খুঁজুন
                               
, ,
           

ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৭ অপরাহ্ণ
ডিআইজিসহ ৩১ পদে রদবদল

বাংলাদেশ পুলিশের ডিআইজি, অতিরিক্ত ডিআইজি ও পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার ৩১ কর্মকর্তাকে বদলি ও পদায়ন করেছে সরকার।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক তিনটি প্রজ্ঞাপনে এসব বদলি ও পদায়নের আদেশ দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তৌহিদ আহমেদ। জনস্বার্থে জারি করা এসব আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডিআইজি পর্যায়ে হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি হাবিবুর রহমান খানকে পুলিশের ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের (টিডিএস) কমান্ড্যান্ট করা হয়েছে।

সুপারনিউমারারি ডিআইজি হিসেবে পদোন্নতি পাওয়া মোহাম্মদ এনামুল হককে সিলেট মহানগর থেকে খাগড়াছড়ির এপিবিএন ও বিশেষ ট্রেনিং সেন্টারে বদলি করা হয়েছে। ওই পদে থাকা পরিতোষ ঘোষকে এপিবিএন (পার্বত্য জেলাসমূহ) কার্যালয়ে বদলি করা হয়েছে।

এসবির অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ আনিছুর রহমানকে খুলনা রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) হিসেবে থাকা অতিরিক্ত ডিআইজি মো. গিয়াস উদ্দিন আহমদকে রংপুর রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সুপার হিসেবে ওএসডি থাকা মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে রাজশাহী রেঞ্জে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এসপি পর্যায়ে র‍্যাবের উপপরিচালক (পুলিশ সুপার) মো. বদরুদ্দোজাকে নেত্রকোনার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। নেত্রকোনার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলামকে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

পুলিশ অধিদপ্তরের এআইজি মুহা. জালাল উদ্দিন ফাহিমকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মো. আবদুর রউফকে এসবির বিশেষ পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

র‍্যাবের উপপরিচালক (পুলিশ সুপার) মীর মনির হোসেনকে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার করা হয়েছে। রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোর্শেদকে হাইওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায়কে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার করা হয়েছে। পুলিশ অধিদপ্তরের এআইজি আলী হায়দার চৌধুরীকে মেহেরপুরের পুলিশ সুপার করা হয়েছে।

সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পাওয়া পুলিশ সুপার মো. নূরুল আমীন আকন্দকে পুলিশ স্টাফ কলেজের পুলিশ সুপার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত ডিআইজি) করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

‘লোকে বলে’ থেকে ‘লজ্জা’, নতুন রূপে নুসরাত ফারিয়া

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:১৫ অপরাহ্ণ
‘লোকে বলে’ থেকে ‘লজ্জা’, নতুন রূপে নুসরাত ফারিয়া

অভিনয় থেকে শুরু করে গ্ল্যামার, উপস্থাপনা, গায়কি কিংবা আইটেম গানের নাচ—সব ক্ষেত্রেই নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। বাংলাদেশ ও ভারতের বৃহত্তর বাঙালি দর্শকের কাছেও রয়েছে তার পরিচিতি। সম্প্রতি তার নতুন গান ‘লোকে বলে’ প্রকাশের পর প্রশংসিত হয়েছে মিউজিক ভিডিওটি। অভিনয়ের পাশাপাশি গান ও নতুন চলচ্চিত্রের কাজ নিয়েও ব্যস্ত সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী।

তার নতুন গান, চলচ্চিত্র ও অভিনয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কথা বলেছেন পান্থ আফজাল।

‘লোকে বলে’ নিয়েই এখনো মুগ্ধ নুসরাত

নতুন গান ‘লোকে বলে’ প্রকাশের পর থেকেই দর্শক-শ্রোতাদের কাছ থেকে প্রশংসা পাচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া। গানটির সাড়া নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, এখনো তিনি গানটির মেজাজেই রয়েছেন।

তিনি জানান, কিছুদিন আগে তার জন্মদিন ছিল। কাছের মানুষদের অনেকেই ‘লোকে বলে’ গানটি দিয়ে তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিষয়টি তার কাছে বিশেষ পাওয়া বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

নুসরাত বলেন, নতুন গান নিয়ে এখনই তাড়াহুড়া করতে চান না। আরও কিছুদিন ‘লোকে বলে’ উপভোগ করতে চান। তবে সামনের পূজায় নতুন কোনো ধামাকা নিয়ে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। সে জন্য তার গানের ভক্তদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।

‘ট্রাইব্যুনাল’ থেকে কেন সরে গেলেন?

নুসরাত ফারিয়ার অভিনয়ের কথা ছিল ‘ট্রাইব্যুনাল’ চলচ্চিত্রে। তবে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে অভিনেত্রী জানান, এর পেছনে কোনো বড় বা সমালোচনামূলক কারণ নেই।

চলচ্চিত্রটির গল্প ও চরিত্র দুটিই তার পছন্দ হয়েছিল। বিদেশফেরত এক তরুণী ব্যারিস্টারের চরিত্রে অভিনয় করার কথা ছিল তার। একটি মামলা নিয়ে কাজ করতে দেশে ফিরে আসা সেই ব্যারিস্টারের চরিত্রটি নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিতও ছিলেন তিনি।

তবে শুটিংয়ের শিডিউলসহ কিছু জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি। তাই নিজেই চলচ্চিত্রটি থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান নুসরাত।

‘লজ্জা’র জন্য নিয়েছেন মিলিটারি ট্রেনিং

নতুন চলচ্চিত্র ‘লজ্জা’ নিয়ে বেশ প্রস্তুতি নিচ্ছেন নুসরাত ফারিয়া। সিনেমাটির চরিত্রের জন্য ইতোমধ্যে মিলিটারি ট্রেনিং নিয়েছেন তিনি। শুধু প্রশিক্ষণই নয়, চরিত্রটিকে পর্দায় বিশ্বাসযোগ্য করে তুলতে আরও বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই অভিনেত্রী।

নুসরাত জানান, ‘লজ্জা’ কিছুটা ভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্র। আগামী বছরের ঈদে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। তাই সেই লক্ষ্যেই প্রস্তুতি চলছে।

এর আগে পুলিশ কর্মকর্তার চরিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তবে ‘ইন্সপেক্টর নটি কে’ ছিল পুরোপুরি বাণিজ্যিক ঘরানার চলচ্চিত্র। পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা জিৎ-এর সঙ্গে অভিনয় করা সেই সিনেমায় ছিল বিনোদনের নানা উপাদান।

তবে ‘লজ্জা’ সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের গল্পের সিনেমা বলে জানান নুসরাত। তার প্রত্যাশা, দর্শক এখানে তাকে নতুনভাবে দেখতে পাবেন।

উচ্চতা নিয়ে শুটিংয়ে কম ঝামেলা পোহাতে হয়নি

নুসরাত ফারিয়ার উচ্চতা প্রায় ৫ ফুট ৩ ইঞ্চির কিছু বেশি। নিজের উচ্চতা প্রসঙ্গে মজা করে তিনি নিজেকে ‘টিনি-টিনি-প্রিটি বাংলাদেশি মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

শুটিং, অনুষ্ঠান কিংবা বিভিন্ন শোতে অনেক সময় উচ্চতা বাড়াতে হিল পরতে হয় তাকে। তবে আরামদায়ক ও ভালো মানের জুতা খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন বলে জানান তিনি।

চরিত্র ও শুটিংয়ের প্রয়োজনে পোশাক, চুল, জুতা এবং লুক—সবকিছুর সঙ্গে মানিয়ে চলতে হয় একজন অভিনেত্রীকে। এটিকে অভিনয়জগতের বাস্তবতা হিসেবেই দেখেন নুসরাত।

আরিফিন শুভর সঙ্গে শুটিংয়ে ৫ ইঞ্চি হিল!

উচ্চতা নিয়ে তার ক্যারিয়ারের একটি মজার অভিজ্ঞতাও রয়েছে। ২০১৬ সালে ‘প্রেমী ও প্রেমী’ চলচ্চিত্রের শুটিং হয়েছিল বান্দরবানে। সিনেমাটিতে নুসরাতের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন আরিফিন শুভ।

শুটিং হয়েছিল পাহাড়ি এলাকায়। শুভর উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট ১ ইঞ্চি হওয়ায় তার কাছাকাছি উচ্চতায় যেতে নুসরাতকে প্রায় ৫ ইঞ্চি হিল পরতে হয়েছিল।

প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে তাকে একটু বেশি উচ্চতার জুতা দেওয়া হয়েছিল। সেই জুতা পরেই শুটিং শেষ করেন তিনি। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের সেই অভিজ্ঞতা এখনো তার কাছে বেশ স্মরণীয়।

‘ভাইরাল’ হওয়ার পেছনে ছুটতে চান না

নুসরাত ফারিয়া যা করেন, সেটিই অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। তবে নিজেকে ভাইরাল করার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে স্পষ্ট করেছেন তিনি।

তার বিশ্বাস, সঠিকভাবে যত্ন নিয়ে কাজ করা এবং কাজটি মানসম্মত হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কাজ দ্রুত মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারে, আবার কোনো কাজের জন্য সময় লাগতে পারে। কিন্তু ভালো কাজ শেষ পর্যন্ত দর্শকের কাছে পৌঁছাবে এবং দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব তৈরি করবে—এমনটাই মনে করেন নুসরাত।

তার কথায়, ভাইরালের চেয়ে মানসম্মত ও টেকসই কাজই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কালের আলো/এসএ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক অনুমোদনে ‘না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মুন্সীগঞ্জ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫২ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতালের সামনে ক্লিনিক অনুমোদনে ‘না’: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময়ে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, সরকারি হাসপাতালের সামনে নতুন করে কোনো ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না। এ কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ থাকবে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন রয়েছে, সেগুলো যথাযথভাবে কার্যক্রম পরিচালনা না করলে বন্ধ করে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে।

তিনি জানান, আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে একসঙ্গে ১০ জন রোগীকে ডায়ালাইসিস দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। একই সময়ের মধ্যে আধুনিক প্যাথলজি ল্যাব স্থাপনের পাশাপাশি পুরুষ ও নারীদের জন্য পৃথক ফিজিওথেরাপি সেন্টার চালু করা হবে।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন। এ সময় গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফছা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমিন আহমেদ তিথী, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত ফারজানা খানসহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া গজারিয়া উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসলামুজ্জোহা চৌধুরী তপন, উপজেলা বিএনপির সদস্য মোতাহের হোসেন জাহাঙ্গীর, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রেজাউল করিম তারেকসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

রাজশাহী তায়কোয়ানডোর ফেডারেশন কাপের ট্রফি ডিসির হাতে

রাজশাহী সংবাদদাতা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ
রাজশাহী তায়কোয়ানডোর ফেডারেশন কাপের ট্রফি ডিসির হাতে

রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের পঞ্চম ফেডারেশন কাপ তায়কোয়ানডো প্রতিযোগিতায় জুনিয়র মহিলা বিভাগে অর্জিত রানার্সআপ ট্রফি রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি কাজী শহিদুল ইসলামের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সংক্ষিপ্ত আয়োজনের মাধ্যমে ট্রফিটি হস্তান্তর করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের সভাপতি ও বাংলাদেশ কৃষক দল রাজশাহী মহানগর শাখার আহ্বায়ক শরিফুজ্জামান শামীম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাইফুদ্দীন এবং রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের সাধারণ সম্পাদক ও প্রধান প্রশিক্ষক মো. মোজাফফর হোসেন বুলু।

এ ছাড়া ট্রফি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের অন্যান্য প্রশিক্ষক, প্রশিক্ষণার্থী ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন।

ট্রফি গ্রহণের পর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জুনিয়র মহিলা বিভাগের এই সাফল্যের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি দলের খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন জানান এবং ভবিষ্যতে আরও সাফল্য কামনা করেন।

রাজশাহী তায়কোয়ানডো দোজাংয়ের এই অর্জনকে স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে নতুন সম্ভাবনার দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

কালের আলো/এমএসআইপি