খুঁজুন
                               
, ,
           

দক্ষিণ দনিয়ায় ১০ ককটেল উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:২২ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ দনিয়ায় ১০ ককটেল উদ্ধার, নিষ্ক্রিয় করল বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন দক্ষিণ দনিয়া এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০টি ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের সদস্যরা ককটেলগুলো নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী।

পুলিশ জানায়, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে দক্ষিণ দনিয়া কাঁচাবাজার এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচে গলির মাথায় একটি পুরোনো প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগ পড়ে থাকতে দেখা যায়। সন্দেহ হওয়ায় ব্যাগটি তল্লাশি করে এর ভেতর থেকে ১০টি ককটেল উদ্ধার করা হয়।

পরে বিষয়টি ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে জানানো হলে ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এরপর রাত ১০টা ২৫ মিনিটে যাত্রাবাড়ী থানাধীন গোলাপবাগ মাঠে ককটেলগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়।

এ ঘটনায় ককটেলগুলো সেখানে কারা রেখে গেছে, তা শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় তৎপরতা চলছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

পদ্মার চরাঞ্চল

পদ্মায় মাছ ধরেন, তবু জেলে কার্ড নেই—বঞ্চিত হাজারো জেলে

মাদারীপুর সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
পদ্মায় মাছ ধরেন, তবু জেলে কার্ড নেই—বঞ্চিত হাজারো জেলে

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পদ্মা ও আড়িয়াল খাঁ নদে দীর্ঘদিন ধরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করা অনেক প্রকৃত জেলে ‘জেলে কার্ড’ থেকে বঞ্চিত রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, পেশায় জেলে না হয়েও অনেকে তালিকাভুক্ত হয়ে সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন বলে দাবি স্থানীয় জেলেদের।

উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলখ্যাত চরজানাজাত, কাঁঠালবাড়ী ও বন্দরখোলা ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী এলাকার বহু মানুষ মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল। তাদের অভিযোগ, বছরের পর বছর মাছ ধরলেও অনেকের জেলে কার্ড হয়নি। ফলে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারি সহায়তা থেকেও তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।

স্থানীয় জেলেদের দাবি, জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে তৈরি করা তালিকায় প্রকৃত জেলেদের অনেকের নাম বাদ পড়েছে। বিপরীতে পেশায় জেলে নন—এমন ব্যক্তিদের নামও তালিকায় রয়েছে। ফলে সরকারি সহায়তার ক্ষেত্রে প্রকৃত জেলেরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, শিবচরে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৬ হাজার ৫৪২ জন। এর মধ্যে শিবচর পৌরসভায় ২৯৯ জনসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে ৬ হাজারের বেশি জেলে নিবন্ধিত রয়েছেন। তবে মাছ ধরার নিষিদ্ধ মৌসুমে সরকারি সহায়তা পাচ্ছেন প্রায় আড়াই হাজার জেলে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, ইলিশের প্রজনন মৌসুম ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার সময়ে নদীতে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে হয়। এ সময় সরকার থেকে চালসহ বিভিন্ন সহায়তা দেওয়া হয়। কিন্তু জেলে কার্ড না থাকায় প্রকৃত অনেক জেলে সেই সুবিধা পান না।

চরজানাজাত ইউনিয়নের জেলে রাকিব বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন জেলে ছিলেন। বাবার কোনো জেলে কার্ড ছিল না। এখন তিনিও মাছ ধরলেও কার্ড পাননি। অথচ জেলে নন—এমন অনেকের নাম তালিকায় রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

আরেক জেলে রহিম মাদবর বলেন, তালিকা তৈরির সময় জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি জমা দিয়েছেন। একাধিকবার কাগজপত্র দিলেও তার কার্ড হয়নি। তার মতো আরও অনেক প্রকৃত জেলে তালিকার বাইরে রয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি।

চরজানাজাত ইউনিয়নের সমাজসেবক অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন বেপারী বলেন, যারা বছরের পর বছর পদ্মায় মাছ শিকার করে পরিবার চালান, সরকারি সহায়তার প্রকৃত দাবিদার তারাই। জেলে কার্ডের তালিকা পুনঃযাচাই করে অযোগ্যদের বাদ এবং বঞ্চিত প্রকৃত জেলেদের দ্রুত তালিকাভুক্ত করার দাবি জানান তিনি।

শিবচর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সত্যজিৎ মজুমদার বলেন, উপজেলায় জেলে তালিকায় ছয় হাজারের বেশি নাম রয়েছে। তবে সহায়তা পাচ্ছেন প্রায় আড়াই হাজার জেলে। তালিকাটি অনেক পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে হালনাগাদের কাজ চলছে। যাচাই-বাছাই করে যোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত এবং অযোগ্যদের বাদ দেওয়া হবে।

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচএম ইবনে মিজান বলেন, প্রকৃত জেলেরা বঞ্চিত এবং জেলে নন এমন ব্যক্তিরা কার্ডের সুবিধা পাচ্ছেন—এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

মারিব ঘিরে সংঘর্ষ, হুথিদের ৮০ যোদ্ধা নিহতের দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:১৬ অপরাহ্ণ
মারিব ঘিরে সংঘর্ষ, হুথিদের ৮০ যোদ্ধা নিহতের দাবি

ইয়েমেনের কৌশলগত ও জ্বালানিসমৃদ্ধ মারিব শহর ঘিরে সরকারি বাহিনী ও ইরান-সমর্থিত হুথি গোষ্ঠীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়েছে। প্রায় ২৪ ঘণ্টার লড়াইয়ে ৮০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত এবং তাদের ৯টি সামরিক যান ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করেছে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর সামরিক গণমাধ্যম বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া আল-হাতেমি সৌদি আরবভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজকে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, শনিবার রাত থেকে রোববার রাত পর্যন্ত মারিবের দক্ষিণের হেরেব, মালা ও উম রাইশ এলাকায় সরকারি বাহিনীর সঙ্গে হুথিদের তীব্র লড়াই হয়। সরকারি বাহিনী বিমান ও ড্রোনের সহায়তায় হুথিদের হামলা প্রতিহত করে। এতে ৮০ জনের বেশি হুথি যোদ্ধা নিহত হন এবং তাদের ৯টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়।

ইয়েমেনি সেনাবাহিনী আরও জানায়, মারিব প্রদেশের বিভিন্ন সম্মুখসারিতে হুথিদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালানো হয়েছে। এসব হামলায় যোদ্ধাদের সমাবেশস্থল, সামরিক রসদ ও সুরক্ষিত অবস্থানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়। হামলার মুখে মারিব শহরের বাইরের কয়েকটি অবস্থান থেকে হুথি যোদ্ধারা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে বলেও দাবি করেছে সরকারি বাহিনী।

এদিকে শনিবার সানা, আমরান, হোদেইদা ও হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন অন্যান্য এলাকায় অন্তত ৫০ যোদ্ধার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন বলে আরব নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে হুথিদের হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে স্বাধীনভাবে কোনো তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ইয়াহিয়া আল-হাতেমির দাবি, হুথিরা প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ যোদ্ধা হারাচ্ছে এবং মনোবল ভেঙে পড়া ঠেকাতে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা গোপন করছে।

মারিব ইয়েমেনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অঞ্চল। সেখানে তেল ও গ্যাসক্ষেত্রের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। দীর্ঘদিনের সংঘাত ও হুথিদের নিয়ন্ত্রণ থেকে পালিয়ে আসা বিপুলসংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষও এ অঞ্চলে আশ্রয় নিয়েছেন।

সংঘর্ষের পর মারিব শহরের পশ্চিমে অবস্থিত নোমান পাহাড়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। একই সঙ্গে দেশের পশ্চিমাঞ্চল ও বাব আল-মান্দাব প্রণালী ঘিরেও সরকারি বাহিনী ও হুথিদের মধ্যে সংঘাত বাড়ছে।

সূত্র: আরব নিউজ

কালের আলো/এমএসআইপি 

পুলিশের ৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৭ পূর্বাহ্ণ
পুলিশের ৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ও নতুন পদে পদায়ন করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের (পুলিশ-১ শাখা) এক প্রজ্ঞাপনে এ রদবদল করা হয়।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিদ আহমেদ স্বাক্ষরিত জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাগেরহাটের পুলিশ সুপার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার ও চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রুহুল কবীর খানকে ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে পুলিশ অধিদফতরের ঢাকায় কর্মরত পুলিশ সুপার মো. জামিরুল ইসলামকে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চে (এসবি) ঢাকায় কর্মরত পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ারকে চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ