খুঁজুন
                               
, ,
           

এইচএসসি ফল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৫২ অপরাহ্ণ
এইচএসসি ফল কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল কবে প্রকাশ হতে পারে তার একটি সম্ভাব্য সময় জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি বলছে, ইতোমধ্যে ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের জন্য প্রস্তুতি এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে যেকোন দিন এই ফলাফল প্রকাশ হতে পারে।

তবে কমিটি বলছে, ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। তারিখ চূড়ান্ত হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডগুলোর পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হবে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এসব তথ্য জানান।

অধ্যাপক আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘আগামী ৭ থেকে ১৫ নভেম্বরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হতে পারে। এ লক্ষ্যে ফলাফল প্রস্তুতের কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।’

এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। সারাদেশে মোট ২ হাজার ৬৯৭টি পরীক্ষাকেন্দ্র এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের তুলনায় কিছুটা দেরিতে শেষ হয়েছে।

তবে দ্রুত ফলাফল প্রস্তুতের জন্য অতিরিক্ত পরীক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ফলে সম্ভাব্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২ জুলাই শুরু হয়ে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ৮ আগস্ট শেষ হয়। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার পরিকল্পনা ছিল।

তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কয়েকটি লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠিত হয়নি।

পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো আয়োজন করা হলে চট্টগ্রাম বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর। এরপর দ্রুততার সঙ্গে ফলাফল প্রস্তুতের কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এসব পরীক্ষার্থী ১ হাজার ৬২৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দেন।

আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৪৬১টি কেন্দ্রে ৯২ হাজার ৯০৫ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৬১০টি কেন্দ্রে ১ লাখ ৭ হাজার ৯৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

এবার সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে। এই বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৩৯৩ জন। তারা ৩১০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছেন।

এ ছাড়া রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন, যশোরে ১ লাখ ১৭ হাজার ২১০ জন, দিনাজপুরে ১ লাখ ১৩ হাজার ৪৭৯ জন, চট্টগ্রামে ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন এবং কুমিল্লায় ৯৪ হাজার ৮০২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

অন্যদিকে, ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডে ৭৩ হাজার ৩৭ জন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৭১ হাজার ৭১১ জন এবং বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে ৫৮ হাজার ৬৬৪ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

শিক্ষাঙ্গন থেকে রাজপথ—একদিনে দুই মঞ্চে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

বিশেষ সংবাদদাতা ও ময়মনসিংহ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
শিক্ষাঙ্গন থেকে রাজপথ—একদিনে দুই মঞ্চে তথ্য প্রতিমন্ত্রী

একই দিনে সম্পূর্ণ দুটি ভিন্ন পরিসর। সকালে শিক্ষাঙ্গনে গিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময়, দুপুরে শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা; আর বিকেলে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব। ময়মনসিংহের নান্দাইলে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এমনই বহুমাত্রিক কর্মসূচিতে দিন কাটিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এবং ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের সংসদ সদস্য ইয়াসের খান চৌধুরী।

কর্মসূচির ধারাবাহিকতায় তাঁর দিনের চিত্রটি ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ—সকালে শিক্ষাঙ্গনে নীতিগত বার্তা, দুপুরে মানোন্নয়নে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা। আর বিকেলে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সম্মুখ নেতৃত্ব। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সরকারি দায়িত্ব ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের এই দুই স্রোত একই দিনে এসে মিলে নান্দাইলে ইয়াসের খান চৌধুরীর দিনলিপিতে।

  • শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে শিক্ষার মানে ছাড় না দেওয়ার ঘোষণা
  • বিকেলে অস্থিতিশীলতার অপচেষ্টার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব

শিক্ষার মানে আপসহীনতার বার্তা

নান্দাইল পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নকে অগ্রাধিকারের জায়গায় রেখে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নের প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছেন এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

শিক্ষার সঙ্গে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সক্ষমতাকে যোগ করে তিনি বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তুলতে শিক্ষার মানোন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক উন্নয়ন কার্যক্রম জোরদার করেছে।’

তাঁর বক্তব্যের গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে—শিক্ষার মানোন্নয়নকে তিনি কেবল অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, আধুনিক শিক্ষা উপকরণ এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক উন্নয়ন—এই তিনটি উপাদানকে একই কাঠামোর মধ্যে এনে শিক্ষার গুণগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার কথাই তুলে ধরেছেন।

শিক্ষাঙ্গন থেকে সবুজের বার্তা

এর আগে সকালে আনওয়ারুল হোসেন খান চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ পরিদর্শন করেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী। শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষা পরিবেশ ও কলেজের সার্বিক বিষয় নিয়ে মতবিনিময়ের পর কলেজ প্রাঙ্গণে একটি আমগাছের চারা রোপণ করেন তিনি। এ সময় তিনি বলেন, ‘সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উদ্যোগে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই কর্মসূচি সফল করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষার মান নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণের মধ্য দিয়ে দিনের প্রথম পর্বে শিক্ষা ও পরিবেশ—দুটি বিষয়ই সামনে আসে। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ঘিরে প্রতিমন্ত্রীর এই কর্মসূচিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের দিকটিও গুরুত্ব পেয়েছে।

কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে রাজনৈতিক ময়দানে

শিক্ষাঙ্গনের কর্মসূচি শেষ হওয়ার পর বিকেলে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টার প্রতিবাদে নান্দাইলে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের নান্দাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড থেকে শুরু হওয়া মিছিলটি স্থানীয় নতুন বাজারে উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান লিটন, সদস্য সচিব এনামুল কাদির, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূঁইয়া মনির, পৌর বিএনপি নেতা হাসনাত মাহমুদ তালহা, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইমরান সরকার এবং সদস্য সচিব খায়রুল ইসলাম শুভসহ দলীয় নেতাকর্মীরা।

কালের আলো/এমএএএমকে

জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে সমন্বিত উদ্যোগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:৪৫ অপরাহ্ণ
জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘে সমন্বিত উদ্যোগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বের সংকট মোকাবিলায় জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পাশে দাঁড়াতে এবং বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদার করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কনফারেন্স রুম-৪-এ আয়োজিত সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কের ফাঁকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের মতো উপকূলীয় ও দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর ওপর নেমে আসা বিপর্যয়ের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি কেবল একটি পরিবেশগত সমস্যা নয়; এটি বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ মানুষের জীবন, জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বহুমাত্রিক ও অস্তিত্বগত হুমকি।

বাংলাদেশসহ উপকূলীয় অঞ্চলের লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনই কার্যকর ভূমিকা না নিলে এই মানবিক ও অর্থনৈতিক ক্ষতির দায় সমগ্র বিশ্বকে বহন করতে হবে।

সংকট মোকাবিলায় বিশ্বনেতাদের সামনে কয়েকটি মৌলিক দাবির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমন্বিত উদ্যোগ, ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় (লস অ্যান্ড ড্যামেজ) তহবিলসহ সহজ শর্তে ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা, অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তির সহজলভ্যতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত এ বৈঠকে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, বিশ্বনেতা এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে সংকট উত্তরণের অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বৈঠকটি শেষ হয়।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ

ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের, হাসপাতালে ১৭৮২

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:২০ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও ৮ জনের, হাসপাতালে ১৭৮২

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৭৮২ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে ৩৪৫ জন, ঢাকা বিভাগে (মহানগরের বাইরে) ৩৭১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৮৮ জন, বরিশাল বিভাগে ১৬৪ জন, খুলনা বিভাগে ২৭৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৩০ জন, সিলেট বিভাগে ১৭ জন, রংপুর বিভাগে ৭৩ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১০৮ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এ পর্যন্ত ৬৩ হাজার ৮৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৫ হাজার ৬৬ জন।

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৬৯ হাজার ১৪৯ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে চলতি সেপ্টেম্বরেই আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৩০৩ জন, যা এ বছরের এক মাসে সর্বোচ্চ।

এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৬২ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৮ শতাংশ নারী। আর মৃতদের মধ্যে ৫২ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৪৭ দশমিক ৪ শতাংশ নারী। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মারা গেছেন ২০৯ জন।

এর আগে ২০২৫ সালে দেশে ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন এবং মারা যান ৪১৩ জন। ২০২৪ সালে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪, মৃত্যু হয় ৫৭৫ জনের। আর ২০২৩ সালে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন, মারা যান ১ হাজার ৭০৫ জন।

কালের আলো/আরডি/এমডিএইচ