খুঁজুন
                               
, ,
           

‘স্টপ দ্য গেম’: ইসরায়েলের বিপক্ষে না খেলতে আইরিশ ফুটবলারদের প্রতি আহ্বান

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:১৫ অপরাহ্ণ
‘স্টপ দ্য গেম’: ইসরায়েলের বিপক্ষে না খেলতে আইরিশ ফুটবলারদের প্রতি আহ্বান

ইসরায়েলের বিপক্ষে আসন্ন দুটি ম্যাচ বয়কট করতে আয়ারল্যান্ড জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির ১৬০-এর বেশি ক্রীড়াবিদ। ‘আইরিশ স্পোর্ট ফর প্যালেস্টাইন’ নামের একটি গোষ্ঠীর উদ্যোগে প্রকাশিত খোলা চিঠিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে স্বাক্ষরকারীর সংখ্যা ১৬০-এর বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিরপেক্ষ ভেন্যুতে দুই ম্যাচ

২০২৬–২৭ উয়েফা নেশন্স লিগে ২৭ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলবে রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড। এরপর ৪ অক্টোবর দুই দল আবার মুখোমুখি হবে। উয়েফার সূচি অনুযায়ী প্রথম ম্যাচে ইসরায়েল ‘হোম’ দল এবং দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ‘হোম’ দল। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের মধ্যে ম্যাচ দুটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

‘খেলা বন্ধ করার সুযোগ এখনো আছে’

খোলা চিঠিতে বলা হয়েছে, ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (এফএআই), উয়েফা এবং আইরিশ সরকারের আরও আগেই ম্যাচ দুটি বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। তবে এখনো খেলোয়াড়দের সামনে সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন স্বাক্ষরকারীরা।

চিঠিতে খেলোয়াড়দের উদ্দেশে বলা হয়েছে, তারা যেন দুই ম্যাচেই অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। স্বাক্ষরকারীদের ভাষ্য, খেলাধুলা ঐক্য, ন্যায়সংগত আচরণ ও সমতার বার্তা তুলে ধরার একটি মাধ্যম হতে পারে।

যাঁরা সই করেছেন

চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন অলিম্পিয়ান কিয়ারা ম্যাগিন, সাবেক আইরিশ ফুটবলার লুইস কুইন, সাবেক রাগবি খেলোয়াড় টনি ওয়ার্ড, বক্সার টাইরন ম্যাককেনা ও এরিক ডোনোভান। গেইলিক ফুটবলের পরিচিত মুখ প্যাড্রেইগ ও’হোরা, জো ব্রলি, কলম ও’রুর্ক, মাইকেল দারাহ ম্যাকঅলি, ফিলি ম্যাকমাহন, ভ্যালেরি মালকাহি ও রেনা বাকলিও এতে সই করেছেন।

টনি ওয়ার্ড এর আগে দক্ষিণ আফ্রিকার তৎকালীন বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে আইরিশ রাগবি দলের সফর বয়কট করেছিলেন। কয়েকজন স্বাক্ষরকারী চলতি বছরও ইসরায়েলের বিপক্ষে নিজেদের সংশ্লিষ্ট ম্যাচে অংশ নেননি।

কোচের মন্তব্য ঘিরে নতুন বিতর্ক

ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচ নিয়ে আয়ারল্যান্ডের কোচ হেইমির হালগ্রিমসনের সাম্প্রতিক মন্তব্যও আলোচনায় এসেছে। ম্যাচে মনোযোগ ধরে রাখার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা গণহত্যার সঙ্গে খেলছি না, গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছি। আমরা ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলছি, ইসরায়েলের সঙ্গে নয়।’

হালগ্রিমসনের মন্তব্যের পর ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর সমালোচনা করে। সংস্থাটি তাঁকে ‘অজ্ঞতা, ভণ্ডামি ও বোকামি’র অভিযোগে আক্রমণ করেছে।

ম্যাচ বাতিলের চাপ এফএআইয়ের ওপরও

এদিকে এফএআই জানিয়েছে, তারা একতরফাভাবে ম্যাচ বাতিল করতে চায়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে উয়েফার কাছে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এফএআইয়ের প্রধান নির্বাহী ডেভিড কোরেল বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংস্থাটি কঠিন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। এর আগে এফএআইয়ের সাধারণ সভাতেও ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে উয়েফা প্রতিযোগিতা থেকে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করার বিষয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট হয়েছিল।

এরই মধ্যে আয়ারল্যান্ড দলের হোটেলের বাইরে ম্যাচ বয়কটের দাবিতে বিক্ষোভও হয়েছে। তবে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ২৭ সেপ্টেম্বর ও ৪ অক্টোবর দুই ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

গাজা যুদ্ধ ঘিরে দীর্ঘদিনের বিতর্ক

ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক চলছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরু হয়। হতাহতের সংখ্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক রয়েছে। ইসরায়েল এসব অভিযোগ অস্বীকার করে এবং তাদের সামরিক অভিযানকে আত্মরক্ষার পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করে।

এই রাজনৈতিক ও মানবিক বিতর্কের মধ্যেই এবার ইসরায়েলের বিপক্ষে মাঠে নামা নিয়ে আয়ারল্যান্ডের জাতীয় ফুটবল দলকে ঘিরে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে।

কালের আলো/এসএ

হামের উপসর্গে একদিনে ১১ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৭৫

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
হামের উপসর্গে একদিনে ১১ মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৭৫

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সন্দেহ ও নিশ্চিত হামে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ২৭০ জন।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,১৫৭

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ১ হাজার ১৫৭ জন শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে ১১৩ জনের। গত ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে হাম উপসর্গে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৪৯ জন। এর মধ্যে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৮৫১ জন।

হাসপাতালে ভর্তি ১ লাখ ৬২ হাজার

১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৮ জন। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬১২ জন।

মোট মৃত্যু ৯৭৫

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাম উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৭৫ জনে।

তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যু হয়েছে ১০১ জনের।

কালের আলো/এমএসআইপি 

জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর দামের বড় পার্থক্য তৈরি হলে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে বিকল্প না থাকায় সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গেলে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল হলে আবারও দাম সমন্বয় করা হবে।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তখন প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প ছিল না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াতের সমালোচনা করেন। তিনি দলটিকে বিরোধী দল থেকে ‘জালিমে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এবং আওয়ামী লীগের মতো ‘ফ্যাসিবাদী আচরণ’ করার অভিযোগ তোলেন। তার ভাষ্য, এর জবাব জনগণ দেবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ইসরায়েলকে খেলতে দিয়ে ‘অন্যায়কে বৈধতা দিচ্ছে’ উয়েফা, অভিযোগ অ্যামনেস্টির

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:০৫ অপরাহ্ণ
ইসরায়েলকে খেলতে দিয়ে ‘অন্যায়কে বৈধতা দিচ্ছে’ উয়েফা, অভিযোগ অ্যামনেস্টির

ইসরায়েলকে ইউরোপীয় ফুটবলের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দিয়ে উয়েফা ‘চোখ বন্ধ করে আছে’ বলে অভিযোগ করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। ফিলিস্তিনে চলমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ইসরায়েলের ফুটবল অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার কঠোর সমালোচনা করেছে মানবাধিকার সংগঠনটি।

২০২৬–২৭ উয়েফা নেশন্স লিগে বৃহস্পতিবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলবে ইসরায়েল। গ্রুপ ‘জি’-তে তাদের অন্য প্রতিপক্ষ রিপাবলিক অব আয়ারল্যান্ড ও কসোভো।

নিরপেক্ষ ভেন্যুতে ইসরায়েলের ম্যাচ

নিরাপত্তাজনিত কারণে ইসরায়েল নিজেদের দেশে ম্যাচ আয়োজন করতে পারছে না। ফলে ২৭ সেপ্টেম্বর আয়ারল্যান্ড এবং ১ অক্টোবর কসোভোর বিপক্ষে তাদের ‘হোম’ ম্যাচ দুটি হাঙ্গেরির ডেব্রেসেনে অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে ৪ অক্টোবর আয়ারল্যান্ডের মাঠে ইসরায়েলের বিপক্ষে ম্যাচটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে সার্বিয়ার বাক্কা টপোলায়। ওই ম্যাচে দর্শক উপস্থিতি থাকবে না।

ইসরায়েলের অংশগ্রহণ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিতর্কের মধ্যেই ম্যাচগুলোর ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে।

উয়েফার বিরুদ্ধে অ্যামনেস্টির অভিযোগ

মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ইউরোপ বিষয়ক পরিচালক স্টিভ ককবার্ন অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উয়েফা দেশটিকে আন্তর্জাতিক ফুটবলের মঞ্চ ব্যবহারের সুযোগ দিচ্ছে।

ককবার্ন বলেন, ‘অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বেআইনি দখলদারিত্ব এবং ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য কোনো মূল্য দিতে হবে—এমন স্পষ্ট বার্তা দেওয়ার পরিবর্তে উয়েফা ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক মঞ্চ দিচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ থাকা কোনো রাষ্ট্রের জন্য খেলাধুলাকে জনসংযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।

অ্যামনেস্টির এই কর্মকর্তা দাবি করেন, অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের অবৈধ বসতিতে থাকা ক্লাবগুলো নিষিদ্ধ করার বিষয়ে পদক্ষেপ না নেওয়ায় উয়েফা ও ফিফার আরও আগেই ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল।

‘ফুটবল ঐক্যের জন্য’

ককবার্নের ভাষ্য, ইসরায়েল যখন ইউরোপীয় ফুটবলে অংশ নিচ্ছে, একই সময়ে ফিলিস্তিনি পরিবারগুলোর বাস্তুচ্যুতি, জমি হারানো এবং জলপাই গাছ উপড়ে ফেলার মতো ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ফুটবল মানুষের মধ্যে ঐক্য তৈরি করার জন্য, কোনো বৈষম্যমূলক ব্যবস্থাকে বৈধতা দেওয়ার জন্য নয়।’

তবে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। উয়েফা ও ফিফার কাছেও মন্তব্য চাওয়া হয়েছে।

এশিয়া থেকে ইউরোপে ইসরায়েল

ইসরায়েল একসময় এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একটি ছিল। তবে ১৯৭৪ সালে কয়েকটি আরব দেশ ইসরায়েলের বিপক্ষে খেলতে অস্বীকৃতি জানানোর পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে দেশটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ১৯৯৪ সালে উয়েফায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে ইউরোপীয় ফুটবলে তাদের অংশগ্রহণের পথ তৈরি হয়।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানকে কেন্দ্র করে দেশটিকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার দাবিও জোরালো হয়েছে।

৭ অক্টোবরের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত এবং ২৫০ জনের বেশি মানুষ জিম্মি হন বলে ইসরায়েলি সূত্রে জানানো হয়। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের হিসাবে, গাজায় ইসরায়েলি অভিযানে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

জাতিসংঘের একটি তদন্ত সংস্থা গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেছে। তবে ইসরায়েল সরকার এ অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে।

আয়ারল্যান্ডেও তীব্র বিতর্ক

ইসরায়েলকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি আয়ারল্যান্ডে বিশেষভাবে জোরালো হয়েছে। দেশটির জাতীয় দলের কোচ হেইমির হালগ্রিমসন সম্প্রতি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিরতিতে তার দল ‘গণহত্যার বিরুদ্ধে খেলছে’।

এর জবাবে ইসরায়েল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন হালগ্রিমসনের মন্তব্যকে ‘অজ্ঞতা, ভণ্ডামি ও বোকামি’ বলে আখ্যা দিয়েছে।

ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন অব আয়ারল্যান্ড (এফএআই) সরাসরি এ মন্তব্যের জবাব দেয়নি। তবে তারা জানিয়েছে, জুলাইয়ে সদস্যদের ভোটের পর ম্যাচ দুটি খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ম্যাচে অংশ না নিলে উয়েফার নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকি ছিল।

এফএআইয়ের ভোটে ম্যাচ খেলার পক্ষে ৭৫-৩২ ব্যবধানে সিদ্ধান্ত হয়। তবে হাঙ্গেরি ও সার্বিয়ায় অনুষ্ঠেয় ম্যাচ দুটিতে কোনো আইরিশ সমর্থক উপস্থিত থাকবেন না। দেশটির সম্প্রচার সংস্থা আরটিইও চুক্তির বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ম্যাচ সম্প্রচার করবে, তবে বিজ্ঞাপন প্রচার করবে না।

কালের আলো/এসএ