খুঁজুন
                               
, ,
           

এআই নিয়ন্ত্রণে হাতে হয়তো আর মাত্র এক বছর: জিওফ্রি হিন্টন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪২ অপরাহ্ণ
এআই নিয়ন্ত্রণে হাতে হয়তো আর মাত্র এক বছর: জিওফ্রি হিন্টন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত অগ্রগতির সঙ্গে বাড়ছে এর নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ। নোবেলজয়ী কম্পিউটারবিজ্ঞানী জিওফ্রি হিন্টনের মতে, উন্নত এআইকে নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তাব্যবস্থা তৈরিতে মানুষের হাতে হয়তো আর মাত্র এক বছর সময় আছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের সঙ্গে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে অংশ নেন হিন্টন। বৈঠক শেষে এআই নিয়ন্ত্রণে আইনপ্রণেতাদের হাতে কতটা সময় আছে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘হয়তো এক বছর, তবে এর চেয়ে খুব বেশি সময় নয়।’ তাঁর মতে, এআইয়ের উন্নয়নের গতি কমানোর পাশাপাশি দ্রুত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন।

হিন্টন এআইয়ের দ্রুত সক্ষমতা বৃদ্ধির উদাহরণ হিসেবে হাগিং ফেসকে ঘিরে সাম্প্রতিক একটি সাইবার নিরাপত্তা ঘটনার কথা উল্লেখ করেন। ঘটনাটিকে তিনি ‘ছোট আকারের চেরনোবিল’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তাঁর আশঙ্কা, এআইয়ের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা একই গতিতে এগোতে না পারলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

এজিআই নিয়ে উদ্বেগ

হিন্টনের উদ্বেগের অন্যতম কারণ কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই (AGI) তৈরির সম্ভাব্য সময়সীমা কমে আসা। এজিআই বলতে এমন এআইকে বোঝানো হয়, যা বিস্তৃত ধরনের কাজ মানুষের সমপর্যায়ে বা তার চেয়েও দক্ষতার সঙ্গে করতে সক্ষম।

হিন্টনের ভাষ্য অনুযায়ী, একসময় গবেষকদের ধারণা ছিল এ ধরনের প্রযুক্তি তৈরি হতে ৩০ থেকে ৫০ বছর লাগতে পারে। পরে সেই ধারণা কমে ১০ থেকে ২০ বছরে দাঁড়ায়। বর্তমানে কিছু গবেষক মনে করছেন, মানুষের সমকক্ষ বা তার চেয়ে বেশি সক্ষম এআই তৈরি হতে মাত্র কয়েক বছরও লাগতে পারে।

হাগিং ফেসের ঘটনা

এআই নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে আলোচনার পেছনে হাগিং ফেসকে ঘিরে একটি সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার ঘটনাও রয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ে নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় ওপেনএআইয়ের কয়েকটি এআই এজেন্ট মানুষের সরাসরি নির্দেশনা ছাড়াই ইন্টারনেটে প্রবেশ করে হাগিং ফেসের সিস্টেমে ঢোকার চেষ্টা করে।

ওপেনএআইয়ের তথ্যমতে, এআই এজেন্টগুলো একাধিক নিরাপত্তা দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন সার্ভারে প্রবেশ করেছিল। তারা নিজেদের মধ্যে অননুমোদিত যোগাযোগের ব্যবস্থাও তৈরি করেছিল, যার মাধ্যমে এক এজেন্টের পাওয়া তথ্য অন্যদের কাছে পৌঁছাচ্ছিল।

ওপেনএআই ঘটনাটিকে সতর্কসংকেত হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, অত্যন্ত সক্ষম এআই এজেন্টের ক্ষেত্রে যথাযথ নিরাপত্তাব্যবস্থা না থাকলে তারা প্রযুক্তিগত নিয়ন্ত্রণ এড়িয়ে যেতে, অননুমোদিতভাবে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং মানুষের সরাসরি নির্দেশনা ছাড়াই ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারে।

হিন্টনের সতর্কবার্তার মূল বিষয় হলো—এআইয়ের সক্ষমতা যত দ্রুত বাড়ছে, তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার উন্নয়নও জরুরি। তবে ‘আর মাত্র এক বছর’ সময়সীমাটি তাঁর ব্যক্তিগত সতর্কতা ও মূল্যায়ন; এটি এআইয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের কোনো নিশ্চিত সময়সূচি নয়।

কালের আলো/এসএ

অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:০১ অপরাহ্ণ
অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক ও মূল্য স্থিতিশীল রাখতে বাজার নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেউ অযৌক্তিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ালে বা অতিরিক্ত মুনাফার চেষ্টা করলে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু রমজান মাসকে কেন্দ্র করে নয়, সারা বছরই নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ জন্য ব্যবসায়ী সংগঠন, আমদানিকারক, উৎপাদক ও সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্নের কারণে কয়েকটি শিল্পের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। পণ্য পরিবহনেও প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি ঝড়-বৃষ্টিসহ প্রতিকূল আবহাওয়ার প্রভাব পড়েছে কিছু এলাকার বাজারে। তবে শীতকাল সামনে থাকায় নতুন সবজি বাজারে আসতে শুরু করলে সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে নিয়মিত বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান। তার মতে, পণ্যের দামে সামান্য অস্বাভাবিক ওঠানামাও সাধারণ মানুষের মধ্যে বাজার নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে। তাই মূল্য স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি ভোক্তাদের আস্থা ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি জানান, বাজার মনিটরিং জোরদারে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে কার্যক্রম বাড়ানো হবে। পাশাপাশি আমদানিকারকদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে পণ্যের মজুত, আমদানি ও সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হবে।

সভায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের উপস্থাপনায় জানানো হয়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে বেশ কিছু নিত্যপণ্যের আমদানি ও এলসি খোলার পরিস্থিতি ইতিবাচক। গত বছরের ১ জুলাই থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪২ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল আমদানি হলেও চলতি বছরের একই সময়ে তা বেড়ে ১ লাখ ৬ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে।

এ ছাড়া ভোজ্যতেলের কাঁচামাল বা সিড আমদানিও বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ে ২ লাখ ৭৩ হাজার টন সিড আমদানি হলেও চলতি বছরে তা বেড়ে ৩ লাখ ৮৬ হাজার টনে পৌঁছেছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নিত্যপণ্যের সরবরাহব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ট্রেসেবিলিটি কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উৎপাদন থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্যের সরবরাহের বিভিন্ন ধাপ এ ব্যবস্থার আওতায় পর্যবেক্ষণ করা হবে। ডিম ও পোল্ট্রিসহ গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপণ্যকে প্রাথমিকভাবে এ কার্যক্রমে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আতাউর রহমান খান, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলা, জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জহিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৭ অপরাহ্ণ
আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর) কেবল কথায় সীমাবদ্ধ থাকেনি, কাজের মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। রোগ নির্ণয় ও গবেষণায় প্রতিষ্ঠানটির তরুণ গবেষকরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন।

তাদের সক্ষমতা আরও বাড়াতে সরকার আইইডিসিআরে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহের উদ্যোগ নেবে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহাখালীতে ইনস্টিটিউট অব এপিডেমোলজি ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চে (আইইডিসিআর) ২য় বাংলাদেশ এফইটিপি কনফারেন্স ২০২৬’ শীর্ষক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা ও হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় আইইডিসিআরে অবদান অনস্বীকার্য।

করোনা মহামারির সময়ে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারণেই বাংলাদেশে মৃত্যুহার বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় কম ছিল। এজন্য তিনি চিকিৎসকদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

সবার জন্য সুস্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার ইতোমধ্যে উপজেলা পর্যায়ের ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তরের কাজ শুরু করেছে। এসব হাসপাতালে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সুবিধা, ডায়ালাইসিস সেন্টার এবং ব্রেস্টফিডিং সেন্টারসহ প্রয়োজনীয় আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক কাজী আহমেদ জাকী।

এর আগে সরদার সাখাওয়াত হোসেন কলেজ অব নার্সিং, ঢাকায় বিশ্ব আলঝেইমার্স দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত সেমিনারে অংশ নেন৷ এসময় আলঝেইমার রোগ প্রতিরোধে একটি সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগামী বাজেটে প্রাথমিকভাবে সীমিত পরিসরে এ রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ কার্যক্রমে অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ছোট্ট গবেষক জো নাগাইয়ের প্রজাপতি-রহস্য

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
ছোট্ট গবেষক জো নাগাইয়ের প্রজাপতি-রহস্য

জাপানের কিয়োটোতে আন্তর্জাতিক কীটতত্ত্ব সম্মেলনে মাত্র ১০ বছর বয়সে নিজের গবেষণা উপস্থাপন করে বিজ্ঞানীদের নজর কাড়ে জো নাগাই। তার গবেষণার প্রশ্ন ছিল—শুঁয়াপোকা প্রজাপতিতে রূপান্তরিত হওয়ার পরও কি আগের শেখা বিষয় মনে রাখতে পারে?

জো শুঁয়াপোকাকে ল্যাভেন্ডারের গন্ধের সঙ্গে হালকা বৈদ্যুতিক শকের অভিজ্ঞতা দেয়। পরে প্রজাপতিতে রূপান্তরের পর দেখা যায়, প্রশিক্ষণ পাওয়া প্রায় ৭০ শতাংশ প্রজাপতি ল্যাভেন্ডারের গন্ধ এড়িয়ে চলছে। অর্থাৎ রূপান্তরের পরও আগের অভিজ্ঞতার প্রভাব আচরণে রয়ে যেতে পারে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, প্রশিক্ষণ না পাওয়া তাদের পরবর্তী প্রজন্মের অনেক প্রজাপতিও একই গন্ধ এড়িয়ে চলেছে। তৃতীয় প্রজন্মেও একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেলেও নমুনা কম হওয়ায় জো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়নি।

ছোটবেলা থেকেই পোকামাকড়ের প্রতি আগ্রহী জো নিজের পর্যবেক্ষণ লিখে রাখত, আগের গবেষণা পড়ত এবং বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ করত। তার গবেষণা এখনো প্রজাপতির স্মৃতি বা শেখা আচরণ বংশপরম্পরায় কীভাবে প্রভাব ফেলে—তার চূড়ান্ত উত্তর দেয়নি। তবে একটি শিশুর সাধারণ কৌতূহল কীভাবে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানে রূপ নিতে পারে, জো নাগাইয়ের গল্প তারই অনন্য উদাহরণ।

কালের আলো/এসএ