খুঁজুন
                               
, ,
           

প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন ইয়ামি গৌতম

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৫:৩৩ অপরাহ্ণ
প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলেন ইয়ামি গৌতম

বলিউড অভিনেত্রী ইয়ামি গৌতমের ক্যারিয়ারে যুক্ত হলো নতুন মাইলফলক। ‘আর্টিকেল ৩৭০’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য প্রথমবার সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন তিনি।

ভারতের ৭২তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর হাত থেকে সম্মাননা গ্রহণ করেন ইয়ামি। জীবনের অন্যতম বড় এই স্বীকৃতি পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী।

পুরস্কার গ্রহণের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ইয়ামি জানান, বিশেষ এই মুহূর্তের অনুভূতি এখনো পুরোপুরি উপলব্ধি করে উঠতে পারেননি তিনি।

ইয়ামি বলেন, ‘যে কোনো শিল্পী, যিনি সারাজীবন ধরে কঠোর পরিশ্রম করেন, তাঁর কাছে এটি অত্যন্ত গর্ব ও সম্মানের বিষয়। যারা চোখে স্বপ্ন নিয়ে এই মায়ানগরীতে (মুম্বাই) আসেন, তাদের সবার হয়েই আমি এ কথা বলছি—জীবন কখন কাকে কী দেবে, কেউ জানে না।’

‘এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে’

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তাঁর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানান ইয়ামি। তবে এই স্বীকৃতিকে ক্যারিয়ারের শেষ সাফল্য হিসেবে দেখছেন না তিনি। বরং সামনে আরও শেখার ও কাজ করার প্রত্যয় জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

ইয়ামির কথায়, ‘এখনো অনেক কিছু শেখার এবং অনেক পথ পাড়ি দেওয়ার বাকি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনি শুধু কঠোর পরিশ্রম করে যান, ভালো কাজ করে যান, একদিন না একদিন এমন মুহূর্ত আসবেই। এই ঐতিহাসিক স্থানে দাঁড়িয়ে এত বড় সম্মান পেয়ে সত্যি খুব গর্ববোধ হচ্ছে।’

যে সিনেমার জন্য পুরস্কার

‘আর্টিকেল ৩৭০’ সিনেমার গল্প আবর্তিত হয়েছে ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরকে দেওয়া বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে।

সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন আদিত্য ধর, মোনাল থাক্কর ও অর্জুন ধাওয়ান। পরিচালনা করেছেন আদিত্য সুহাস জামভাল।

ইয়ামি গৌতম ছাড়াও সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রিয়ামণি, স্কন্দ ঠাকুর, অশ্বিনী কাউল, বৈভব তত্ত্ববাদী, অরুণ গোভিল ও কিরণ কর্মরকার।

২০২৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘আর্টিকেল ৩৭০’।

কালের আলো/এসএ

সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক বন্ধের উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৩২ অপরাহ্ণ
সরকারি হাসপাতালের ১ কিলোমিটারের মধ্যে ক্লিনিক বন্ধের উদ্যোগ

দেশের সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে ওই সীমানার মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের প্র্যাকটিসের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক) ডা. মো. নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন বিষয়ক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন কোনো স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান—হাসপাতাল, ক্লিনিক কিংবা ডায়াগনস্টিক সেন্টার—স্থাপনের অনুমতি দেওয়া যাবে না।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে থাকা বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতেও সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা প্র্যাকটিস করতে পারবেন না।

নির্দেশনা বাস্তবায়নে প্রতিটি বিভাগীয় স্বাস্থ্য বিভাগ, সিভিল সার্জন অফিস এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে বিপুলসংখ্যক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গড়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের দালালের মাধ্যমে বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের কর্মঘণ্টার পর আশপাশের বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালে প্র্যাকটিস করার বিষয়টিও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় রয়েছে। নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে সরকারি হাসপাতালকেন্দ্রিক এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-আজারবাইজানের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
নিউইয়র্কে বাংলাদেশ-আজারবাইজানের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সই

কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল বা সরকারি পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ ও আজারবাইজান।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে দুই দেশের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং আজারবাইজানের পক্ষে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেহুন বায়রামভ স্বাক্ষর করেন।

চুক্তির আওতায় দুই দেশের কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল বা সরকারি পাসপোর্টধারীরা নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ভিসা অব্যাহতি সুবিধা পাবেন।

উল্লেখ্য, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বর্তমানে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

‘আইপিএলের পাঁচ ম্যাচ ফিক্সিং করে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
‘আইপিএলের পাঁচ ম্যাচ ফিক্সিং করে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

ক্রিকেটে ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। তবে সাবেক এক রঞ্জি ক্রিকেটারের সাম্প্রতিক স্বীকারোক্তিতে ভারতীয় ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নতুন কিছু দাবি সামনে এসেছে। আইপিএলের মতো বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাচার করে অর্থ উপার্জনের কথা জানিয়েছেন রচিত ভাটিয়া নামের ওই সাবেক ক্রিকেটার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘তেহেলকা’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

‘পাঁচ ম্যাচ থেকে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরে উত্তর দিল্লির ঢাকা ক্রিকেট একাডেমিতে সাংবাদিকদের সামনে নিজের ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেন রচিত। তার দাবি, লন্ডনে থাকা বুকিদের কাছে চেন্নাই সুপার কিংসের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাঠিয়ে ২০২৫ সালের আইপিএলে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছিলেন তিনি।

‘তেহেলকা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রচিত বলেন, ‘আমি স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে লন্ডনের বুকিদের চেন্নাই সুপার কিংসের ভেতরের গোপন তথ্য পাচার করে ২০২৫ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছি। আমি প্রতি ম্যাচে ৬০ লাখ রুপি করে আয় করেছি, ওই পাঁচটি ম্যাচের জন্য মোট ৩ কোটি পেয়েছি।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে বুকিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।

ঘরোয়া ক্রিকেটেও স্পট-ফিক্সিংয়ের দাবি

শুধু আইপিএল নয়, ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটেও ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন রচিত। তার দাবি, ২০১৮-১৯ মৌসুমের সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতেও স্পট-ফিক্সিং করেছিলেন তিনি।

সাবেক এই ক্রিকেটারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুকিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে দুটি ওয়াইড বল করেছিলেন তিনি। প্রতিটি বলের জন্য পেয়েছিলেন ৮ লাখ রুপি, অর্থাৎ মোট ১৬ লাখ রুপি।

দল পেতে ঘুষ দেওয়ার দাবিও

দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের দাবি করেছেন রচিত। তার ভাষ্য, ২০১৮-১৯ মৌসুমে নাগাল্যান্ডের রঞ্জি ট্রফি দলে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে তিনি ১৫ লাখ রুপি ঘুষ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৮-১৯ মৌসুমে নাগাল্যান্ড রঞ্জি ট্রফি দলে আমার নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমি ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম এবং রঞ্জি অভিষেক করেছিলাম।’

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ঘুষের অভিযোগ

বর্তমানে জাতীয় নির্বাচক ও কোচ হিসেবে কাজ করার দাবি করেছেন ২৯ বছর বয়সী রচিত। স্কুল ক্রিকেট ও বয়সভিত্তিক দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

তার দাবি, দিল্লির একটি স্কুল ক্রিকেট দল গঠন এবং অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নির্বাচনের সঙ্গে তিনি যুক্ত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি শিশুকে দলে নেওয়ার জন্য ৭ থেকে ৮ লাখ রুপি পর্যন্ত অর্থ নেওয়া হয়।

২০২৬ আইপিএল নিয়েও প্রস্তাবের দাবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আইপিএল এবং দিল্লি প্রিমিয়ার লিগেও নিজের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন রচিত।

তবে প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব তথ্য মূলত রচিত ভাটিয়ার বক্তব্য ও ‘তেহেলকা’র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

কালের আলো/এসএ