খুঁজুন
                               
, ,
           

‘এআই প্রশিক্ষণে তথ্য সংগ্রহ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শ্রম চুরি’

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৫ অপরাহ্ণ
‘এআই প্রশিক্ষণে তথ্য সংগ্রহ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শ্রম চুরি’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মডেল প্রশিক্ষণের জন্য ইন্টারনেট থেকে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংগ্রহের প্রক্রিয়াকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শ্রম চুরি’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন মাইক্রোসফটের এক কর্মকর্তা। আদালতের নথিতে তাঁর এমন মন্তব্য প্রকাশ পাওয়ার পর কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট এআই প্রশিক্ষণে ব্যবহারের বিতর্ক আবারও সামনে এসেছে।

ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লায়েড সায়েন্স বিভাগের পরিচালক ব্রেন্ট হেখটের মন্তব্য নিউইয়র্ক টাইমসসহ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের করা কপিরাইট মামলার আদালতের নথিতে উঠে এসেছে।

অনলাইনের কনটেন্ট এআই মডেল প্রশিক্ষণে ব্যবহারের বিষয়ে হেখট লিখেছেন, বিশ্বের লাখো মানুষ তাদের তৈরি করা কাজ বড় এআই মডেল এভাবে সংগ্রহ করাকে নজিরবিহীন চুরি হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। তাঁর মতে, অধিকাংশ মানুষ তাদের তৈরি কনটেন্ট এভাবে ব্যবহারের অনুমতি দেননি এবং এর বিনিময়ে কোনো পারিশ্রমিকও পাননি।

তবে এ বিষয়ে মাইক্রোসফট ও ওপেনএআইয়ের অবস্থান ভিন্ন। প্রতিষ্ঠান দুটির দাবি, এআই মডেল প্রশিক্ষণে কপিরাইটযুক্ত উপাদান ব্যবহার ‘ফেয়ার ইউজ’ নীতির আওতায় পড়ে। তাদের যুক্তি, এআই সিস্টেম কনটেন্ট হুবহু পুনঃপ্রকাশ না করে তা ব্যবহার করে নতুন ও রূপান্তরিত আউটপুট তৈরি করে।

অন্যদিকে নিউইয়র্ক টাইমসসহ সংবাদমাধ্যমগুলো এই যুক্তির বিরোধিতা করছে। তাদের অভিযোগ, এআই পণ্যগুলো অনেক ক্ষেত্রে মূল সংবাদমাধ্যমের কনটেন্টের বিকল্প হয়ে উঠছে। ফলে একদিকে এআই মডেলগুলো সংবাদমাধ্যমের তৈরি কনটেন্ট থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে, অন্যদিকে ব্যবহারকারীদের মূল ওয়েবসাইটে যাওয়ার প্রয়োজনও কমে যাচ্ছে।

আদালতের নথিতে মাইক্রোসফটের প্রধান নির্বাহী সত্য নাদেলার বক্তব্যও উঠে এসেছে। তিনি স্বীকার করেছেন, চ্যাটবটের মাধ্যমে সরাসরি এআই প্ল্যাটফর্মে তথ্য পাওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর মূল ওয়েবসাইটে যাওয়ার প্রয়োজন হচ্ছে না।

মাইক্রোসফটের তথ্যের বরাতে নথিতে বলা হয়েছে, প্রচলিত বিং সার্চের তুলনায় কোপাইলটের ‘অ্যানসার ইঞ্জিনে’ নিউইয়র্ক টাইমস ও ডেইলি নিউজের ওয়েবসাইটে ক্লিকের হার ৮৩ থেকে ৯৩ শতাংশ পর্যন্ত কম ছিল।

এদিকে ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটির প্রধান নিক টার্লি আদালতের জবানবন্দিতে এআই পণ্যগুলোকে সংবাদমাধ্যমের কনটেন্টের ক্ষেত্রে ‘অনেকটাই বিকল্পধর্মী’ বলে উল্লেখ করেছেন। ওপেনএআইয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা গ্রেগ ব্রকম্যানও সংবাদভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রে এআই মডেলগুলোর কার্যকারিতার কথা বলেছেন।

নিউইয়র্ক টাইমস ২০২৩ সালে মাইক্রোসফট ও ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে নিউইয়র্ক ডেইলি নিউজ, দ্য ইন্টারসেপ্ট ও সেন্টার ফর ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিংসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমও মামলায় যুক্ত হয়।

কপিরাইটযুক্ত কনটেন্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে মাইক্রোসফট ও ওপেনএআই এখনো ‘ফেয়ার ইউজ’ যুক্তি অনুসরণ করছে। অন্যদিকে সংবাদমাধ্যমগুলো আদালতের মাধ্যমে তাদের কপিরাইট দাবি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে। ফলে এআই মডেল প্রশিক্ষণ, কনটেন্টের মালিকানা এবং সংবাদমাধ্যমের ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে আইনি বিতর্ক আরও জোরালো হচ্ছে।

কালের আলো/এসএ

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম হবে পেপারলেস

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম আগামী তিন মাসের মধ্যে পেপারলেস করা হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে কর্মকর্তাদের কারিগরি ও প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়াতে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রম পেপারলেস করা হবে। এ জন্য ডি-নথির ব্যবহার আরও বাড়ানোর পাশাপাশি পুরনো নথিগুলো আর্কাইভে নেওয়া হবে। ডি-নথির মাস্টার ট্রেনারদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৩ জন কর্মকর্তা অংশ নেন। প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের হাতে সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. নাজমুল হোসেন।

কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শুদ্ধাচার দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কামাল হাছানসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এসএ

জবিতে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’, সম্মাননা পেলেন ৩৪ শিক্ষক

কাম্পাস ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৪ অপরাহ্ণ
জবিতে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’, সম্মাননা পেলেন ৩৪ শিক্ষক

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) প্রথমবারের মতো ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ অর্জনকারী ৩৪ শিক্ষককে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ২০১৮-১৯ থেকে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত বিভিন্ন বিভাগের এসব শিক্ষক গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার অর্জন করেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আব্দুল হান্নান চৌধুরী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু শিক্ষাদান ও ডিগ্রি প্রদানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করাও এর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। গবেষণার মাধ্যমে শিক্ষকদের চিন্তার পরিসর বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে গবেষণাভিত্তিক সম্পৃক্ততা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

গবেষণায় প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা আরও বাড়ানোরও আহ্বান জানান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

সভাপতির বক্তব্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবার ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ দিতে পেরে তারা আনন্দিত ও গর্বিত। বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নিতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে গবেষণার পরিধি আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

একই সঙ্গে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মতো অন্যান্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদেরও গবেষণায় আরও উৎসাহিত হওয়ার আহ্বান জানান উপাচার্য।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘স্পেশাল রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড’ শুধু স্বীকৃতি নয়, বরং গবেষণায় আরও ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা। তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনে আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, পুরস্কারপ্রাপ্ত ৩৪ শিক্ষকের মধ্যে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে ১১ জন, ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ৫ জন, ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে একজন এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে একজন রয়েছেন।

গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, অধ্যাপক, গ্রন্থাগারিক, প্রভোস্ট, প্রক্টর, বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, পরিবহন প্রশাসক ও ছাত্র উপদেষ্টাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষকরা নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করেন। পরে তাঁদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।

কালের আলো/এসএ

একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর

শিক্ষা ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
একাদশে ভর্তিতে দ্বিতীয় ধাপে আবেদন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য দ্বিতীয় ধাপে আবারও অনলাইন আবেদন নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১ অক্টোবর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের নির্বাচন নিশ্চায়ন করতে পারবেন।

যারা আবেদন করতে পারবেন

দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবেন—

  • আগে আবেদন করেননি এমন শিক্ষার্থীরা।
  • আবেদন করেও কোনো কলেজে সিলেকশন পাননি এমন শিক্ষার্থীরা।
  • চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েও নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন বা কলেজে ভর্তি হতে পারেননি এমন শিক্ষার্থীরা।
  • ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে মনোনয়ন পেয়েও কলেজে ভর্তি হতে পারেননি এমন শিক্ষার্থীরা।

আবেদন করবেন যেভাবে

শিক্ষা বোর্ডগুলোর নির্ধারিত ভর্তি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন করতে হবে। কলেজের বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দ দিতে পারবেন।

গুরুত্বপূর্ণ সময়সূচি

  • অনলাইন আবেদন: ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত
  • ফল প্রকাশ: ১ অক্টোবর রাত ৮টা
  • নিশ্চায়ন: ফল প্রকাশের পর থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত
  • দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল: ৪ অক্টোবর রাত ৮টা
  • কলেজে ভর্তি: ৫ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো শিক্ষার্থী নির্বাচন নিশ্চায়ন না করলে তার নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।

এদিকে, প্রথম ধাপে আবেদন করেও কোনো কলেজে সিলেকশন না পাওয়া শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে ২২০ টাকা আবেদন ফি দিতে হবে না। তাদের ভর্তি ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ সিলেকশন বা এডিট সম্পন্ন করতে হবে।

কালের আলো/এসএ