খুঁজুন
                               
, ,
           

রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ অপরাহ্ণ
রামপুরা খালের ওপর আফতাবনগর-বনশ্রী ফুটওভার ব্রিজ উদ্বোধন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অর্থায়নে রামপুরা খালের ওপর নির্মিত আফতাবনগর-বনশ্রী সংযোগকারী ফুটওভার ব্রিজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। নতুন এই সংযোগের ফলে দুই এলাকার বাসিন্দাদের যাতায়াতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আফতাবনগরে ব্রিজটির উদ্বোধন করেন ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আফতাবনগর ও বনশ্রী আবাসিক এলাকার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল দুই এলাকার মধ্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন। ফুটওভার ব্রিজটি চালু হওয়ায় এখন যাতায়াতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় সাশ্রয় হবে। এতে নগরবাসীর মূল্যবান সময় বাঁচবে।

তিনি জানান, শুধু এই ফুটওভার ব্রিজ নয়, এর পাশাপাশি আরও দুটি স্টিল ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে। এসব ব্রিজ দিয়ে ভারী যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ভবিষ্যতে এমআরটি নির্মাণের কাজ শুরু হলে প্রধান সড়কগুলোর ওপর চাপ কমাতে এসব ব্রিজ বাইপাস রুট হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে যানজট নিরসনেও সহায়তা পাওয়া যাবে।

সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মীর খায়েরুল আলম, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রাকিবুল হাসান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর হুমায়ুন কবির, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী খন্দকার মাহবুব হোসেনসহ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থানীয় সোসাইটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/এমএসআইপি 

পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সমস্যা সমাধানে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ-সহ সকল অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে সব পক্ষ সমান সুবিধা পায়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে অর্থ, শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে।

এসময় রাষ্ট্রপতি দেশের বিকাশমান অর্থনীতিতে শিল্প ও বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত এবং বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

জ্বালানি সংকট সমাধানে শিল্প মালিকদের সোলারসহ বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি। বলেন, সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের ধন্যবাদ জানান। এসময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস-সচিব উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’-এর জনপ্রিয়তা, অ্যামাজনে নিষিদ্ধ

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’-এর জনপ্রিয়তা, অ্যামাজনে নিষিদ্ধ

মেটার এআই এজেন্ট ‘মিউজ’ উন্মোচনের মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্যবহারকারীর হয়ে ই–মেইল পাঠানো, ভ্রমণের টিকিট বুক করা, অনলাইনে পণ্য কেনাসহ বিভিন্ন ডিজিটাল কাজ করতে পারে এই এআই এজেন্ট।

গত ৮ সেপ্টেম্বর চালুর পর দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপ স্টোরের শীর্ষে উঠে আসে মিউজ। সেন্সর টাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, দুই সপ্তাহে অ্যাপটি ২৫ লাখের বেশি বার ডাউনলোড হয়েছে।

তবে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি মিউজকে ঘিরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে অনলাইনে পণ্য কেনার ক্ষেত্রে মিউজের ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে অ্যামাজন।

কেন মিউজকে নিষিদ্ধ করল অ্যামাজন

অ্যামাজনের দাবি, মিউজ কোনো অনুমতি ছাড়াই তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটির মতে, এতে গ্রাহকের তথ্য ও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

অ্যামাজনের ওয়েবসাইটে মিউজ ব্যবহার করে পণ্য কেনার চেষ্টা করলে ব্যবহারকারীরা একটি সতর্কবার্তা দেখতে পাচ্ছেন। সেখানে মিউজকে ‘অননুমোদিত এআই এজেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে বলা হচ্ছে, এর মাধ্যমে অ্যামাজনে প্রবেশ প্রতিষ্ঠানটির ব্যবহারের শর্ত লঙ্ঘন করছে।

অ্যামাজনের ভাষ্য, মিউজ ওয়েবসাইটে প্রবেশের আগে তাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়নি। এমনকি মেটাও মিউজ সম্পর্কে আগে অ্যামাজনকে জানায়নি।

গ্রাহকের তথ্য নিয়ে উদ্বেগ

অ্যামাজনের অভিযোগ, মিউজ ব্যবহারকারীর লগইন তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে পারে। পাশাপাশি অ্যাকাউন্টের তথ্য পরিবর্তনের সক্ষমতাও রয়েছে এআই এজেন্টটির।

এসব কারণে গ্রাহকের গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে অ্যামাজন। এ কারণেই তাদের প্ল্যাটফর্মে মিউজের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মিউজ কীভাবে কাজ করে

মেটার তথ্যমতে, মিউজ এমন একটি এআই এজেন্ট, যা ব্যবহারকারীর নির্দেশ পাওয়ার পর নিজে থেকে একাধিক ধাপে কাজ সম্পন্ন করতে পারে। ‘স্পার্ক’ মডেলের ওপর ভিত্তি করে তৈরি এই এআই এজেন্ট সাধারণ চ্যাটবটের তুলনায় ভিন্নভাবে কাজ করে।

কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি মিউজ ব্যবহারকারীর হয়ে অনলাইনে বিভিন্ন ফরম পূরণ, ই–মেইলের ইনবক্স গোছানো, রান্নার রেসিপি থেকে বাজারের তালিকা তৈরি কিংবা অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণ পাঠানোর মতো কাজ করতে পারে।

এমনকি অনলাইনে পণ্য কেনার মতো কাজও সম্পন্ন করার সক্ষমতা রয়েছে মিউজের।

নিরাপত্তা ত্রুটির অভিযোগ

মিউজ নিয়ে নিরাপত্তা গবেষকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। গবেষকেরা মিউজের ম্যাকওএস অ্যাপে একটি ত্রুটি শনাক্ত করার কথা জানিয়েছেন।

তাঁদের দাবি, ওই ত্রুটি কাজে লাগিয়ে কম্পিউটারে থাকা ক্ষতিকর সফটওয়্যার মিউজের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করতে পারে। ফলে এআই এজেন্টটির কার্যকারিতার পাশাপাশি ব্যবহারকারীর ডিভাইস ও ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

কালের আলো/এসএ

প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৫৭ অপরাহ্ণ
প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড, দিনে তৈরি ২ লাখ স্মার্টফোন

সকাল সকাল পৌঁছে যাওয়া গেল চীনের ডুনডুয়াংয়ে স্মার্টফোন নির্মাতা ভিভোর কারখানায়। বিশাল এই কারখানায় রয়েছে বড় তিনটি ভবন। কর্মীদের থাকার জন্য আছে বেশ কয়েকটি বহুতল ডরমিটরি।

গবেষণা ও উন্নয়নের (আরঅ্যান্ডডি) জন্য তৈরি ভবনটির আয়তন প্রায় ১০ লাখ বর্গমিটার। একসময় এটিই ছিল ভিভোর সদর দপ্তর। আর স্মার্টফোন উৎপাদনের কাজ মূলত দুটি ভবনে পরিচালিত হয়।

এই কারখানা থেকেই প্রতি মাসে প্রায় ৬০ লাখ স্মার্টফোন উৎপাদন করা হয়। অর্থাৎ দিনে গড়ে প্রায় ২ লাখ ফোন।

৩০ উৎপাদন লাইনে তৈরি ফোন

বাংলাদেশ, মিসর ও পাকিস্তানের সাংবাদিক এবং প্রযুক্তিবিষয়ক ইউটিউবারদের একটি দলকে কারখানাটি ঘুরিয়ে দেখান ভিভোর কর্মী ওউ কি।

তিনি জানান, কারখানায় মূলত সারফেস মাউন্ট টেকনোলজি (এসএমটি) ব্যবহার করে উৎপাদন করা হয়। স্মার্টফোন তৈরির জন্য এখানে রয়েছে ৩০টি প্রোডাকশন লাইন।

কারখানাটির উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবেশগত বিষয়গুলোও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। পুরো কারখানা এলাকাজুড়েই রয়েছে সবুজায়নের ব্যবস্থা।

৯ সেকেন্ডে তৈরি মাদারবোর্ড

স্মার্টফোন তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয় মাদারবোর্ড তৈরির মাধ্যমে। এখানে প্রতি ৯ সেকেন্ডে একটি মাদারবোর্ড তৈরি হয়ে যায়।

এরপর শুরু হয় বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোজনের কাজ। এ জন্য রয়েছে ১০টি অ্যাসেম্বলি লাইন। ধাপে ধাপে ফোনে যুক্ত করা হয় প্রসেসর, ক্যামেরা, স্পিকারসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ। একই সঙ্গে ফোনে ইনস্টল করা হয় সফটওয়্যার।

এরপর ফোন যায় চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার ধাপে। ফোনের পর্দা চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় সময় লাগে মাত্র তিন সেকেন্ড।

মানুষের তদারকি, কাজ করে যন্ত্র

ভিভোর এই কারখানার উৎপাদনপ্রক্রিয়ার বড় অংশই স্বয়ংক্রিয়। বিভিন্ন যন্ত্র নিজে থেকেই নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় মানুষের তদারকি রয়েছে।

ভিভোর জন্য ব্যবহৃত স্মার্টফোন তৈরির যন্ত্রগুলো তৈরি করেছে আইকিউও। ফলে উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপে প্রযুক্তিনির্ভর স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার ব্যবহার দেখা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভিভোর কারখানা

চীনে ডুনডুয়াংয়ের এই কারখানা ছাড়াও ভিভোর আরও একটি কারখানা রয়েছে। এর বাইরে ব্রাজিল, ভারত, তুরস্ক, মিসর, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানেও ভিভোর কারখানা রয়েছে।

বিশাল উৎপাদন সক্ষমতা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং একাধিক দেশে কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে স্মার্টফোন উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থা পরিচালনা করছে প্রতিষ্ঠানটি।

কালের আলো/এসএ