খুঁজুন
                               
, ,
           

আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ড: আহতদের পাশে সরকার, হাসপাতালে এলজিআরডিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১৬ অপরাহ্ণ
আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ড: আহতদের পাশে সরকার, হাসপাতালে এলজিআরডিমন্ত্রী

আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আহতদের দেখতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতদের সঙ্গে কথা বলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। পাশাপাশি আহতদের পরিবারের সদস্যদেরও খোঁজখবর নেন তিনি।

অগ্নিকাণ্ডে নিহত নজরুল ইসলামের পরিবারের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।

ড. আবদুল মঈন খান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় জরুরি ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের খোঁজখবর নিতে হাসপাতালে আসা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে আহত ও নিহতদের পরিবারের বিষয়ে খোঁজখবর রাখছেন।

তিনি বলেন, কঠিন এই সময়ে সরকার নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।

নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।

শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের পাশে সরকার রয়েছে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিহত ও আহতদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

হাসপাতাল পরিদর্শনকালে শ্রম ও কর্মসংস্থানসচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ছোট্ট গবেষক জো নাগাইয়ের প্রজাপতি-রহস্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
ছোট্ট গবেষক জো নাগাইয়ের প্রজাপতি-রহস্য

জাপানের কিয়োটোতে আন্তর্জাতিক কীটতত্ত্ব সম্মেলনে মাত্র ১০ বছর বয়সে নিজের গবেষণা উপস্থাপন করে বিজ্ঞানীদের নজর কাড়ে জো নাগাই। তার গবেষণার প্রশ্ন ছিল—শুঁয়াপোকা প্রজাপতিতে রূপান্তরিত হওয়ার পরও কি আগের শেখা বিষয় মনে রাখতে পারে?

জো শুঁয়াপোকাকে ল্যাভেন্ডারের গন্ধের সঙ্গে হালকা বৈদ্যুতিক শকের অভিজ্ঞতা দেয়। পরে প্রজাপতিতে রূপান্তরের পর দেখা যায়, প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রায় ৭০ শতাংশ প্রজাপতি ল্যাভেন্ডারের গন্ধ এড়িয়ে চলছে। অর্থাৎ রূপান্তরের পরও আগের অভিজ্ঞতার প্রভাব আচরণে রয়ে যেতে পারে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রশিক্ষণ না পাওয়া তাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনেক প্রজাপতিও একই গন্ধ এড়িয়ে চলেছে। তৃতীয় প্রজন্মেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেলেও নমুনা কম হওয়ায় জো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

ছোটবেলা থেকেই পোকামাকড়ের প্রতি আগ্রহী জো নিজের পর্যবেক্ষণ লিখে রাখত, আগের গবেষণা পড়ত এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করত। তার গবেষণা এখনো প্রজাপতির স্মৃতি বা শেখা আচরণ বংশপরম্পরায় কীভাবে প্রভাব ফেলে—তার চূড়ান্ত উত্তর দেয়নি। তবে একটি শিশুর সাধারণ কৌতূহল কীভাবে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে রূপ নিতে পারে, জো নাগাইয়ের গল্প তারই অনন্য উদাহরণ।

কালের আলো/এসএ

রাজশাহীতে উপ-অঞ্চল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহীতে উপ-অঞ্চল ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

রাজশাহীতে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন উপ-অঞ্চল পর্যায়ের ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি স্টেডিয়ামে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় কাবাডি, হ্যান্ডবল, সাঁতার ও দাবাসহ বিভিন্ন ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।

প্রতিযোগিতায় বালকদের কাবাডিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চ্যাম্পিয়ন এবং রাজশাহী রানারআপ হয়। বালিকাদের কাবাডিতে জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়ন ও নওগাঁ রানারআপ হয়। বালকদের হ্যান্ডবলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চ্যাম্পিয়ন এবং রাজশাহী রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বালিকাদের হ্যান্ডবলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চ্যাম্পিয়ন ও জয়পুরহাট রানারআপ হয়।

বড় বালকদের সাঁতারে ২০ পয়েন্ট পেয়ে পাবনা চ্যাম্পিয়ন এবং ১৫ পয়েন্ট পেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রানারআপ হয়। মধ্যম বালকদের সাঁতারে ১৫ পয়েন্ট পেয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ চ্যাম্পিয়ন এবং ১৩ দশমিক ৫ পয়েন্ট পেয়ে বগুড়া রানারআপ হয়।

বড় বালিকাদের সাঁতারে বগুড়া ২১ পয়েন্ট পেয়ে চ্যাম্পিয়ন এবং ২০ পয়েন্ট পেয়ে রানারআপ হয়। মধ্যম বালিকাদের সাঁতারে বগুড়া ১৮ পয়েন্ট পেয়ে চ্যাম্পিয়ন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ ১৫ পয়েন্ট পেয়ে রানারআপ হয়।

দাবায় বড় বালকদের বিভাগে বগুড়া চ্যাম্পিয়ন ও নাটোর রানারআপ, মধ্যম বালকদের বিভাগে পাবনা চ্যাম্পিয়ন ও রাজশাহী রানারআপ হয়। বড় বালিকাদের বিভাগে রাজশাহী চ্যাম্পিয়ন ও নওগাঁ রানারআপ এবং মধ্যম বালিকাদের বিভাগে জয়পুরহাট চ্যাম্পিয়ন ও সিরাজগঞ্জ রানারআপ হয়।

সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা, রাজশাহী অঞ্চলের উপপরিচালক মোহা. আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরিচালক প্রফেসর মো. হুমায়ুন কবীর এবং সচিব প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রউফ।

এ সময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ক্রীড়া সংগঠক, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

সংবিধানের ১৫৩ অনুচ্ছেদে খুঁজলে ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা মিলবে না: শিশির মনির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
সংবিধানের ১৫৩ অনুচ্ছেদে খুঁজলে ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা মিলবে না: শিশির মনির

জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ক্রান্তিকালীন সরকারের বৈধতা কেবল সংবিধানের ১৫৩টি অনুচ্ছেদের ভেতরে খুঁজলে পাওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট শিশির মনির। তিনি বলেছেন, এই শূন্যতার আইনি ব্যাখ্যা দিতে হলে জনগণের ‘গাঠনিক ক্ষমতা’ বা ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ এর ওপর নির্ভর করতে হবে।

সোমবার ( ২১ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে দেশের বর্তমান সাংবিধানিক সংকট এবং তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার আইনি ও মৌলিক বিষয়গুলোর মুখোমুখি অবস্থানের কথা উল্লেখ করে শিশির মনির তার বক্তব্যকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করে উপস্থাপন করেন। বিষয়গুলো হলো— সংবিধান ও সাংবিধানিক আইন, সংশোধন নাকি সংস্কার, গণভোট ও ভিন্নমতের (ডিসেন্টিং অপিনিয়ন) মর্যাদা, ক্রান্তিকাল বা ট্রানজিশনাল পিরিয়ড এবং ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ের আলোকে বর্তমান আইনি অবস্থান।

আক্ষরিক পাঠে সংবিধানের ‘অপব্যাখ্যা’

সংবিধানের কেবল আক্ষরিক পাঠ দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করাকে ‘ভুল ব্যাখ্যা’ (মিসইন্টারপ্রিটেশন) আখ্যা দিয়ে শিশির মনির বলেন, আমাদের সংবিধানে ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, একটি প্রস্তাবনা ও তফসিল আছে। যারা আক্ষরিক অর্থে পড়তে চান, তারা কেবল এতটুকুই দেখবেন। কিন্তু সংবিধান বুঝতে গেলে ইতিহাস, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সুপ্রিম কোর্টের অতীত রায় ও স্কলারদের মতামত সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা কেবল ‘ক’ আর ‘খ’-তে কী লেখা আছে তা পড়ে সংবিধান বিশ্লেষণ করছেন, তারা সাংবিধানিক আইন থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। ‘সংশোধন’ নয়, করতে হবে ‘সংস্কার’।

সংবিধান সংশোধন ও সংস্কারের মধ্যে পার্থক্য তুলে ধরে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, জুলাই সনদের মূল উদ্দেশ্য সংস্কার হলেও পদ্ধতি হিসেবে সংশোধনের কথা বলা হচ্ছে।

সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ২৬৬ বিধির অধীনে বিশেষ কমিটি গঠনের বিষয়ে তিনি বলেন, এই বিধি অনুযায়ী সংস্কারের উদ্দেশ্যে কমিটি গঠনে আইনগত কোনো বাধা নেই। ২৬৬ বিধিতে কমিটির নাম বলা হয়েছে ‘বিশেষ কমিটি’, এটি কেবল সংশোধনের জন্যই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই।

তিনি সতর্ক করে বলেন, সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানের ‘বেসিক স্ট্রাকচার’ বা মৌলিক কাঠামো— যেমন প্রস্তাবনা বা রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি পরিবর্তন করা যায় না। অতীতে পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম, ত্রয়োদশ, পঞ্চদশ ও ষোড়শ সংশোধনী দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পাস হলেও তা টেকেনি। কারণ এগুলো সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থি ছিল। এগুলো পরিবর্তন করতে হলে ‘অ্যামেন্ডিং পাওয়ার’ নয়, ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ বা গাঠনিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে হবে।

গণভোটের রায় বনাম ভিন্নমত

গণভোটের প্রশ্নে জনগণের মতামতের ওপর জোর দিয়ে শিশির মনির বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন গঠন, উচ্চকক্ষ (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ) প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির মতো বিষয়গুলোতে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোট থাকলে সেখানে কোনো রাজনৈতিক দলের ‘ডিসেন্টিং অপিনিয়ন’ বা ভিন্নমত কার্যকর হতে পারে না।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, গণভোট বড়, নাকি ভিন্নমত বড়? জনগণকে জিজ্ঞাসা করার পর তারা যখন ম্যান্ডেট দিয়েছে, তখন আপনি যদি ভিন্নমত নিতে চান, তবে তা হবে জনগণের ম্যান্ডেটের লঙ্ঘন।

ক্রান্তিকালের বৈধতা ও জনগণের ‘গাঠনিক ক্ষমতা’

৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কালকে ‘সাংবিধানিক ভেকুয়াম’ বা শূন্যতা হিসেবে উল্লেখ করে শিশির মনির বলেন, এই সময়ের বৈধতা সংবিধানে খোঁজা বৃথা।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট সরকার শূন্য হয়ে যাওয়ার পর থেকে দেশ কোন আইনে চলছে— এই উত্তর সংবিধানে পাবেন না, সাংবিধানিক আইনে পাবেন। এর নাম হলো ‘কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ বা জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা। এই ক্ষমতা ১৫৩ অনুচ্ছেদে লেখা নেই।

১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের সরকারপ্রধান হওয়ার দৃষ্টান্ত এবং সুপ্রিম কোর্টের ত্রয়োদশ সংশোধনী মামলার রায়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, একবার সংবিধান বানিয়ে ফেললেই নতুন করে সংবিধান বানানোর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া যায় না। আমাদের সুপ্রিম কোর্ট একে ‘রিপোজিটরি অব কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার’ বলেছে, যা সবসময় জনগণের কাছে থাকে। ৫ আগস্ট ঠিক সেটাই ঘটেছে।

বক্তব্যের শেষে তিনি সতর্ক করে বলেন, এই ক্রান্তিকালের ব্যাখ্যা কেবল জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করলেই দেওয়া সম্ভব। তা না করে কেবল সংবিধানের পাতায় খুঁজলে, বিগত এই দেড় বছরকে ‘সাংবিধানিক রাষ্ট্রদ্রোহিতা’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। আর তা করলে পরবর্তী সরকারের অবস্থান কী দাঁড়াবে, সেটি ভেবে দেখতে হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ