খুঁজুন
                               
, ,
           

বাংলাদেশ দলে প্রথমবার ডাক, এসিয়ান কাপে অভিষেকের অপেক্ষায় ফারহান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশ দলে প্রথমবার ডাক, এসিয়ান কাপে অভিষেকের অপেক্ষায় ফারহান

স্বপ্ন ছোঁয়ার অপেক্ষায় বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ইংলিশ ফুটবলার ফারহান আলী ওয়াহিদ। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন এই ১৯ বছর বয়সী উইঙ্গার। এসিয়ান কাপে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেকের অপেক্ষায় এখন রোমাঞ্চিত তিনি।

টুর্নামেন্ট খেলতে ইন্দোনেশিয়ায় যাওয়ার আগে নিজের অনুভূতি জানিয়েছেন ফারহান। দেশের হয়ে মাঠে নামার সুযোগ পাওয়াকে নিজের জন্য বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিজের দেশ, নিজের জাতি এবং নিজের ব্যাকগ্রাউন্ডকে প্রতিনিধিত্ব করা আমার জন্য খুবই রোমাঞ্চকর। সমর্থকদের কাছ থেকেও প্রচুর সমর্থন পাচ্ছি। শুরু করার জন্য আমি সত্যিই মুখিয়ে আছি।’

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফারহানের জন্ম ও বেড়ে ওঠা ইংল্যান্ডে। ফুটবলের শুরুতে অনূর্ধ্ব-১২ পর্যায়ে চেলসির একাডেমিতে ছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন ফুলহামের একাডেমিতে। ক্লাবটির বয়সভিত্তিক বিভিন্ন দল পেরিয়ে অনূর্ধ্ব-২১ দলেও খেলেছেন এই উইঙ্গার।

গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ-২-এ ফুলহামের হয়ে ৬ গোলের পাশাপাশি ৯টি অ্যাসিস্ট করেছেন ফারহান। চলতি মৌসুমে ধারে ইংল্যান্ডের পঞ্চম স্তরের ক্লাব বোরহামউডের হয়ে খেলছেন তিনি।

বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সুযোগ পেয়েছেন নিজের পারিবারিক শিকড়ের সূত্র ধরে। ফারহানের বাবা-মায়ের জন্ম ইংল্যান্ডে হলেও তার দাদা-নানার সূত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে রয়েছে পারিবারিক সম্পর্ক। সেই শেকড়ের টানেই বাংলাদেশের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশি সমর্থকদের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসায় অভিভূত ফারহান। তিনি বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। যেভাবে সমর্থন পাচ্ছি, তা অসাধারণ, অবাস্তব বলে মনে হয়। শুরুতেই এ ধরনের সমর্থন পাওয়া আমাকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে এবং দেশের জন্য ভালো কিছু করতে উৎসাহিত করে।’

আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর এসিয়ান কাপে অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে প্রতিপক্ষ মালয়েশিয়া। সেই ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের হয়ে ফারহানের অভিষেক হতে পারে।

তবে একাদশে সুযোগ পাওয়া বা অভিষেকের বিষয়টি নিয়ে ব্যক্তিগত প্রত্যাশার চেয়ে দলীয় সাফল্যকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত ফারহান বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ায় দলের সঙ্গে যোগ দিতে পেরে আমি খুবই রোমাঞ্চিত। আশা করি, আমরা সেখানে গিয়ে জয়লাভ করতে পারব।’

এসিয়ান কাপের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ সিঙ্গাপুর ও স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। জাতীয় দলের জার্সিতে নতুন এই উইঙ্গারের অভিষেকের অপেক্ষায় এখন বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও।

কালের আলো/এসএ

শ্রীলঙ্কার জাফনায় গণকবর, শিশু ও নবজাতকসহ ৫৭২ কঙ্কাল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
শ্রীলঙ্কার জাফনায় গণকবর, শিশু ও নবজাতকসহ ৫৭২ কঙ্কাল উদ্ধার

শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চলের জাফনার চেম্মানি এলাকায় একটি গণকবর থেকে শিশু ও নবজাতকসহ ৫৭২ জনের কঙ্কালাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গণকবরগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে শ্মশান সম্প্রসারণের জন্য খননকাজের সময় শ্রমিকরা প্রথম মানবদেহের অবশিষ্টাংশ দেখতে পান। পরে কয়েক ধাপে প্রত্নতাত্ত্বিক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা খনন চালিয়ে এসব কঙ্কালাবশেষ উদ্ধার করেন। সেখানে চুড়ি, স্কুলব্যাগ ও দুধের বোতলের মতো ব্যক্তিগত সামগ্রীও পাওয়া গেছে।

চেম্মানি এলাকায় শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের সময় গণকবর থাকার অভিযোগ বহুদিনের। নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজন ও মানবাধিকারকর্মীদের ধারণা, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের কিছু যুদ্ধের সময় নিহত বেসামরিক মানুষের হতে পারে। তবে এখনো এসব দেহাবশেষের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দেহাবশেষগুলো বর্তমানে জাফনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেনসিক বিভাগের হেফাজতে রয়েছে। পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে কিছু নমুনা বিদেশেও পাঠানো হতে পারে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের কাছ থেকেও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

১৯৮৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত চলা শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে প্রায় এক লাখ মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ হন বলে বিভিন্ন হিসাবে উল্লেখ করা হয়। নিহত ও নিখোঁজদের বড় একটি অংশ ছিলেন তামিল। নিরাপত্তা বাহিনী ও তামিল টাইগার—উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

চেম্মানি এলাকায় ১৯৯৬ সালে তামিল স্কুলছাত্রী কৃষান্তি কুমারস্বামীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করেও গণকবরের অভিযোগ সামনে আসে। ওই মামলায় পাঁচ সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। পরে এক দণ্ডিত সেনাসদস্য দাবি করেন, চেম্মানি এলাকায় কয়েক শ মানুষের মরদেহ সমাহিত করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে সেখানে খনন চালিয়ে ১০টির বেশি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

শ্রীলঙ্কার মানবাধিকার কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে পাওয়া দেহাবশেষগুলোর বেশিরভাগই অগভীর ও ঘনভাবে সমাহিত ছিল। কমিশন এসব সমাহিতকরণ অবৈধ হওয়ার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও ফরেনসিক তদন্ত প্রয়োজন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারগুলো দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের আশা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ স্বজনদের পরিচয় জানা যাবে। একই সঙ্গে তারা দায়ীদের শনাক্ত করে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন।

শ্রীলঙ্কার সরকার জানিয়েছে, চেম্মানির তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে এবং খননকাজ অব্যাহত থাকবে। তবে দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধের সময় বেসামরিক মানুষকে চেম্মানিতে গণহারে কবর দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

যুদ্ধকালীন নিখোঁজ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা রয়েছে। ২০১৮ সালে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে অফিস অব দ্য মিসিং পারসন্স (ওএমপি) গঠন করা হলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

চেম্মানির নতুন গণকবরের ঘটনায় তাই শুধু দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্ত করাই নয়, তাদের মৃত্যুর কারণ ও সম্ভাব্য দায়ীদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জোরালো হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

সুই-সুতায় ৩৫ বছরের জীবন, স্বপনের সংসারে এখনো অভাব

বাগেরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
সুই-সুতায় ৩৫ বছরের জীবন, স্বপনের সংসারে এখনো অভাব

সংসারের প্রয়োজন মেটাতে বয়সের ভারও থামাতে পারেনি স্বপন সরদারকে। জীবনের প্রায় ৩৫ বছর ধরে মানুষের ছেঁড়া জুতা সেলাই করে জীবিকা চালিয়ে আসছেন তিনি। বয়স বেড়ে যাওয়ায় শরীর আর আগের মতো সায় দেয় না। তবুও সংসারের হাল ধরতে প্রতিদিন পুরোনো জায়গায় বসে জুতা সেলাইয়ের কাজ করেন তিনি।

বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছোট্ট পরিসরে বসে কাজ করেন স্বপন। সামনে থাকে জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম, হাতে সুই-সুতা। কেউ ছেঁড়া জুতা নিয়ে এলে যত্ন করে তা মেরামত করেন। বিনিময়ে কখনো কয়েক দশক, কখনো বা কয়েকশ টাকা আয় হয়। এই সামান্য আয় দিয়েই চলে তার সংসার।

স্বপনের পরিবার জানায়, বয়সের কারণে এখন তার পক্ষে ভারী কোনো কাজ করা সম্ভব নয়। অথচ সংসারের প্রয়োজন মেটাতে তাকে কাজ করতেই হচ্ছে। পরিবারের একজন সন্তান বেকার থাকায় আর্থিক চাপ আরও বেড়েছে।

দোকানদার সজিব সাহা বলেন, বাসস্ট্যান্ডে এ ধরনের ছোট কাজ করে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, তাদের আয় খুবই কম। স্বপনের মতো একজন বয়স্ক মানুষ এত বছর ধরে কাজ করে যাচ্ছেন—বিষয়টি সত্যিই কষ্টের।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, স্বপনকে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি কিংবা অন্য কোনো সহায়তার আওতায় আনা গেলে তাদের কষ্ট কিছুটা কমতে পারে।

প্রতিদিনের মতো আজও হয়তো স্বপন বসবেন তার পুরোনো জায়গায়। সামনে থাকবে জুতা সেলাইয়ের সরঞ্জাম, হাতে থাকবে সুই-সুতা। কারও ছেঁড়া জুতা জোড়া লাগাতে লাগাতে হয়তো আবারও আয় হবে সামান্য কিছু টাকা।

এভাবেই ৩৫ বছর ধরে মানুষের পায়ের জুতা ঠিক করতে করতে নিজের সংসারের ভাঙাচোরা অবস্থাও সামলানোর চেষ্টা করছেন স্বপন সরদার। বয়সের ভার, কমে যাওয়া আয় আর বেকার সন্তানের চাপ—সব মিলিয়ে তার প্রতিটি দিনই যেন নতুন এক সংগ্রামের গল্প।

কালের আলো/এমএসআইপি 

চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:২২ অপরাহ্ণ
চলে গেলেন বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি

বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী মিঠু মুখার্জি আর নেই। দীর্ঘদিন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াইয়ের পর রোববার রাতে মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

সত্তরের দশকে বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন মিঠু মুখার্জি। অভিনয়ের স্বতন্ত্র ধরন ও পর্দায় তাঁর উপস্থিতি সে সময় দর্শকের মধ্যে আলাদা সাড়া ফেলেছিল। তবে ক্যারিয়ারের পরবর্তী সময়ে ধীরে ধীরে চলচ্চিত্র ও জনসম্মুখ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন এই অভিনেত্রী।

‘শেষ পর্ব’ দিয়ে অভিষেক

১৯৭২ সালে চিত্ত বসু পরিচালিত ‘শেষ পর্ব’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিঠু মুখার্জির। এরপর দীনেন গুপ্ত পরিচালিত ‘মর্জিনা আবদুল্লা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি।

‘মর্জিনা আবদুল্লা’র সাফল্যের পর বাংলা চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থান আরও শক্ত করেন মিঠু। সত্তরের দশকে একের পর এক সিনেমায় অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন সে সময়ের পরিচিত অভিনেত্রীদের একজন।

তাঁর উল্লেখযোগ্য বাংলা সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘নিশিকন্যা’, ‘মৌচাক’ ও ‘স্বয়ংসিদ্ধা’। এসব সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মধ্যে প্রশংসা পেয়েছিল।

হিন্দি সিনেমাতেও অভিনয়

বাংলা চলচ্চিত্রের পাশাপাশি হিন্দি সিনেমাতেও কাজ করেছেন মিঠু মুখার্জি। দুলাল গুহ পরিচালিত ‘খান দোস্ত’ সিনেমার মাধ্যমে হিন্দি চলচ্চিত্রে তাঁর অভিষেক হয়। পরে বাসু চ্যাটার্জির ‘সফেদ ঝুট’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।

এ ছাড়া তাঁর অভিনীত হিন্দি সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘দিল্লাগি’ এবং ‘দো লড়কে দোনো কড়কে’।

দীর্ঘ বিরতির পর পর্দায় ফেরা

একসময় অভিনয় থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন মিঠু মুখার্জি। দীর্ঘ বিরতির পর ১৯৯০ সালে চন্দ্রা বারোট পরিচালিত ‘আশ্রিতা’ সিনেমার মাধ্যমে আবার বড় পর্দায় ফেরেন তিনি। তবে এরপর আর নিয়মিত অভিনয়ে দেখা যায়নি তাঁকে।

দীর্ঘদিন চলচ্চিত্র থেকে দূরে থাকলেও সত্তরের দশকের বাংলা সিনেমার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সঙ্গে মিঠু মুখার্জির নাম জড়িয়ে আছে। তাঁর অভিনীত চরিত্র ও সিনেমাগুলো এখনো দর্শকের স্মৃতিতে জায়গা করে আছে। তাঁর মৃত্যুতে বাংলা চলচ্চিত্র অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

কালের আলো/এসএ