খুঁজুন
                               
, ,
           

বুক না কেটেই ১১ বছরের শিশুর অস্ত্রোপচার, পরদিনই খেলল ফুটবল

লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৯ অপরাহ্ণ
বুক না কেটেই ১১ বছরের শিশুর অস্ত্রোপচার, পরদিনই খেলল ফুটবল

দীর্ঘদিন ধরে মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিসে ভুগছিল ১১ বছরের একটি শিশু। রোগ নিয়ন্ত্রণে তাকে উচ্চমাত্রার ওষুধ নিতে হচ্ছিল। চিকিৎসকেরা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেও প্রচলিত পদ্ধতিতে বুকের হাড় কেটে অস্ত্রোপচার করতে হয় বলে ভয় পাচ্ছিল শিশুটি। পরিবারও এতে রাজি ছিল না। এভাবে কেটে যায় প্রায় ছয় মাস।

শেষ পর্যন্ত রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হয়েছে শিশুটির। বুকের হাড় কাটতে হয়নি; ছোট কয়েকটি ছিদ্রের মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়েছে পুরো প্রক্রিয়া। সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয়, অস্ত্রোপচারের পরদিন সকালেই চিকিৎসকের সঙ্গে ফুটবল খেলেছে শিশুটি।

রোবোটের সহায়তায় অস্ত্রোপচার

গত ২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে শিশুটির অস্ত্রোপচার করেন হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট অধ্যাপক মোফাসসেল উদ্দীন আহমেদ।

এর আগে ৩১ আগস্ট একই হাসপাতালে রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে একজন পুরুষ রোগীর পিত্তথলি এবং একজন নারী রোগীর জরায়ু অপসারণ করা হয়।

অধ্যাপক মোফাসসেল উদ্দীন আহমেদ বলেন, প্রচলিত পদ্ধতিতে এ ধরনের অস্ত্রোপচারের পর রোগীকে দীর্ঘ সময় ভারী কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়। খেলাধুলায় ফিরতেও কয়েক মাস সময় লাগে। কিন্তু রোবোটিক সার্জারির মাধ্যমে অস্ত্রোপচারের পর শিশুটিকে চিকিৎসকের অনুমতি নিয়ে পরদিনই ফুটবল খেলতে দেখা যায়।

রোবট নিজে অস্ত্রোপচার করে না

রোবোটিক সার্জারি নিয়ে অনেকের ধারণা, রোবট নিজে থেকেই অস্ত্রোপচার করে। চিকিৎসকেরা বলছেন, বিষয়টি এমন নয়। এখানে সার্জনই অস্ত্রোপচারের মূল নিয়ন্ত্রক, আর রোবট তাঁকে সহায়তা করে।

অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন বলেন, প্রচলিত অস্ত্রোপচারে সার্জন নিজের হাতে যন্ত্র পরিচালনা করেন। রোবোটিক সার্জারিতে সার্জন রোবোটিক বাহুগুলো নিয়ন্ত্রণ করেন। সামনে থাকা থ্রিডি মনিটরে অঙ্গপ্রত্যঙ্গের ত্রিমাত্রিক ও বড় আকারের ছবি দেখা যায়।

রোবোটিক যন্ত্রগুলো তুলনামূলক বেশি নমনীয় হওয়ায় সূক্ষ্ম ও জটিল জায়গায় কাজ করা সহজ হয়। যন্ত্রগুলোর প্রায় ৩৬০ ডিগ্রি নড়াচড়ার সুবিধাও রয়েছে।

রফিকুস সালেহীনের ভাষায়, দেশে রোবোটিক সার্জারির এই যাত্রা একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

চীনা প্রযুক্তির রোবট

ইউনাইটেড হেলথকেয়ারে ব্যবহৃত রোবটটির নাম ‘মেডবট তুমাই এন্ডোস্কোপিক সার্জিক্যাল রোবট’। চীনে তৈরি এই রোবটটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে আনা হয়।

রোবোটিক সার্জারি পরিচালনার জন্য হাসপাতালের চিকিৎসকেরা চীনে দুই দফা প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। প্রশিক্ষণের সময় কৃত্রিম অঙ্গ ও প্রাণীর অঙ্গে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করেন তারা। পরে চীনা চিকিৎসকদের সঙ্গে মানুষের অস্ত্রোপচারেও অংশ নেন।

প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট অর্জনের পর সরকারি অনুমতি পাওয়া গেলে গত মাসে দেশে রোবোটিক সার্জারির কার্যক্রম শুরু হয়।

অধ্যাপক রফিকুস সালেহীন জানান, ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ১২ জন রোগীর রোবোটিক সার্জারি করা হয়েছে। তাঁর দাবি, সবাই সুস্থ আছেন।

জটিল অস্ত্রোপচারে বাড়ছে ব্যবহার

ইউরোলজি বিভাগের প্রধান ও কনসালট্যান্ট হাসিনা সাদিয়া খান রোবটের সহায়তায় ১৭ বছর বয়সী এক রোগীর পাইলোপ্লাস্টি করেন। রোগীর শারীরিক গঠন তুলনামূলক চিকন হওয়ায় পেটে ল্যাপারোস্কপির মাধ্যমে কাজ করার জায়গা কম ছিল। রোবোটিক পদ্ধতিতে অল্প জায়গায়ও তুলনামূলক সহজে কাজ করা গেছে বলে জানান তিনি।

চিকিৎসকদের মতে, বিশ্বে রোবোটিক সার্জারির বড় একটি অংশ ইউরোলজিক অস্ত্রোপচারে ব্যবহৃত হয়। গাইনোকোলজিতেও এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।

অধ্যাপক সামছাদ জাহান বলেন, রোবোটিক সার্জারিতে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও গঠন বড় করে দেখা যায়। প্রায় ১৫ থেকে ২০ গুণ পর্যন্ত বড় করে দেখার সুবিধা রয়েছে। পাশাপাশি সার্জনের হাতের স্বাভাবিক কাঁপুনি বা ট্রেমর ফিল্টার করা যায়। এতে আশপাশের টিস্যুর ক্ষতি কমিয়ে তুলনামূলক নিখুঁতভাবে অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হতে পারে।

দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ

রোবোটিক সার্জারিতে সাধারণত ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হয়। ফলে প্রচলিত বড় কাটাছেঁড়ার তুলনায় রক্তপাত, ব্যথা ও শারীরিক ধকল কম হতে পারে এবং রোগী দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

অধ্যাপক মোফাসসেল উদ্দীন আহমেদের মতে, খেলোয়াড়দের মতো যাদের দ্রুত মাঠে ফিরতে হয়, তাদের ক্ষেত্রে এ ধরনের পদ্ধতি বিশেষভাবে সুবিধাজনক হতে পারে।

খরচ বেশি, তবে সম্ভাবনাও আছে

রোবোটিক সার্জারির অন্যতম বড় সীমাবদ্ধতা এর ব্যয়। দেশে এ ধরনের অস্ত্রোপচারের খরচ ল্যাপারোস্কপিক সার্জারির তুলনায় প্রায় দুই থেকে আড়াই গুণ বলে চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন। তবে বিদেশে একই ধরনের চিকিৎসার তুলনায় দেশের খরচ কম।

চিকিৎসকদের আশা, দেশে রোবোটিক সার্জারি চালু হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কিছুটা কমতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বিদেশ থেকেও রোগীরা বাংলাদেশে চিকিৎসা নিতে আসতে পারেন।

প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ

রোবোটিক সার্জারি চালু হওয়ায় দেশের চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণের সুযোগও বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বর্তমানে চিকিৎসকদের এ বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের জন্য বিদেশে যেতে হয়, যা ব্যয়বহুল।

অধ্যাপক সামছাদ জাহানের মতে, ভবিষ্যতে দেশের চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের দেশেই রোবোটিক সার্জারির প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।

চিকিৎসকদের ধারণা, আগামী দিনে কোলন, পাকস্থলী, অন্ত্র, কিডনি, প্রোস্টেট ও জরায়ুর বিভিন্ন অস্ত্রোপচারসহ ক্যানসারের চিকিৎসায় রোবোটিক সার্জারির ব্যবহার আরও বাড়তে পারে।

কালের আলো/এসএ

শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদান নিয়ে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৪ অপরাহ্ণ
শিশুস্বাস্থ্য ও টিকাদান নিয়ে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থল হোটেলে এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের জনস্বাস্থ্য ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান কর্মসূচি, সাশ্রয়ী মূল্যে ভ্যাকসিনের প্রাপ্যতা এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণের বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এ সময় দেশের থানা ও জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়ে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী ও গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও। পাশাপাশি এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং স্বাস্থ্য খাতের মানবসম্পদ উন্নয়ন নিয়েও আলোচনা হয়।

বৈঠকে এআই-সমন্বিত ডিজিটাল পাবলিক হেলথ কেয়ার সিস্টেম গড়ে তোলার পরিকল্পনার বিষয়টিও উঠে আসে। প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও আধুনিক, সহজলভ্য ও কার্যকর করার সম্ভাবনা নিয়ে দুই পক্ষ মতবিনিময় করেন।

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন, প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং শিশু ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিভিন্ন দিক নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।

কালের আলো/এমএসআইপি 

কক্সবাজার থেকে সাইকেলে ৩৮ দিনে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার থেকে সাইকেলে ৩৮ দিনে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার

কক্সবাজার থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে ৩৮ দিনে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছেছেন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের সাইক্লিস্ট ও অভিযাত্রী বীর কুমার তনচংগ্যা। ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে তিনি ৫ হাজার ৩৬৪ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছান।

জানা গেছে, স্থলপথে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছানো প্রথম পাহাড়ি তরুণ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে বীর কুমারকে।

কক্সবাজার থেকে হিমালয়ের পথে

‘সি টু হিমালয়াস এক্সপেডিশন ফর অ্যাওয়ারনেস’ নামে তাঁর এই অভিযান শুরু হয় ১৬ আগস্ট। কক্সবাজারের কবিতা চত্বর বিচ থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

এরপর বাইসাইকেলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বীর কুমার। ভারতের শিলিগুড়ি হয়ে পরে নেপালে পৌঁছান তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় হিমালয়ের দুর্গম পথে সাইকেল অভিযানের কঠিন পর্ব।

৩৮ দিনের এই অভিযাত্রায় পাহাড়ি পথ, দীর্ঘ দূরত্ব এবং উচ্চতার পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে।

শুধু এভারেস্ট জয় নয়, ছিল সচেতনতার বার্তা

বীর কুমার তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, এই অভিযানের উদ্দেশ্য শুধু হিমালয়ে পৌঁছানো ছিল না।

রক্তদান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা ছিল অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং দেশের অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগেও করেছেন নানা সাইকেল অভিযান

কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা বীর কুমার তনচংগ্যা এর আগেও সাইকেলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরেছেন। তিনি বাংলাদেশের ৬৪ জেলা সাইকেলে ভ্রমণ করেছেন। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছেন দেশের দীর্ঘ ক্রস-কান্ট্রি রুট।

এ ছাড়া ভারতের ১০টি রাজ্যেও সাইকেলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

অভিযানের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত বীর কুমার। তিনি ‘কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক’ ও ‘ওয়াগ্গা ভলান্টিয়ার’-এর প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কাজ করছেন তিনি।

এবার কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত থেকে হিমালয়ের পাদদেশ পর্যন্ত তাঁর ৩৮ দিনের সাইকেলযাত্রা সেই ধারাবাহিকতায় যোগ করল আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

কালের আলো/এসএ

মিডল্যান্ড ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার ও ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার নিয়োগ

চাকরি ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৪৩ অপরাহ্ণ
মিডল্যান্ড ব্যাংকে প্রবেশনারি অফিসার ও ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার নিয়োগ

মিডল্যান্ড ব্যাংক পিএলসিতে প্রবেশনারি অফিসার ও ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। উভয় পদেই কতজন নিয়োগ দেওয়া হবে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

প্রবেশনারি অফিসার

এই পদে আবেদন করতে স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি থাকতে হবে।

স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.০০ এবং এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.৫০ থাকতে হবে।

নিয়োগপ্রাপ্তদের এক বছরের প্রবেশনকাল থাকবে। এ সময়ে আকর্ষণীয় মাসিক পারিশ্রমিক দেওয়া হবে। সফলভাবে প্রবেশনকাল শেষ করতে পারলে ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী নিয়মিত ক্যাডারে নিয়োগ দেওয়া হবে।

ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার

এ পদে আবেদনের জন্য স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।

স্নাতক বা স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ন্যূনতম সিজিপিএ ২.৭৫ এবং এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ থাকতে হবে।

বয়সসীমা

প্রার্থীকে সর্বোচ্চ ৩২ বছর বয়সী হতে হবে।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রবেশনারি অফিসার পদের বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনের জন্য এখানে দেখুন

ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার পদের বিস্তারিত তথ্য ও আবেদনের জন্য এখানে দেখুন

আবেদনের শেষ তারিখ: ২০ অক্টোবর ২০২৬।

কালের আলো/এসএ