খুঁজুন
                               
, ,
           

যে পেস জুটির সামনে নব্বইয়ের দশকে কাঁপতেন ব্যাটাররা

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:০০ অপরাহ্ণ
যে পেস জুটির সামনে নব্বইয়ের দশকে কাঁপতেন ব্যাটাররা

ক্রিকেট ইতিহাসে দুর্দান্ত পেস বোলিং জুটির অভাব নেই। তবে ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসের নাম উচ্চারিত হয় আলাদা আবহে। পাকিস্তানের এই দুই কিংবদন্তি শুধু গতি দিয়ে নয়, সুইং, রিভার্স সুইং ও নিখুঁত ইয়র্কারের সমন্বয়ে নব্বইয়ের দশকে ব্যাটারদের সামনে তৈরি করেছিলেন কঠিন এক পরীক্ষা।

একসঙ্গে দুই প্রান্ত থেকে তাঁদের আক্রমণ সামলানো ছিল ব্যাটারদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সেই কারণেই ‘টু ডব্লিউস’ নামে পরিচিত এই জুটি আজও ক্রিকেটের অন্যতম আলোচিত পেস জুটি।

দুই প্রান্ত থেকে ভিন্ন আক্রমণ

ওয়াসিম ছিলেন বাঁহাতি পেসার, আর ওয়াকার ডানহাতি। ফলে দুজনের বোলিংয়ের অ্যাঙ্গেল ছিল সম্পূর্ণ আলাদা।

এক প্রান্ত থেকে বাঁহাতি অ্যাঙ্গেলে বল সুইং করাতেন ওয়াসিম। অন্য প্রান্তে ওয়াকার গতি ও মুভমেন্ট দিয়ে ব্যাটারকে চাপে রাখতেন। এই বৈচিত্র্যই তাঁদের জুটিকে আরও কার্যকর করে তুলেছিল।

আইসিসির হল অব ফেমে ওয়াসিমকে সুইং ও সিম বোলিংয়ের অন্যতম সেরা কারিগর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে ওয়াকার পরিচিত ছিলেন রিভার্স সুইং এবং ইন-সুইং ইয়র্কারের দক্ষ কারিগর হিসেবে।

রিভার্স সুইংয়ে আলাদা পরিচয়

ওয়াসিম-ওয়াকারের বোলিংয়ের অন্যতম বড় অস্ত্র ছিল রিভার্স সুইং। পুরোনো বলকে বাতাসে অস্বাভাবিকভাবে দুই দিকে মুভ করিয়ে ব্যাটারকে বিভ্রান্ত করার কৌশলে দুজনই ছিলেন দক্ষ।

বিশেষ করে ওয়াকারের দ্রুতগতির ইয়র্কার ছিল ব্যাটারদের জন্য বড় হুমকি। রিভার্স সুইংয়ের সঙ্গে তাঁর ইন-সুইং ইয়র্কারের সমন্বয় তাঁকে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম ভয়ংকর পেসারে পরিণত করেছিল।

ওয়াসিমের দক্ষতা ছিল আরও বহুমাত্রিক। একই ধরনের অ্যাকশন থেকে বল দুই দিকে সুইং করাতে পারতেন তিনি। পাশাপাশি উচ্চ গতির ইয়র্কারেও ছিলেন কার্যকর।

সাবেক ওয়েস্ট ইন্ডিজ পেসার কোর্টনি ওয়ালশও ওয়াসিমকে তাঁর সময়ের অন্যতম বিধ্বংসী বাঁহাতি পেসার হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। তাঁর সুইং, ইয়র্কার ও রিভার্স সুইংয়ের দক্ষতার কথাও উঠে এসেছে বিভিন্ন আলোচনায়।

পরিসংখ্যানেও বড় অর্জন

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়াসিম আকরামের পরিসংখ্যানও তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দেয়। টেস্টে ১০৪ ম্যাচে তাঁর উইকেট ৪১৪টি। ওয়ানডেতে ৩৫৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৫০২ উইকেট।

অন্যদিকে ওয়াকার ইউনিস ৮৭ টেস্টে নিয়েছেন ৩৭৩ উইকেট। ওয়ানডেতে ২৬২ ম্যাচে তাঁর শিকার ৪১৬ উইকেট।

আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে দুজনের উইকেট যোগ করলে সংখ্যাটি ৯০০ ছাড়িয়ে যায়। তবে তাঁদের প্রভাব শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে মাপা কঠিন।

শুধু গতি নয়, ছিল বুদ্ধির খেলাও

ওয়াসিম ও ওয়াকারের বিশেষত্ব শুধু বলের গতি কিংবা সুইংয়ে সীমাবদ্ধ ছিল না। ব্যাটারের দুর্বলতা বুঝে লাইন, লেংথ ও মুভমেন্ট পরিবর্তন করতেও তাঁরা ছিলেন দক্ষ।

নতুন বলে সুইং, পুরোনো বলে রিভার্স সুইং এবং ইনিংসের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ইয়র্কার—একটি স্পেলের মধ্যেই আক্রমণের ধরন বদলে দিতে পারতেন তাঁরা।

ফলে তাঁদের বিপক্ষে ব্যাট করা শুধু শারীরিক চ্যালেঞ্জ ছিল না, ছিল মানসিক পরীক্ষাও। ব্যাটারকে একই সঙ্গে গতি, সুইং ও বলের অনিশ্চিত মুভমেন্ট সামলাতে হতো।

কেন আজও আলাদা

আধুনিক ক্রিকেটে প্রযুক্তি, তথ্য বিশ্লেষণ ও প্রশিক্ষণের কারণে পেস বোলিংয়ের ধরন অনেক বদলে গেছে। কিন্তু ওয়াসিম-ওয়াকারের জুটির বিশেষত্ব ছিল তাঁদের পারস্পরিক পরিপূরকতা।

একজন বাঁহাতি, অন্যজন ডানহাতি। একজন সুইংয়ে দুর্দান্ত, অন্যজন রিভার্স সুইং ও ইয়র্কারে ভয়ংকর। দুজনের অস্ত্রভাণ্ডার একে অপরকে আরও কার্যকর করে তুলেছিল।

তাই শুধু উইকেটের সংখ্যা দিয়ে ‘টু ডব্লিউস’-এর প্রভাব বোঝা কঠিন। ব্যাটারের ওপর টানা চাপ তৈরি করা এবং দুই প্রান্ত থেকে ভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়াই ছিল তাঁদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

ক্রিকেট ইতিহাসে সেই কারণেই ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসের জুটি পেস বোলিংয়ের এক অনন্য অধ্যায় হয়ে আছে।

কালের আলো/এসএ

‘মায়ের শরীর নিয়ে মন্তব্য নয়, সন্তানের ভালো থাকা নিয়ে কথা বলুন’: পরিণীতি

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
‘মায়ের শরীর নিয়ে মন্তব্য নয়, সন্তানের ভালো থাকা নিয়ে কথা বলুন’: পরিণীতি

সন্তান জন্মের পর নারীর শারীরিক গঠন নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা ধরনের মন্তব্য ও কটূক্তি করা হয়। বিষয়টি নিয়ে এবার সরব হয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী পরিণীতি চোপড়া। নতুন মায়েদের শরীর নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তিনি বলেছেন, মাতৃত্বের কারণে একজন নারীর শরীরে যে পরিবর্তন আসে, সেগুলোকে নেতিবাচকভাবে দেখার কোনো কারণ নেই।

পরিণীতির মতে, একজন নারী প্রায় নয় মাস সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন। এই দীর্ঘ সময়ে শরীরে নানা ধরনের পরিবর্তন আসা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। সন্তান জন্মের পর শরীরে দাগ, স্ট্রেচ মার্ক কিংবা ওজন বেড়ে গেলে সেগুলোকে লজ্জার বিষয় হিসেবে দেখার পরিবর্তে মাতৃত্বের চিহ্ন হিসেবে দেখা উচিত।

অভিনেত্রী বলেন, একজন নারী তার শরীরের মধ্য দিয়ে একটি নতুন প্রাণকে পৃথিবীতে নিয়ে আসেন। তাই সেই শরীরের পরিবর্তনকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখা কোনোভাবেই ঠিক নয়। বরং সন্তান জন্ম দেওয়ার পর মায়ের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার বিষয়টিই সবার আগে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

পরিণীতি বলেন, কোনো গর্ভবতী নারীকে দেখলে তার ওজন কিংবা শারীরিক গঠন নিয়ে মন্তব্য করার বদলে তার সন্তান এবং তার ভালো থাকা নিয়ে কথা বলা উচিত। একজন নারী মা হওয়ার পর তার শরীরে কী ধরনের পরিবর্তন এসেছে, সেটি নিয়ে আলোচনা বা কটূক্তি করা কোনোভাবেই প্রয়োজনীয় নয়।

নারীর শরীর নিয়ে মন্তব্য করে যারা অন্যের সময় ও মানসিক শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেন, তাদের নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন পরিণীতি। তার মতে, মা হওয়ার পর ওজন বৃদ্ধি, স্ট্রেচ মার্ক কিংবা শরীরের অন্যান্য পরিবর্তন খুবই স্বাভাবিক বিষয়। অথচ এসব নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়—যা তার কাছে অত্যন্ত অদ্ভুত বলে মনে হয়েছে।

সামাজিক মাধ্যমের মন্তব্যে গুরুত্ব দেন না

এদিকে সামাজিক মাধ্যমে তাকে নিয়ে হওয়া নানা আলোচনা নিয়েও নিজের অবস্থান জানিয়েছেন পরিণীতি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সামাজিক মাধ্যমে তাকে নিয়ে কী ধরনের আলোচনা চলছে, তা তিনি খুব একটা অনুসরণ করেন না। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি খুব কম সময় কাটান।

ফলে নেটিজেনরা তাকে নিয়ে কী লিখছেন, সেসব সম্পর্কে অনেক সময় জানতেই পারেন না বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী। কখনো কোনো মন্তব্য বা আলোচনা তার চোখে পড়লেও সেটিকে নিজের ওপর প্রভাব ফেলতে দেন না তিনি।

পরিণীতির কাছে জীবনের অগ্রাধিকার অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার জীবন, পরিবার এবং কাছের মানুষদের নিয়েই তার মূল মনোযোগ। অপরিচিত মানুষের মতামত নিয়ে ভাবার মতো সময় তার নেই বলেও জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

সামাজিক মাধ্যমে তাকে নিয়ে ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক কী বলা হচ্ছে, তা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে নিজের জীবন ও পরিবারের দিকেই মনোযোগ দিতে চান পরিণীতি। একইভাবে নতুন মায়েদের ক্ষেত্রেও সামাজিক মন্তব্যের বদলে তাদের মাতৃত্ব ও সুস্থতাকে গুরুত্ব দেওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।

কালের আলো/এসএ

‘আমার চোখে সবাই সেরা, আরেকজন আমি’-অপু বিশ্বাস

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৬ অপরাহ্ণ
‘আমার চোখে সবাই সেরা, আরেকজন আমি’-অপু বিশ্বাস

ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বর্তমানে অভিনয় নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। সম্প্রতি ‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন তিনি। কামরুজ্জামান রোমান পরিচালিত সিনেমাটির বড় একটি অংশের শুটিং হয়েছে নেপালে। তবে সিনেমাটির বাকি কাজ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কারণ, সিনেমাটির নায়ক মর্তুজা পলাশ বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

‘শিকার’ সিনেমায় অপু বিশ্বাস ও মর্তুজা পলাশের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, সুমন আনোয়ার, পশ্চিমবঙ্গের কৌতুক অভিনেতা খরাজ মুখার্জি, শক্তিমান অভিনেতা রজতাভ দত্ত ও শ্যাম ভট্টাচার্যসহ আরও অনেকে।

এদিকে অভিনয়ের পাশাপাশি সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের পছন্দের নায়ক-নায়িকাদের তালিকা নিয়ে কথা বলেছেন অপু বিশ্বাস। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে দেশের অনেক জনপ্রিয় অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাই তার চোখে ঢালিউডের সেরা নায়ক ও নায়িকা কারা—এমন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।

জবাবে অপু বিশ্বাস প্রথমেই বলেন, ‘আমার চোখে সবাই সেরা।’ এরপর নায়িকাদের প্রসঙ্গ উঠলে কয়েকজন জনপ্রিয় অভিনেত্রীর নাম উল্লেখ করেন তিনি। তার তালিকায় রয়েছেন মৌসুমী, পূর্ণিমা, শাবনূর ও পপি।

তবে এখানেই শেষ নয়। উপস্থাপিকা যখন উল্লেখ করেন যে চারজনের নাম হয়ে গেছে, তখন হাসতে হাসতে নিজের নামটিও সেই তালিকায় যোগ করেন অপু বিশ্বাস। তিনি বলেন, ‘আরেকজন আমি।’ নিজের নাম বলেই হেসে ওঠেন অভিনেত্রী। সাক্ষাৎকারের এই মুহূর্তটি বেশ হাস্যরসের জন্ম দেয়।

নায়কদের তালিকায় পাঁচজন

নায়িকাদের পর অপু বিশ্বাসের কাছে জানতে চাওয়া হয় তার পছন্দের নায়কদের নাম। এবার তিনি পাঁচজনের নাম উল্লেখ করেন। তার তালিকায় রয়েছেন রিয়াজ, ফেরদৌস, আমিন খান, শাকিব খান ও শাকিল খান।

দীর্ঘ অভিনয়জীবনে এসব অভিনেতার অনেকের সঙ্গেই পর্দা ভাগ করেছেন অপু বিশ্বাস। ফলে তার পছন্দের তালিকায় ঢালিউডের একাধিক পরিচিত ও জনপ্রিয় তারকার নাম থাকাটা নতুন করে আগ্রহ তৈরি করেছে।

তবে অপু বিশ্বাসের এই তালিকাকে কোনো আনুষ্ঠানিক ‘সেরা’ নির্বাচন হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের ব্যক্তিগত পছন্দের জায়গা থেকেই নায়ক-নায়িকাদের নাম উল্লেখ করেছেন। আর নিজের নাম তালিকায় যোগ করে হাস্যরসের যে মুহূর্ত তৈরি করেছেন, সেটিই সাক্ষাৎকারের অন্যতম আলোচিত অংশ হয়ে উঠেছে।

কালের আলো/এসএ

দ্বিতীয় সিনেমার পর ফের বড় পর্দায় মেহজাবীন, প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃতীয় ছবির

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০০ অপরাহ্ণ
দ্বিতীয় সিনেমার পর ফের বড় পর্দায় মেহজাবীন, প্রস্তুতি নিচ্ছেন তৃতীয় ছবির

নাটকের পরিচিত গণ্ডি পেরিয়ে কয়েক বছর আগেই বড় পর্দায় পা রেখেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। ছোট পর্দায় দীর্ঘদিনের জনপ্রিয়তার পর এখন সিনেমাতেই নিজের অভিনয়ের পরিসর আরও বড় করার চেষ্টা করছেন তিনি। বেছে বেছে কাজ করার নীতিতে আগের তুলনায় পর্দায় তার উপস্থিতিও কমেছে। তবে এবার নতুন একটি সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

তবে নতুন সিনেমাটির নাম, গল্প কিংবা সহশিল্পীদের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। মূলত দ্বিতীয় সিনেমা ‘সাবা’-এর পর বড় পর্দায় আর দেখা যায়নি মেহজাবীনকে। এবার তৃতীয় সিনেমার জন্যই নিজেকে প্রস্তুত করছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

২০০৯ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন। এরপর নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে অল্প সময়েই দর্শকদের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। ধীরে ধীরে নিজের অভিনয় দক্ষতা ও বৈচিত্র্যময় চরিত্র নির্বাচনের মাধ্যমে তৈরি করেন আলাদা অবস্থান।

‘বড় ছেলে’, ‘পুনর্জন্ম’সহ বেশ কিছু আলোচিত নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছেন মেহজাবীন। টেলিভিশনের পাশাপাশি ওয়েব ফিল্ম ও ওয়েব সিরিজেও কাজ করেছেন তিনি। ‘রেডরাম’, ‘সাবরিনা’ ও ‘নীল জলের কাব্য’-এর মতো বিভিন্ন ওয়েবভিত্তিক প্রকল্পে দেখা গেছে এই অভিনেত্রীকে।

সিনেমায় ভিন্ন গল্পের খোঁজ

সিনেমাতেও নিজের অভিনয়ের পরিসর বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন মেহজাবীন। শঙ্খ দাশগুপ্ত পরিচালিত ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর ‘সাবা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি।

বিশেষ করে নারীপ্রধান চরিত্র এবং প্রচলিত ধারার বাইরে ভিন্নধর্মী গল্পের প্রতি তার আগ্রহের কথা বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে। কাজ নির্বাচনের ক্ষেত্রেও গল্প ও চরিত্রকে গুরুত্ব দেন অভিনেত্রী। ফলে নিয়মিত কাজের পরিবর্তে পছন্দের গল্প ও চরিত্র পেলেই পর্দায় হাজির হচ্ছেন তিনি।

সিনেমায় মনোযোগ বাড়ানোর কারণে নাটকে তার উপস্থিতিও আগের তুলনায় কমেছে। তবে নাটক থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়ার কথা কখনোই বলেননি মেহজাবীন। ভালো গল্প ও পছন্দের চরিত্র পেলে আবারও নাটকে অভিনয় করার আগ্রহ রয়েছে তার।

ব্যক্তিজীবনের নতুন অধ্যায়

অন্যদিকে ব্যক্তিজীবনেও নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। বিয়ের পর সংসার সামলানোর পাশাপাশি অভিনয় নিয়েও নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন তিনি।

সব মিলিয়ে নতুন সিনেমায় মেহজাবীনের প্রত্যাবর্তনের খবর তার ভক্তদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। নতুন ছবির গল্প, চরিত্র, পরিচালক ও সহশিল্পীদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এলে তার সিনেমা ক্যারিয়ারের পরবর্তী অধ্যায় আরও স্পষ্ট হবে।

কালের আলো/এসএ