খুঁজুন
                               
, ,
           

পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:১৯ অপরাহ্ণ
পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং সমস্যা সমাধানে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ-সহ সকল অংশীজনকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) সভাপতি মোহাম্মদ হাতেমের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে সব পক্ষ সমান সুবিধা পায়।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনীতিকে মজবুত করা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ব্যবসায়ীদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ দিতে অর্থ, শিল্প ও ব্যবসাবান্ধব নীতি গ্রহণ করেছে।

এসময় রাষ্ট্রপতি দেশের বিকাশমান অর্থনীতিতে শিল্প ও বাণিজ্যকে টিকিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা নিশ্চিত এবং বিনিয়োগ বাড়াতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার কমানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

জ্বালানি সংকট সমাধানে শিল্প মালিকদের সোলারসহ বিকল্প ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাওয়ার তাগিদ দেন তিনি। বলেন, সরকার দেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতিকে সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছে।

রাষ্ট্রপতি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার জন্য বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকদের ধন্যবাদ জানান। এসময় রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস-সচিব উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

জয়পুরহাট সীমান্তে ৫১ লাখ টাকার কষ্টিপাথর উদ্ধার

জয়পুরহাট সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
জয়পুরহাট সীমান্তে ৫১ লাখ টাকার কষ্টিপাথর উদ্ধার

জয়পুরহাট সীমান্ত এলাকা দিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে লুকিয়ে রাখা ৫১ কেজি ৬৫০ গ্রাম ওজনের একটি মূল্যবান কষ্টিপাথর উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধারকৃত এই কষ্টিপাথরের আনুমানিক বাজারমূল্য ৫১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা।

​বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জয়পুরহাট ২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ লতিফুল বারী এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

​বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবির একটি বিশেষ অভিযানিক দল কয়া বিওপি এলাকার ভূইডোবা নামক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে সীমান্ত পিলার ২৮২/২৫-এস থেকে প্রায় ৫০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে তল্লাশি চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় পাথরটি উদ্ধার করা হয়।

​বিজিবি জানায়, সংঘবদ্ধ চোরাকারবারি চক্রটি বিদেশে পাচারের উদ্দেশ্যে সীমান্ত এলাকায় কষ্টিপাথরটি মজুত করেছিল। পরবর্তীতে নওগাঁর বদলগাছীস্থ পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের প্রত্নতত্ত্ব বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরীক্ষা করিয়ে পাথরটির সত্যতা যাচাই ও সনদ সংগ্রহ করা হয়।

​আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উদ্ধার করা প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্রে জানা গেছে।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

সর্দি-কাশির ঘরোয়া যত্ন থেকে চিকিৎসা, জেনে নিন করণীয়

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
সর্দি-কাশির ঘরোয়া যত্ন থেকে চিকিৎসা, জেনে নিন করণীয়

সর্দি-কাশি খুবই সাধারণ একটি স্বাস্থ্যসমস্যা। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রাইনোভাইরাসসহ বিভিন্ন শ্বাসযন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণে এ সমস্যা দেখা দেয়। হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে সহজেই অন্যদের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে।

অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী, ইএনটি, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিক্যাল কলেজ, ধানমন্ডি, ঢাকা—সর্দি-কাশির লক্ষণ, করণীয় ও প্রতিরোধ সম্পর্কে পরামর্শ দিয়েছেন।

যেভাবে ছড়ায়

সর্দি-কাশির ভাইরাস সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়াতে পারে। এ ছাড়া ভাইরাসযুক্ত কোনো বস্তু স্পর্শ করার পর অপরিষ্কার হাতে চোখ, নাক বা মুখ স্পর্শ করলেও সংক্রমণ হতে পারে।

হাত মেলানো বা আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শের মাধ্যমেও ভাইরাস ছড়াতে পারে। ঠান্ডা বা ধুলাবালুযুক্ত পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকলে শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। শীত ও বর্ষাকালে এ ধরনের সংক্রমণ তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।

সাধারণ লক্ষণ

সর্দি-কাশির ক্ষেত্রে সাধারণত যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে—

  • নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ হওয়া
  • হাঁচি, বিশেষ করে সকালে
  • গলাব্যথা বা গলা শুকিয়ে যাওয়া
  • শুকনো কিংবা কফযুক্ত কাশি
  • শরীর বা মাথাব্যথা
  • মৃদু থেকে মাঝারি জ্বর
  • চোখ লাল হওয়া বা পানি পড়া
  • ক্লান্তি ও দুর্বলতা

কখনো ভাইরাসজনিত সংক্রমণের সঙ্গে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণও যুক্ত হতে পারে।

ঘরোয়া যত্নে যা করতে পারেন

সাধারণ সর্দি-কাশি অনেক ক্ষেত্রেই ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায়। উপসর্গের সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পানি পান করা জরুরি।

গরম পানি ও লবণ দিয়ে গার্গল করলে গলাব্যথায় সাময়িক আরাম মিলতে পারে। গরম পানির ভাপ নাক বন্ধভাব কমাতে সহায়ক হতে পারে। মধু বা আদা কিছু মানুষের কাশিতে আরাম দিতে পারে।

তবে যেকোনো ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যক্তির বয়স, অ্যালার্জি ও অন্যান্য শারীরিক অবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

ওষুধের ক্ষেত্রে সতর্কতা

জ্বর বা শরীরব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিটামল ব্যবহার করা যেতে পারে। নাক বন্ধ বা সর্দির উপসর্গের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শে ওষুধ নেওয়া উচিত।

কাশি শুকনো নাকি কফযুক্ত—তার ওপর চিকিৎসার ধরনও ভিন্ন হতে পারে। তাই নিজের ইচ্ছায় একাধিক কাশির ওষুধ না খাওয়াই ভালো।

সাধারণ ভাইরাসজনিত সর্দি-কাশিতে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োজন হয় না। ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ শনাক্ত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন

সর্দি-কাশির সঙ্গে নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি—

  • ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইট বা তার বেশি জ্বর এবং তা তিন দিনের বেশি থাকা
  • শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা
  • ঘন হলুদ বা সবুজ কফ
  • প্রচণ্ড দুর্বলতা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • দীর্ঘদিন ধরে কাশি থাকা

বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং দীর্ঘমেয়াদি কোনো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপসর্গ গুরুতর হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

প্রতিরোধে যা করবেন

সর্দি-কাশির সংক্রমণ এড়াতে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। অপরিষ্কার হাতে খাবার খাওয়া বা চোখ, নাক ও মুখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকা দরকার।

আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় রুমাল বা কনুই দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। পাশাপাশি পর্যাপ্ত বিশ্রাম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ শরীর সুস্থ রাখতে সহায়ক।

কালের আলো/এসএ

বিদ্যুৎ অবকাঠামো আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:১২ অপরাহ্ণ
বিদ্যুৎ অবকাঠামো আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ অনুমোদন

ঢাকার পার্শ্ববর্তী উপশহরাঞ্চলে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়ন ও শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ অর্থে শিল্প ও নগর অঞ্চলের বিদ্যুৎ অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি সরবরাহের নির্ভরযোগ্যতা ও দক্ষতা বাড়ানো হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এডিবির ঢাকা কার্যালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

‘পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট’-এর আওতায় বাংলাদেশ পল্লি বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) অধীন ঢাকা ও আশপাশের দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প ও নগর এলাকার ১৩টি পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির অবকাঠামো সংস্কার ও উন্নয়ন করা হবে।

বাড়বে সাবস্টেশনের সক্ষমতা

প্রকল্পের আওতায় ৫২টি নতুন সাবস্টেশনে ১ হাজার ১৫০ মেগাওয়াট-অ্যাম্পিয়ার (এমভিএ) ট্রান্সফরমার সক্ষমতা যুক্ত করা হবে। পাশাপাশি বিদ্যমান ১২টি সাবস্টেশনের সক্ষমতা ১১৫ এমভিএ বাড়ানো হবে।

এ ছাড়া ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটারের বেশি ওভারহেড ও আন্ডারগ্রাউন্ড বিতরণ লাইন নির্মাণ ও সংস্কার করা হবে। দ্রুত ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধানের জন্য ৯০০টি ‘ফল্ট লোকেটর সেট’ স্থাপন করা হবে। নদী পারাপারের ট্রান্সমিশন কাঠামো ও সুইচিং স্টেশনও নির্মাণ করা হবে।

জলবায়ু সহনশীলতায় গুরুত্ব

এডিবির ঋণের মধ্যে ১৪৬ দশমিক ৫২ মিলিয়ন ডলার জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে। প্রকল্পে পরিবেশবান্ধব ‘গ্যাস-ইনসুলেটেড সুইচগিয়ার’ প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে সিস্টেম লস কমানোর পাশাপাশি বছরে প্রায় ২ লাখ ৩ হাজার ৭৫১ টন গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে এডিবি।

এডিবির বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর কিংফেং ঝাং বলেন, টেকসই প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য আধুনিক বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ। ঢাকার আশপাশের শিল্প ও বাণিজ্যিক করিডোরে উন্নত প্রযুক্তি ও শক্তিশালী অবকাঠামো স্থাপনের মাধ্যমে প্রকল্পটি নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।

প্রশিক্ষণ পাবেন কর্মকর্তারা

প্রকল্পের আওতায় বিআরইবি ও পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাদের ডিজিটাল সিস্টেম, সাইবার নিরাপত্তা, পরিবেশগত ও সামাজিক সুরক্ষা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণের পাশাপাশি প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার ১০৭ দশমিক ৯৫ মিলিয়ন ডলার এবং বিআরইবি ১৪১ দশমিক ৩৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন করবে। এ ছাড়া উদ্ভাবনী প্রযুক্তি প্রয়োগ ও কৌশলগত পরিকল্পনার জন্য এডিবি পরিচালিত ‘রিপাবলিক অব কোরিয়া ই-এশিয়া অ্যান্ড নলেজ পার্টনারশিপ ফান্ড’ থেকে ১ মিলিয়ন ডলারের কারিগরি অনুদান দেওয়া হবে।

কালের আলো/এমএসআইপি