খুঁজুন
                               
, ,
           

শ্রীলঙ্কার জাফনায় গণকবর, শিশু ও নবজাতকসহ ৫৭২ কঙ্কাল উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০২ অপরাহ্ণ
শ্রীলঙ্কার জাফনায় গণকবর, শিশু ও নবজাতকসহ ৫৭২ কঙ্কাল উদ্ধার

শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চলের জাফনার চেম্মানি এলাকায় একটি গণকবর থেকে শিশু ও নবজাতকসহ ৫৭২ জনের কঙ্কালাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটিতে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত গণকবরগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে শ্মশান সম্প্রসারণের জন্য খননকাজের সময় শ্রমিকরা প্রথম মানবদেহের অবশিষ্টাংশ দেখতে পান। পরে কয়েক ধাপে প্রত্নতাত্ত্বিক ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা খনন চালিয়ে এসব কঙ্কালাবশেষ উদ্ধার করেন। সেখানে চুড়ি, স্কুলব্যাগ ও দুধের বোতলের মতো ব্যক্তিগত সামগ্রীও পাওয়া গেছে।

চেম্মানি এলাকায় শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের সময় গণকবর থাকার অভিযোগ বহুদিনের। নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজন ও মানবাধিকারকর্মীদের ধারণা, উদ্ধার হওয়া দেহাবশেষের কিছু যুদ্ধের সময় নিহত বেসামরিক মানুষের হতে পারে। তবে এখনো এসব দেহাবশেষের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

দেহাবশেষগুলো বর্তমানে জাফনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেনসিক বিভাগের হেফাজতে রয়েছে। পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে কিছু নমুনা বিদেশেও পাঠানো হতে পারে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের কাছ থেকেও ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

১৯৮৩ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত চলা শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধে প্রায় এক লাখ মানুষ নিহত এবং প্রায় ২৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ হন বলে বিভিন্ন হিসাবে উল্লেখ করা হয়। নিহত ও নিখোঁজদের বড় একটি অংশ ছিলেন তামিল। নিরাপত্তা বাহিনী ও তামিল টাইগার—উভয় পক্ষের বিরুদ্ধেই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে।

চেম্মানি এলাকায় ১৯৯৬ সালে তামিল স্কুলছাত্রী কৃষান্তি কুমারস্বামীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাকে কেন্দ্র করেও গণকবরের অভিযোগ সামনে আসে। ওই মামলায় পাঁচ সেনাসদস্যের মৃত্যুদণ্ড হয়েছিল। পরে এক দণ্ডিত সেনাসদস্য দাবি করেন, চেম্মানি এলাকায় কয়েক শ মানুষের মরদেহ সমাহিত করা হয়েছিল। ১৯৯৯ সালে সেখানে খনন চালিয়ে ১০টির বেশি কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।

শ্রীলঙ্কার মানবাধিকার কমিশনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন করে পাওয়া দেহাবশেষগুলোর বেশিরভাগই অগভীর ও ঘনভাবে সমাহিত ছিল। কমিশন এসব সমাহিতকরণ অবৈধ হওয়ার এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য আরও ফরেনসিক তদন্ত প্রয়োজন।

নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারগুলো দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। তাদের আশা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে নিখোঁজ স্বজনদের পরিচয় জানা যাবে। একই সঙ্গে তারা দায়ীদের শনাক্ত করে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছেন।

শ্রীলঙ্কার সরকার জানিয়েছে, চেম্মানির তদন্তে সহযোগিতা করা হচ্ছে এবং খননকাজ অব্যাহত থাকবে। তবে দেশটির সেনাবাহিনী যুদ্ধের সময় বেসামরিক মানুষকে চেম্মানিতে গণহারে কবর দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

যুদ্ধকালীন নিখোঁজ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমালোচনা রয়েছে। ২০১৮ সালে নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে অফিস অব দ্য মিসিং পারসন্স (ওএমপি) গঠন করা হলেও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, এখনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।

চেম্মানির নতুন গণকবরের ঘটনায় তাই শুধু দেহাবশেষের পরিচয় শনাক্ত করাই নয়, তাদের মৃত্যুর কারণ ও সম্ভাব্য দায়ীদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও জোরালো হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

পাঁচ দিনেই কোটি পার, ‘আপন পর’-এ তৌসিফের অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
পাঁচ দিনেই কোটি পার, ‘আপন পর’-এ তৌসিফের অভিনয়ে মুগ্ধ দর্শক

পারিবারিক সংকট, মা-ছেলের সম্পর্কের টানাপোড়েন, প্রেম, বাস্তবতা ও আত্মত্যাগ—এই আবেগগুলোকে কেন্দ্র করে নির্মিত নাটক ‘আপন পর’ প্রকাশের পর থেকেই দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। বিশেষ করে রিফাত চরিত্রে তৌসিফ মাহবুবের অভিনয় প্রশংসা কুড়াচ্ছে।

নাটকটি মুক্তির মাত্র পাঁচ দিনেই এক কোটি দর্শকসংখ্যা পার করেছে। পাশাপাশি ইউটিউবে নাটকটিতে লাইক পড়েছে ৯০ হাজারের বেশি এবং জমা হয়েছে প্রায় চার হাজার মন্তব্য।

মায়ের ভালোবাসার জন্য আত্মত্যাগ

‘আপন পর’-এর গল্প আবর্তিত হয়েছে রিফাতকে ঘিরে। ছোটবেলা থেকেই মায়ের তীব্র অভাববোধ তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। সৎমায়ের কাছ থেকে নিজের মায়ের মতো ভালোবাসা ও সমাদর পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও গভীর হয়।

মায়ের ‘আপন’ ছেলে হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা পূরণ না হওয়ায় একসময় মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে রিফাত। এরপর মায়ের একটি চাওয়া পূরণ করতে গিয়ে নিজের জীবনের বড় একটি ত্যাগ স্বীকার করে সে। সেই আত্মত্যাগই নাটকের আবেগের মূল জায়গা।

রিফাতের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন বিজরী বরকতুল্লাহ। দীর্ঘদিন পর তাঁকে পর্দায় দেখে উচ্ছ্বসিত হয়েছেন তাঁর ভক্তরা।

নতুন জুটিতে তৌসিফ-সাদনিমা

নাটকটিতে তৌসিফ মাহবুবের বিপরীতে প্রথমবার অভিনয় করেছেন সাদনিমা বিনতে নোমান। নতুন এই জুটিকেও পছন্দ করেছেন দর্শকেরা। দুজনের অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁদের পর্দার রসায়ন নিয়েও ইতিবাচক মন্তব্য দেখা গেছে।

তৌসিফের আবেগঘন অভিনয় বিশেষভাবে দর্শকদের নজর কেড়েছে। ইউটিউবের মন্তব্যে কেউ লিখেছেন, নাটকটি ছয়বার দেখেছেন এবং রিফাত চরিত্রে তৌসিফের অভিনয় দুর্দান্ত লেগেছে। আবার কেউ কেউ বাবা-মায়ের কবরের পাশে রিফাতের কান্নার দৃশ্যের কথা উল্লেখ করে নিজেদের আবেগের কথা জানিয়েছেন।

এক দর্শকের ভাষ্য, মায়ের ভালোবাসা না পাওয়ার কষ্ট নাটকটিতে খুব আবেগপূর্ণভাবে উঠে এসেছে। আরেকজনের মতে, মায়ের সামান্য ভালোবাসা পাওয়ার জন্য একজন সন্তান কতটা ত্যাগ করতে পারে, নাটকটি সেটিই তুলে ধরেছে।

গল্পে সাড়া, অভিনয়েও প্রশংসা

দর্শকদের মন্তব্যে নাটকের গল্প নিয়েও ব্যাপক আগ্রহ দেখা গেছে। অনেকেই পারিবারিক সম্পর্ক, মায়ের ভালোবাসা এবং আত্মত্যাগের বিষয়গুলো নিজেদের জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখেছেন।

মেসবাহউদ্দিন সুমনের চিত্রনাট্যে ‘আপন পর’ পরিচালনা করেছেন রুবেল হাসান। নাটকটিতে ব্যবহৃত হয়েছে ‘আদরে আস্তিন’ শিরোনামের গান। মাহবুব রহমানের কথায় গানটির সুর ও সংগীত করেছেন মার্সেল। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন কণা ও রিয়াদ।

মুক্তির মাত্র পাঁচ দিনে কোটি দর্শকের মাইলফলক পেরিয়ে ‘আপন পর’ এখন অনলাইন নাটকের দর্শকদের আলোচনায় থাকা একটি কাজ। বিশেষ করে রিফাত চরিত্রে তৌসিফ মাহবুবের অভিনয়ই নাটকটির সাড়া পাওয়ার অন্যতম আলোচিত দিক হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

মেসির বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন দি মারিয়া

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১০ অপরাহ্ণ
মেসির বিদায়ী ম্যাচে থাকবেন দি মারিয়া

আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়ে ভক্তদের আবেগে ভাসিয়েছিলেন লিওনেল মেসি। ডায়েরির তিনটি ছেঁড়া পাতা ও একটি কলমের ছবি সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশ করে আর্জেন্টিনা অধিনায়ক জানিয়েছিলেন নিজের বিদায়ের কথা। তবে মাঠ থেকে বিদায় নেওয়ার সুযোগ না পাওয়ায় হতাশ হয়েছিলেন আর্জেন্টাইন সমর্থকেরা।

বিশেষ করে ঘরের মাঠে নিজেদের ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলারকে বিদায় জানাতে না পারার বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল। এ নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সমালোচনাও করেন অনেকে। পরে অবশ্য মেসির জন্য বিদায়ী ম্যাচের আয়োজন করেছে এএফএ।

আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ ম্যাচ খেলবেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসি। তাঁর বিদায়ী ম্যাচে ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা দলের সব সদস্যকে পরিবারসহ উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছে এএফএ।

মেসির বিদায়ী ম্যাচে তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও সাবেক সতীর্থ আনহেল দি মারিয়া থাকবেন না—এটা যেন ভাবাই কঠিন। তবে মাঠে নেমে নয়, গ্যালারিতে বসেই প্রিয় বন্ধুর শেষ ম্যাচ দেখবেন আর্জেন্টিনার সাবেক এই উইঙ্গার।

দি মারিয়া নিজেই জানিয়েছেন, মেসির শেষ ম্যাচটি সামনে থেকে দেখার জন্য তিনি স্টেডিয়ামে থাকবেন। তিনি বলেন, ‘আমাকে তো স্টেডিয়ামে যেতেই হবে, তাই না? সামনে থেকে শেষ ম্যাচটা তো দেখতেই হবে। ৫ তারিখ ব্যানফিল্ডের বিপক্ষে আমাদের ম্যাচ আছে, তাই বুয়েনস এইরেসেই থেকে যাব। হাতের কাছেই যেহেতু, নিশ্চিতভাবেই গ্যালারিতে থাকব।’

মেসিকে ছাড়া আর্জেন্টিনা দল কল্পনা করাও কঠিন বলে মনে করেন দি মারিয়া। দীর্ঘদিনের সতীর্থ ও বন্ধুকে নিয়ে তিনি বলেন, ‘লিওকে ছাড়া আর্জেন্টিনার দল কল্পনা করা কতটা কঠিন, তাই না? এতগুলো বছর ধরে ও আর্জেন্টিনা, আর্জেন্টিনার মানুষ এবং পুরো বিশ্বকে যা উপহার দিয়েছে—তার পর ওকে ছাড়া দলকে মেনে নেওয়া সহজ হবে না।’

তবে বিদায়ের মুহূর্তটি আবেগে ভেসে যাওয়ার বদলে উপভোগ করতে চান দি মারিয়া। তাঁর ভাষায়, ‘তবে আমরা সবাই ওর এই শেষ দিনটি দারুণভাবে উপভোগ করব।’

আর্জেন্টিনার জার্সিতে মেসির বিদায়ী ম্যাচকে ঘিরে তাই তৈরি হয়েছে বাড়তি আবেগ। বিশ্বকাপজয়ী সতীর্থদের উপস্থিতির পাশাপাশি গ্যালারিতে থাকবেন দি মারিয়ার মতো দীর্ঘদিনের বন্ধু—যা মেসির আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়কে আরও স্মরণীয় করে তুলতে পারে।

কালের আলো/এসএ

শিল্পকলার মহাপরিচালক পদে এবার রেজাউদ্দিন স্টালিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৯ অপরাহ্ণ
শিল্পকলার মহাপরিচালক পদে এবার রেজাউদ্দিন স্টালিন

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক পদে গত কয়েক বছরে একাধিকবার পরিবর্তন এসেছে। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ থেকে শুরু করে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্ব—বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ব্যক্তিকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

ওই বছরের ৯ সেপ্টেম্বর নাট্যনির্দেশক ও গবেষক অধ্যাপক সৈয়দ জামিল আহমেদকে দুই বছরের জন্য শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সময়ে পুনর্গঠন করা হয় একাডেমির পরিষদ।

তবে ২০২৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মহাপরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন সৈয়দ জামিল আহমেদ। এরপর ৪ মার্চ ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেনকে।

প্রায় ছয় মাস পর ওয়ারেছ হোসেনকে সরিয়ে ১৪ সেপ্টেম্বর সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবুল ফয়েজকে শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি প্রায় এক সপ্তাহ দায়িত্ব পালন করেন।

এরপরই শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের দায়িত্ব পান রেজাউদ্দিন স্টালিন। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ এই পদে একাধিকবার পরিবর্তন আসে।

কালের আলো/এমএসআইপি