখলেই বোঝা যাবে তিনি ঘুমিয়ে নেই। সংসদে কিংবা এলাকায়—কোথাও না কোথাও তিনি জনগণের জন্য কাজ করছেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বৈঠক

কূটনৈতিক প্রতিবেদক, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বৈঠক

বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে আলজেরিয়া। বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতা, এলএনজি ও এলপিজি আমদানি এবং প্রযুক্তিগত জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী সিফি গ্রিয়েবের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এবং আলজেরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত।

বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কৃষি, সার, শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে বলে উল্লেখ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

তিনি উভয় দেশের জনগণের কল্যাণে জ্বালানি খাতে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। একই সঙ্গে এ খাতের প্রকৌশলী ও বিশেষজ্ঞদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জ্ঞান বিনিময় এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনের জন্য আলজেরীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও আলজেরিয়ার মধ্যে হাইড্রোকার্বন খাতে সহযোগিতার বিষয়ে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক নিয়েও আলোচনা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, এর মাধ্যমে সরকারি পর্যায়ে এলএনজি, এলপিজি ও অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানির নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশের এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কয়লা ও গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে আধুনিক, নিরাপদ ও উন্নত প্রযুক্তি ও পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন এবং সেগুলো কাজে লাগানোর সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে উচ্চপর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

আলজেরিয়ার প্রধানমন্ত্রী সিফি গ্রিয়েব বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করাকে তার সরকার যথাযথ গুরুত্ব দেয়। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, ব্যবসা ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি একে অপরের পরিপূরক হয়ে ওঠার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের এ উদ্যোগ বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, আমদানির উৎস বহুমুখীকরণ এবং প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সম্ভাবনাময় ভূমিকা রাখতে পারে।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি

ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: শামা ওবায়েদ

ফরিদপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ণ
ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: শামা ওবায়েদ

বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকলে সব ধর্মের মানুষ স্বাধীনভাবে ও নিরাপদে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে পারেন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার রামনগরে শারদীয় দুর্গাপূজার বিভিন্ন মণ্ডপ পরিদর্শনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সন্ধ্যায় রামনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় ও তাঁদের খোঁজখবর নেন।

শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিগত ১৭ বছরে দেশের মানুষ কঠিন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজায় সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে উৎসব উদ্‌যাপন করছেন। এটাই বাংলাদেশের প্রকৃত সৌন্দর্য ও মাধুর্য।

মণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বী পুণ্যার্থীদের কাছে বিগত সরকারের সময়ের বরাদ্দের সঙ্গে বর্তমান সরকারের বরাদ্দের তুলনা জানতে চান। এ বছর তাঁরা আগের তুলনায় বেশি সুবিধা ও অর্থ বরাদ্দ পেয়েছেন কি না, জানতে চাইলে উপস্থিত ব্যক্তিরা ইতিবাচক সাড়া দেন।

পরিদর্শনকালে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার শাহরিয়ার মিয়াজী, নগরকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা আফরিন, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ এবং নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসুল সামদানী আজাদ উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া নগরকান্দা উপজেলা ও রামনগর ইউনিয়ন বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবকেরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি 

ছোট উদ্যোগে বড় সাফল্য, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ভোলার সালমা

ভোলা সংবাদদাতা, কালের আলো
প্রকাশিত: বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:১১ পূর্বাহ্ণ
ছোট উদ্যোগে বড় সাফল্য, ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ভোলার সালমা

সংসারে ছিল অভাব-অনটন, স্বামীর আয়ও ছিল সীমিত। দুই সন্তান নিয়ে পরিবারের খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হতো। কিন্তু প্রতিকূলতার কাছে হার মানেননি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার সালমা বেগম। মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা মাসিক বেতনের চাকরি দিয়ে কর্মজীবন শুরু করে সঞ্চয়, পরিশ্রম ও ধৈর্যের মাধ্যমে গড়ে তুলেছেন হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলের খামার। পাশাপাশি করছেন কৃষিকাজও। একসময় অভাবের সঙ্গে লড়াই করা সালমা এখন স্বাবলম্বী। তাঁর সাফল্যের গল্প অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে আশপাশের নারীদের।

৩৩ বছর বয়সী সালমা বেগমের বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে। এসএসসি পাসের পর ২০০৭ সালে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সংসারের টানাপোড়েনের সঙ্গে পরিচিত হন তিনি। স্বামীর সীমিত আয়ে সংসার চালাতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হতো। পরিবারের পাশে দাঁড়াতে একসময় চাকরি শুরু করেন সালমা।

মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা মাসিক বেতনে পুষ্টি মাঠকর্মী হিসেবে কাজ নেন তিনি। পাশাপাশি বাড়িতে ছোট শিশুদের পড়াতেন। সংসারের খরচ মেটানোর পর নিজের উপার্জনের সামান্য অংশ সঞ্চয় করতেন। সেই ক্ষুদ্র সঞ্চয়ই পরবর্তী সময়ে তাঁর স্বাবলম্বী হয়ে ওঠার ভিত্তি তৈরি করে।

সালমার জীবনে পরিবর্তনের সূচনা হয় ২০১২ সালে। জমানো টাকা দিয়ে মাত্র পাঁচ থেকে ১০টি হাঁস-মুরগি পালন শুরু করেন তিনি। এ উদ্যোগ থেকে আয় হতে শুরু করলে লাভের টাকা আবার খামারে বিনিয়োগ করেন। ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে খামারের পরিসর। হাঁস-মুরগির পাশাপাশি শুরু করেন গরু ও ছাগল পালন। একই সঙ্গে শাকসবজি চাষ ও বিভিন্ন ধরনের ফসল উৎপাদনেও যুক্ত হন।

বর্তমানে সালমার খামারে রয়েছে প্রায় ৩৫টি হাঁস, ২৫টি মুরগি, সাতটি গরু ও ১১টি ছাগল। হাঁস-মুরগি পালন থেকে বছরে প্রায় আড়াই লাখ টাকার বিক্রি করেন তিনি। এ পর্যন্ত প্রায় তিন লাখ টাকার ছাগল ও সাত লাখ টাকার গরু বিক্রি করেছেন। গত বছর প্রায় ২৫০টি হাঁস বিক্রি করে আয় করেন ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।

খামার পরিচালনার প্রায় সব কাজেই সরাসরি যুক্ত থাকেন সালমা। পশু-পাখির যত্ন নেওয়া, খাবারের ব্যবস্থা, খামার পরিচর্যা থেকে শুরু করে বাজারজাত ও বিক্রি—সবকিছু সামলান নিজেই। তাঁর কাছে খামার এখন শুধু আয়ের উৎস নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ও আত্মনির্ভরতার প্রতীক।

নিজের ও স্বামীর আয় থেকে নিয়মিত সঞ্চয় করে ইতোমধ্যে ১৬০ শতক জমি কিনেছেন সালমা, যা স্থানীয় হিসাবে প্রায় এক কানি। পাশাপাশি প্রায় ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে তৈরি করেছেন নতুন বসতঘর। একসময় যে সংসারে অভাব ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী, সেখানে এখন এসেছে আর্থিক স্বচ্ছলতা ও স্থিতিশীলতা।

নিজের সাফল্যে থেমে থাকতে চান না সালমা। আশপাশের নারীদেরও আয়বর্ধক কাজে যুক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। তাঁর বিশ্বাস, নারীরা ঘরের অবসর সময়কে কাজে লাগিয়ে পরিবারের আয় বাড়ানোর পাশাপাশি সমাজের উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারেন।

সালমা বেগম বলেন, ‘ইচ্ছা থাকলে অল্প পুঁজি দিয়েও কাজ শুরু করা যায়। শুরুটা ছোট হলেও পরিশ্রম আর ধৈর্য থাকলে একদিন সেটাই বড় হয়ে ওঠে।’

ভবিষ্যতে খামার আরও বড় করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা বাড়িয়ে উদ্যোগটিকে আরও সম্প্রসারণ করতে চান তিনি। তবে নিজের স্বপ্নের কেন্দ্রে রয়েছে দুই সন্তান। তাদের লেখাপড়া করিয়ে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা এবং সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করাই সালমার সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা।

সালমা বেগমের এই পথচলা দেখিয়ে দেয়, স্বাবলম্বী হতে সব সময় বড় পুঁজির প্রয়োজন হয় না। সামান্য সঞ্চয়, ছোট উদ্যোগ, কঠোর পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তি কাজে লাগাতে পারলে প্রতিকূলতা পেরিয়ে বদলে দেওয়া সম্ভব জীবনের গতিপথ।

কালের আলো/ডিএইচ/এমএসআইপি