খুঁজুন
                               
, ,
           

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযান, আটক ৫৭ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৫৯ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযান, আটক ৫৭ হাজার

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২৬০ দিনে দেশজুড়ে প্রায় ৯ হাজার ৭০০টি অভিযান চালিয়ে ৫৭ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

একই সময়ে ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুয়ালালামপুরের একটি আবাসিক এলাকায় সমন্বিত অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের উপমহাপরিচালক (অপারেশন) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি।

তিনি জানান, ২৬০ দিনে প্রতিদিন গড়ে ৩৭টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫ হাজারের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে অভিবাসন বিভাগের নিজস্ব অভিযানে আটক করা হয়। আরও ২২ হাজারের বেশি ব্যক্তিকে দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথে অথবা অন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সহায়তায় আটক করা হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অভিযানে প্রধানত বৈধ ভ্রমণ নথি ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থান, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান এবং অনুমোদিত কাজের বাইরে অন্য খাতে কাজ করার মতো অনিয়ম ধরা পড়েছে।

অবৈধ অভিবাসীদের পাশাপাশি তাদের জেনেশুনে কাজে নিয়োগ দেওয়া ব্যক্তি, আশ্রয়দাতা বাড়ির মালিক ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৭২০ জন নিয়োগকর্তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

লোকমান এফেন্দি সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে বলেন, কোনো বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে অবস্থান করছেন বা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করছেন—এমন তথ্য পেলে কেউ যেন নিজের হাতে আইন তুলে না নেন। বরং ছবি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যসহ বিষয়টি অভিবাসন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান সারা বছর অব্যাহত থাকবে।

তথ্যসূত্র: দ্য স্টার, নিউ স্ট্রেইটস টাইমস ও বারনামা।

কালের আলো/এমএসআইপি 

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

তেলের দাম বাড়াতে আইএমএফের কোনো চাপ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৩৮ অপরাহ্ণ
তেলের দাম বাড়াতে আইএমএফের কোনো চাপ নেই: তথ্য উপদেষ্টা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কোনো শর্ত নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের অগ্রগতি ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ক্ষেত্রে আইএমএফের কোনো শর্ত রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এমন কোনো শর্ত নেই।’ তবে আইএমএফের একটি মৌলিক নীতি হলো, সরকার যেন অতিরিক্ত ভর্তুকি না দেয়।
তিনি বলেন, সরকার সব ক্ষেত্রে আইএমএফের নিয়ম মেনে চলছে—বিষয়টি এমন নয়। জনগণের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।
জ্বালানি খাতে ভর্তুকির প্রসঙ্গে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, তরল জ্বালানির পাশাপাশি গ্যাস ও বিদ্যুতে সরকার যে পরিমাণ ভর্তুকি দিচ্ছে, তা যোগ করলে ভর্তুকির পরিমাণ অনেক বড়। এই ভর্তুকি কমানো প্রয়োজন। কতটা কমানো হবে এবং কোন খাতে কী পরিমাণ সমন্বয় করা যায়, সে বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।
জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে আইএমএফের কোনো শর্তের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত করার সুযোগ নেই। সরকারের মূল বিবেচনা হচ্ছে জ্বালানি, গ্যাস ও বিদ্যুতে দেওয়া ভর্তুকির পরিমাণ কমানো এবং এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সমন্বয় নির্ধারণ করা।

কালের আলো/এমএসআইপি 

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার কমাতে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:২৯ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হার কমাতে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন

সারাদেশে মানসম্মত ডেঙ্গু চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে একযোগে ৪০টি জেলায় ১ হাজার ৬০০ জন চিকিৎসককে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিতের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিনের বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ও চিকিৎসকদের পরিচালনায় জরুরি ভিত্তিতে এ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করে তিনি বলেন, চিকিৎসা বা ব্যবস্থাপনার ভুলে যেন কোনো ডেঙ্গু রোগীর প্রাণ না যায়, সেজন্যই চিকিৎসকদের বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণে দক্ষ করে মৃত্যুর হার শূন্যে নামানোর চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার ( ২২ সেপ্টেম্বর ) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজে আয়োজিত ‘ট্রেনিং অব ডক্টরস অন ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট অব ডেঙ্গু’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত।

অনুষ্ঠানেসারা দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ, সিভিল সার্জন ও তৃণমূল থেকে বিশেষায়িত হাসপাতালের চিকিৎসক প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি ও সরাসরি সংযুক্ত হন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত কোনো মানুষ যাতে চিকিৎসার অভাবে বা ভুল ব্যবস্থাপনায় প্রাণ না হারান, সেজন্যই বিজ্ঞানভিত্তিক এ প্রশিক্ষণ। ডেঙ্গুর ক্লিনিক্যাল ম্যানেজমেন্ট স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী চিকিৎসকদের দক্ষ করে তোলা হচ্ছে, যা মৃত্যুর হার কমিয়ে বহু প্রাণ রক্ষা করবে।

স্বাস্থ্য খাতের সাফল্য ও চিকিৎসকদের নিরলস সেবার পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, এবারের ডেঙ্গু মৌসুমে এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৬২৭ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সীমিত সুযোগ-সুবিধা ও তীব্র রোগীর চাপের মধ্যেও চিকিৎসকদের অক্লান্ত পরিশ্রমে ইতোমধ্যে ৫৯ হাজার ৮৩ জন রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন প্রায় চার হাজার ৩০০ জন।

তিনি উল্লেখ করেন, রোগী বেড়ে গেলেও আক্রান্তদের প্রায় ৯৯ শতাংশ রোগীকে সুস্থ করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিচ্ছেন দেশের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

আন্তর্জাতিক জনস্বাস্থ্যবিদ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড মুহিত আরও বলেন, শুধু আবেগ বা অপরিকল্পিত সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে একটি কার্যকর স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারে না। অতীতের অপরিকল্পিত অবকাঠামো উন্নয়ন বা হঠাৎ ঘোষণার পরিবর্তে এখন রোগতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনার মাধ্যমে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সমন্বিতভাবে সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসকদের পেশাগত মর্যাদা ও সামাজিক সুরক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ঢালাও মিডিয়া ট্রায়াল গ্রহণযোগ্য নয়। সেবাদাতা ও জনগণের মধ্যে কোনো দূরত্ব থাকা উচিত নয়; চিকিৎসকদের যথাযথ সম্মান দিয়েই স্বাস্থ্য ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত সংস্কার এগিয়ে নিতে হবে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মূল প্রশিক্ষণের আগে সোসাইটি অব মেডিসিনের উদ্যোগে প্রায় সাড়ে তিনশত সিনিয়র চিকিৎসককে ট্রেইনার্স ট্রেনিং’ দেওয়া হয়, যারা এখন দেশের ৪০টি জেলায় একযোগে এক হাজার ৬০০ চিকিৎসককে প্রশিক্ষণ প্রদান করছেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

আইএমএফের প্রতিবেদন

‘গ্র্যাজুয়েট গ্ল্যাট’: উচ্চশিক্ষিত তরুণদের চাকরি নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ

কালের আলো ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:১২ অপরাহ্ণ
‘গ্র্যাজুয়েট গ্ল্যাট’: উচ্চশিক্ষিত তরুণদের চাকরি নিয়ে আইএমএফের উদ্বেগ

বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ চাকরির বাজারে প্রবেশ করা প্রতি ১০০ জন উচ্চশিক্ষিত তরুণের মধ্যে ৩৬ জনই বেকার থাকছেন। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় যুব বেকারত্ব নিয়ে করা গবেষণাটি আইএমএফের ‘ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ সাময়িকীর সেপ্টেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উচ্চ মাধ্যমিক বা তার পরবর্তী স্তরের শিক্ষাকে উচ্চশিক্ষা হিসেবে বিবেচনা করেছে সংস্থাটি।

আইএমএফের হিসাবে, বাংলাদেশে সামগ্রিক যুব বেকারত্বের হার প্রায় ১০ শতাংশ। এর বিপরীতে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব ৩৬ শতাংশ। অর্থাৎ সামগ্রিক যুব বেকারত্বের তুলনায় উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান

গবেষণায় দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব সবচেয়ে বেশি শ্রীলঙ্কায়—৪৩ শতাংশ। এরপর ভারতে ৪২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ৩৬ শতাংশ। অন্যদিকে ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ফিলিপিন্সে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার ২০ শতাংশের নিচে।

ভারতে সামগ্রিক যুব বেকারত্বের হার ১৮ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কায় ২২ শতাংশ। ফলে এসব দেশেও সামগ্রিক যুব বেকারত্বের তুলনায় উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব বেশি।

গ্র্যাজুয়েট গ্ল্যাট’

আইএমএফ এই পরিস্থিতিকে ‘গ্র্যাজুয়েট গ্ল্যাট’ বা উচ্চশিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটের আধিক্য হিসেবে উল্লেখ করেছে। এর ফলে উচ্চশিক্ষিত তরুণরা তাদের যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাকরি খুঁজে পেতে সমস্যায় পড়ছেন।

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন বলেন, উচ্চশিক্ষিত তরুণ কর্মীরা তাদের যোগ্যতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ চাকরি খুঁজে পেতে সংগ্রাম করছেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও অটোমেশনের দ্রুত ব্যবহার প্রাথমিক স্তরের কিছু কারিগরি পদকে প্রভাবিত করছে। জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার, অ্যানিমেটর ও প্রশাসনিক কর্মীদের মতো পদে আগে নতুন গ্র্যাজুয়েটদের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তির প্রভাব বাড়ছে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশেও উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব তুলনামূলক বেশি। ইন্দোনেশিয়ায় এ হার ১৮ শতাংশ, ভিয়েতনামে ১৬ শতাংশ, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডে ১৩ শতাংশ এবং ফিলিপিন্সে ১২ শতাংশ। সিঙ্গাপুরে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের বেকারত্বের হার ৮ শতাংশ।

কালের আলো/এমএসআইপি