খুঁজুন
                               
, ,
           

জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:১১ অপরাহ্ণ
জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই: প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেলের দাম আর বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই। বরং পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন প্রতিমন্ত্রী। পরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দামের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর দামের বড় পার্থক্য তৈরি হলে সীমান্ত দিয়ে তেল পাচারের ঝুঁকি বাড়ে। এ কারণে বিকল্প না থাকায় সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংকট কেটে গেলে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল হলে আবারও দাম সমন্বয় করা হবে।

তিনি বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে আগের তুলনায় জ্বালানি তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। তখন প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে তেলের দাম বাড়ানো ছাড়া সরকারের সামনে বিকল্প ছিল না।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান জামায়াতের সমালোচনা করেন। তিনি দলটিকে বিরোধী দল থেকে ‘জালিমে’ পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন এবং আওয়ামী লীগের মতো ‘ফ্যাসিবাদী আচরণ’ করার অভিযোগ তোলেন। তার ভাষ্য, এর জবাব জনগণ দেবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ভোটের মাঠে ফিরতে প্রস্তুত বাম, শর্ত শুধু ‘সমান মাঠ’

কালের আলো রিপোর্ট:
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
ভোটের মাঠে ফিরতে প্রস্তুত বাম, শর্ত শুধু ‘সমান মাঠ’

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ গোছাতে শুরু করেছে রাজনৈতিক দলগুলো। জাতীয় নির্বাচনের পর এবার স্থানীয় পর্যায়ের ভোটকে ঘিরে সক্রিয় হচ্ছে বাম দলগুলোও। নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তাদের অবস্থান ইতিবাচক। তবে সেই আগ্রহের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে স্পষ্ট শর্ত—নির্বাচনের মাঠ হতে হবে সবার জন্য সমান, পরিবেশ হতে হবে অবাধ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।

বাম দলগুলোর নেতারা মনে করছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন তাদের জন্য শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়; দীর্ঘদিনের তৃণমূল সংগঠন যাচাই, নেতাকর্মীদের সক্রিয় করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ বাড়ানোরও সুযোগ। জাতীয় রাজনীতির বাইরে স্থানীয় ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার ক্ষেত্র হিসেবেও তারা এই নির্বাচনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

  • স্থানীয় নির্বাচনে সাংগঠনিক শক্তি যাচাই ও তৃণমূলে ফেরার সুযোগ দেখছে বাম দলগুলো
  • প্রতীকহীন ভোটে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা বনাম সংগঠনের সক্ষমতাই হবে বড় পরীক্ষা

তৃণমূলে শক্তি যাচাইয়ের সুযোগ
ইউনিয়ন, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে বাম দলগুলোর কৃষক, শ্রমিক ও পেশাজীবী সংগঠনের দীর্ঘদিনের কার্যক্রম রয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে এসব সংগঠনের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগাযোগ আরও জোরদার করতে চাইছে দলগুলো।

জাতীয় নির্বাচনে যে রাজনৈতিক বক্তব্য বড় পরিসরে জায়গা পায়, স্থানীয় নির্বাচনে তার বাস্তব প্রয়োগের সুযোগ তৈরি হয় ভিন্নভাবে। রাস্তা, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, কৃষি, কর্মসংস্থান, স্থানীয় উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার মতো বিষয় সামনে রেখে প্রার্থীরা ভোটারদের কাছে যেতে পারবেন। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে দলগুলোর প্রকৃত সাংগঠনিক শক্তি কতটা, সেটিও স্পষ্ট হওয়ার সুযোগ রয়েছে।

দলীয় প্রতীক নেই, প্রার্থীই মুখ
এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে না করার উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। খসড়া বিধিমালায় দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীকের পরিবর্তে ব্যক্তিগত পরিচয়ে প্রার্থীদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সামাজিক অবস্থান, রাজনৈতিক পরিচয় এবং সাংগঠনিক সক্ষমতার গুরুত্ব বাড়তে পারে। বাম দলগুলোর জন্য এটি একদিকে সুযোগ, অন্যদিকে কঠিন পরীক্ষা। দলীয় প্রতীক ভোটারের কাছে পরিচিতি তৈরির সুবিধা দেবে না; তাই প্রার্থীকে নিজের রাজনৈতিক পরিচয় এবং স্থানীয় সংগঠনের শক্তির ওপর বেশি নির্ভর করতে হবে।

শর্ত একটাই—সমান মাঠ
বাম দলগুলোর নেতাদের বক্তব্যে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে নির্বাচনী পরিবেশ। তাদের মতে, শুধু বিধিমালা তৈরি করলেই হবে না; মাঠে তার সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। সব প্রার্থীকে সমানভাবে প্রচারের সুযোগ দিতে হবে। ভোটার যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা চাপ ছাড়াই কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তবে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ এবং প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত কঠিন হবে।

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের উপদেষ্টা খালেকুজ্জামানও নির্বাচনে অংশগ্রহণের পক্ষে অবস্থান জানিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন। তার মতে, ভোটার স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন এবং প্রার্থীরা ভয়ভীতি ছাড়া প্রচার করতে পারবেন—এমন পরিবেশ থাকা জরুরি।

অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে সতর্ক বাম দল
স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে বাম দলগুলোর আগ্রহ থাকলেও অতীতের নির্বাচনী অভিজ্ঞতা তাদের সতর্ক করেছে। তাই তফসিল ঘোষণার পর মাঠের বাস্তব পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চাইছে তারা।

গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু বলেন, তাদের কাছে নির্বাচন শুধু ভোটের দিনের বিষয় নয়। মনোনয়ন, প্রচার, ভোটগ্রহণ এবং ফল ঘোষণা—প্রতিটি ধাপেই স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে কাজ করার সক্ষমতা মাঠে প্রমাণ করতে হবে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তাদের দল অংশ নেবে এবং সে লক্ষ্যে স্থানীয় পর্যায়ে প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান বলেন, নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিকতায় পরিণত করা হলে অংশগ্রহণের অর্থ থাকে না। অর্থবল, পেশিশক্তি ও প্রশাসনিক প্রভাব যাতে কোনো প্রার্থী কাজে লাগাতে না পারেন, সেটি নির্বাচন কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে।

কমিশনের সামনে আস্থার পরীক্ষা
স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিধিমালা ও আচরণবিধি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। পাঁচ স্তরের স্থানীয় সরকার—ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন—নিয়ে বিধিমালা সংস্কারের কাজ চলছে।প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, কমিশন শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে চায়। রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ছাড়া নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয় বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন। বাম দলগুলোর বক্তব্যে অবশ্য স্পষ্ট, তাদের কাছে কমিশনের বক্তব্যের চেয়ে মাঠের বাস্তবতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিধিমালায় নিরপেক্ষতার কথা লেখা থাকলেই হবে না, প্রয়োগেও তার প্রতিফলন দেখতে চায় তারা।

ভোটে যাবে বাম, তবে মাঠ দেখে
সব মিলিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে বাম দলগুলোর অবস্থান এখন পর্যন্ত ইতিবাচক। তারা নির্বাচন বর্জনের পথে যেতে চায় না; বরং তৃণমূল রাজনীতিতে নিজেদের সংগঠন ও জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর সুযোগ হিসেবেই ভোটকে দেখছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে তিনটি বিষয়ের ওপর—সমান নির্বাচনী সুযোগ, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা এবং ভোটারের নির্বিঘ্ন অংশগ্রহণ।

অর্থাৎ বাম দলগুলোর কাছে এবার স্থানীয় নির্বাচন শুধু প্রার্থী দাঁড় করানোর বিষয় নয়; এটি হবে নির্বাচনী পরিবেশ ও নিজেদের সাংগঠনিক শক্তি—দুইয়েরই পরীক্ষা। মাঠ যদি সত্যিই সবার জন্য উন্মুক্ত থাকে, তাহলে বাম দলগুলো প্রার্থী দেবে এবং সক্রিয়ভাবে ভোটের লড়াইয়ে নামবে। আর নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে আস্থার সংকট তৈরি হলে তাদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তও সেই বাস্তবতার ওপরই নির্ভর করবে।

কালের আলো/এএইচ/এমএইচএ

বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৫ অপরাহ্ণ
বোয়িংয়ের সঙ্গে আরও ১১টি নতুন বিমান কেনার চুক্তি

যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের আরও ১১টি অত্যাধুনিক নতুন বিমান কেনার চুক্তি করেছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের মধ্যকার এই চুক্তির কথা জানায়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে এক অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্টোফার ল্যান্ডাউ।

এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি উইলিয়াম কিমিট, বোয়িং গ্লোবালের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্রেন্ডান নেলসন, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফানি পোপ, দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. পল কাপুর, বোয়িং কমার্শিয়াল এয়ারপ্লেনসের ইউরেশিয়া, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের বাণিজ্যিক বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি এবং উভয় প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, এই সম্পূরক চুক্তি বিমানের চলমান বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

আমাদের বহর পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তার আলোকে এই ক্রয়াদেশ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বোয়িংয়ের সঙ্গে আমাদের যে কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক রয়েছে, তা উড়োজাহাজ সরবরাহ ও পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে আমাদের আস্থা জুগিয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশে বসবাসকারী জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা উন্নয়নে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আগামী বছরগুলোতে দেশের আন্তর্জাতিক আকাশ যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করার জন্য একটি বিস্তৃত ও সুপরিকল্পিত দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন এই চুক্তি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দীর্ঘমেয়াদি বহর আধুনিকায়ন কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করবে। একইসঙ্গে এটি বিমানের পরিচালন সক্ষমতা, পরিচালনাগত নমনীয়তা ও দক্ষতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে। বিদ্যমান বোয়িং বহরের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার ক্ষেত্রেও এই চুক্তি সহায়ক হবে।

এতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাবাহী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স দেশের ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক যোগাযোগের চাহিদা পূরণ এবং দীর্ঘমেয়াদে জাতীয় বিমান পরিবহন সক্ষমতা জোরদারের লক্ষ্যে একটি আধুনিক, দক্ষ ও বাণিজ্যিকভাবে টেকসই বহর গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জাতীয় অগ্রাধিকার, প্রযোজ্য আইন ও বিধিবিধান এবং বৈশ্বিক বিমান পরিবহন খাতের ক্রমবিকাশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ভবিষ্যতেও তার বহর ও নেটওয়ার্কের প্রয়োজনীয়তা নিয়মিতভাবে পর্যালোচনা করবে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মিরপুরে পলিথিনের ব্যাগে মিললো জীবিত নবজাতক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:০৯ অপরাহ্ণ
মিরপুরে পলিথিনের ব্যাগে মিললো জীবিত নবজাতক

রাজধানীর মিরপুরের শাহআলী এলাকায় রাস্তার পাশে কালো পলিথিনের ব্যাগের ভেতর থেকে চার-পাঁচ দিন বয়সী এক কন্যাশিশুকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার এক বার্তায় বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান।

তিনি জানান, বুধবার শাহআলী থানাধীন ব্লক-ডি, ৮ নম্বর রোডের পাশের একটি খালি জায়গায় কালো পলিথিনের ব্যাগের ভেতর নবজাতক শিশুটিকে দেখতে পান এক ব্যক্তি।

এ সময় শিশুটি কান্নাকাটি করছিল। পরে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে বিষয়টি জানান এবং দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন।

৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য শাহআলী থানায় খবর দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে শাহআলী থানার একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চার-পাঁচ দিন বয়সী কন্যাশিশুটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে।

পরে শিশুটিকে প্রথমে শিশু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে সেখানে শিশুটিকে ভর্তি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহআলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহাঙ্গীর আলম জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-কে জানান, শিশুটিকে জীবিত উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ