খুঁজুন
                               
, ,
           

কক্সবাজার থেকে সাইকেলে ৩৮ দিনে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার

ভ্রমণ ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:৫৪ অপরাহ্ণ
কক্সবাজার থেকে সাইকেলে ৩৮ দিনে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে বীর কুমার

কক্সবাজার থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে ৩৮ দিনে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছেছেন রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের সাইক্লিস্ট ও অভিযাত্রী বীর কুমার তনচংগ্যা। ২২ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে তিনি ৫ হাজার ৩৬৪ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছান।

জানা গেছে, স্থলপথে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে বাইসাইকেল চালিয়ে এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছানো প্রথম পাহাড়ি তরুণ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে বীর কুমারকে।

কক্সবাজার থেকে হিমালয়ের পথে

‘সি টু হিমালয়াস এক্সপেডিশন ফর অ্যাওয়ারনেস’ নামে তাঁর এই অভিযান শুরু হয় ১৬ আগস্ট। কক্সবাজারের কবিতা চত্বর বিচ থেকে প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

এরপর বাইসাইকেলে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাবান্ধা সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন বীর কুমার। ভারতের শিলিগুড়ি হয়ে পরে নেপালে পৌঁছান তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় হিমালয়ের দুর্গম পথে সাইকেল অভিযানের কঠিন পর্ব।

৩৮ দিনের এই অভিযাত্রায় পাহাড়ি পথ, দীর্ঘ দূরত্ব এবং উচ্চতার পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যেতে হয়েছে তাঁকে।

শুধু এভারেস্ট জয় নয়, ছিল সচেতনতার বার্তা

বীর কুমার তাঁর ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন, এই অভিযানের উদ্দেশ্য শুধু হিমালয়ে পৌঁছানো ছিল না।

রক্তদান, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু ন্যায্যতা নিয়ে সচেতনতা তৈরি করা ছিল অভিযানের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরা এবং দেশের অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনের সম্ভাবনাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতেও এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এর আগেও করেছেন নানা সাইকেল অভিযান

কাপ্তাই উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের বাসিন্দা বীর কুমার তনচংগ্যা এর আগেও সাইকেলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরেছেন। তিনি বাংলাদেশের ৬৪ জেলা সাইকেলে ভ্রমণ করেছেন। টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত পাড়ি দিয়েছেন দেশের দীর্ঘ ক্রস-কান্ট্রি রুট।

এ ছাড়া ভারতের ১০টি রাজ্যেও সাইকেলে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।

অভিযানের পাশাপাশি সামাজিক কর্মকাণ্ডেও যুক্ত বীর কুমার। তিনি ‘কাপ্তাই ব্লাড ব্যাংক’ ও ‘ওয়াগ্গা ভলান্টিয়ার’-এর প্রতিষ্ঠাতা। দীর্ঘদিন ধরে স্বেচ্ছায় রক্তদান এবং পরিবেশ সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে কাজ করছেন তিনি।

এবার কক্সবাজারের সমুদ্রসৈকত থেকে হিমালয়ের পাদদেশ পর্যন্ত তাঁর ৩৮ দিনের সাইকেলযাত্রা সেই ধারাবাহিকতায় যোগ করল আরেকটি উল্লেখযোগ্য অধ্যায়।

কালের আলো/এসএ

এইচএসসি ফল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
এইচএসসি ফল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশ হতে পারে তার একটি সম্ভাব্য সময় জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বলছে, ইতোমধ্যে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে যেকোন দিন এই ফলাফল প্রকাশ হতে পারে।

তবে কমিটি বলছে, ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তারিখ চূড়ান্ত হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এ লক্ষ্যে ফলাফল প্রস্তুতের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।’

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। সারাদেশে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা দেরিতে শেষ হয়েছে।

তবে দ্রুত ফলাফল প্রস্তুতের জন্য অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে সম্ভাব্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২ জুলাই শুরু হয়ে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা ছিল।

তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো আয়োজন করা হলে চট্টগ্রাম বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর। এরপর দ্রুততার সঙ্গে ফলাফল প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এসব পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন।

আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

এবার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এই বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯৩ জন। তারা ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

এ ছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

চীনের জাতীয় দিবসে শি জিনপিংকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৪ অপরাহ্ণ
চীনের জাতীয় দিবসে শি জিনপিংকে জামায়াত আমিরের শুভেচ্ছা

চীনের ৭৭তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, সরকার ও জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল শেরাটনের গ্র্যান্ড বলরুমে চীনা দূতাবাস আয়োজিত জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ শুভেচ্ছা জানান। এ সময় ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের হাতে শি জিনপিংকে উদ্দেশ করে লেখা একটি চিঠি তুলে দেন জামায়াত আমির।

চিঠিতে চীনের জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির প্রেসিডেন্ট, সরকার ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্ব ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় ও বিস্তৃত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের প্রতিনিধি ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। ডা. শফিকুর রহমান বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ও অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় করেন।

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মাসুম, রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আবদুল হালিম, মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল ও অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মো. মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এবং বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

অপরাধ দমনে প্রশাসন-পুলিশ-জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ: এ্যানি

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ
অপরাধ দমনে প্রশাসন-পুলিশ-জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ: এ্যানি

চট্টগ্রাম জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নয়নে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজের সম্মেলন কক্ষে চট্টগ্রাম জেলার আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিশেষ মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে পাহাড় কাটা ও অবৈধ বালু উত্তোলনের মতো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘বিশেষ করে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূলের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘১৭ বছরের একটা দীর্ঘদিনের ট্রেন্ড। এই ট্রেন্ড থেকে মুক্ত হয়ে আসার জন্য নির্বাচিত সরকারের এই মুহূর্তে কিছু কঠিন কঠিন পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রাম দেশের একটি ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। এ জেলার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাপন, নিরাপদ চলাচল এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে চট্টগ্রামকে আরও সুন্দরভাবে পরিচালনা করা হবে বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম জেলা আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটির বিশেষ সভায় জেলার নির্বাচিত সংসদ সদস্য, সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং মাঠ প্রশাসনের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ