খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০৮ অপরাহ্ণ
প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশ ও বিদেশের কর্মসংস্থানের উপযোগী প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বঙ্গভবনে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে পাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক একাডেমিক কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষার মান বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে যেতে হলে সময়ের সঙ্গে শিক্ষাব্যবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে। যে শিক্ষাব্যবস্থা বেকারত্ব সৃষ্টি করে এবং কর্মসংস্থানের উপযোগী নয়, সেখান থেকে ধীরে ধীরে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে হবে, যাতে তারা দেশে ও বিদেশে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে পারে।

সাক্ষাৎকালে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন সমাবর্তন অনুষ্ঠানে আচার্য হিসেবে উপস্থিত থাকার জন্য রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানান উপাচার্য। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন এবং সমাবর্তনে উপস্থিত থাকার আশ্বাস দেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ পাবিপ্রবির উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

মাঠ থেকে বাজার—স্টেভিয়ায় নতুন সম্ভাবনা

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:২৮ অপরাহ্ণ
মাঠ থেকে বাজার—স্টেভিয়ায়  নতুন সম্ভাবনা

চিনির বিকল্প খুঁজতে গিয়ে বাংলাদেশে সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলছে স্টেভিয়াকে ঘিরে। চিনির তুলনায় বহুগুণ মিষ্টি অথচ ক্যালরিমুক্ত এই উদ্ভিদের ব্যবহার দেশে ধীরে ধীরে বাড়ছে। একই সঙ্গে লাভের সম্ভাবনা দেখে কৃষকরাও আগ্রহী হচ্ছেন চাষে। এখন প্রয়োজন উৎপাদনের সঙ্গে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারব্যবস্থাকে যুক্ত করা। সেটি সম্ভব হলে স্টেভিয়া শুধু বিকল্প মিষ্টিকারক নয়, হয়ে উঠতে পারে মূল্যসংযোজিত একটি নতুন কৃষিপণ্যের ভিত্তি।

  • চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে চাষও
  • টিস্যুকালচারে চারা উৎপাদন
  • তৈরি হচ্ছে প্রক্রিয়াজাতকরণ অবকাঠামো

মাঠে বাড়ছে আগ্রহ
তুলসীর মতো দেখতে স্টেভিয়ার উৎপত্তি দক্ষিণ আমেরিকার প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিল অঞ্চলে। বাংলাদেশে এর চাষের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯৬ সালে। পরে থাইল্যান্ড থেকে উন্নত চারা এনে টিস্যুকালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন ও বাজারজাতের পথ তৈরি হয়।

এখন রাজশাহী, পাবনা ও ঠাকুরগাঁওসহ কয়েকটি অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে স্টেভিয়া চাষ হচ্ছে। বিএসআরআই ও বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টার টিস্যুকালচারের মাধ্যমে চারা উৎপাদন করছে। মাদারীপুর হর্টিকালচার সেন্টারও সম্প্রতি এই উদ্যোগে যুক্ত হয়েছে। ফলে কৃষকের হাতে মানসম্মত চারা পৌঁছানোর সুযোগ বাড়ছে।

বিএসআরআইর কর্মকর্তাদের হিসাবে, স্টেভিয়া চাষে ব্যয়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মুনাফার সম্ভাবনা রয়েছে। একবার রোপণের পর কয়েক বছর পর্যন্ত পাতা সংগ্রহ করা যায়—এটিও কৃষকের কাছে ফসলটির আকর্ষণ বাড়াচ্ছে।

চিনির বিকল্পে নতুন বাজার
স্টেভিয়ার মূল শক্তি এর মিষ্টতার ঘনত্ব। এর পাতা চিনির চেয়ে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ গুণ এবং নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টিকারক কয়েক শ গুণ বেশি মিষ্টি হতে পারে। ফলে অল্প পরিমাণেই কাঙ্ক্ষিত মিষ্টতা পাওয়া যায়।

চা, কফি ও শরবতের মতো দৈনন্দিন পানীয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাদ্যপণ্য ও বিকল্প মিষ্টিকারক তৈরিতে স্টেভিয়া ব্যবহার করা যায়। বাজারে ইতিমধ্যে স্টেভিয়াভিত্তিক বিকল্প চিনির পণ্যও রয়েছে। প্রাকৃতিক উৎসের মিষ্টিকারক হিসেবে এসব পণ্যের প্রতি ভোক্তার আগ্রহও তৈরি হচ্ছে।

কৃষক থেকে শিল্পে যাওয়ার সুযোগ
স্টেভিয়ার সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা শুধু পাতায় নয়, পাতার পরবর্তী মূল্য সংযোজনের জায়গায়। বর্তমানে অনেক কৃষক পাতা শুকিয়ে সরাসরি বিক্রি করছেন। এতে বাজার থাকলেও উৎপাদনের পুরো অর্থনৈতিক মূল্য কৃষকের হাতে আসে না।

পাতা থেকে নির্যাস, গুঁড়া, ট্যাবলেট বা খাদ্যশিল্পে ব্যবহারের উপযোগী উপাদান তৈরি করা গেলে একই জমি থেকে পাওয়া কাঁচামালের মূল্য অনেক বাড়তে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হতে পারে প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, পরিবহন ও বিপণনের নতুন কর্মসংস্থান।

এই জায়গাটিতেই এগিয়ে আসছে সরকারি গবেষণা ও সম্প্রসারণ প্রতিষ্ঠানগুলো। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিএসআরআই ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর স্টেভিয়া নিয়ে কাজ করছে। প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য একটি নিষ্কাশন প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। এটি চালু হলে কাঁচা পাতার বাজার থেকে শিল্পভিত্তিক বাণিজ্যের দিকে যাওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হবে।

চাহিদার সঙ্গে বাড়ছে সম্ভাবনা
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপ, জাপান, চীন, থাইল্যান্ড ও ভারতে স্টেভিয়ার ব্যবহার রয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারেও এর সম্ভাবনা রয়েছে। দেশের বড় জনগোষ্ঠীর মধ্যে চিনি কমানোর প্রবণতা এবং ডায়াবেটিসের উচ্চ হার বিকল্প মিষ্টিকারকের বাজারকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।

তবে সম্ভাবনাকে বাস্তব বাজারে রূপ দিতে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য চাহিদা-তথ্য, মাননিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপদ প্রক্রিয়াজাতকরণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সরাসরি পাতা ব্যবহারের বদলে পরীক্ষিত ও মানসম্মত প্রক্রিয়াজাত পণ্য তৈরির দিকেই গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

নতুন কৃষিপণ্যের পথে স্টেভিয়া
লালমনিরহাটের পাটগ্রামের চাষি মো. আব্দুল আলিম তিন বছর ধরে স্টেভিয়া চাষ করছেন। তাঁর অভিজ্ঞতা, বাজারে চাহিদা থাকলেও এখনো মূলত শুকনো পাতা হিসেবেই বিক্রি করতে হচ্ছে। বাণিজ্যিক প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতের সুযোগ তৈরি হলে কৃষকের আয় আরও বাড়তে পারে বলে তিনি মনে করেন।

বিএসআরআই মহাপরিচালক ড. কবির উদ্দিন আহমেদও চাষিদের বাড়তে থাকা আগ্রহকে সম্ভাবনার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তাঁর মতে, গবেষণায় নতুন অগ্রগতি এলে স্টেভিয়ার বাজার দ্রুত বিস্তৃত হতে পারে।

ফলে স্টেভিয়াকে ঘিরে সম্ভাবনাটি কেবল চিনির বিকল্প তৈরিতে সীমাবদ্ধ নয়। কৃষকের জমি, গবেষণাগারের প্রযুক্তি, প্রক্রিয়াজাত শিল্প ও ভোক্তার চাহিদা—এই চারটি স্তরকে একসূত্রে আনা গেলে স্টেভিয়া হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশের কৃষিতে নতুন মূল্যসংযোজনের গল্প। এখন চ্যালেঞ্জ একটাই—সম্ভাবনাকে পরিকল্পিত শিল্পে রূপ দেওয়া।

কালের আলো/এম/এএইচ

পুলিশে বড় রদবদল, বদলি ২২ এসপি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০২ অপরাহ্ণ
পুলিশে বড় রদবদল, বদলি ২২ এসপি

নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজবাড়ী ও মেহেরপুর জেলায় নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসপি পদমর্যাদার আরও ১৮ কর্মকর্তাকে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে বদলি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখার উপসচিব তৌছিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়।

চার জেলায় নতুন পুলিশ সুপার

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নেত্রকোনা জেলার নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে র‍্যাবের (এসআরবি) মো. বদরুদ্দোজা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি মু. জালাল উদ্দিন ফাহিম, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার হিসেবে র‍্যাবের মীর মনির হোসেন এবং মেহেরপুরের পুলিশ সুপার হিসেবে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি আলী হায়দার চৌধুরীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে নেত্রকোনার বর্তমান পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামকে সিআইডিতে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফকে এসবিতে, রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদকে হাইওয়ে পুলিশে এবং মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়কে সিআইডিতে বদলি করা হয়েছে।

বিভিন্ন ইউনিটে আরও বদলি

লিয়েন শেষে পুলিশ সদর দপ্তরে রিপোর্ট করা মো. নূরুল আমীন হাওলাদারকে পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া সিআইডির ফাতিহা ইয়াসমিনকে এপিবিএনে, মোনালিসা বেগমকে রংপুর পিটিসিতে, মো. জাহিদুল ইসলামকে রাজশাহী ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে এবং পুলিশ সদর দপ্তরের মো. আবু হাসানকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

পুলিশ টেলিকমের মুহাম্মদ রহমত উল্লাহকে ঢাকার পুলিশ টেলিকমে, মুহাম্মদ মতিউর রহমান সিদ্দিকীকে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি এপিবিএন ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারে এবং এসবির আমীনুল ইসলামকে রাঙামাটির বেতবুনিয়া পিএসটিএসে বদলি করা হয়েছে।

রাজারবাগ পুলিশ টেলিকমের মো. নাছির উদ্দিন যুবায়ের ও শাহরিয়ার বিন সালেহকে যথাক্রমে ট্যুরিস্ট পুলিশ ও রেলওয়ে পুলিশে বদলি করা হয়েছে। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের মো. সাজ্জাদুর রহমান রাসেলকে বরিশালের বিএমপিতে এবং খুলনা কেএমপির মেরিনা আক্তারকে ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

এ ছাড়া গাজীপুর জিএমপির মোহাম্মদ মহিউল ইসলামকে সিআইডিতে এবং মোহাম্মদ মহিউদ্দীন আহমেদকে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

অতিরিক্ত ডিআইজি ও দুই অতিরিক্ত এসপিও বদলি

একই আদেশে খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি তোফায়েল আহম্মেদকে বরিশালের বিএমপিতে বদলি করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শারমিন আক্তারকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে এবং সিআইডির আসমা আখতারকে পুলিশ সদর দপ্তরে বদলি করা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের বৈঠকে বিনিয়োগ-রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
চীনা রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে স্পিকারের বৈঠকে বিনিয়োগ-রোহিঙ্গা প্রসঙ্গ

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকারের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে স্পিকার বলেন, চীন বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। দেশটির উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় চীন বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছে। বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে সংসদীয় মৈত্রী গ্রুপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গও উঠে আসে। স্পিকার বলেন, প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন নিয়ে বাংলাদেশকে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এ সংকট সমাধানে চীনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

অন্যদিকে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে নির্বাচিত সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফর দুই দেশের সম্পর্ককে আরও সমৃদ্ধ করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রাষ্ট্রদূত বলেন, চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক অংশীদার। বড় প্রকল্পের পাশাপাশি বাংলাদেশে মাঝারি ও ছোট প্রকল্পেও চীনের বিনিয়োগ রয়েছে। বাংলাদেশকে এ অঞ্চলের পণ্য উৎপাদনভিত্তিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চীন আগ্রহী।

বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাংলাদেশ-মিয়ানমার-চীন করিডোর, রোহিঙ্গা সংকট ও জ্বালানি ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়।

স্পিকার জানান, বাংলাদেশ সবসময় ‘ওয়ান চায়না পলিসি’ সমর্থন করে এবং ভবিষ্যতেও এ অবস্থান অব্যাহত থাকবে। তিনি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে চীনের বাণিজ্যিক কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

এ সময় চীনা দূতাবাস ও জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি