খুঁজুন
                               
, ,
           

‘ইংলিশ লেবু’ হয়ে ব্যাচেলর পয়েন্টে আ খ ম হাসান

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫০ অপরাহ্ণ
‘ইংলিশ লেবু’ হয়ে ব্যাচেলর পয়েন্টে আ খ ম হাসান

জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর নতুন পর্বে হাজির হয়েছেন অভিনেতা আ খ ম হাসান। আলোচিত এই ধারাবাহিকে ‘ইংলিশ লেবু’ চরিত্রে তার আগমন ইতোমধ্যে দর্শকদের মধ্যে তৈরি করেছে আগ্রহ। পর্বটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তার অভিনয় নিয়ে প্রশংসা করছেন অনেকে।

কাজল আরেফিন অমি পরিচালিত জনপ্রিয় এই ধারাবাহিকে সময়ের সঙ্গে একের পর এক নতুন চরিত্র যুক্ত হচ্ছে। এবার ১২০ নম্বর পর্বে নতুন চরিত্র হিসেবে দেখা গেছে আ খ ম হাসানকে। ভিন্ন লুক ও অভিনয়ের ধরনে তার উপস্থিতি নজর কেড়েছে দর্শকদের।

গ্যাংস্টারদের আগমন, সঙ্গে ‘ইংলিশ লেবু’

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গ-এ প্রকাশ পেয়েছে পর্বটি। গল্পে একদল গ্যাংস্টার কাবিলাকে খুঁজতে হাজির হয় ব্যাচেলর ফ্ল্যাটে। তাদের আগমনের মধ্যেই গল্পে প্রবেশ ঘটে আ খ ম হাসানের চরিত্র ‘ইংলিশ লেবু’র।

নতুন এই চরিত্রের আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের সামনে তৈরি হয় নতুন পরিস্থিতি। ফলে গল্পেও যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা।

দর্শকদের প্রশংসায় আ খ ম হাসান

পর্বটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘ইংলিশ লেবু’ চরিত্রটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে আ খ ম হাসানের অভিনয় নজর কেড়েছে দর্শকদের।

এক দর্শক মন্তব্য করেছেন, ‘আ খ ম হাসান ভাই আসায় পর্বটা আরও জমে গেছে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘ইংলিশ লেবু চরিত্রে তাকে দারুণ মানিয়েছে। সামনে আরও দেখতে চাই।’

কেউ আবার দীর্ঘদিন পর তাকে এমন একটি চরিত্রে দেখে ভালো লাগার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এ নতুন চরিত্রের প্রবেশ গল্পকে আরও আকর্ষণীয় করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন দর্শকদের অনেকে।

নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও নতুন করে আলোচনায়

দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশন নাটকের পরিচিত মুখ আ খ ম হাসান। বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করে নিজের আলাদা দর্শক তৈরি করেছেন তিনি। এবার ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিকে যুক্ত হয়ে নতুন প্রজন্মের দর্শকদের কাছেও নতুন করে আলোচনায় এসেছেন এই অভিনেতা।

তবে ‘ইংলিশ লেবু’ চরিত্রটি গল্পে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে, কিংবা পরবর্তী পর্বগুলোতে আ খ ম হাসানকে নিয়মিত দেখা যাবে কি না—এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য জানা যায়নি।

কারা আছেন ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এ?

‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এ নিয়মিত অভিনয় করছেন মারজুক রাসেল, চাষী আলম, পলাশ, তৌসিফ, শামীম হাসান সরকার, পাভেল, ইশতিয়াক রোমেল ও জাফরুল আবেদিন।

এ ছাড়া রয়েছেন অর্চিতা স্পর্শিয়া, মনিরা মিঠু, আবদুল্লাহ রানাসহ আরও অনেকে। নতুন চরিত্রের সংযোজনের মধ্য দিয়ে ধারাবাহিকটির গল্প কোন দিকে এগোয়, এখন সেটিই দেখার অপেক্ষা।

কালের আলো/এসএ

রাজনীতির পিচে নামছেন মোহাম্মদ শামি?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
রাজনীতির পিচে নামছেন মোহাম্মদ শামি?

ক্রিকেটের মাঠে দীর্ঘদিনের পরিচিত মুখ মোহাম্মদ শামি। এবার তাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনীতিতে পা রাখার জল্পনা। ভারতের জাতীয় লোক দল (আরএলডি) সভাপতি ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে শামির সাক্ষাতের একটি ছবি প্রকাশ্যে আসার পরই নতুন করে এই আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে শামি বা আরএলডির পক্ষ থেকে এখনো রাজনীতিতে যোগ দেওয়া কিংবা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

জয়ন্তের সঙ্গে বৈঠক ঘিরেই যত আলোচনা

সম্প্রতি দিল্লিতে জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করেন মোহাম্মদ শামি। পরে জয়ন্ত চৌধুরী নিজেই সামাজিক মাধ্যমে তাদের সাক্ষাতের ছবি প্রকাশ করেন। এরপর থেকেই উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক মহলে শামির সম্ভাব্য রাজনৈতিক অভিষেক নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।

বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে আমরোহা সদর আসন থেকে শামিকে প্রার্থী করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে বিষয়টি এখনো জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে।

শামি নাকি ভাই হসিব?

শুধু মোহাম্মদ শামি নন, তার ভাই মোহাম্মদ হসিবের নামও আলোচনায় এসেছে। এর আগে হসিবের আমরোহা আসন থেকে আরএলডির সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। ফলে শামি নিজে নির্বাচনে না দাঁড়িয়ে ভাইকে রাজনীতির মাঠে নামাতে পারেন—এমন আলোচনাও চলছে।

তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে শামি ও তার ভাই—দুজনের পক্ষ থেকেই নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো স্পষ্ট ঘোষণা না থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

আমরোহার সঙ্গে শামির পুরোনো সম্পর্ক

মোহাম্মদ শামির শিকড় উত্তরপ্রদেশের আমরোহায়। আমরোহা সদর তহসিলের সাহসপুর আলিনগর তার পারিবারিক এলাকা। ফলে স্থানীয় রাজনীতিতে তাকে ঘিরে ‘নিজের এলাকার মানুষ’ হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার আলোচনা তৈরি হয়েছে।

শামির পরিবারেও স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার ইতিহাস রয়েছে। তার ভাই হসিব এর আগে জেলা পঞ্চায়েত নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন বলেও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ক্রিকেট থেকে রাজনীতিতে—নতুন অধ্যায়?

মোহাম্মদ শামি সর্বশেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন ২০২৫ সালের ৯ মার্চ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর থেকে জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলছেন তিনি।

এর মধ্যেই জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রার্থিতা নিয়ে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। তবে শামির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত তথ্যের চেয়ে জল্পনাই বেশি।

অতএব, ক্রিকেটের মাঠে পরিচিত এই পেসার সত্যিই রাজনীতির মাঠে নামবেন কি না, নাকি জয়ন্ত চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎটি ছিল নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ—সেটির উত্তর মিলবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলেই।

কালের আলো/এসএ

মেসি গোল করেই চলেছেন, ইন্টার মিয়ামি ড্রয়ের বৃত্তেই

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:২৭ অপরাহ্ণ
মেসি গোল করেই চলেছেন, ইন্টার মিয়ামি ড্রয়ের বৃত্তেই

লিওনেল মেসি গোল করেই চলেছেন, কিন্তু জয় যেন ধরা দিচ্ছে না ইন্টার মিয়ামির। সান দিয়েগো এফসির বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ২-২ গোলে ড্র করেছে মেসির দল। এর ফলে মেজর লিগ সকারে টানা চতুর্থ ম্যাচে ড্র করল ইন্টার মিয়ামি।

তবে ব্যক্তিগতভাবে মেসির জন্য ম্যাচটি ছিল আরেকটি মাইলফলকের। ইন্টার মিয়ামির জার্সিতে নিজের ১০১তম গোল করেছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। চলতি মৌসুমে লিগে এটি তার ২০তম গোল।

শুরুতেই এগিয়ে সান দিয়েগো

ম্যাচের ১২ মিনিটেই এগিয়ে যায় সান দিয়েগো। জেপ্পে টভের্সকভের বাড়ানো বল কাজে লাগিয়ে গোল করেন আন্দ্রেস দ্রেয়ার। ইন্টার মিয়ামির গোলরক্ষক দেইন সেন্ট ক্লেয়ারকে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান তিনি।

তবে পিছিয়ে পড়ার পর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি মেসিদের। ২৪ মিনিটে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান মেসি। ডান দিক থেকে নেওয়া তার ফ্রি-কিক কোনো খেলোয়াড়ের স্পর্শ ছাড়াই দূরের পোস্ট ঘেঁষে জালে জড়ায়।

সুয়ারেজের গোলে এগিয়েও জয় পেল না মিয়ামি

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পাচ্ছিল না ইন্টার মিয়ামি।

অবশেষে ৭৪ মিনিটে লুইস সুয়ারেজের গোলে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। রদ্রিগো ডি পলের বাড়ানো বল থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন উরুগুইয়ান তারকা।

তবে সেই লিডও ধরে রাখতে পারেনি মিয়ামি। মাত্র আট মিনিট পর আবারও গোল করেন দ্রেয়ার। নিজের দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান সান দিয়েগোর এই ডেনিশ ফরোয়ার্ড। শেষ পর্যন্ত ২-২ সমতায় শেষ হয় ম্যাচটি।

মেসির গোল, তবু জয়ের দেখা নেই

এই ড্রয়ের ফলে ইন্টার মিয়ামির পয়েন্ট এখন ৪৬। চলতি এমএলএসে ১২টি জয়, ১০টি ড্র ও ৪টি হারে এই পয়েন্ট পেয়েছে তারা। একই সঙ্গে টানা চার ম্যাচ ড্র করার হতাশাও সঙ্গী হলো মেসিদের।

ম্যাচের শেষ দিকেও জয়ের সুযোগ তৈরি করেছিল ইন্টার মিয়ামি। তবে সান দিয়েগোর গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত আর গোল পায়নি মেসির দল।

সামনে কলম্বাস ক্রু

এমএলএসে ইন্টার মিয়ামির পরবর্তী ম্যাচ আগামী রোববার কলম্বাস ক্রুর বিপক্ষে। অন্যদিকে সান দিয়েগো এফসি আগামী শনিবার অস্টিন এফসির মুখোমুখি হবে।

মেসি ব্যক্তিগতভাবে গোলের পর গোল করে যাচ্ছেন, কিন্তু দলকে টানা ড্রয়ের বৃত্ত থেকে বের করতে পারছেন কি না—সেটিই এখন ইন্টার মিয়ামিকে ঘিরে বড় প্রশ্ন।

কালের আলো/এসএ

বার্সেলোনায় অপ্রতিরোধ্য, ব্রাজিলের জার্সিতে কেন ম্লান রাফিনিয়া?

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৮ অপরাহ্ণ
বার্সেলোনায় অপ্রতিরোধ্য, ব্রাজিলের জার্সিতে কেন ম্লান রাফিনিয়া?

চলতি মৌসুমের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন রাফিনিয়া। গোলের পর গোল করে বার্সেলোনার আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। তার পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে স্প্যানিশ ক্লাবটিও পাচ্ছে একের পর এক সাফল্য।

তবে ক্লাবের জার্সিতে এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পরও ব্রাজিলের সমর্থকদের সমালোচনা থেকে পুরোপুরি মুক্তি মিলছে না রাফিনিয়ার। কারণ বার্সেলোনা ও ব্রাজিল জাতীয় দলের জার্সিতে তাকে যেন দুই ভিন্ন রূপে দেখা যায়। এর পেছনে রয়েছে অন্তত কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

বার্সেলোনায় কেন এত উজ্জ্বল রাফিনিয়া?

ব্রাজিলের জার্সিতে রাফিনিয়ার পারফরম্যান্স বোঝার আগে তার বার্সেলোনার ভূমিকার দিকে তাকানো জরুরি। কোচ হান্সি ফ্লিকের অধীনে অনেকটাই স্বাধীনভাবে খেলেন তিনি।

প্রয়োজনে মাঝমাঠের কাছাকাছি নেমে এসে বল বিতরণে অংশ নেন, আবার সুযোগ বুঝে দ্রুত বক্সে ঢুকে পড়েন। অর্থাৎ নির্দিষ্ট একটি জায়গায় আটকে না থেকে আক্রমণের বিভিন্ন অংশে নিজেকে যুক্ত করার সুযোগ পান রাফিনিয়া।

ডান প্রান্তে লামিনে ইয়ামালের উপস্থিতির কারণে অনেক সময় ভেতরের দিকে কিংবা বাম-মধ্যমাঠের দিকে সরে যান তিনি। সেখান থেকেই সতীর্থদের সঙ্গে তৈরি হয়েছে কার্যকর বোঝাপড়া।

চলতি ২০২৬-২৭ মৌসুমের শুরুতেও একাধিক হ্যাটট্রিকসহ গোলের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন রাফিনিয়া। বার্সেলোনার দ্রুতগতির ফুটবল ও আক্রমণাত্মক প্রেসিংয়ের সঙ্গেও তার খেলার ধরন বেশ মানানসই।

বল ছাড়া তার দৌড়, উচ্চ কর্মক্ষমতা এবং সুযোগ পেলে দ্রুত ফিনিশ করার দক্ষতা তাকে বার্সেলোনার আক্রমণে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

অধিনায়কত্বে বেড়েছে আত্মবিশ্বাস

দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পাওয়ার পর রাফিনিয়ার আত্মবিশ্বাসেও পরিবর্তন এসেছে। আক্রমণভাগের পরিকল্পনায় তার গুরুত্ব বেড়েছে। ফলে শুধু গোল করা নয়, সতীর্থদের সঙ্গে আক্রমণ তৈরির ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন তিনি।

বার্সেলোনায় নিজের খেলার ধরন অনুযায়ী জায়গা বদল করার স্বাধীনতা পাওয়ায় তার সেরা গুণগুলোও বেশি কার্যকর হচ্ছে।

ব্রাজিলের জার্সিতে কেন ভিন্ন রাফিনিয়া?

জাতীয় দলের চিত্রটা কিছুটা আলাদা। ব্রাজিলের হয়ে রাফিনিয়াকে বেশিরভাগ সময়ই প্রথাগত ডান প্রান্তের উইঙ্গার হিসেবে খেলতে দেখা যায়।

বার্সেলোনার মতো মাঝমাঠের দিকে নেমে এসে স্বাধীনভাবে খেলার সুযোগ সেখানে তুলনামূলক কম। ফলে আক্রমণে তার অবস্থান অনেক সময় নির্দিষ্ট জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে।

এর সঙ্গে রয়েছে ব্রাজিলের খেলার ধরন। জাতীয় দলের খেলা বার্সেলোনার মতো ধারাবাহিক প্রেসিং ও দ্রুতগতির নয়। ক্লাবে লামিনে ইয়ামাল কিংবা পেদ্রির মতো সতীর্থদের সঙ্গে যে বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে, জাতীয় দলে সেই একই ধরনের স্বয়ংক্রিয় সমন্বয় তৈরি করা কঠিন।

ফলে শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে অনেক সময় রাফিনিয়াকে নিজের জায়গা থেকে একাই আক্রমণ তৈরি করতে হয়।

ব্রাজিলের বাড়তি চাপও বড় কারণ

রাফিনিয়ার পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলতে পারে ব্রাজিলের জার্সির সঙ্গে যুক্ত বাড়তি প্রত্যাশাও। পাঁচবারের বিশ্বকাপজয়ী দেশের হয়ে মাঠে নামার সময় প্রত্যেক খেলোয়াড়ের ওপরই থাকে বিশাল প্রত্যাশা।

গোল, অ্যাসিস্ট এবং ম্যাচে সরাসরি প্রভাব রাখার জন্য সমর্থক ও গণমাধ্যমের চাপও থাকে বেশি। ক্লাবের তুলনায় জাতীয় দলের পরিবেশে এই চাপ ভিন্ন মাত্রা পায়।

ফলে বার্সেলোনায় যেখানে স্বাধীনতা, বোঝাপড়া ও নির্দিষ্ট কৌশলের মধ্যে রাফিনিয়ার সেরা গুণগুলো ফুটে ওঠে, ব্রাজিলের জার্সিতে পজিশন, দলীয় সমন্বয় এবং প্রত্যাশার চাপ তার পারফরম্যান্সকে প্রভাবিত করতে পারে।

কালের আলো/এসএ