খুঁজুন
                               
, ,
           

‘আইপিএলের পাঁচ ম্যাচ ফিক্সিং করে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২২ অপরাহ্ণ
‘আইপিএলের পাঁচ ম্যাচ ফিক্সিং করে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

ক্রিকেটে ফিক্সিং ও দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। তবে সাবেক এক রঞ্জি ক্রিকেটারের সাম্প্রতিক স্বীকারোক্তিতে ভারতীয় ক্রিকেটে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের নতুন কিছু দাবি সামনে এসেছে। আইপিএলের মতো বড় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দলের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাচার করে অর্থ উপার্জনের কথা জানিয়েছেন রচিত ভাটিয়া নামের ওই সাবেক ক্রিকেটার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘তেহেলকা’-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

‘পাঁচ ম্যাচ থেকে পেয়েছি ৩ কোটি রুপি’

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের ডিসেম্বরে উত্তর দিল্লির ঢাকা ক্রিকেট একাডেমিতে সাংবাদিকদের সামনে নিজের ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ার কথা স্বীকার করেন রচিত। তার দাবি, লন্ডনে থাকা বুকিদের কাছে চেন্নাই সুপার কিংসের অভ্যন্তরীণ তথ্য পাঠিয়ে ২০২৫ সালের আইপিএলে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছিলেন তিনি।

‘তেহেলকা’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রচিত বলেন, ‘আমি স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে লন্ডনের বুকিদের চেন্নাই সুপার কিংসের ভেতরের গোপন তথ্য পাচার করে ২০২৫ সালের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ মৌসুমে পাঁচটি ম্যাচ ফিক্সিং করেছি। আমি প্রতি ম্যাচে ৬০ লাখ রুপি করে আয় করেছি, ওই পাঁচটি ম্যাচের জন্য মোট ৩ কোটি পেয়েছি।’

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তির বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে বুকিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি।

ঘরোয়া ক্রিকেটেও স্পট-ফিক্সিংয়ের দাবি

শুধু আইপিএল নয়, ভারতীয় ঘরোয়া ক্রিকেটেও ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার কথা জানিয়েছেন রচিত। তার দাবি, ২০১৮-১৯ মৌসুমের সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতেও স্পট-ফিক্সিং করেছিলেন তিনি।

সাবেক এই ক্রিকেটারের ভাষ্য অনুযায়ী, বুকিদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে দুটি ওয়াইড বল করেছিলেন তিনি। প্রতিটি বলের জন্য পেয়েছিলেন ৮ লাখ রুপি, অর্থাৎ মোট ১৬ লাখ রুপি।

দল পেতে ঘুষ দেওয়ার দাবিও

দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের দাবি করেছেন রচিত। তার ভাষ্য, ২০১৮-১৯ মৌসুমে নাগাল্যান্ডের রঞ্জি ট্রফি দলে নিজের জায়গা নিশ্চিত করতে তিনি ১৫ লাখ রুপি ঘুষ দিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১৮-১৯ মৌসুমে নাগাল্যান্ড রঞ্জি ট্রফি দলে আমার নির্বাচন নিশ্চিত করতে আমি ১৫ লাখ টাকা ঘুষ দিয়েছিলাম এবং রঞ্জি অভিষেক করেছিলাম।’

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ঘুষের অভিযোগ

বর্তমানে জাতীয় নির্বাচক ও কোচ হিসেবে কাজ করার দাবি করেছেন ২৯ বছর বয়সী রচিত। স্কুল ক্রিকেট ও বয়সভিত্তিক দল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও অর্থ লেনদেনের অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

তার দাবি, দিল্লির একটি স্কুল ক্রিকেট দল গঠন এবং অনূর্ধ্ব-১৪, অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দলের নির্বাচনের সঙ্গে তিনি যুক্ত। তার ভাষ্য অনুযায়ী, একটি শিশুকে দলে নেওয়ার জন্য ৭ থেকে ৮ লাখ রুপি পর্যন্ত অর্থ নেওয়া হয়।

২০২৬ আইপিএল নিয়েও প্রস্তাবের দাবি

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের আইপিএল এবং দিল্লি প্রিমিয়ার লিগেও নিজের অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন রচিত।

তবে প্রতিবেদনে উঠে আসা এসব তথ্য মূলত রচিত ভাটিয়ার বক্তব্য ও ‘তেহেলকা’র অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে। অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং সংশ্লিষ্ট অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

কালের আলো/এসএ

প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া গেল চীনের ডুনডুয়াংয়ে স্মার্টফোন নির্মাতা ভিভোর কারখানায়। বিশাল এই কারখানায় রয়েছে বড় তিনটি ভবন। কর্মীদের থাকার জন্য আছে বেশ কয়েকটি বহুতল ডরমিটরি।

গবেষণা ও উন্নয়নের (আরঅ্যান্ডডি) জন্য তৈরি ভবনটির আয়তন প্রায় ১০ লাখ বর্গমিটার। একসময় এটিই ছিল ভিভোর সদর দপ্তর। আর স্মার্টফোন উৎপাদনের কাজ মূলত দুটি ভবনে পরিচালিত হয়।

এই কারখানা থেকেই প্রতি মাসে প্রায় ৬০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ দিনে গড়ে প্রায় ২ লাখ ফোন।

৩০ উৎপাদন লাইনে তৈরি ফোন

বাংলাদেশ, মিসর ও পাকিস্তানের সাংবাদিক এবং প্রযুক্তিবিষয়ক ইউটিউবারদের একটি দলকে কারখানাটি ঘুরিয়ে দেখান ভিভোর কর্মী ওউ কি।

তিনি জানান, কারখানায় মূলত সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) ব্যবহার করে উৎপাদন করা হয়। স্মার্টফোন তৈরির জন্য এখানে রয়েছে ৩০টি প্রোডাকশন লাইন।

কারখানাটির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত বিষয়গুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। পুরো কারখানা এলাকাজুড়েই রয়েছে সবুজায়নের ব্যবস্থা।

৯ সেকেন্ডে তৈরি মাদারবোর্ড

স্মার্টফোন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় মাদারবোর্ড তৈরির মাধ্যমে। এখানে প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড তৈরি হয়ে যায়।

এরপর শুরু হয় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজনের কাজ। এ জন্য রয়েছে ১০টি অ্যাসেম্বলি লাইন। ধাপে ধাপে ফোনে যুক্ত করা হয় প্রসেসর, ক্যামেরা, স্পিকারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। একই সঙ্গে ফোনে ইনস্টল করা হয় সফটওয়্যার।

এরপর ফোন যায় চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপে। ফোনের পর্দা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় সময় লাগে মাত্র তিন সেকেন্ড।

মানুষের তদারকি, কাজ করে যন্ত্র

ভিভোর এই কারখানার উৎপাদনপ্রক্রিয়ার বড় অংশই স্বয়ংক্রিয়। বিভিন্ন যন্ত্র নিজে থেকেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় মানুষের তদারকি রয়েছে।

ভিভোর জন্য ব্যবহৃত স্মার্টফোন তৈরির যন্ত্রগুলো তৈরি করেছে আইকিউও। ফলে উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার দেখা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিভোর কারখানা

চীনে ডুনডুয়াংয়ের এই কারখানা ছাড়াও ভিভোর আরও একটি কারখানা রয়েছে। এর বাইরে ব্রাজিল, ভারত, তুরস্ক, মিসর, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানেও ভিভোর কারখানা রয়েছে।

বিশাল উৎপাদন সক্ষমতা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং একাধিক দেশে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

কালের আলো/এসএ

নয় গানে কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’

বিনোদন প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৪ অপরাহ্ণ
নয় গানে কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’

অডিও প্রযোজনার প্রচলিত বাজার যখন ধীরে ধীরে সংগীত থেকে সরে নাটক, ওয়েব কনটেন্ট ও দৃশ্যনির্ভর বিনোদনের দিকে ঝুঁকছে, তখন বাংলা গানের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)।

বাংলা গানের ভুবনকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন শিল্পীকে নিয়ে শুরু করেছে একক গানের ডিজিটাল অ্যালবাম প্রকাশের উদ্যোগ। সেই ধারাবাহিকতার প্রথম আয়োজন হিসেবে শিগগিরই প্রকাশ পাচ্ছে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী কাজী শুভর একক ডিজিটাল অ্যালবাম ‘কেউ বুঝলো না’।

নয় গানে ভিন্ন স্বাদের আয়োজন

নয়টি গান দিয়ে সাজানো হয়েছে অ্যালবামটি। এতে শ্রোতাদের ভিন্ন স্বাদের গান উপহার দেওয়ার চেষ্টা করেছেন কাজী শুভ।

অ্যালবামের গান লিখেছেন তরুণ মুন্সী, প্রয়াত পাগল হাসান, এ মিজান, জিসান খান শুভ, সলাহউদ্দিন সাগর, হুমায়ুন কবির, আরিফ হোসেন বাবু, আলামিন সরকার ও হানিফ খান।

গানগুলোর সুর করেছেন তরুণ মুন্সী, প্রয়াত পাগল হাসান, কাজী শুভ, জিসান খান শুভ, হুমায়ুন কবির, আলামিন সরকার, আহমেদ সজীব, আদিব কবির ও হানিফ খান। সংগীতায়োজন করেছেন রাফি মোহাম্মদ, আহমেদ সজীব ও আদিব কবীর।

অ্যালবামের একটি গানে কাজী শুভর সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠ দিয়েছেন বাঁধন সরকার পূজা।

দীর্ঘ বিরতির পর একক অ্যালবাম

দীর্ঘ বিরতির পর একক অ্যালবাম প্রকাশের খবরে উচ্ছ্বসিত কাজী শুভ। অ্যালবামটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ বছর পর আবার আমার একক অ্যালবাম প্রকাশ পাচ্ছে, বিষয়টি অত্যন্ত আনন্দের। অডিওর এই খারাপ সময়ে ধ্রুব দা যে ঝুঁকিটা নিয়েছেন, তার জন্য দাদার প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।’

তিনি আরও বলেন, অ্যালবামের নয়টি গানই নয় রকমভাবে করার চেষ্টা করেছেন। শ্রোতারা গানগুলো পছন্দ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বাংলা গান নিয়ে ডিএমএসের নতুন ভাবনা

বাংলা সংগীতাঙ্গনের প্রতি দায়বদ্ধতা ও ভালোবাসা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের কর্ণধার ও সংগীতশিল্পী ধ্রুব গুহ।

তিনি বলেন, ‘বাংলা গানকে বিশ্বময় ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ডিএমএস।’ তার মতে, শ্রুতির জগত যখন দৃশ্যনির্ভর বিনোদনের কাছে জায়গা হারাচ্ছে, তখন বাংলা গানের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ ভূমিকা রাখবে।

ডিএমএস সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই ইউটিউব, স্পটিফাইসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মে একযোগে প্রকাশ করা হবে ‘কেউ বুঝলো না’ অ্যালবামটি।

কালের আলো/এসএ

রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়নে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই সংযোগের ফলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ব্রিজটির উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল দুই এলাকার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। ফুটওভার ব্রিজটি চালু হওয়ায় এখন যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে। এতে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে।

তিনি জানান, শুধু এই ফুটওভার ব্রিজ নয়, এর পাশাপাশি আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ভবিষ্যতে এমআরটি নির্মাণের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোর ওপর চাপ কমাতে এসব ব্রিজ বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে যানজট নিরসনেও সহায়তা পাওয়া যাবে।

সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি